
কলমাকান্দায় পথসভায় ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ‘ভোট কোনো বাণিজ্যের বিষয় নয়,প্রতিটি ভোট আমার কাছে আমানত’




কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে এসে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া–রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেনকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল হাসান।ট্রাক প্রতীকের এই প্রার্থী ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দেন।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কলাপাড়া প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন তিনি।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রবিউল হাসান বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে যৌথ আন্দোলন করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় পটুয়াখালী-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে গণঅধিকার পরিষদের সব সাংগঠনিক শক্তি ও সমর্থক নিয়ে মাঠে কাজ করবেন তারা।
এ সময় বিএনপির প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, এই নির্বাচনে বাংলাদেশের গণতন্ত্র,স্থিতিশীলতা এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের জন্য জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্য অপরিহার্য।গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল হাসানের ধানের শীষে সমর্থন দেওয়াকে তিনি সেই ঐক্যের একটি দৃঢ় ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার,সহসভাপতি জাফরুজ্জামান খোকন,কলাপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি গাজী মোহাম্মদ ফারুক,সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সীসহ গণঅধিকার পরিষদ ও উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাকর্মীরা।
![]()
মাদারীপুর প্রতিনিধি।।মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (গতকাল) ভোরে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে বরিশালের মুলাদী সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা।পরে শনিবার রাতেই পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন,ওই যুবক মারা গেছেন।
নিহত যুবকের নাম রাসেল কাজী (২৯)।তিনি কালকিনি উপজেলার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের উত্তর আন্ডারচর এলাকার বাসিন্দা এবং আলম কাজীর ছেলে।রাসেল ঢাকায় একটি রেস্তোরাঁয় চাকরি করতেন।তাঁর স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তান গ্রামের বাড়িতে থাকেন।তাঁর আরও তিন ভাই ঢাকায় বসবাস করেন।
ঘটনার প্রতিবাদে রোববার বেলা তিনটার দিকে নিহত রাসেল কাজীর বাড়ির সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় তাঁরা অভিযোগ করেন,মুলাদী সেনা ক্যাম্পের সদস্যদের নির্যাতনের ফলে রাসেলের মৃত্যু হয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
নিহত রাসেলের বড় ভাই হাশেম কাজী অভিযোগ করে বলেন, “সেনাবাহিনীর সদস্যরা অভিযানের সময় আমার ভাইকে গাছে বেঁধে মারধর করে।পরে বাড়ি থেকে মাঠে নিয়ে গিয়ে আবারও নির্যাতন করা হয়।মুলাদী সেনা ক্যাম্পে গেলে তারা বিষয়টি অস্বীকার করে।পরে রাতে কালকিনি সেনা ক্যাম্প থেকে ফোন করে জানানো হয়,আমার ভাইয়ের লাশ সেখানে এসেছে।ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ নিতে অস্বীকৃতি জানালে থানার মাধ্যমে এক লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। আমি রাজি না হওয়ায় পরে লাশটি মুলাদী থানায় পাঠানো হয়।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুলাদী সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর তৌফিকুর রহমান সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর বলেন,“আমি একটু পরে ব্যাক করছি।”তবে পরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে কালকিনি সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশফানুল হক বলেন,“উত্তর আন্ডারচরের ঘটনাটি মুলাদী সেনা ক্যাম্পের অপারেশন।তারা পার্শ্ববর্তী হওয়ায় লাশটি আমাদের ক্যাম্পে আনা হয়েছিল।পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তরের চেষ্টা করা হলেও তারা ময়নাতদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে লাশটি সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প ও পুলিশের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।এ ঘটনায় আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরাফাত জাহান চৌধুরী বলেন,“লাশটির সুরতহাল শেষে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।” তবে সুরতহাল প্রতিবেদন ও লাশ উদ্ধারের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি,নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
![]()
মেহেন্দিগঞ্জ(বরিশাল)প্রতিনিধি।।বরিশাল-৪ (হিজলা–মেহেন্দিগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান বলেছেন,মেহেন্দিগঞ্জের সঙ্গে সংযোগ না দিয়ে ভোলা–বরিশাল সেতু নির্মাণ করা হবে না।এই দ্বীপাঞ্চলকে সারা দেশের সঙ্গে কার্যকর সড়ক যোগাযোগের আওতায় আনাই হবে বিএনপির অন্যতম অগ্রাধিকার।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সরকারি পাতারহাট রসিক চন্দ্র মহাবিদ্যালয় (আরসি কলেজ) মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় বিপুলসংখ্যক দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
রাজিব আহসান বলেন,বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে ভোলা–বরিশাল সেতু নির্মাণ বাস্তবায়ন করা হবে এবং সেই সেতুর সংযোগ মেহেন্দিগঞ্জের সঙ্গে নিশ্চিত করা হবে।পাশাপাশি তিনি নির্বাচিত হলে কাজীরহাট থানাকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি আরও বলেন,“আমি আপনাদের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করতে এসেছি।আপনারা পাশে থাকলে বিজয় সুনিশ্চিত।
বরিশালে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সামনে মেহেন্দিগঞ্জ–হিজলা ও কাজীরহাট থানার ভয়াবহ নদীভাঙনের বিষয়টি তুলে ধরার কথা উল্লেখ করে রাজিব আহসান বলেন,তারেক রহমান মনোযোগ দিয়ে বিষয়টি শুনেছেন এবং এই আসনের নদীভাঙন সমস্যা সমাধানে আশ্বাস দিয়েছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।একই সঙ্গে এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন।আগামী ১২ তারিখ ফজরের নামাজ আদায় করে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করে ফলাফল নিয়ে ঘরে ফেরার আহ্বান জানান তিনি।
জনসভায় মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন দিপেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ রফিকুল ইসলাম লাবু, সদস্য সচিব সিহাব আহমেদ সেলিম,যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা ও গোলাম ওয়াহিদ হারুন,বরিশাল উত্তর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু,পৌর বিএনপির সদস্য সচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী দিনু,পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জিয়া উদ্দিন সুজন এবং বরিশাল উত্তর জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক নলী মোহাম্মদ জামালসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন,আসন্ন নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয় ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা অপরিহার্য।
জনসভায় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।সভা শেষে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।
![]()
মাজহারুল ইসলাম।।নির্বাচন সামনে এলেই রাষ্ট্রযন্ত্র যেন হঠাৎ করে সাধারণ মানুষের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে।৯৬ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে এক হাজার টাকার বেশি নিষেধাজ্ঞা তারই সর্বশেষ উদাহরণ।কালোটাকা ও অনিয়ম ঠেকানোর নামে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত আসলে কার বিরুদ্ধে—অপরাধীর,না সাধারণ নাগরিকের?
সরকার বলছে,এই বিধিনিষেধ নির্বাচনে অর্থের অপব্যবহার রোধ করবে।প্রশ্ন হলো,বাংলাদেশে কালোটাকার প্রধান প্রবাহ কি সত্যিই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ছোট অঙ্কের লেনদেনের মাধ্যমে হয়? বাস্তবতা বলছে,না।কালোটাকা চলে নগদে, প্রভাবশালীদের হাত ঘুরে,ব্যাংকিং চ্যানেলের ভেতরের ফাঁকফোকর দিয়ে,হুন্ডির মতো অবৈধ পথে।সেখানে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে একজন রোগীর চিকিৎসার টাকা পাঠানো বা পরিবারের প্রয়োজনে অর্থ লেনদেন করা অপরাধ নয়—বরং জীবনযাত্রার অপরিহার্য অংশ।
এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো,এটি জরুরি মানবিক প্রয়োজনকে অগ্রাহ্য করেছে।একজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলে মুহূর্তে মুহূর্তে টাকা দরকার হয়—পরীক্ষা,ওষুধ,রক্ত,অপারেশন।বহু পরিবার আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লাখ টাকা পর্যন্ত সংগ্রহ করে জীবন বাঁচায়।নির্বাচনকালীন চার দিন যদি এই পথ বন্ধ থাকে,তার দায় কে নেবে? রাষ্ট্র কি তখন বলবে—নির্বাচন আগে, জীবন পরে?
ডিজিটাল বাংলাদেশ,ক্যাশলেস লেনদেন,আর্থিক অন্তর্ভুক্তি—এই সব স্লোগান বছরের পর বছর শুনিয়ে আসা সরকারই আজ হঠাৎ করে প্রযুক্তিকে সন্দেহের চোখে দেখছে।অপরাধ দমনের অজুহাতে পুরো জনগোষ্ঠীকে শাস্তির আওতায় আনা কোনো সভ্য রাষ্ট্রের নীতি হতে পারে না।অপরাধী শনাক্ত না করে নাগরিকের অধিকার সীমিত করা মানে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা।
নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিও এই সিদ্ধান্ত এক ধরনের অবিশ্বাসের বার্তা দেয়।যেন বলা হচ্ছে—সবাই সন্দেহভাজন। কিন্তু গণতন্ত্র টিকে থাকে বিশ্বাসের ওপর,অবিশ্বাসের ওপর নয়।
কালোটাকা ও পেশিশক্তি রুখতে চাইলে পথ আছে—কঠোর নজরদারি,গোয়েন্দা তৎপরতা,সন্দেহভাজন লেনদেন শনাক্তে প্রযুক্তির ব্যবহার,প্রভাবশালীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা। এসব না করে মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ করা অনেকটা মাথাব্যথার চিকিৎসায় মাথা কেটে ফেলার মতোই।
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া জরুরি—এ নিয়ে দ্বিমত নেই।কিন্তু সেই সুষ্ঠুতার মূল্য যদি হয় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ,রোগীর জীবনঝুঁকি ও নাগরিক অধিকার হরণ,তবে সেই নির্বাচন গণতন্ত্রকে শক্ত করে না—বরং জনআস্থাকে আরও দুর্বল করে।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব অপরাধ দমন করা,নাগরিকের জীবন অচল করা নয়।সরকারকে এখনই এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে—না হলে ইতিহাস এই পদক্ষেপকে মনে রাখবে জনদুর্ভোগের আরেকটি অপ্রয়োজনীয় অধ্যায় হিসেবে।
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক।।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের এক সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।নির্বাচনকালীন ৯৬ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এক হাজার টাকার বেশি লেনদেন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে অনেকেই বলছেন—কালোটাকা ও অনিয়ম ঠেকানোর নামে সাধারণ মানুষের ওপর অযৌক্তিক চাপ।
নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত সরকার ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবে দেখালেও বাস্তবে এর প্রভাব পড়বে সাধারণ জনগণের দৈনন্দিন জীবন ও জরুরি সেবায়—এমনটাই মত বিশ্লেষকদের।
হাসপাতালে রোগী,কিন্তু টাকা পাঠানো যাবে না?
দেশের বাস্তবতায় একজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলে মুহূর্তে মুহূর্তে পরীক্ষানিরীক্ষা,ওষুধ,রক্ত,এমনকি অপারেশনের জন্য হাজার হাজার থেকে লাখ টাকা প্রয়োজন হয়।বহু পরিবার স্বজনদের কাছ থেকে মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে টাকা সংগ্রহ করে চিকিৎসা চালিয়ে যান।
কিন্তু এই ৯৬ ঘণ্টার বিধিনিষেধ কার্যকর হলে—
জরুরি চিকিৎসার টাকা পাঠানো বাধাগ্রস্ত হবে
গ্রাম থেকে শহরে দ্রুত অর্থ পাঠানো কঠিন হয়ে পড়বে
মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে
একজন বেসরকারি হাসপাতালের প্রশাসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এ ধরনের সিদ্ধান্ত রোগীর জীবনঝুঁকি বাড়াতে পারে। চিকিৎসা অপেক্ষা করে না, কিন্তু লেনদেন থেমে গেলে চিকিৎসাই থেমে যাবে।”
কালোটাকা রোধে প্রযুক্তি বন্ধ?
সরকারের যুক্তি—নির্বাচনে কালোটাকার ব্যবহার,ভোট কেনাবেচা ও অবৈধ অর্থ লেনদেন ঠেকানো।কিন্তু অর্থনীতিবিদরা বলছেন,কালোটাকা সাধারণত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ছোট অঙ্কের লেনদেনে নয়,বরং নগদ অর্থ,হুন্ডি,কিংবা প্রভাবশালী ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে লেনদেন হয়।
একজন অর্থনীতি বিশ্লেষকের ভাষায়,“এটা অনেকটা মাথাব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলার মতো সিদ্ধান্ত। কালোটাকা রুখতে হলে নজরদারি বাড়াতে হয়,প্রযুক্তি বন্ধ করতে হয় না।”
নির্বাচন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কী বার্তা?
সরকারের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যেও এক ধরনের বার্তা বহন করে—লেনদেনের প্রতিটি ধাপে নজরদারি।তবে বাস্তবে এতে তাদের দৈনন্দিন খরচ, যাতায়াত,থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও জটিল হয়ে পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।
জনদুর্ভোগ ও হতাশা চরমে
দেশে যখন ডিজিটাল লেনদেনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে,তখন হঠাৎ করে এমন কঠোর সীমাবদ্ধতা জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ও হতাশা তৈরি করেছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—
নির্বাচনের দায় কেন সাধারণ মানুষের কাঁধে?
বিশেষজ্ঞদের মতে,কালোটাকা ও পেশিশক্তি রোধে আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও বুদ্ধিদীপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল।অথচ নেওয়া হলো এমন এক সিদ্ধান্ত,যা সবচেয়ে বেশি আঘাত করবে অসুস্থ মানুষ,দরিদ্র পরিবার ও জরুরি সেবার ওপর।
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া যেমন জরুরি,তেমনি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সচল রাখাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব—এ কথা ভুলে গেলে জনআস্থা আরও সংকটে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক।।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে দেশবাসীকে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক ড. মিজানুর রহমান আজহারী।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ভোটকে পবিত্র আমানত হিসেবে বিবেচনা করতে এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখতে আহ্বান জানান।তিনি মনে করিয়ে দেন,মতভিন্নতা যেন কোনোভাবেই মানবিক সমাজের মূল চালিকাশক্তিকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে।
ড. আজহারী পোস্টে উল্লেখ করেন,২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের মানুষ দীর্ঘ দেড় যুগ পর পুনরায় ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে।এটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।তিনি ছাত্র-জনতা ও সাধারণ নাগরিকদের সচেতন ও সংযমী থাকার পরামর্শ দেন।
তিনি সতর্ক করেন,নির্বাচনের সময় গুজব,উসকানি ও দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র হতে পারে।তিনি লেখেন,সাধারণ মানুষ ট্যাগিং ও ব্যাশিংমুক্ত রাজনীতি প্রত্যাশা করছে,আর রাজনীতিবিদদের উচিত বিভেদ না বাড়িয়ে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা করা।
নির্বাচনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন,দেশের আঠারো কোটি মানুষ প্রশাসন,সেনাবাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করছে।সৎ ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।
পরিশেষে তিনি সবাইকে মনে করিয়ে দেন, নেতৃত্ব শুধু পথ দেখায়, রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেয় একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি। রাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার মাধ্যমেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন সম্ভব।
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন,বিএনপি ক্ষমতায় এলে রাজধানী ঢাকায় অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ নির্মাণ এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রশস্ত করা হবে।
রোববার দুপুরে নিজের নির্বাচনী আসন ঢাকা–১৭-এর ইসিবি চত্বরে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে এই প্রতিশ্রুতি দেন।
তারেক রহমান বলেন,“ইনশা আল্লাহ,আপনাদের দোয়ায় বিএনপি ১২ তারিখে সরকার গঠন করলে শুধু এই এলাকাতেই নয়,সমগ্র ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ তৈরি করব।এই মাঠগুলো তৈরি করা হবে যাতে আমাদের সন্তানেরা খোলা মাঠে খেলাধুলা করতে পারে এবং মুরব্বি ও মা-বোনেরা বিকেলে বা অন্য সময়ে স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলা করতে পারেন।”
অবকাঠামো উন্নয়নের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি জানান,ইসিবি চত্বর থেকে জসিমউদ্দীন সড়ক পর্যন্ত বিদ্যমান রাস্তা প্রশস্ত করা হবে।তিনি উল্লেখ করেন,“বিএনপি সরকার গঠন করলে মানুষের উন্নত জীবনযাপন ও সহজ যাতায়াতের কথা চিন্তা করে এই এলাকার রাস্তার প্রসার ঘটানো হবে।”
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তারেক রহমান নিজেকে ওই এলাকার সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে ছোটবেলার স্মৃতিচারণা করেন এবং ভোটারদের ১২ তারিখে ধানের শীষের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা–১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন,যা গুলশান, বনানী ও ঢাকা সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত।
রোববার নির্বাচনী প্রচারে তিনি ইসিবি চত্বরের পর অন্যান্য এলাকায়ও জনসভায় বক্তব্য দেবেন।
![]()
চট্টগ্রাম ব্যুরো।।বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (BIDA) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানিয়েছেন, সরকারের বর্তমান মেয়াদে চট্টগ্রাম বন্দরের ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ইজারা চুক্তি সম্পন্ন হবে না।
রোববার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে আশিক চৌধুরী বলেন,“উনারা আমাদের কাছ থেকে কিছুটা সময় চেয়েছেন। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুইটি কার্যদিবস বাকি আছে,তাই এই সময়ের মধ্যে চুক্তি হচ্ছে না।” তিনি আরও বলেন, “প্রজেক্টটি ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল।গত এক মাসে ফাইনাল বোঝাপড়ার ধাপ শুরু হয়েছিল,যা এখনও চলমান।সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছেন। চুক্তি সম্পন্ন করতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন হবে।”
এরই মধ্যে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (NCT) ইজারা না দেওয়ার দাবিতে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’ অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে।কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের সব অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।রোববার সকাল ৮টা থেকে জেটি,ইয়ার্ড,টার্মিনাল, প্রশাসনিক ভবন এবং বহির্নোঙরসহ সব স্থানে পণ্য খালাস ও পরিচালনা কার্যক্রম থেমে গেছে।ফলে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রায় ২০০ সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিককে বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। তবে আন্দোলনকারীরা এই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বন্দর রক্ষা পরিষদের সমন্বয়ক ও বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খোকন বলেন,“সকাল ৮টা থেকে বন্দরে সব ধরনের কাজ বন্ধ রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চলবে।”
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) মো. আমিরুল ইসলাম জানান,“বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক।।সামনে জাতীয় নির্বাচন,অথচ মাঠ প্রশাসনের ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে জনমনে যখন নানা প্রশ্ন,ঠিক তখনই ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) একটি গোপন তালিকা ফাঁস হয়েছে। ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা যাচ্ছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মেধা বা দক্ষতাকে পাশ কাটিয়ে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে চিহ্নিত করা হয়েছে।
নথিতে দেখা গেছে,ডিসিদের নামের পাশে ‘বিএনপি’, ‘জামায়াত’ এবং ‘এনসিপি (NCP)’ এই তিন ক্যাটাগরিতে রাজনৈতিক ট্যাগ দেওয়া হয়েছে।অনেক ক্ষেত্রে ‘পূর্বে’ রাজনৈতিক দল-এর ইতিহাসও উল্লেখ করা আছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন,ডিসিরা নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।তাই প্রশাসনের এমন একপাক্ষিক রাজনৈতিক বিন্যাস এবং গোপন নথিতে কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক পরিচয় সংরক্ষণ সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় অন্তরায়।
দলীয়করণের পরিসংখ্যান
জামায়াত: ৩২ জন
এনসিপি: ২০ জন
বিএনপি: ১২ জন
৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকের তালিকা (বিভাগভিত্তিক)
ঢাকা বিভাগ (১৩ জেলা)
জেলা ডিসি ব্যাচ রাজনৈতিক পরিচয়
ঢাকা মো: রেজাউল করিম ২৭ জামায়াত
গাজীপুর মোহাম্মদ আলম হোসেন ২৭ জামায়াত
নারায়ণগঞ্জ মো: রায়হান কবির ২৯ জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)
মুন্সীগঞ্জ সৈয়দা নুরমহল আশরাফী ২৭ জামায়াত
নরসিংদী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন ২৭ জামায়াত
মানিকগঞ্জ নাজমুন আরা সুলতানা ২৮ বিএনপি
টাঙ্গাইল শরীফা হক ২৫ বিএনপি
কিশোরগঞ্জ মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা ২৭ জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)
ফরিদপুর কামরুল হাসান মোল্যা ২৫ এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)
রাজবাড়ী সুলতানা আক্তার ২৭ এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)
গোপালগঞ্জ আরিফ-উজ-জামান ২৭ জামায়াত
মাদারীপুর জাহাঙ্গীর আলম ২৮ জামায়াত
শরীয়তপুর তাহসিনা বেগম ২৫ জামায়াত
চট্টগ্রাম বিভাগ (১১ জেলা)
জেলা ডিসি ব্যাচ রাজনৈতিক পরিচয়
চট্টগ্রাম জাহিদুল ইসলাম মিঞা ২৫ বিএনপি
কক্সবাজার মো: আ: মান্নান ২৭ জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)
কুমিল্লা রেজা হাসান ২৯ এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শারমিন আক্তার জাহান ২৫ বিএনপি
চাঁদপুর নাজমুল ইসলাম সরকার ২৯ বিএনপি
নোয়াখালী মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ২৭ বিএনপি
লক্ষ্মীপুর এস এম মেহেদী হাসান ২৭ জামায়াত
ফেনী মনিরা হক ২৭ জামায়াত
খাগড়াছড়ি আনোয়ার সাদাত ২৯ জামায়াত
রাঙ্গামাটি নাজমা আশরাফী ২৯ এনসিপি (পূর্বে সুশীল)
বান্দরবান শামীম আরা রিনি ২৭ বিএনপি
রাজশাহী বিভাগ (৮ জেলা)
জেলা ডিসি ব্যাচ রাজনৈতিক পরিচয়
রাজশাহী আফিয়া আখতার ২৫ বিএনপি
বগুড়া তৌফিকুর রহমান ২৭ বিএনপি
পাবনা ড. শাহেদ মোস্তফা ২৫ জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)
সিরাজগঞ্জ আমিনুল ইসলাম ২৭ এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)
নওগাঁ সাইফুল ইসলাম ২৯ এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)
নাটোর আসমা শাহীন ২৭ এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাহাদাত হোসেন মাসুদ ২৮ জামায়াত
জয়পুরহাট আল-মামুন মিয়া ২৮ এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)
খুলনা বিভাগ (১০ জেলা)
জেলা ডিসি ব্যাচ রাজনৈতিক পরিচয়
খুলনা আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার ২৯ জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)
যশোর মোহাম্মদ আশেক হাসান ২৭ জামায়াত
সাতক্ষীরা আফরোজা আখতার ২৮ জামায়াত
বাগেরহাট গোলাম মো: বাতেন ২৮ এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)
কুষ্টিয়া মো. ইকবাল হোসেন ২৯ জামায়াত
ঝিনাইদহ আব্দুল্লাহ আল মাসউদ ২৭ বিএনপি
চুয়াডাঙ্গা মোহাম্মদ কামাল হোসেন ২৭ এনসিপি (পূর্বে সুশীল)
মেহেরপুর ড. সৈয়দ এনামুল কবির ২৭ জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)
নড়াইল ড. মোহাম্মদ আব্দুল ছালাম ২৭ জামায়াত
মাগুরা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ২৮ জামায়াত
রংপুর বিভাগ (৮ জেলা)
জেলা ডিসি ব্যাচ রাজনৈতিক পরিচয়
রংপুর মোহাম্মদ এনামুল আহসান ২৭ জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)
দিনাজপুর রফিকুল ইসলাম ২৭ জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)
কুড়িগ্রাম অন্নপূর্ণা দেবনাথ ২৮ এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)
গাইবান্ধা মাসুদুর রহমান মোল্লা ২৭ এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)
নীলফামারী মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান ২৫ এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)
লালমনিরহাট এইচ এম রকিব হায়দার ২৫ এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)
ঠাকুরগাঁও ইশরাত ফারজানা ২৫ বিএনপি
পঞ্চগড় কাজী মো. সায়েমুজ্জামান ২৮ এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)
বরিশাল বিভাগ (৬ জেলা)
জেলা ডিসি ব্যাচ রাজনৈতিক পরিচয়
বরিশাল খায়রুল আলম সুমন ২৯ বিএনপি
পটুয়াখালী ড. মো: শহীদ হোসেন চৌধুরী ২৫ এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)
ভোলা ডা. শামীম রহমান ২৯ এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)
পিরোজপুর আবু সাঈদ ২৮ জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)
ঝালকাঠি মো. মমিন উদ্দিন ২৭ এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)
বরগুনা তাছলিমা আক্তার ২৭ জামায়াত
ময়মনসিংহ বিভাগ (৪ জেলা)
জেলা ডিসি ব্যাচ রাজনৈতিক পরিচয়
ময়মনসিংহ মো: সাইফুর রহমান ২৮ জামায়াত
জামালপুর মোহাম্মদ ইউসুপ আলী ২৭ এনসিপি (পূর্বে সুশীল)
নেত্রকোনা মো: সাইফুর রহমান ২৮ জামায়াত
শেরপুর তরফদার মাহমুদুর রহমান ২৭ জামায়াত
সিলেট বিভাগ (৪ জেলা)
জেলা ডিসি ব্যাচ রাজনৈতিক পরিচয়
সিলেট মো: সারওয়ার আলম ২৭ জামায়াত
সুনামগঞ্জ ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া ২৫ এনসিপি (পূর্বে সুশীল)
হবিগঞ্জ আবু হাসনাত মো: আরেফীন ২৫ জামায়াত
মৌলভীবাজার তৌহিদুজ্জামান পাভেল ২৮ জামায়াত
সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব: “ডিসিদের নামের পাশে দলের নাম লেখা মানে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে।”
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন,রাজনৈতিক বিবেচনায় পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হন, যা নির্বাচনের সুষ্ঠুতা ও সুশাসনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
যদি এই তালিকা সত্য হয়,তবে এটি দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য অশনিসংকেত।
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক।।ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকায় ভুক্তভোগী মোঃ হোসেন সেনাবাহিনী ও পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগে শেরেবাংলা নগর থানায় লিখিত আবেদন করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে,আদালতের স্থিতাবস্থা (Status Quo) বজায় রাখার নির্দেশ অমান্য করে কয়েকজন ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে হুমকি দিয়েছে।তারা জানিয়ে দিয়েছে,বাড়ি ও দোকানপাট জোরপূর্বক দখল করা হবে এবং মিথ্যা মামলায় ফেলা হবে।এছাড়া হুমকিমূলক অডিও কল ও ছবি পাঠিয়ে ভয় দেখানো হয়েছে।
মোঃ হোসেন বলেন,“আমরা আদালতের আদেশ মেনে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছি।অথচ সেনা ও পুলিশ পরিচয়ে আমাদের ভয় দেখানো হচ্ছে।যেকোনো সময় বড় ধরনের সহিংসতা ঘটার আশঙ্কা আছে।”
শেরেবাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা সংবাদদাতাকে জানান,“ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।আবেদন ও রিসিভ কপি পুলিশের নথিতে সংরক্ষিত রয়েছে।”
এ ঘটনায় থানার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মামলার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।
আবেদনের রিসিভ কপি:-
![]()
বরিশাল ব্যুরো।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ অবাধ,সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) সূত্র জানায়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্দেশনা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রজ্ঞাপনের আলোকে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। The Arms Act, 1878 (Act XI of 1878)-এর ১৭(ক)(১) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সধারীদের আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শনের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞাটি আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
বিএমপির গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,উক্ত আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে The Arms Act, 1878-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই গণবিজ্ঞপ্তি জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে।

![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের বিচার বিভাগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের সকল বিচারপতিদের অংশগ্রহণে একটি ফুলকোর্ট সভা আহ্বান করেছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় সুপ্রিম কোর্টের কনফারেন্স রুমে এই বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. মেসবাহ উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
সুপ্রিম কোর্ট সূত্র জানিয়েছে,এবারের ফুলকোর্ট সভায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এজেন্ডা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০২৬ সালের জন্য দেশের অধস্তন বা নিম্ন আদালতগুলোর ছুটির ক্যালেন্ডার অনুমোদন।
এছাড়া আদালতের প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বজায় রাখা,বিচারিক প্রক্রিয়ার মানোন্নয়ন এবং বিচার বিভাগের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন নীতি-নির্ধারণী বিষয়েও সভায় আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা রয়েছে।
ফুলকোর্ট সভা সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের মতবিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম,যেখানে বিচার বিভাগের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা,প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন এবং নতুন নিয়ম-কানুন প্রণয়নের বিষয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের সকল বিচারপতিকে সভায় বাধ্যতামূলকভাবে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।সভা শেষে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ রেজোলিউশন আকারে প্রকাশ করা হবে,যা পরবর্তীতে দেশের সকল আদালতের প্রশাসনিক কাঠামোতে কার্যকর হবে।
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক।।ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) সহযোগিতা চেয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জেনেভাস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন গত শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক নোট ভারবাল প্রেরণ করেছে। এতে হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের জন্য ওএইচসিএইচআরের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
বাংলাদেশ মিশন জানিয়েছে,ওএইচসিএইচআর থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া মাত্রই তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়,শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে বাংলাদেশ সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুসরণ করে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে বলেও পুনর্ব্যক্ত করেছে সরকার।
![]()
নেত্রকোনা প্রতিনিধি।।দুর্গাপুর–কলমাকান্দা আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন,ভোট কোনো বাণিজ্যের বিষয় নয়।জনগণের দেওয়া প্রতিটি ভোট তাঁর কাছে আমানত,যার কোনো খেয়ানত হতে দেওয়া হবে না।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন,দীর্ঘদিন ধরে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে মানুষের মতপ্রকাশের অধিকার দমন করা হয়েছে।তিনি বলেন,ধানের শীষ শুধুমাত্র একটি নির্বাচনি প্রতীক নয়—এটি গণতন্ত্র,ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক।এই প্রতীকের মাধ্যমেই জনগণ তাদের হারিয়ে যাওয়া অধিকার ফিরে পাবে।
নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পরিবারভিত্তিক সহায়তা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হবে।পাশাপাশি দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নেওয়া হবে কার্যকর ও টেকসই কর্মসূচি।
কার্ড নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বাণিজ্যের চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনে তিনি নিজেই আইনি পদক্ষেপ নেবেন।নারী ও কৃষিবান্ধব সরকার গঠন এবং শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি বিএনপির ভবিষ্যৎ সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হবে বলেও জানান তিনি।
ভবিষ্যৎ সরকার সম্পর্কে কায়সার কামাল বলেন,বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না।জনগণের কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।
কলমাকান্দা সীমান্ত উপজেলা হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন অবহেলার শিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন,উন্নয়নের নামে লুটপাট হলেও সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়েই এ অঞ্চলে ন্যায়ভিত্তিক উন্নয়ন,কর্মসংস্থান ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
পথসভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী,সমর্থক এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক।।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।আগামী বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে বহুল আলোচিত এই চুক্তিতে সই হওয়ার কথা রয়েছে।
নির্বাচনের ঠিক আগে এমন একটি বড় চুক্তি নিয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।বিশেষ করে চুক্তির খসড়ায় কী রয়েছে,তা এখনো প্রকাশ না হওয়ায় সমালোচনা আরও জোরালো হয়েছে।জানা গেছে,চুক্তির শর্তাবলি গোপন রাখার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আগেই নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট (এনডিএ) সই করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।নির্বাচনের পরপরই বিদায় নেবে অন্তর্বর্তী সরকার এবং নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।অথচ এই চুক্তি বাস্তবায়নের দায় পড়বে নির্বাচিত সরকারের ওপর—এ নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষকরা।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব প্রশ্নের জবাব দেন অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন বিষয়ক উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
তিনি বলেন,চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর এর শর্তাবলি ও অন্যান্য বিষয় জনসম্মুখে তুলে ধরা হবে।নির্বাচিত সরকারকে চাপমুক্ত রাখতেই নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই বাণিজ্য চুক্তি করা হচ্ছে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান,বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ বছরে প্রায় এক লাখ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করে।এই গুরুত্বপূর্ণ বাজার ধরে রাখা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার অংশ হিসেবে বোয়িং কোম্পানি থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব উড়োজাহাজ কিনতে ব্যয় হবে আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
তিনি আরও জানান,যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কাছে মোট ৪৭টি উড়োজাহাজ বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে আপাতত ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক আরও কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেন শেখ বশিরউদ্দীন।তিনি বলেন,এক সময় বাংলাদেশের পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল,যা আলোচনার মাধ্যমে ২০ শতাংশে নামানো হয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন,চুক্তির শর্তাবলি প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে। বাংলাদেশই একমাত্র দেশ,যাদের চুক্তির শর্ত সারা বিশ্বে প্রকাশিত হয়েছে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও বলেন,আগামী ৯ ফেব্রুয়ারির চুক্তিতে শুল্ক আরও কতটা কমানো যায়,সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক খাতে শুল্ক শূন্যে নামিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক।।ঢাকা ওয়াসা ইতিমধ্যে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা ঋণে জর্জরিত,তবুও তারা একটি নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে।নাম ‘ঢাকা ওয়াসা প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা একাডেমি’,যার ব্যয় ৭২১ কোটি টাকা,এবং এর মধ্যে ৫৭১ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হবে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে।প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো ঢাকা ওয়াসার কর্মীদের পাশাপাশি আশেপাশের দেশগুলোর সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলছেন,রাজস্ব ঘাটতির এই সময়ে প্রকল্পটি কতটা জরুরি।তবু অন্তর্বর্তী সরকার বিদায়বেলায় এটি অনুমোদন দিয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের সময়ে মোট ১৩৫টি নতুন প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে,যার ব্যয় ২ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা।এর মধ্যে বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতের প্রকল্পগুলো সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ পেয়েছে।স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের প্রকল্পও শেষ সময়ে অনুমোদিত হয়েছে।
জেলায় বরাদ্দে বৈষম্য দেখা গেছে। চট্টগ্রাম জেলায় সবচেয়ে বেশি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে।পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলছেন,চট্টগ্রামে পানি ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা ঢাকার তুলনায় কম উন্নত। এছাড়া রপ্তানি বাড়াতে বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি।
তফসিল ঘোষণার পর অনুমোদিত কিছু প্রকল্প নির্বাচনী প্রভাব ফেলতে পারে—বিশেষ করে কুমিল্লা,সাতক্ষীরা,সিলেট ও পটুয়াখালী জেলায়। টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মন্তব্য করেছেন,“এ ধরনের অনুমোদন অন্যায় এবং ব্যর্থতার পরিচয়।”
অন্তর্বর্তী সরকারের টাস্কফোর্স বিশেষভাবে আঞ্চলিক বৈষম্য কমানোর এবং জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অগ্রাধিকার দেওয়ার সুপারিশ করেছিল।কিন্তু বাস্তবে ঢাকা ও চট্টগ্রামের প্রকল্পের ওপর বেশি জোর,গ্রামীণ এলাকা তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে।
নতুন প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকীকরণ (৩৫,৪৬৫ কোটি টাকা)
চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনাল সম্প্রসারণ (১৩,৫২৫ কোটি টাকা)
কর্ণফুলী নদীর ওপর রেলসেতু নির্মাণ (১১,৫৬০ কোটি টাকা)
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন (৫৭৭ কোটি টাকা)
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই প্রকল্পগুলো অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উভয় দিক থেকেই বিতর্কের। বিশেষ করে নির্বাচন ঘনিয়ে আসায়, প্রকল্প অনুমোদনের সময়কাল ও বরাদ্দ বিতর্ক সৃষ্টি করছে।
![]()
বরফের দেশে বছরে ৫০ লাখ টাকার চাকরি!
সংস্থা: ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভে
চাকরির বিবরণ:
বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ: শেফ, কাঠমিস্ত্রি, প্লাম্বার, ইলেকট্রিশিয়ান, প্ল্যান্ট অপারেটর, বোটিং অফিসার, আবহাওয়া পর্যবেক্ষক
ভবিষ্যতে আরও পদ খোলা হবে যেমন স্টেশন লিডার, প্রাণিবিদ্যা ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট
বেতন ও সুবিধা:
বার্ষিক বেতন ৩০,২৪৪ পাউন্ড (~৫০ লাখ টাকা)
থাকা, খাওয়া, যাতায়াত, শীতবস্ত্র এবং প্রশিক্ষণ ফ্রি
চ্যালেঞ্জ ও পরিবেশ:
ছয় মাস অন্ধকার
তাপমাত্রা -৮৯.২°C পর্যন্ত
বরফ ও তুষারঝড়ে কাজ
মানসিক সহনশীলতা ও দলগত কাজের ক্ষমতা অপরিহার্য
চুক্তির মেয়াদ: ৬ থেকে ১৮ মাস
যোগ্যতা: চরম শীত সহ্য, অভিযোজন ক্ষমতা, অ্যাডভেঞ্চারের নেশা
আবেদন: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত তথ্য দেখে আবেদন করতে হবে।
![]()
পটুয়াখালী প্রতিনিধি।।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন,যারা আজ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে রাজনীতিতে এসেছে তারা স্বার্থান্বেষী মহল।তারা দাঁড়িপাল্লাকে ইনসাফ ও ন্যায়ের প্রতীক বলে দাবি করলেও বাস্তবে এর এক পাল্লায় গোপনে আমেরিকা এবং অন্য পাল্লায় গোপনে ভারত রয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, “আমরা বাংলাদেশের মানুষ।আমরা আমেরিকার ইনসাফ চাই না,ভারতের ইনসাফ চাই না—আমরা ইসলামের ইনসাফ চাই।”
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,বিএনপি-জামায়াত কেউই ইসলামভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার কথা বলেনি।তারা সবাই প্রচলিত ধারার কথা বলেছে। কিন্তু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে ইসলামভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করা হবে।
তিনি আরও বলেন,“প্রচলিত আইন দিয়েই দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।হাজার হাজার মা তাদের সন্তান হারিয়েছে।এই আইন দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করে নতুন কিছু দেওয়া সম্ভব নয়।”
হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে তিনি বলেন,“হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে একটি ভোট পড়লে ইসলামের পক্ষে একটি শক্তি বাড়ে।” নতুন ভোটারসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতা নাসির আহমেদ কাউসার,হাবিবুর রহমান মিসবাহ,পটুয়াখালী জেলা সভাপতি হাওলাদার মো. সেলিম মিয়া,বাউফল উপজেলা সদস্যসচিব আলহাজ আবুল হোসেন হাওলাদার,মাওলানা নুরুল আমিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
![]()
মেহেন্দিগঞ্জ(বরিশাল)প্রতিনিধি।।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও পীর সাহেব চরমোনাই মুফতী সৈয়দ রেজাউল করিম আগামীকাল সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মেহেন্দিগঞ্জে আগমন করবেন।বরিশাল-৪ আসনে দলটির নির্বাচনী গণসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকাল ১০টায় পাতারহাট কারিমীয়া কমপ্লেক্স সংলগ্ন ‘হাতপাখা’ প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার গাজী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
সভায় তিনি বলেন,“পীর সাহেব চরমোনাইর আগমনকে কেন্দ্র করে মেহেন্দিগঞ্জে ইতোমধ্যেই উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।আগামীকালের গণসমাবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।আমরা একটি জনমুখী ও সফল গণসমাবেশ উপহার দিতে চাই।”
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন,ইসলামী মূল্যবোধ ও জনকল্যাণভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠাই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য।নির্বাচনী পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারা জানান,সাধারণ মানুষের পাশে থেকে একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে দলটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সেক্রেটারি আসাদুল্লাহ আল গালীব,জয়েন্ট সেক্রেটারি এইচ এম আল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসাইন আনসারীসহ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।
সভা শেষে আয়োজকরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।একই সঙ্গে আগামীকালের গণসমাবেশে দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণকে উপস্থিত থাকার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আকিজ বশির গ্রুপ তাদের মার্কেটিং (ব্র্যান্ড) বিভাগে ম্যানেজার পদে একাধিক জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে এ পদে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে,যা চলবে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী,প্রার্থীদের মার্কেটিং বিষয়ে বিবিএ বা এমবিএ ডিগ্রি থাকতে হবে।পাশাপাশি বিক্রয় ও ক্লায়েন্ট ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।নারী ও পুরুষ উভয়েই এ পদে আবেদন করতে পারবেন।
চাকরিটি ফুলটাইম,কর্মস্থল হবে ঢাকা,এবং অফিসে উপস্থিত থেকে কাজ করতে হবে। বেতন আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে।
বেতনের পাশাপাশি নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রতিষ্ঠানটির নীতিমালা অনুযায়ী **টি/এ,প্রভিডেন্ট ফান্ড,ভ্রমণ ও চিকিৎসা ভাতা, মোবাইল বিল,গ্র্যাচুইটি,দুপুরের খাবার সুবিধা,বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট,উৎসব বোনাস ও লিভ ফেয়ার অ্যাসিস্ট্যান্স (এলএফএ)**সহ নানা সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি ও আবেদন লিংক সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
![]()





সর্বশেষ সংবাদ :———