কিভাবে নিজের ইচ্ছে ও স্বপ্নপূরণ করতে হয় তার জন্য আমাদের অনুপ্রেরণা হতে পারে হিরো আলমের জীবনী!
  • adminadmin
  • জানুয়ারি ২৪, ২০২৩

মাজহারুল ইসলাম।।পুরো একটা বিরুদ্ধ পরিবেশের বিপরীতে একা দাঁড়িয়ে কিভাবে নিজের ইচ্ছে ও স্বপ্নপূরণ করতে হয় তার জন্য আমাদের অনুপ্রেরণা হতে পারে হিরো আলমের জীবনী তার টাকা-পয়সা,খ্যাতি,প্রভাব,শিক্ষা কিংবা রূপ—কিছুই ছিলো না। একটা নিম্নবিত্ত পরিবারে জন্ম। ছোটবেলায় একবেলা খাবার খেতে পারলে দুইবেলা উপবাস থাকা লাগছে,বাবা চানাচুর বিক্রি করে সংসার চালাতো। সারাদিন হকারি করে রাতে ফিরেই স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করা ছিলো তার বাবার নিত্যদিনের কাজ। ক্লাশ থ্রি বা ফোরে থাকা অবস্থায় এক বৃষ্টিস্নাত রাতে হিরো আলম ওরফে আশরাফুল আলমের মাকে মেরে ছেলেকেসহ ঘর থেকে বের করে দেয়। সে রাতে হিরো আলম মায়ের সাথে চলে আসেন নানার বাড়িতে। এখানেই তার শিক্ষা জীবনের সমাপ্তি ঘটে। তারপর ক্যাসেটের দোকান দিয়ে পরিবার চালিয়েছেন। কিন্তু তার স্বপ্ন ছিলো অনেক বড়ো। বলতে গেলে আকাশকুসুম কল্পনা। সিনেমায় অভিনয় করা। সে যত পরিচালকের কাছে ততজনই তাকে অপমান, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বিদায় করে দিছে। অথচ দেখেন সে দমিয়ে যায়নি, নিজের স্বপ্নপূরণ করতে কোনো কমতি রাখেনি। একটা বিরুদ্ধ পরিবেশে বিপরীতে একাই লড়াই করেছে। এবং বলা যায় সফলও হয়েছে। আজকে হয়ত আপনি তাকে ঘৃণা করতে পারেন, মূর্খ বলে গালাগালি করতে পারেন। করেন সমস্যা নাই, কিন্তু তার আগে আমার প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন— আচ্ছা আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় এতো এতো ট্রল, হাসাহাসির শিকার হতেন, কখনো এভাবে টিকে থাকতে পারতেন, নাকি তার আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়তেন? এতো এতো মানুষের কাছে তুচ্ছতাচ্ছিল্য, গালমন্দের শিকার হওয়ার পরও নিজের স্বপ্নপূরণ করতে এভাবে লড়াই করে যেতে পারতেন? আমার মনে হয় না আপনারা কেউ উত্তর – হ্যা দেবেন। অথচ দেখেন হিরো আলম কিন্তু পেরেছে। আশরাফুল আলম থেকে নিজের নাৃ হিরো আলম বানাতে পেরেছে। আজকে সে কোটি টাকার মালিক, এক সময় যাঁরা তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতো তারাই আজকে তাকে ব্যবসার জন্য…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
বাসর রাতে সহবাসের পর রক্তক্ষরণ হলো না কেনো?
  • adminadmin
  • জানুয়ারি ২৩, ২০২৩

মাজহারুল ইসলাম।।বাসর রাতে সহবাসের পর রক্তক্ষরণ হলো না কেনো?অসত্বী কথাটা বলেই রিয়াকে খাট থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেয় মেঝেতে।রিয়া নিস্তব্ধ।তার মুখে কোনোই কথা নেই।এতকিছু হয়ে গেল তার সাথে তবু সে টু শব্দও করেনি। এদিকে রিয়াদ এসে রিয়ার হাত ধরে টানতে টানতে রুম থেকে বের করে নিয়ে যাচ্ছে।বাড়ির সবাই এই দৃশ্য দেখে নানান রকম প্রশ্ন করলেও কারো প্রশ্নেরও জবাব সে দেয়নি।রিয়াকে নিয়ে সোজা চলে আসে তার শশুড় বাড়ি। এত সকালে মেয়ে আর নতুন জামাইকে দেখে রিয়ার বাবা মা অবাক হয়ে যায়! এদিকে রিয়াদ রিয়ার হাতটা ছেড়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় মাটিতে।বলতে শুরু করে….আপনাদের মেয়েকে দিয়ে গেলাম।আপনাদের কাছেই রাখুন।যে মেয়ে কিনা বিয়ের আগে তার সতীত্ব বিলিয়ে দেয়,তার জায়গা এই রিয়াদ চৌধুরীর বাড়িতে নেই। রিয়ার বাবা কথা গুলো শুনে যেনো আকাশ থেকে পড়ল। কাকুতি মিনতি করে বলতে লাগলো…. দেখো বাবা কোথাও হয়তো ভুল হচ্ছে।আমাদের মেয়েকে আমারা এই শিক্ষা দিয়ে মানুষ করিনি! ঠিকই বলছি,কি করে সাহস হয় এই নষ্টা মেয়ের আমার সাথে বিয়ে দেয়ার?কাল ডিভোর্স পেপার পাঠিয়ে দিব যেন সই করে পাঠিয়ে দেয়। কথাগুলো বলে রিয়াদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে চলে গেল।এদিকে এখনো রিয়ার মুখে কোনো কথা নেই।চুপ করে বসে আছে।রিয়ার বাবা মা তাকে এমনভাবে বসে থাকতে দেখে তার কাছে গেল।রিয়ার মা কাদতে কাদতে বলতে লাগলো….যে মেয়ে আমার অবৈধ সম্পর্ক তো দূরের কথা কখনও কোনো অপরিচিত পুরুষের সাথে কথা পর্যন্ত বলেনি তার নামে এমন অপবাদ।যার হাজারও কল্পনা,স্বপ্ন ছিল যে স্বামী নিয়ে আজ সেই স্বামীই তারে এমন মিথ্যা অপবাদ দিল? রিয়া মায়ের হাতটা ধরে বলতে লাগলো….তুমি কিচ্ছু ভেবো না মা,সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।আর বাবা?তুমি যত দ্রুত সম্ভব এই শহর ছাড়ার ব্যাবস্থা কর।আমার দূরে কোথাও চলে যাবো——। কয়েক দিনের মধ্যে রিয়ারা অন্য শহরে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
“আপনার চিকিৎসার খরচ হলো পুরো এক গ্লাস দুধ”
  • adminadmin
  • জানুয়ারি ১৩, ২০২৩

মাজহারুল ইসলাম।।একদিন একটা গরীব ছেলে রাস্তায় হাঁটছিলো।সে তার লেখাপড়ার খরচ জোগাড় করার জন্য ঘরে ঘরে গিয়ে বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করতো।ছেলেটার গায়ে ছিলো একটা জীর্ন মলিন পোষাক।সে ভীষণ ক্ষুধার্ত ছিলো।সে ভাবলো যে পরে যে বাড়ীতে যাবে,সেখানে গিয়ে সে কিছু খাবার চাইবে। কিন্তু সে যখন একটা বাড়ীতে গেল খাবারের আশা নিয়ে, সে ঘর থেকে একজন সুন্দরী মহিলা বেরিয়ে এলেন।সে খাবারের কথা বলতে ভয় পেলো।সে খাবারের কথা না বলে শুধু এক গ্লাস পানি চাইলো।মহিলা ছেলেটার অবস্থা দেখে বুঝলেন যে সে ক্ষুধার্থ।তাই তিনি ছেলেটাকে একটা বড় গ্লাস দুধ এনে দিলেন।ছেলেটা আস্তে আস্তে দুধটুকু খেয়ে বলল” আপনাকে আমার কত টাকা দিতে হবে এই দুধের জন্য?” মহিলা বলল “তোমাকে কোন কিছুই দিতে হবে না।ছেলেটা বলল “আমার মা আমাকে বলেছেন কখনো করুণার দান না নিতে।তাহলে আমি আপনাকে মনের অন্ত:স্থল থেকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।” ছেলেটার নাম ছিলো স্যাম কেইলি।স্যাম যখন দুধ খেয়ে ওই বাড়ি থেকে বের হয়ে এল,তখন সে শারীরিকভাবে কিছুটা শক্তি অনুভব করলো।স্যাম এর বিধাতার উপর ছিলো অগাধ বিশ্বাস।তাছাড়া সে কখনো কিছু ভুলতো না । . অনেক বছর পর ঐ মহিলা মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লো ।স্থানীয় ডাক্তাররা তাকে সুস্থ করতে চেষ্টা করেও ব্যার্থ হল । তখন তাকে পাঠানো হলো একটা বড় শহরের নামকরা হাসপাতালে।যেখানে দুর্লভ ও মারাত্মক রোগ নিয়ে গবেষণা ও চিকিৎসা করা হয়। ডা: স্যামকেইলি কে এই মহিলার দায়িত্ব দেওয়া হলো । যখন ডাঃ স্যাম কেইলি শুনলেন যে মহিলা কোন শহর থেকে এসেছেন।তার চোখের দৃষ্টিতে অদ্ভুত একটা আলো যেন জ্বলে উঠলো।তিনি তাড়াতাড়ি ঐ মহিলাকে দেখতে গেলেন । ডাক্তারের এপ্রোন পরে তিনি মহিলার রুমে ঢুকলেন এবং প্রথম দেখাতেই তিনি মহিলাকে চিনতে পারলেন।তিনি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলেন যে,যেভাবেই হোক তিনি মহিলাকে বাঁচাবেনই।ওইদিন থেকে তিনি ঐ…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
২০২২ ছিল বিদ্যুৎ-জ্বালানিসংকট, ক্ষুধা ও বেকারত্বের বছর,নিম্ন ও মধ্যবিত্তের টানাপোড়েনের বছর
  • adminadmin
  • ডিসেম্বর ৩১, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।বছরের প্রথম সকালে নতুন বই সংগ্রহের মধ্য দিয়ে ২০২২ সাল শুরু করেছিল প্রাথমিকের শিশু-কিশোরেরা।বছরের প্রথম দিনে ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছিল দেশের অধিকাংশ অঞ্চল।এই ঘন কুয়াশা যেন সারাটি বছর বিরাজ করেছে দেশের সংকটময় অর্থনীতিতে।শীতের কুয়াশা ভেদ করে সূর্যালোক উঁকি দেওয়ার মতো করে জাতীয় জীবনে আনন্দ নিয়ে এসেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু,কর্ণফুলী টানেল এবং দেশের ইতিহাসের প্রথম মেট্রোরেলের উদ্বোধন।পদ্মা সেতুর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের যোগাযোগ সহজ হয়েছে।মেট্রোরেলে ঢাকার যানজট সমস্যার সমাধান প্রশ্নে অগ্রগতির সূচনা হয়েছে। ২০২২ সাল ছিল লাগামহীন দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির বছর। ভোজ্যতেল ও চালের মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল। টিসিবির লাইনে অপেক্ষমাণ মানুষের দীর্ঘ লাইন ছিল দৃষ্টিকটু। এসব লাইনে নিম্নবিত্তের পাশাপাশি মধ্যবিত্তের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি সবাইকে আশাহত করেছে।নব্বইয়ের দশকের পর ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো সরকারি হিসাবেই মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছে,বেসরকারি হিসাবে মূল্যস্ফীতি ছিল অনেক বেশি।এ বছর জ্বালানি তেলের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে।জনজীবনে নাভিশ্বাস এসেছে,শিল্পকারখানায় কর্মী ছাঁটাই বেড়েছে।২০২২ ছিল বিদ্যুৎ-জ্বালানিসংকট, ক্ষুধা ও বেকারত্বের বছর,নিম্ন ও মধ্যবিত্তের টানাপোড়েনের বছর। করোনা এবং ইউক্রেন যুদ্ধকেন্দ্রিক বৈশ্বিক সমস্যার সঙ্গে, ব্যাপক আমদানি বৃদ্ধি,অকার্যকর মুদ্রানীতি ও রিজার্ভ ঋণ ফেরত না আসা,ব্যাংকিং অপব্যবস্থাপনা,ঋণখেলাপি,পাচার—সব মিলে দেশের ডলার রিজার্ভের পতন হয়।২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাণিজ্য ঘাটতি হয় প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার।৮৩ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড আমদানি বাড়ায়,ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানিও অর্থনীতিকে স্বস্তি দেয়নি।বরং ডলার বাঁচাতে জ্বালানি আমদানি বন্ধ করলে তেল-গ্যাসের অভাবে কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে রাখা হয়।শিল্পের কাঁচামাল,ট্রেডিং পণ্যসহ যাবতীয় আমদানির ঋণপত্র বা এলসি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়।এতেও ডলার রিজার্ভের পতন ঠেকানো যায়নি,সরকারকে নিজস্ব আমদানি এবং বেসরকারি চাহিদায় ক্রমাগতভাবে খোলাবাজারে ডলার ছাড়তে হয়েছে।এক পঞ্জিকাবর্ষে ডলারের বিপরীতে টাকার ইতিহাসের সর্বোচ্চ দরপতন ঘটেছে। এক বছরে সরকারি হিসাবেই ডলার রিজার্ভের ক্ষয় হয়েছে প্রায় ১১ বিলিয়ন…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
কোটাসংক্রান্ত সরকারের ব্যাপকভিত্তিক সিদ্ধান্তটির ব্যতিক্রমও ক্ষেত্রবিশেষে হতে পারে
  • adminadmin
  • ডিসেম্বর ২৬, ২০২২

আলী ইমাম মজুমদার।।দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর সহকারী শিক্ষক পদে অতিসম্প্রতি ৩৭ হাজারের বেশি প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এটা জেনে সবারই ভালো লাগার কথা। শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তিস্তরে তাঁরা পাঠদান করবেন। শিক্ষকঘাটতি পূরণ করতেও এ নিয়োগ সুফল দেবে কিছুটা। এত তরুণ-তরুণীর একসঙ্গে নিয়োগ পাওয়াও দেশের চাকরির বাজারের জন্য সুসংবাদই বটে। তবে এর ভেতর কিছুটা ক্ষোভও লক্ষ করা যাচ্ছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়,এ ক্ষোভ নিয়োগ পরীক্ষার কোনো ত্রুটি–বিচ্যুতি নিয়ে নয়। পূর্বনির্ধারিত যথাযথ নিয়মনীতি মেনেই হয়েছে নিয়োগ পরীক্ষার সব পর্ব। তবে উল্লেখ করতে হয়,নিয়োগবিধি অনুসারে এ চাকরির শূন্য পদ পূরণ করতে হয় প্রতি উপজেলায় যথাক্রমে ৬০ ও ২০ শতাংশ পদে নারী ও শিক্ষক কর্মচারীর পোষ্যদের মধ্য থেকে। উন্মুক্ত রয়েছে অবশিষ্ট ২০ শতাংশ। সেটাকে মেধা কিংবা সাধারণ কোটা বলে উল্লেখ করা যায়। উল্লিখিত কোটাব্যবস্থার যৌক্তিকতা নিয়ে এখানে প্রশ্ন আসছে। দাবি উঠছে, এগুলো রদ করে পুরো মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য।উল্লেখ করতে হয়,প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের পদটি বেতন স্কেলের ১৩তম গ্রেডে। তিন–চার বছর আগে নিয়োগ পর্বে সব চাকরিতে ব্যাপকভিত্তিক কোটাব্যবস্থা ব্যাপক জন–অসন্তোষের ভেতর অনেক পর্যালোচনা করে আলোচ্য গ্রেড পর্যন্ত বাতিল করা হয়।সিদ্ধান্ত হয়, এ স্তর পর্যন্ত নিয়োগ পর্বে শুধু মেধাকে ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।সুতরাং দাবিটি উপেক্ষা করার মতো—এমনও বলা যাবে না। বিষয়টি বিভিন্ন আঙ্গিকে বিবেচনা করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রথমে বলতে হয়,এ পদ বেতন স্কেলের এক ধাপ নিচে ছিল। শিক্ষকদের জোরদার দাবির মুখে উন্নীত করা হয় এটি। সুতরাং সোজাসাপটা বলার থাকে,পদের মান ও সঙ্গে বেতন–ভাতাদি বৃদ্ধির পাশাপাশি এর নিয়োগের বিধানও কোটাসংক্রান্ত সরকারের প্রচলিত সাধারণ নীতিমালার আওতায়ই আসার কথা।সে অনুসারে সংশোধন হওয়া প্রয়োজন প্রচলিত নিয়োগ বিধি এবং কোটা সংরক্ষণবিষয়ক বিধানগুলোর। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নারীদের এখনো সমাজের অনগ্রসর অংশ বলে বিবেচনা করা যায়।তবে শিক্ষক–কর্মচারীর…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
বিশ্বে অনলাইন শ্রমশক্তিতে ভাল অবস্থানে রয়েছে-বাংলাদেশ
  • adminadmin
  • ডিসেম্বর ১৩, ২০২২

পলক।।ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি প্রেরণাদায়ী অঙ্গীকার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপ তথ্যপ্রযুক্তি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা করেন। এ রূপকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে বাংলাদেশ বিপ্লব সাধন করেছে। যে গতিতে বিশ্বে প্রযুক্তির বিকাশ ঘটেছে তা সত্যিই অভাবনীয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় এবং আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ বৈশ্বিক ডিজিটাল অগ্রগতি থেকে একটুও পিছিয়ে নেই। অদম্য গতিতে আমরা চলছি তথ্যপ্রযুক্তির এক মহাসড়ক ধরে। আমাদের সাফল্য গাঁথা রয়েছে এ খাতে। যা সত্যিই গৌরব ও আনন্দের। ডিজিটাল দেশ হিসেবে সারা বিশ্বের বুকে আত্মপ্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। ডিজিটাল বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে স্বাধীন বাংলাদেশে বিজ্ঞান, কারিগরি ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের ভিত যার হাত ধরে রচিত হয়েছিল, তা তুলে ধরাও আজ প্রাসঙ্গিক। ডিজিটাল বিপ্লবের শুরু ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কারের ফলে। ইন্টারনেটের সঙ্গে ডিভাইসের যুক্ততা মানুষের দৈনন্দিন জীবন, সংস্কৃতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। বিজ্ঞান, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ফলে বিশ্বে উন্নয়ন দারুণ গতি পায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর গুরুত্ব গভীরভাবে উপলব্ধি করেন। কারণ, তিনি গড়তে চেয়েছিলেন সোনার বাংলা। তার এ স্বপ্নের বাস্তবায়নে তিনি ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সময় পান মাত্র সাড়ে তিন বছর। এ সময়ে প্রজ্ঞাবান ও বিচক্ষণ রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধু তার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ এমন কোনো খাত নেই, যেখানে পরিকল্পিত উদ্যোগ ও কার্যক্রমের বাস্তবায়ন করেননি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৫টি সংস্থার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) সদস্যপদ লাভ করে। আর্থসামাজিক জরিপ, আবহাওয়ার তথ্য আদান-প্রদানে আর্থ-রিসোর্স টেকনোলজি স্যাটেলাইট প্রোগ্রাম বাস্তবায়িত হয় তারই নির্দেশে। ১৯৭৫ সালের…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সকল মানুষ ধর্ম এবং বাক স্বাধীনতা ভোগ করবে এবং অভাব ও শংকামুক্ত জীবন যাপন করবে;
  • adminadmin
  • ডিসেম্বর ৫, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।মানুষ যাতে অত্যাচার ও উত্‍পীড়নের মুখে সর্বশেষ উপায় হিসেবে বিদ্রোহ করতে বাধ্য না হয় সেজন্য আ‌ইনের শাসন দ্বারা মানবাধিকার সংরক্ষণ করা অতি জরুরী। মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র,১৯৪৮ মুখবন্ধ—যেহেতু মানব পরিবারের সকল সদস্যের সমান ও অবিচ্ছেদ্য অধিকারসমূহ এবং সহজাত মর্যাদার স্বীকৃতিই হচ্ছে বিশ্বে শান্তি,স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের ভিত্তি;মানব অধিকারের প্রতি অবজ্ঞা এবং ঘৃণার ফলে মানুষের বিবেক লাঞ্ছিত বোধ করে এমন সব বর্বরোচিত ঘটনা সংঘটিত হয়েছে এবং যেহেতু এমন একটি পৃথিবীর উদ্ভবকে সাধারণ মানুষের সর্বোচ্চ কাংখা রূপে ঘোষণা করা হয়েছে,যেখানে সকল মানুষ ধর্ম এবং বাক স্বাধীনতা ভোগ করবে এবং অভাব ও শংকামুক্ত জীবন যাপন করবে। জাতিসমূহের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নের প্রয়াস গ্রহণ করা অত্যাবশ্যক; সদস্য জাতিসমূহ জাতিসংঘের সনদে মৌলিক মানবাধিকার, মানব দেহের মর্যাদা ও মূল্য এবং নারী পুরুষের সমান অধিকারের প্রতি তাঁদের বিশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং বৃহত্তর স্বাধীনতার পরিমণ্ডলে সামাজিক উন্নতি এবং জীবনযাত্রার উন্নততর মান অর্জনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়েছেন।; সদস্য রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সহযোগিতায় মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা সমূহের প্রতি সার্বজনীন সম্মান বৃদ্ধি এবং এদের যথাযথ পালন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্য অর্জনে অঙ্গীকারবদ্ধ।; স্বাধীনতা এবং অধিকারসমূহের একটি সাধারণ উপলব্ধি এ অঙ্গীকারের পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।সাধারণ পরিষদ এই মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র জারী করছে এ ঘোষণা সকল জাতি এবং রাষ্ট্রের সাফল্যের সাধারণ মানদণ্ড হিসেবে সে‌ই লক্ষ্যে নিবেদিত হবে,যেখানে প্রতিটি ব্যক্তি এবং সমাজের প্রতিটি অঙ্গ এ ঘোষণাকে সবসময় মনে রেখে পাঠদান ও শিক্ষার মাধ্যমে এ‌ই স্বাধীনতা ও অধিকার সমূহের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করতে সচেষ্ট হবে এবং সকল সদস্য রাষ্ট্র ও তাদের অধীনস্থ ভূখণ্ডের জাতিসমূহ উত্তরোত্তর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রয়াসের মাধ্যমে এ‌ই অধিকার এবং স্বাধীনতাসমূহের সার্বজনীন ও কার্যকর স্বীকৃতি আদায় এবং যথাযথ পালন নিশ্চিত করবে। ধারা ১ সমস্ত মানুষ স্বাধীনভাবে সমান মর্যাদা এবং অধিকার নিয়ে জন্মগ্রহণ…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আমার স্বামী আমার উপর অসন্তুষ্ট হয়ে প্রায়ই নষ্ট নারীদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করে
  • adminadmin
  • নভেম্বর ১৩, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।স্ত্রী হিসেবে আমি আমার দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করতে পারছি না। সেটা আমি নিজেই বুঝতে পারছিলাম। কিন্তু আমার স্বামী আমাকে এর জন্য কখনো কিছু বলেনি। সে আমার অসুস্থ শরীর নিয়ে কিছু বলে আমাকে কষ্ট দিতে চায়নি।আমরা দুজনেই দু’জনকে অনেক ভালোবাসি।কিন্তু হঠাৎ শুনতে পেলাম। আমার স্বামী আমার উপর অসন্তুষ্ট হয়ে প্রায়ই নষ্ট নারীদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করে। আমি নাকি তাকে সুখী করতে পারছিনা! তার বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে এই কথা ছড়িয়ে পড়লো। কথাটা শুনে প্রথমে আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হলো। ভাবলাম নিশ্চয়ই আমাদের সুখের সংসারে কারও নজর লেগেছে! তাই দুজনের ভালোবাসায় ফাটল ধরাতে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে কেউ এমন কাজ করছে। নিশ্চয়ই সে চাইছে আমাদের সুখের সংসারে আগুন লাগুক! আমরা আলাদা হয়ে যাই। আমার স্বামী আমাকে অনেক ভালোবাসে। বিয়ের আগেই আমরা দুজনেই একে অপরকে পছন্দ করেছি। তারপর গভীর ভালোবাসা! পারিবারিক সম্মতি ছাড়াই দু’জনে বিয়ে করেছি। আমাদের মধ্যে ফাটল ধরানো এতো সহজ না। কিন্তু তবুও কথাটা শোনার পর থেকে মনে শান্তি পাচ্ছিলাম না। তাই অনুসন্ধান শুরু করলাম। দেখার জন্য জানার জন্য, সত্যি কি এমন কোন কিছু হয়েছে কি-না? যেদিন প্রমাণ পেলাম ঘটনা সত্যি! সেদিন আমার খুব কষ্ট হয়েছে। তবুও তা চেপেই গেলাম। কিন্তু উপলব্ধি করলাম তার এখন আর আমার দিকে তেমন কোন আকর্ষণ নেই।ভাবি, তার কি দোষ? অসুস্থ মানুষের সাথে কার কতোদিন ভালো লাগে? তাই দুজনেই একদিন মুখোমুখি বসে একটা সমাধান করার চেষ্টা করলাম। বললাম আমি জানি তুমি আমার অসুস্থতা মেনে নিতে পারছো না। তাই বলে এমন ভাবে নিজেকে পাপের পথে ঠেলে দিবে? সে মাথা নিচু করে জবাব দেয়, তবে আমার আর কি করার আছে? ওর কথা শুনে অবাক হলাম। জিজ্ঞেস করলাম আমাদের দুটি মনের ভালোবাসার কোন মূল্য নেই তবে? সে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
মানুষ কল্পনাতেই বেশি সুখী
  • adminadmin
  • নভেম্বর ১৩, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।সারা গায়ে সাবান মাখার পরে দেখি শাওয়ার দিয়ে পানি পড়ে না!ট্যাঙ্কিতে পানি নাই। বাসায় বিদ্যুৎ নাই। টিউবওয়েল নাই। বউ নাই।ভাবতেছি, ইশ! এখন যদি একটা বউ থাকত তারে নিয়া টিউবওয়েলে যাইতাম। সে পানি তুলে দিত আর আমি গায়ে ঢালতাম। হঠাৎ ইচ্ছে করে তার মুখে সাবানের ফেনা মাখিয়ে দিতাম।কেউ একজন ঠিকই বলেছিল, “মানুষ কল্পনাতেই বেশি সুখী।” আমিও কল্পনা করতেছি। এই মাঝরাতে আমি গোসল করতেছি। গায়ে সাবান মাখতেছি।বউ টিউবওয়েল চেপে পানি তুলে দিচ্ছে। আমি আঁড়চোখে তাকালে সে মতলব বুঝতে পেরে শাসন করে বলছে,”একদম ওইসব চিন্তা করবা না! আমি কিন্তু তোমার জন্য শীতের মধ্যে এত রাতে গোসল করতে পারব না!”

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
খুব সাধারণ একটা ছেলে বিয়ে করবো-মনি
  • adminadmin
  • নভেম্বর ১৩, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।উচ্চতায় ছয় ফিট, ফর্সা গড়নে চাপদাড়ি কিংবা কর্পোরেট অফিসের বড় অফিসার হতে হবে না তবে ব্যাক্তিত্বে হতে হবে পরিপূর্ণ, মানসিকতায় হতে হবে ষোল আনাই খাঁটি। বিবাহবার্ষিকী কিংবা জন্মদিনে দামী দামী উপহার দিতে হবে না আমি রাস্তার পাশের এক প্লেট ফুচকা কিংবা খোঁপাতে গুঁজে দেয়া একটা কাঠগোলাপেই আনন্দ খুঁজে নেবো, জড়িয়ে ধরে কপালে আঁকা তার ভালোবাসার চুম্বনে পৃথিবীর শান্তি অনুভব করবো। মাসে মাসে দামী শাড়ী, হ্যাংআউটে হাই বাজেটের ট্যুর না দিলেও চলবে তবে মাঝেমধ্যেই শিশির ভেজা সকালে কিংবা হাস্যোজ্জ্বল কোন পড়ন্ত বিকেলে হাতে হাত রেখে হাঁটার মাঝেই তৃপ্তি খুঁজে নেবো, হুটহাট কোন পালতোলা নৌকাতে কিংবা ঝুম বৃষ্টিতে ভিজে দু’হাত ভরে সুখ কুড়িয়ে নেবো। আমি না হয় তার সল্প আয়েই মাস কাভারে অভ্যস্ত হবো, মাস শেষে হাত খরচের টাকা বাঁচিয়ে টুকটাক শখ পূরণ করবো, রেস্টুরেন্টে খাওয়ার বদলে ইউটিউব ঘেঁটে ঘেঁটে আমার আনাড়ি হাতের রান্না খাওয়াবো, সমান ভাবে আর্থিক সাপোর্ট দিতে না পারি দিনশেষে না হয় মানুষটাকে মানসিকভাবে আস্বস্ত করবো তবুও,ছোট্ট এই জীবনটা পার করতে আমি একটা সাধারণ ছেলেকেই বেছে নিবো যে দিনশেষে শুধু আমাকেই ভালোবাসবে, শত ঝড়-ঝাপটাতেও আমার প্রতি সম্মানটা অক্ষুণ্ণ রাখবে আর আমিও সারাদিন ব্যস্ততার শেষে বালিশে মাথা রেখে মুচকি হেসে নিশ্চিন্তে ঘুমোবো আর ভাববো, “এই মানুষটা শুধুই আমার, আমার একান্ত ব্যক্তিগত সম্পত্তি।”

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
কাউকে ব্লক মারা আর কাউয়া চালাকি!!!
  • adminadmin
  • নভেম্বর ১১, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক।।গণমাধ্যমে ব্লক মারার মানে আপনি দেখছেন না কিন্তু সবাই দেখছেন, লাভ কি তবে?উল্লেখ্য একটু আগে এক বন্ধুর মেসেঞ্জার রুমে ব্লক খাইলাম, আমি অবশ্য অজানা কারণে বহু জায়গাতেই ব্লক্ট!!!ব্লক মারার কারণ কি? এর প্রায় প্রতিটি উত্তর‌ই রহস্যয়ম!এই ব্লক মারামারিটা আমার কাছে কাউয়া চালাকি মনে হয়! আপনি দেখছেন না বলে কেউ দেখছে না, মনে করা নয় তো? দেখা গেছে গণমাধ্যম ফেইসবুকে ব্লক মারার একটা হিউজ সংখ্যার লিষ্ট আছে গুগলের কাছে এবং সেসব ব্লক মারার অধিকাংশ কারণ‌ই কাউয়া চালাকির মতো হলেও মারা হয়, রহস্যময় কারণে…!!!!!

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
পরিবারের সবার মুখে হাসি ফুটিয়ে যখন একটা সন্তান ঘর আলো করে আসে তখন সেই পরিবারে খুশির অন্ত থাকেনা
  • adminadmin
  • নভেম্বর ১০, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।পরিবারের ছোট ছেলে-মেয়ে গুলো একটু বেশিই আদরের হয়ে থাকে।বিশেষ করে বাবার কাছে মেয়েরা আর মার কাছে ছেলেরা কেনো জানি একটু বেশিই কেয়ার পায়,বেশিই আদর পায়।পরিবারের সবার মুখে হাসি ফুটিয়ে যখন একটা সন্তান ঘর আলো করে আসে তখন সেই পরিবারে খুশির অন্ত থাকেনা!! যখন আমরা ছোট থাকি তখন মা কতোরকম ভাবেই না আমাদের আবার সাজিয়ে দেয়,কতোরকম ভাবেই না আমাদের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলে!মা যেরকমভাবেই একটা মেয়েরে সাজিয়ে দিক না কেনো সেই সাজটা’রে যে কি ভালো লাগে তা বলার ভাষা রাখেনা। পিচ্চি মেয়েটা আবার মাঝে মাঝে মার সাথে অভিমান করে গাল ফুলিয়ে বসে থাকে!মাঝে মাঝে এতো সুন্দর করে হাসে মনে হয় যেনো আকাশের চাঁদটা হাসছে।এরপর ধীরে ধীরে মেয়েগুলো যতোই বড় হতে থাকে ততোই নিজের খেয়াল নিজে রাখতে শিখে যায়।নিজের ভালো, নিজের চলাফেরা নিজেই তখন বুঝতে শিখে যায়!! তখন আর মার হাতে যত্ন করে সাজিয়ে নিতে হয়না।সাজতে গিয়ে আর মার উপর গাল ফুলিয়ে বসেও থাকতে হয়না!এভাবেই একদিন সে কবে কিভাবে তার মার কাছে সেজেছিলো ধীরে ধীরে ভুলতে বসে। কোনো একদিন হঠাৎ করেই আবার মার কাছে সেই ছোটবেলার মতো করে সাজতে ভীষণ মন চাইবে কিন্তু বলা হয়ে উঠবেনা আর।শৈশবের দিনগুলো তো চাইলেও আর ফিরে পাওয়া যাবেনা! তখনকার মতো আর সেই অবুঝ ভালোলাগা কাজ করবে না তো..!

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
অপ্রয়োজনীয় কথা না বলার চেষ্টা করবেন
  • adminadmin
  • নভেম্বর ২, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।। গীবত, পরনিন্দা ও ফ্যাসাদ থেকে পরিত্রাণ পেতে কথা কম বলবেন, অপ্রয়োজনীয় কথা না বলার চেষ্টা করবেন। – অপরজন কথা বলার সময় চুপ করে শোনবেন তার দিকে তাকিয়ে, এবং নিজে বলার সময় তার চোখের দিকে বা মুখের দিকে তাকিয়ে বলবেন। – কথায় শালীনতা বজায় রাখবেন, আগ বাড়িয়ে একান্তই ব্যক্তিগত প্রশ্ন করবেন না। – যে বিষয়ে আপনি অল্প জানেন সে বিষয়ে ভাব নিয়ে অধিক পান্ডিত্ব দেখাতে যাবেন না। সরাসরি বলে দিবেন এ বিষয়ে আপনার ধারণা নেই/কম। – কথা বলার সময় অতিরিক্ত এক্সাইটেড হবেন না। এক্সাইটমেন্ট নিজের ভিতর রাখুন। – হাসির ব্যাপার হলে পরিমিত হাসি হাসুন। হাসি মুখে কথা বলবেন, তার মানে দাঁত বের করে না, মুচকি হাসি। – কারো প্রশ্ন না বুজলে আবার জিজ্ঞেস করে নিন, প্রশ্ন না বুঝে ভুলভাল উত্তর দিবেন না। – সকল মানুষ সম্মানিত, তাই সবাইকে সম্মান দিয়ে কথা বলুন।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নির্বাচনকে শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকতে হবে-এম সাখাওয়াত হোসেন
  • adminadmin
  • অক্টোবর ৩১, ২০২২

এম সাখাওয়াত হোসেন ।।আউয়াল কমিশন গঠিত হওয়ার পর ১৯ অক্টোবর তঁাদের মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলাম। এর আগে, অনুরূপ একটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় দেশে না থাকার কারণে উপস্থিত থাকতে পারিনি। এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন কয়েকটি নির্বাচন করেছে, যার মধ্যে ভালোও অছে, মন্দও আছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিগত ১০ বছরের ধারাবাহিকতার বা ছকের বাইরে বের হতে পারেনি বলে মনে হয়েছে। তবে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন ভালো হলেও একটি কারণে বিতর্কের মধ্যে পড়েছিল। এর পরপরই গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনে অনিয়ম দেখার পর নির্বাচন কমিশন নিজ উদ্যোগে সেটি বন্ধ করে দেয়, সেখানে পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সংলাপে আমি ছাড়াও বিগত দুই কমিশনের কয়েকজন কমিশনার এবং কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হাজির হয়েছিলেন। বিগত দুই কমিশনের প্রধান যথাক্রমে এ কে এম নূরুল হুদা ও কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ এবং ১৯৯১ সালের প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাবেক প্রধান বিচারপতি আব্দুর রউফ উপস্থিত ছিলেন। আমার মনে হয়েছে, গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন সম্পূর্ণ বন্ধ করে ইতিহাস সৃষ্টি করলেও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিতর্ক হয়তো কমিশনকে কিছুটা হলেও বিব্রত করেছে। হয়তো সংলাপ আয়োজনের পেছনে এ বিষয়টি মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। আমি এর আগে আমার একটি লেখায় গাইবান্ধা উপনির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাকে দারুণভাবে সাধুবাদ জানিয়েছি। সংলাপে উপস্থিত সবাই এ ধরনের বলিষ্ঠ পদক্ষেপের জন্য কমিশনকে সাধুবাদ জানান। সংলাপে উপস্থিত হয়ে আমার নির্বাচন কমিশনে দায়িত্ব পালনের দিনগুলোর কথা মনে পড়েছে। মাঝেমধ্যে আমাদের অসহায় মনে হতো। কেননা আমাদের সঠিক সহায়তা করার কেউ ছিল না। আউয়াল কমিশন সেদিক থেকে ভাগ্যবান। কারণ, এখন সাবেকেরা রয়েছেন, যাঁরা প্রয়োজনে তাঁদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে পারেন। তথাপি সিদ্ধান্ত একান্তই নির্বাচন কমিশনের। প্রথম দর্শনে আমার কমিশনকে আন্তরিক মনে হয়েছে। আশা করি, তাঁরা তাঁদের কাজে আরও আন্তরিক থাকবেন। নির্বাচন কমিশন সবাইকে খুশি করতে পারবে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আমি জোর করতে যাবো কেন? যে জিনিস কিনতে পাওয়া যায়, তা কি কেউ জোর করে নেবার চেষ্টা করে?
  • adminadmin
  • অক্টোবর ৩০, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।টাকার বিনিময়ে নিজের স্ত্রীকে বন্ধুর কাছে বিক্রি করা হয়।অতঃপর তা ঘটেছিল:-ভিকটিম অভিযোগ করেন।স্বামীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু যে আমার দিকে লোভীর মতো তাকিয়ে থাকে তা আমি হঠাৎই বুঝতে পারলাম! তাই সিদ্ধান্ত নিলাম তার সামনে আর যাবো না। কিন্তু দুদিন পরেই স্বামী এসে বললো, চল আমার বন্ধু এসেছে! আমি বললাম লোকটার চোখে কুদৃষ্টি! আমি তার সামনে যেতে চাই না। কিন্তু আমার স্বামীর পিড়াপিড়িতে তার সামনে যেতে বাধ্য হলাম। স্বামী হেসে বলে, তুমি এমন গেঁয়ো মেয়েদের মতো আচরণ করছো দেখে আমি ভীষণ আশ্চর্য হচ্ছি। পর পুরুষের সামনে না যেতে চাইলেই মানুষ গেঁয়ো হয়ে যায়? স্বামী এর কোন জবাব দিলেন না। ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন। বুঝতে পারলাম যেতেই হবে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিজেকে সামলিয়ে লোকটার সামনে গেলাম। স্বামী তার বন্ধুকে উদ্দেশ্য করে বলে, শুনেছো! তোমার ভাবী সাহেব তোমার সামনে আসতে লজ্জা পায়! শুনে তার বন্ধুটি বলে উঠে, তাই নাকি ভাবী? আমি কি বলবো বুঝতে না পেরে চুপ করে রইলাম। সে নির্দ্বিধায় বলে গেল। লজ্জা মেয়েদের স্বভাবগতভাবেই একটা গুণ! আর যে নারীর মধ্যে তার অভাব, সে নারী অপয়া! কুলটা! আমি তাদের ঘৃণা করি। ওরা কোন পুরুষের প্রতি বিশ্বস্ত হয়না। আপনার মধ্যে এই লজ্জাবোধ দেখেই আপনাকে এতো ভালো লাগে আমার! তার কথা শুনে আমার হৃদয়ে কাঁপন ধরে গেল। তার কতবড় সাহস আমার স্বামীর সামনে এমন করে কথা কেমন করে বলে, সে! এতো দুঃসাহস সে কোথায় পেলো? তার কথায় একটা ঈঙ্গিত ছিলো তা কি আমার স্বামীর কর্ণকুহরে প্রবেশ করেনি? যাইহোক স্বামীর সম্মানের কথা ভেবে তখনই উঠে পড়িনি। কিন্তু তার এই আচরণ দেখে ভয় পেয়ে গেলাম। এই লোক সুযোগ পেলে আমার ক্ষতি না করে ছাড়বে না!কি করবো আমি? কোন দিন যদি এমন পরিস্থিতি হয় তবে কেমন…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সবাই আমার-দিনশেষে আমি কার??
  • adminadmin
  • অক্টোবর ২৯, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।বিয়ে হইছে ১২ বছর।এতগুলো বছর ধরে নিজের শখ,ভালোলাগা সব বাদ দিয়ে সবার খেয়াল রাখলাম,মন জুগিয়ে চললাম অথচ আজ আমিই আমার মনের নাগাল পাই না…কি ভীষণ যন্ত্রণা!সারাদিন কাজ করি।বাসায় কাজের লোক নেই।শ্বশুর পুরোই বেডে।শাশুড়ির কিডনির সমস্যা,ডায়াবেটিস,থাইরয়েড।বড় মেয়েটা ক্লাস ফোরে।তার পড়াশোনা স্কুলে আনা নেয়া,বাজার,শ্বশুর শাশুড়ির ঔষধ,ডাক্তারবাড়ি সব আমি। আমার সংসার,আমার সন্তান,আমার স্বামী,আমার শ্বশুর শাশুড়ি।আমার বাবা মা আমার আত্নীয় স্বজন।সবাই আমার।অথচ দিনশেষে আমি কার??এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে আজ বড্ড ক্লান্ত আমি। আমি অসুস্থ হলে আমাকে ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যাওয়ার কেও নেই।এর পরেও শুধু তাকদীর ভেবেই সব মেনে নিয়েছি।পড়াশোনা বাদ দিলাম ছোট মেয়েটা হওয়ার সময়।গ্রাজুয়েট কম্পলিট করে ও চাকরির চেষ্টা করিনি শ্বশুর শাশুড়ি অসুস্থ বলে।আমার বাড়ি আমার ঘর অথচ সেই ঘরে আমার ই কোন স্বাধীনতা নেই।ইচ্ছে হলেও কোথাও যেতে পারিনা। বাবার বাড়ি মাত্র ১৫মিনিট এর পথ।তবুও যেতে চাইলে হাজার টা বারণ।সবার খেয়াল রাখতে রাখতে আজ আমার খেয়াল রাখার কেও নেই।সবার কি লাগবে জানতে চাইতে চাইতে আজ আমার প্রয়োজন গুলো ভুলতে বসেছি! এভাবেই জীবন চলছে।তবুও অপেক্ষা করি দিনশেষে কেও একজন বলুক ‘তোমার কি চাই?’

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
মেয়েরা বিয়ের আগে যৌন মিলন করলে যেসব সমস্যায় ভোগেন
  • adminadmin
  • অক্টোবর ২৮, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।পৃথিবীর সব ধর্মেই বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে রয়েছে কড়া নিষেধ। এমনকি এ কাজ যে করবে তার জন্য নির্ধারিত রয়েছে কঠিন শাস্তি। এই বিধানের পেছনে নিশ্চয়ই কারণ রয়েছে। আর কারণটি হলো সামাজিক, ধর্মীয় ও মানসিক অবক্ষয় থেকে নিজেকে দূরে রাখা।বিয়ের আমাদের সমাজে এমন অনেক পুরুষ রয়েছেন যারা শুধুমাত্র নারীদেহ ভোগ করার উদ্দেশ্যেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং কাজ হাসিল হয়ে গেলে সম্পর্কের দায়ভার নিতে চান না। নারীরাও যে এমন করে না তা নয়, তবে তুলনামূলকভাবে এমন নারীর সংখ্যা কম। আশংকার ব্যাপার হচ্ছে আজকাল অনেক উঠতি বয়সী মেয়েই এই ধরণের শারীরিক সম্পর্ককে আধুনিকতা মনে করে থাকে। অথচ বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের ফলে যে সমস্যা দেখা দেয়, তা পোহাতে হয় নারীদেরকেই! তাই সাবধান হোন এবং জেনে নিন অনাকাঙ্খিত সমস্যাগুলো সম্পর্কে। অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ বিয়ের বিয়ের আগে before marriage শারীরিক সম্পর্কের সবচেয়ে ভয়াবহ যে সমস্যাটি হতে পারে তা হলো অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ। নিরোধক ব্যবহারের পূর্ব পরিকল্পনা না থাকা, আবেগের বশে হঠাত্‍ করেই যৌন সম্পর্ক করা ইত্যাদি এর অন্যতমত কারণ। শারীরিক সম্পর্কের চিহ্ন ধারণ করে সাধারণত মেয়েরাই। কোনো মেয়ের শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে… মেয়েরা বিয়ের আগে যৌন মিলন করলে যেসব সমস্যায় ভোগেন কি না তা ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করা যায়, কিন্তু ছেলেদের যায় না। একইভাবে গর্ভধারণের যাবতীয় সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয় শুধু মেয়েদেরই। এর ফলে পরিবার, সমাজ এবং নিজের কাছে অপরাধী হতে হয় নারীদের। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাত বিয়ের আগে before marriage শারীরিক সম্পর্কের ফলে গর্ভধারণ করে ফেললে তখন গর্ভপাত করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। গর্ভপাত একটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রক্রিয়া। এতে যেমন শারীরিক ক্ষতি হয় তেমনি মানসিক ক্ষতির সম্মুখীনও হতে হয়। গর্ভপাতের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণসহ নানা ধরনের…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
যৌনপল্লিতে আত্মহত্যা-চিঠিতে করুন কাহিনী!
  • adminadmin
  • অক্টোবর ২৮, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।যৌন পল্লিতে বেশ হইচই পড়ে আছে।নিষিদ্ধ যৌন পল্লির ২ নং বাড়িটিতে একজন আত্মহত্যা করে সাথে চিঠিও রেখে গিয়েছে একটি। নিষিদ্ধ পল্লির ২ নং বাড়িটিকে বেশ জাঁকজমকপূর্ণ করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।আর কোন বড় সাহেব আসবেন নিজেকে তৃপ্তি দেওয়ার জন্য।কোনো এক মেয়ের সাথে তার পশুত্বের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য।তাই ২নং বাড়ির মানুষগূলো নিজের সর্বোচ্চ প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে নিজেদের সুন্দর করে তোলার,নিজেদের আকর্ষণীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।তারা নিতান্তই এইসব এ অভ্যস্ত।কিন্তু নতুন রমনি যে মোটেও প্রস্তুত না এইসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডে।কেউ ওই দিকে দৃষ্টিপাত করলো না। হঠাৎ ২ নং বাড়িটির প্রধান কর্তী,একজন কে ধমক দিয়ে বললেন,”এই মাইয়াটারে কি তোমরা চোখে দেহ না! নতুন আইছে তাই কিছু পারিতেছে না।পরে অভ্যস্ত হয় যাইবো।তোমাদের উচিত মাইয়াটারে তৈয়র করি দেওয়া।” নতুন আগমিত রমনীকে সাজিয়ে তোলা হলো মেয়েদের নিত্য সাজানোর অলঙ্কারে।মাথায় গুজে দেওয়া হলো আকর্ষণীয় গাজরা।চোখে লেপটে দেওয়া হলো গাঢ় কাজল।পরনে লাল পাইর সাদা শাড়ি।সব মিলিয়ে যেনো এক অপ্সরা।ওই বাড়ির মেয়েগুলো কেমন ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকলো অনিকার দিকে।এতো সুন্দর মেয়ে তারা এই নিষিদ্ধ পল্লি তে মনে হয় কখনো দেখে নাই।অন্য মেয়েগুলো ও একসময় অনিকার মতোই নির্বাক ছিল।নিষিদ্ধ পল্লির সিমানাই কেউ নিজ থেকে আসতে চায় না।তাদের নিয়ে আসা হয়।হয়তো তাদের প্রয়োজন তাদের নিয়ে আসে।না হয় আবেগ।আর না হয় ঠকানো প্রেমিক। অনিকাকে এইখানে নিয়ে আসার পর থেকেই সে নীরবে তার অশ্রু বিসর্জন দিয়ে যাচ্ছে যেনো কোনো অনন্তকাল প্রবহমান ঝর্না যা নিজের অজস্রতা বজায় রাখবে চিরকাল।সে নির্বাক।সৃষ্টিকর্তা তাকে সব দিক দিয়ে সুন্দর করলেও কেন জানি তার কথা বলার ক্ষমতা দেই নি!হ্যাঁ সে বোবা।কথা বলতে পারে না বলেই হয়তো সে চিৎকার করে বলতে পারছে না যে “আমাকে যেতে দাও,এইখানে আমার দম আটকে যাচ্ছে”। এই আর্তনাদ যদিও অই বাড়ির কেউ…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পোষাক স্বরূপ
  • adminadmin
  • অক্টোবর ২৬, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।ব্রেকআপের আগে ৫০% মেয়ে অন্য অপশন আগে থেকেই বরাদ্দ করে রাখে। বানানো ভাইয়া বা জাস্টফ্রেন্ড এর মধ্যেই সেই মানুষটাকে লুকিয়ে রাখে তারা। এই বানানো ভাইয়ারা বা জাস্টফ্রেন্ড গুলোই তৃতীয় পক্ষ হয়ে তোমার প্রিয়জনকে জিতে নিয়ে যাবে।আর বর্তমানে এইটা খুব বেশিই দেখা যাচ্ছে।তাই বলি কি রিলেশন থাকা অবস্থায় যদি প্রিয়মানুষটিকে একান্তই নিজের করে রাখতে না পারো? তাইলে ছেড়ে দেওয়াই ভালো।”কথা হচ্ছিল এক বড় ভাইয়ের সাথে। ভাইয়ার সাত বছরের প্রেম শেষ করে উনার পছন্দের মানুষ তার অন্য সহপাঠিকে বিয়ে করে নিয়েছে। আমার উত্তর ছিল–” ভাই সো কল্ড গফ এর ইচ্ছাও নাই আর এসব নাই ও আমার। ইনশা আল্লাহ কাঊকে পছন্দ হলে বিয়েই করে ফেলবো একেবারে।” ভাইটি উত্তর দিলেন — আজকাল বউয়ের ও এমন সোকল্ড ভাই আর জাস্ট ফ্রেন্ড থাকে। হঠাৎ মনে হলো কথাগুলো আসলেই কি যৌক্তিক??বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কে না হয় এসব মেনে নেয়া গেল কারন এটাতো হারাম সম্পর্ক। কিন্তু বিবাহিত জীবনে??আসলেই কি এসব সোকল্ড ভাইয়া/আপু/বোন (বিশেষ করে অনলাইনের) বা জাস্ট ফ্রেন্ড এতটাই জরুরী? এখন কথা হলো বিয়ের পর যদি দেখেন আপনার বউয়েরও তেমনি সো কল্ড জাস্ট ফ্রেন্ড, ফেইসবুক ফ্রেন্ড আছে বা স্বামীর ও তেমনি আছে।তাহলে কি করা উচিত?আমার মতে, অন্তত বিবাহিত জীবনে নিজস্ব (একান্ত ব্যক্তিগত) কোন ফ্রেন্ড রাখাই উচিত না।হোক সেটা সহপাঠি বা কলিগ। রাখলেও পার্টনারের কাছে স্পষ্ট করে রাখা উচিত-ধোয়াটে কোনোমতেই নয়। আপনার সহপাঠি বা কলিগ আপনার খুব বেশি ক্লোজ হলে তাকে আপনাদের ফ্যামিলি ফ্রেন্ড করে নিবেন। কারন বিয়ের পর যারা ব্যাক্তিগত লাইফ আছে বলে যুক্তি দেখায় এরা আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যাক্তিগত লাইফের যুক্তিতে নোংরামীতে জড়িয়ে থাকে। আর সব থেকে বড় কথা, বিপরীত লিংগের সাথে ওপেন ফ্রেন্ডশীপ জিনিসটা কখনো ভাল ফল বয়ে আনে না,আর বিয়ের পরতো…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
কারো জীবন নিয়ে খেলার,ঠকানোর,আঘাত করার অধিকার আপনার নেই!
  • adminadmin
  • অক্টোবর ২৫, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।যদি একটা সম্পর্ক চালিয়ে নিতে না পারেন,যদি আপনার মনের মধ্যে তার জন্য বিন্দু পরিমাণ ভালোবাসা না থাকে,যদি থাকে ছেড়ে দেয়ার আশাংকা থাকে,তাহলে প্লিজ কাউকে দয়া করে মানুষটা’কে জীবনে জড়াবেন না!কারো সাথে একটা সম্পর্ক গড়ার আগে একবার হলেও ভেবে দেখবেন,জীবনের কোনো একটা পর্যায়ে এসে সম্পর্কটা ধরতে রাখতে পারবেন কিনা,মানুষটা’কে ছেড়ে দিতে হবে কিনা! আপনার কাছে একটা সম্পর্কের সম্মান, মূল্য না থাকতে পারে তবে ঐ মানুষটার কাছে আপনার সাথে করা সম্পর্কটা তার জীবনের অধ্যায় মনে করে। আজ আপনি যে সম্পর্কটা শেষ করতে চাচ্ছেন,যে মানুষটাকে আপনি ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন,আচ্ছা!সেখানে আপনি নিজেকে একটু ফিল করে দেখুন না কেউ আপনাকে ঠকালে, আপনাকে ছেড়ে গেলে আপনি সহ্য করতে পারবেন কিনা! আপনাকে কেউ ছেড়ে গেলে আপনার যতটা কষ্ট,যতটা আঘাত হবে!আপনি নিজেও কাউকে ছেড়ে গেলে আপনার ফেলে আসা মানুষটার ও ঠিক ততটাই কষ্ট হবে। আপনি একটা সম্পর্কে যখন জড়িয়ে যাবেন,তখন কারো জীবন নিয়ে খেলার,ঠকানোর,আঘাত করার অধিকার আপনার নেই। কারণ তখন আপনার বিপরীতে থাকা মানুষটার কথা ভাবা তার যত্ন নেয়া,তাকে আগলে রাখা তাকে গুরুত্ব দেয়া আপনার নিজের দায়িত্ব। আপনি একটা সম্পর্কে না জড়ালে নিজের জীবন নিয়ে যায় ইচ্ছা করতে পারেন, যা খুশি করতে পারেন! কিন্তু অন্য কারো সাথে জড়িয়ে আপনি কারো সাথে অভিনয়, মিথ্যা নাটক করতে পারেন না, কাউকে ভেঙে দিতে পারেন না মাঝপথে, একটা মানুষকে এতটা আঘাত করার অধিকার আপনার নেই। আপনি একের পর এক হয়তো সম্পর্ক গড়তে পারেন, কিন্তু সবাই আপনার মতো সম্পর্ক গড়াতে পারে না, সবাই আপনার মতো ছলনা করতে পারে না, আপনার কাছে সম্পর্কের দাম নাও থাকতে পারে, কিন্তু যে আপনাকে ভালোবাসে তার কাছে সম্পর্কটা অনেক দামী, তাই প্লিজ কাউকে অভ্যাস বানিয়ে তাই ছেড়ে দিবার আগে ভাবুন! হয়তো আপনার…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

মেহেন্দিগঞ্জে ৬টি হাইস্কুলের শিক্ষকদের সনদে জালিয়াতির প্রমাণ, তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ কমিটি
ব্যাংক কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহারের নির্দেশ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোংলা বন্দরে এলো ৫৮ হাজার মেট্রিক টন গম
মোংলায় ডিউটিরত অবস্থায় কোস্ট গার্ড সদস্যের গুলিতে মৃত্যু
রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের মতো ছাড় চাইল বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ
সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩ অধ্যাদেশ, ৩০ দিনের মধ্যে বিল পাসের চ্যালেঞ্জ
ময়মনসিংহে ডাকাতি হওয়া ট্রাকভর্তি ১৯টি গরু উদ্ধার
জনসম্মুখে অশালীন আচরণের অভিযোগে রাশিয়ান মডেলকে লিগ্যাল নোটিশ
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ভাষণ বিতর্ক – সংবিধান, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপট
রাষ্ট্রপতি ভাষণ বিতর্ক – সংবিধান, আইন ও নৈতিক দায়িত্বের পরীক্ষা
দমন, দ্বৈতমান, এবং সরকারের নীরবতা
জামেয়া আহমদিয়া দায়েম নাজির জামে মসজিদে খতিব, ইমাম ও হাফেজদের সম্মাননা প্রদান
বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ নির্বাচনে গণভোট থাকছে না: ইসি
ক্রাইম রিপোর্টারের দায়িত্ব ও প্রয়োজনীয় গুণাবলি
সংসদ সদস্যদের মার্জিত ও সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রতিশ্রুত ঋণ না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ট্রি খামারি, আমব্রেলা ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান
নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া পিস্তল ও গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনে পার্বতীপুরে পৌঁছেছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী
রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল মালিশ: স্বাস্থ্যে কী উপকার পেতে পারেন
জামিনের বিনিময়ে কোটি টাকা দাবি: তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি
মেহেন্দিগঞ্জে জুনিয়র বৃত্তিতে সেরা সরকারি পাতারহাট মুসলিম মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী: বরাদ্দ, সুবিধাভোগী ও বাস্তবতার চিত্র
মামলা বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধে কাজ করছে সরকার: আইনমন্ত্রী
হাদির সঙ্গে কাফিকেও হত্যার নির্দেশ দেওয়া
রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবে সশস্ত্র হামলা ও চাঁদা দাবির ঘটনায় ২ আসামি গ্রেপ্তার
পুলিশ প্রশাসনে রদবদল: ডিএমপির ডিসিসহ ৪ কর্মকর্তা বদলি
জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় ভারত থেকে ডিজেল আসছে, মাসে ১৫ হাজার টন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
শাহবাগে ওষুধ ব্যবসা ঘিরে চাঁদাবাজি     “আমি শ্রাবণ মাসের পাগলা কুত্তার মতো হয়ে গেছি”—তাসকিন গাজী
দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে মানবিক সহায়তার আবেদন গাজীপুরের আহাদুল ইসলামের
অন্তর্বর্তী সরকার ছিল ‘অধ্যাদেশ জারির সরকার’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্র সিয়ামকে হত্যা, জড়িত চার বন্ধু—দুই কিশোর আটক
জামিন পাইয়ে দিতে ১ কোটি টাকার দাবি: আইসিটি প্রসিকিউটরের অডিও ফাঁস
দিল্লি না ঢাকা—নাকি পিন্ডির ছায়া? বাস্তবতা বনাম স্লোগানের রাজনীতি
মাধবদীতে কিশোরী আমেনা হত্যা: সৎ বাবাসহ ৯ জন গ্রেপ্তার, প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
নেপালের সংসদীয় নির্বাচন সফল হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ
দুদকের মহাপরিচালকের ফোন ও টাকা ছিনতাই: গ্রেফতার দুই আসামি কারাগারে
বাংলাদেশ পুলিশে ৪ হাজার এসআই পদ সৃজনের প্রস্তাব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সভা মঙ্গলবার
হাদী হত্যাকাণ্ড: তদন্তে নতুন তথ্য, জুমাকে ঘিরে অভিযোগ জোরালো
স্বপ্ন দেখিয়ে সর্বনাশ: টাঙ্গাইলের মায়াকে নিঃস্ব করে স্বর্ণ ও লাখ টাকা নিয়ে উধাও চীনা প্রেমিক
জুনিয়র নেতারা এমপি-মন্ত্রী, উপেক্ষিত প্রবীণরা—বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা
গাজীপুরের সাবেক কাউন্সিলর শাহীন মোল্লা বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার
মন্ত্রিপরিষদে পাঁচ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার নাম সংশোধন
হাদির হত্যাকাণ্ড: শ্যুটার নয়, মূল হুকুমদাতার খোঁজ জরুরি
রাজধানীতে তেলের তীব্র সংকট, ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন
প্রতারণা ও লোভের আঁধারে সমাজ: হানিট্র্যাপের ভয়ঙ্কর বাস্তবতা
ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান মার্কিন সিনেটর টিম কেইনের
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে সশস্ত্র হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত অন্তত ৩৬
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ড: প্রধান আসামিসহ দুইজন ভারতে গ্রেপ্তার, দেশে আনার আশ্বাস আইজিপির
জুলাই আন্দোলন কারও বাপের সম্পত্তি নয়, অপব্যবহারকারীদের তালিকা করা হচ্ছে: আইজিপি
নৌ-পুলিশ প্রধানসহ পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার
ভোট কারচুপির অভিযোগে ৫ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
আমব্রেলা ফাউন্ডেশন মাওনা ব্রাঞ্চের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ
শেখ হাসিনার রাজনৈতিক পথচলা: পারিবারিক ইতিহাস, ট্র্যাজেডি ও দীর্ঘ সংগ্রামের প্রেক্ষাপট