Top Tags
সর্বশেষ সংবাদ
তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজবগুড়ায় অর্থ আত্মসাৎ মামলায় এনসিপি নেতা মিজানুর রহমান সাগর কারাগারেকিশোর গ্যাংয়ের ধাওয়ায় প্রাণ গেল কলেজছাত্র শাওনের, গ্রেপ্তারের দাবিতে এসপি কার্যালয় ঘেরাওসরকারি বেতন-ভাতা ও গাড়ি ব্যবহার করবেন না: কৃষিমন্ত্রী আমিন-উর-রশীদ ইয়াছিনবারবার জয়, তবু মন্ত্রিসভায় নয় — সরওয়ারকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রশ্নশিক্ষা ও ক্রীড়া উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেছেনপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদের আগে ইমাম-মুয়াজ্জিন-খতিবদের সম্মানী দেবেসরকারি পরীক্ষামূলক ফ্যামিলি কার্ড ঈদের আগে ৮ উপজেলায় চালু করতে যাচ্ছেবরিশালে হোটেল ব্যবসা,মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ: ডিবি কর্মকর্তাকে ঘিরে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিতচাঁদা নিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে জামায়াতের তীব্র প্রতিক্রিয়াসাংবাদিকতার নামে অপসংস্কৃতি: ইউটিউব চ্যানেল খুললেই কি সাংবাদিক হওয়া যায়? মেহেন্দিগঞ্জে উদ্বেগদুর্নীতি করবো না, কাউকে করতেও দেব না : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজসংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হতে চান মেহেন্দিগঞ্জের সালমা আক্তারপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রথম কর্মদিবস পালন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশহীদ মিনারে জামায়াতের শ্রদ্ধা জানানো প্রসঙ্গে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাককেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির আত্মহত্যা১২ জেলায় কার্যালয়ের তালা খুলে আ.লীগের ঝটিকা কর্মসূচিনির্বাচনী হলফনামা বনাম নগদ বিনিয়োগ: ব্যারিস্টার আরমানের ২ কোটি টাকার সম্পদে ১০০০ কোটির নগদ কেনার প্রস্তাব বিতর্কের ঝড় তুলেছে

সংবাদ শিরোনাম

সর্বশেষ সংবাদ

আজকের সর্বশেষ সংবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক।।শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন,বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি একটি বিদেশি ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন,আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার চাহিদা বিবেচনায় আরবি,চীনা,জাপানি বা ফরাসি ভাষা পর্যায়ক্রমে শিক্ষাব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।এর ফলে শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা বাড়বে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও সম্প্রসারিত হবে।

তিনি বলেন,নতুনভাবে গণতন্ত্রের পদযাত্রায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় পর সবাই স্বাধীনতার সুফল উপভোগ করছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে ভাষা শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানান তিনি।মাতৃভাষা বাংলাকে সর্বাগ্রে রেখে ভাষা শিক্ষার মান বিশ্বপর্যায়ে উন্নীত করার ওপর জোর দেন প্রতিমন্ত্রী।

ববি হাজ্জাজ আরও বলেন,ধর্ম নিয়ে কুরাজনীতি সরকার পছন্দ করে না।দেশ,জাতি,ইতিহাস ও সংস্কৃতি রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

Loading

বগুড়া প্রতিনিধি।।বগুড়ায় অর্থ আত্মসাৎ ও চাঁদাবাজির মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহ-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সাগরকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) মোস্তফা মঞ্জুর।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়,মিজানুর রহমান সাগর একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় দায়ের করা মামলায় অর্থ আত্মসাৎ,ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। গত ৩০ আগস্ট রুবেল প্রাং নামে এক ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়,ঘটনার দিন রাতে কলেজের সামনে চা পান করার সময় মিজানুর রহমানসহ ৪–৫ জন মোটরসাইকেলে এসে রুবেল প্রাংকে জোরপূর্বক অডিটোরিয়ামের পেছনে নিয়ে যায়।সেখানে তাকে মারধর করা হয় এবং ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।এক পর্যায়ে তার বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে ২৮ হাজার ৩০০ টাকা আদায় এবং সঙ্গে থাকা আরও ২২ হাজার ৮০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

 

পুলিশ জানায়,শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের জলেশ্বরীতলা কালী মন্দিরের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।শনিবার আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Loading

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি।।ময়মনসিংহ নগরে ছিনতাইকারী কিশোর গ্যাংয়ের ধাওয়ার ঘটনায় আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থী নুরুল্লাহ শাওনের (২৬) মরদেহ উদ্ধারের পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন।

শনিবার দুপুরে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।এ সময় তারা শহরে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

নিহত নুরুল্লাহ শাওন আনন্দ মোহন কলেজের রসায়ন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।তাঁর বাড়ি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার চর জাকালিয়া গ্রামে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গত বুধবার বিকেলে বন্ধু মঞ্জুরুল আহসান (রিয়াদ)কে সঙ্গে নিয়ে শাওন ব্রহ্মপুত্র নদের বিপরীত পাড়ে বেড়াতে যান।সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সাত সদস্যের একটি কিশোর দল তাদের ঘিরে ধরে টাকা দাবি করে।টাকা না থাকায় দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়।একপর্যায়ে তারা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দেয় কিশোররা।রিয়াদ নদী সাঁতরে পার হতে সক্ষম হলেও শাওন নিখোঁজ হন।পরে শুক্রবার রাতে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের মা সাহিদা বেগম কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা নেওয়া হয়। অভিযুক্তদের বয়স ১৩ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে এবং তারা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।ইতোমধ্যে ১৫ বছর বয়সী একজনকে গ্রেপ্তার করে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।

মরদেহ উদ্ধারের পর শুক্রবার রাতেই টাউন হল এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থীরা।প্রশাসনের আশ্বাসে পরে তারা সড়ক ছাড়েন।

কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিল আহমেদ বলেন,শহরকে ছিনতাই ও মাদকমুক্ত করতে হবে এবং হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান,নিহতের শরীরে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি; পানিতে ডুবে মৃত্যুর আলামত রয়েছে।তবে কিশোরদের ধাওয়া ও ছিনতাইয়ের প্ররোচনার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এদিকে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন,নগরে কিশোর গ্যাং ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ দীর্ঘদিন ধরে বাড়ছে।দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমিন-উর-রশীদ ইয়াছিন জানিয়েছেন, মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে তিনি সরকারি গাড়ি ও সরকারি অর্থ ব্যবহার করছেন না এবং ভবিষ্যতেও করবেন না।একই সঙ্গে তিনি সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ না করার ঘোষণা দিয়েছেন।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান,তিনি নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি ও নিজস্ব অর্থে কেনা জ্বালানি ব্যবহার করছেন।দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত সরকারি সুবিধা গ্রহণ থেকে বিরত থাকবেন বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন,কুমিল্লায় রপ্তানিমুখী শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে শিল্পায়নের অগ্রগতি হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।কৃষি উন্নয়নে ‘কুমিল্লা মডেল’-এর অবদান তুলে ধরে তিনি কৃষকদের উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার আশ্বাস দেন।

কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ সুবিধা বাড়াতে কুমিল্লায় হিমাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সাবেক হুইপ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরওয়ার বরিশালের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত নাম।পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া,জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং সিটি মেয়র পদে সফল মেয়াদকাল—সব মিলিয়ে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এই নেতা এবারও আলোচনায়,তবে ভিন্ন কারণে।বারবার নির্বাচনে জয় পেলেও এখন পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

 

জন্ম, শিক্ষা ও রাজনৈতিক উত্থান

১৯৫৭ সালের ১ অক্টোবর বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন মজিবুর রহমান সরওয়ার।পেশায় তিনি একজন আইনজীবী।ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও নব্বইয়ের দশকের শুরুতে জাতীয় রাজনীতিতে তার দৃশ্যমান উত্থান ঘটে।১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর বরিশালে এক বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি স্থানীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন।

 

বিএনপিতে অবস্থান

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।বর্তমানে তিনি দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব এবং দলীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। সাংগঠনিক দক্ষতা ও মাঠপর্যায়ের জনপ্রিয়তার কারণে তাকে দলটির পরীক্ষিত নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

 

সংসদ সদস্য ও হুইপ হিসেবে দায়িত্ব

বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) আসন থেকে তিনি মোট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন—১৯৯১, ১৯৯৮ সালের উপনির্বাচন,২০০১, ২০০৮ এবং সর্বশেষ ২০২৬ সালের নির্বাচনে।

২০০১ সালে তিনি জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন,যা প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদাসম্পন্ন পদ।সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা ও দলীয় সমন্বয়ে সে সময় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

 

মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন

জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।২০০৩ সালের ২৪ এপ্রিল বরিশাল সিটি করপোরেশনের দ্বিতীয় মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০০৭ সালের ২১ এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।তার মেয়াদকালে নগর অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ আলোচিত হয়।

 

মামলা ও জেল জীবন

রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সময় তিনি একাধিক মামলার মুখোমুখি হয়েছেন।২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘ সময় কারাভোগ করেন।পরবর্তী সময়েও রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা গ্রেপ্তার ও কারাবরণের ঘটনা ঘটে।

 

মন্ত্রিসভায় না থাকা নিয়ে আলোচনা

দলীয় পদমর্যাদা,নির্বাচনী অভিজ্ঞতা এবং ধারাবাহিক জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও এবারও মন্ত্রিসভায় তার নাম না থাকায় বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তীব্র হয়েছে।একই সময়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই কয়েকজন নেতা মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় তুলনামূলক প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,মন্ত্রিসভা গঠনে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ভারসাম্য,দলীয় কৌশল,জোট রাজনীতি এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।ফলে অনেক সময় অভিজ্ঞ নেতারাও অপেক্ষায় থাকেন মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের।

 

সম্ভাবনার আলোচনা

সরকারি ও দলীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে,শিগগিরই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হতে পারে এবং একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে।দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন—বিশেষ করে ভোলা-বরিশাল, লক্ষ্মীপুর-ভোলা ও পটুয়াখালী-ভোলা সড়ক সংযোগ এবং বরিশাল বিভাগের ৩৭টি সেতুসহ বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপটে পরিকল্পনা বা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে তার নাম সম্ভাব্য আলোচনায় রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে।

তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও বারবার নির্বাচনী জয় শেষে অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরওয়ার কি শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় জায়গা পাবেন, নাকি অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হবে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।শিক্ষাব্যবস্থাকে আনন্দমুখর ও কর্মমুখী করে গড়ে তোলা,কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি,এবং ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী,প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ডাকটিকেটও অবমুক্ত করেন এবং পুরনো সহকর্মীদের নাম ধরে ডাকেন।

সূত্র: প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ, সরকারি বার্তা সংস্থা।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।আজ শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে,পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে কিছু কিছু জায়গায় ইমাম, মুয়াজ্জিন-খতিব ও অন্যান্য ধর্মগুরুদের সম্মানী প্রদান শুরু করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, বৈঠকে বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ধর্মগুরুদের মাসিক সম্মানী ও উৎসবভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।এছাড়া বৈষম্যহীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

আজ প্রথমবারের মতো তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেন প্রধানমন্ত্রী।উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম,প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সরকার ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে ৮টি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে। নির্বাচিত উপজেলা গুলো হলো: লামা (বান্দরবান),চরফ্যাশন (ভোলা),দিরাই (সুনামগঞ্জ), শ্যামনগর (সাতক্ষীরা),কুড়িগ্রাম সদর (কুড়িগ্রাম),পবা (রাজশাহী),নান্দাইল (ময়মনসিংহ) এবং কেরানীগঞ্জ (ঢাকা)।

ফ্যামিলি কার্ড চালুর মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হলো জনগণের সুযোগ–সুবিধা আরও সহজ ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়া। পরীক্ষামূলক এই প্রকল্প সফল হলে পরে ধাপে ধাপে পুরো দেশে বাস্তবায়ন করা হবে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বরিশাল মহানগরীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে তীব্র প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি শাখার ইন্সপেক্টর ছগির হোসেনকে ঘিরে ওঠা একাধিক গুরুতর অভিযোগ।

স্থানীয় মহল,ব্যবসায়ী ও সচেতন নাগরিকদের দাবি—হোটেল ব্যবসায় গোপন অংশীদারিত্ব,জুয়া ও মাদক কারবারে প্রভাব বিস্তার,অবৈধ আর্থিক লেনদেন এবং অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যার দৃশ্যমান মুখ হিসেবে সামনে রয়েছেন হোটেল ব্যবসায়ী মো. মানিক।

অভিযোগগুলো এখন আর গুঞ্জনে সীমাবদ্ধ নেই; বরং পুলিশ সদর দফতর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়,জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও দুর্নীতি দমন কমিশনের নীরবতা নিয়েই জনমনে তৈরি হয়েছে গভীর সন্দেহ।

ডিবি কর্মকর্তার নামে হোটেল মালিকানার অভিযোগ

স্থানীয় সূত্রের দাবি,নগরীর গীর্জা মহল্লার হোটেল ইমপেরিয়াল, পোর্ট রোডের হোটেল রোদেলা এবং সদর রোডের বিবির পুকুরপাড়ের হোটেল সামস—এই তিনটি আবাসিক হোটেলে শেয়ার মালিক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন ইন্সপেক্টর ছগির।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে,প্রতিটি হোটেলে অংশীদার হতে প্রয়োজন কয়েক কোটি টাকার বিনিয়োগ।ফলে প্রশ্ন উঠেছে—সরকারি বেতনে কর্মরত একজন পুলিশ কর্মকর্তার পক্ষে এত বিপুল বিনিয়োগের উৎস কী?

সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ,ঘোষিত আয় ও বাস্তব সম্পদের মধ্যে স্পষ্ট অসামঞ্জস্য রয়েছে,যা তদন্ত ছাড়া পরিষ্কার হওয়া সম্ভব নয়।

সামনে মানিক,নিয়ন্ত্রণে কে?

স্থানীয়দের দাবি, মো. মানিক বর্তমানে কয়েকটি হোটেলের দৃশ্যমান মালিক হলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ অন্যত্র।একসময় হোটেলের কর্মচারী থাকা মানিকের অল্প সময়ে একাধিক ব্যবসার মালিক হয়ে ওঠা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে,এসব প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানোর উদ্যোগ নিলেই প্রভাবশালী মহল থেকে চাপ আসে।

জুয়া,মাদক ও অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত নির্দিষ্ট কক্ষে নিয়মিত জুয়ার আসর বসে এবং প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার লেনদেন হয়।পাশাপাশি মাদক কেনাবেচা,সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আনাগোনা এবং কক্ষভিত্তিক অবৈধ কার্যক্রমের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

আরও গুরুতর অভিযোগ—কিছু ক্ষেত্রে আটক মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং জব্দ তালিকায় অসঙ্গতি রেখে মাদক গোপনে বিক্রির ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

নগরজুড়ে আবাসিক হোটেল এখন অপরাধের আশ্রয়স্থল?

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে,বরিশাল নগরীর বহু আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যে দেহব্যবসা,মাদক লেনদেন ও অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে।অভিযোগ রয়েছে—প্রেমিক-প্রেমিকার আড়ালে সংগঠিত হচ্ছে দালাল চক্র,নারী পাচার,ব্ল্যাকমেইল এবং পর্নোগ্রাফি তৈরি করে অর্থ আদায়ের মতো অপরাধ।

স্থানীয়দের ভাষায়, “সবাই জানে কোথায় কী হয়,কিন্তু কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।”

অভিভাবকদের উদ্বেগ—স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজ ক্রমেই এসব অপরাধচক্রের ফাঁদে জড়িয়ে পড়ছে।

কর ফাঁকি ও লাইসেন্স অনিয়মের অভিযোগ

হোটেলগুলোর আয়-ব্যয়,ভ্যাট পরিশোধ এবং লাইসেন্স নবায়নে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।ফলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে,সম্পদের উৎস,ব্যাংক হিসাব ও কর নথি একযোগে তদন্ত না করলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে না।

প্রশাসনের বক্তব্য

কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন-উল ইসলাম বলেন,

“সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন জানান,

“নগরীতে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না।”

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন,

“অপরাধী যেই হোক,আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।”

প্রশ্ন এখন একটাই

নগরবাসীর প্রশ্ন—এত অভিযোগ,এত নাম,এত ঘটনার পরও যদি স্বপ্রণোদিত তদন্ত না হয়,তাহলে আইন কি সবার জন্য সমান?

এক প্রবীণ নাগরিকের কথায়,

“আইনের রক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তদন্ত না হওয়া মানে সাধারণ মানুষের আস্থাকে ধ্বংস করা।”

দাবি: উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত

সচেতন মহল মনে করছে,পুলিশ সদর দফতর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুদক ও এনবিআরের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে—

সম্পদের উৎস

হোটেল মালিকানার শেয়ার

কর নথি

মাদক ও জুয়া সংশ্লিষ্ট অভিযোগ

একসাথে যাচাই করা জরুরি।

কারণ, অভিযোগ সত্য হোক বা মিথ্যা—তদন্ত ছাড়া নীরবতা শুধু সন্দেহই বাড়ায়, আর সেই সন্দেহের বোঝা বহন করতে হয় পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থাকেই।

 

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ়করণ বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় মন্ত্রী,প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকাল ১০টার কিছু পর প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন তাকে স্বাগত জানান।

কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের সময় দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং পুরনো অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম ধরে তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় প্রাঙ্গণে একটি স্বর্ণচাঁপা ফুলের চারা রোপণ করেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস–২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সড়কে চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে নবনিযুক্ত সড়ক পরিবহন,রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।দলটির দাবি,সমঝোতার নামে চাঁদাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার মতো বক্তব্য দিয়েছেন মন্ত্রী।

শনিবার এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

বিবৃতিতে তিনি বলেন,চাঁদাবাজি একটি ফৌজদারি অপরাধ এবং এটি সমাজ,অর্থনীতি ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি।একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর বক্তব্যে যদি এমন বার্তা যায় যে অবৈধ অর্থ আদায় বা অনৈতিক সমঝোতা গ্রহণযোগ্য, তাহলে তা রাষ্ট্রের জন্য উদ্বেগজনক।এতে অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

তিনি আরও বলেন,সরকারের উচিত চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া।মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার করে দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ারও দাবি জানায় দলটি।

জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়,চাঁদাবাজি বন্ধ করে জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব।সরকার ব্যর্থ হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয় বিবৃতিতে।

উল্লেখ্য,গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন,সড়কে যে অর্থ নেওয়া হয় তা সবসময় চাঁদা হিসেবে দেখা ঠিক নয়।মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো সমঝোতার ভিত্তিতে কল্যাণমূলক কাজে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে।কেউ বাধ্য হয়ে অর্থ দিলে সেটিকেই তিনি চাঁদা হিসেবে দেখেন বলে মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন,পরিবহন খাতে বিভিন্ন সংগঠন সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ সংগ্রহ করে এবং এতে রাজনৈতিক প্রভাবও কাজ করে,তবে এটিকে সরাসরি চাঁদাবাজি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ইউটিউব ও ফেসবুকভিত্তিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহার নিয়ে সচেতন মহলে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, “মেহেন্দিগঞ্জ প্রতিদিন” “মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস”, “মেহেন্দিগঞ্জ খবর” ও “চ্যানেল বরিশাল” নাম ব্যবহারকারী কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সাংবাদিকতার ন্যূনতম জ্ঞান বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই বিভিন্ন বিতর্কিত ব্যক্তি ও অপরাধ সংশ্লিষ্টদের সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি,এদের অনেকেই সংবাদ কী,তথ্য যাচাই কীভাবে করতে হয়— সে সম্পর্কে মৌলিক ধারণাও রাখেন না।বরং সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে সামাজিক প্রভাব বিস্তার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের অভিযোগ উঠেছে।

❖ ফেক আইডি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ

একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও লেখক-কলামিস্টের অভিযোগ অনুযায়ী, “নুসরাত জাহান” নামে একটি ছদ্ম ফেসবুক আইডি থেকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হয়।বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তিনি কৌশলগতভাবে কথোপকথন চালালেও পরবর্তীতে সেটিকে কেন্দ্র করে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মেহেন্দিগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য মোঃ ইউসুফ আলী সৈকত পরিস্থিতি বাড়াবাড়ি না করার অনুরোধ জানিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

❖ ইউটিউব কি গণমাধ্যম?

বিশেষজ্ঞদের মতে,ইউটিউব বা ফেসবুক একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম,কিন্তু নিজে থেকে গণমাধ্যম নয়।বাংলাদেশে গণমাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে সংশ্লিষ্ট আইন,নিবন্ধন, সম্পাদকীয় নীতিমালা এবং দায়বদ্ধতা থাকতে হয়।

শুধুমাত্র ভিডিও আপলোড বা পোস্ট প্রকাশ করলেই কেউ সাংবাদিক হয়ে যান না।

❖ সাংবাদিক কাকে বলে?

সাংবাদিক হলেন সেই ব্যক্তি—

যিনি তথ্য সংগ্রহ,যাচাই ও বিশ্লেষণ করে জনস্বার্থে প্রকাশ করেন

নৈতিকতা,সত্যতা ও নিরপেক্ষতার নীতি মেনে চলেন

আইন ও পেশাগত আচরণবিধির আওতায় কাজ করেন

❖ গণমাধ্যমের ভূমিকা

গণমাধ্যমের মূল কাজ—

সত্য তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা

ক্ষমতার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা

গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধ করা

সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করা

❖ আইনি ও সাংবিধানিক বাস্তবতা

বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হলেও তা আইনের সীমার মধ্যে।ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিদ্যমান আইনে মিথ্যা তথ্য প্রচার, মানহানি,ব্ল্যাকমেইল বা ভয়ভীতি প্রদর্শন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

❖ সচেতন মহলের প্রশ্ন

স্থানীয় সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রশ্ন—

“যে কেউ ক্যামেরা হাতে বা ইউটিউব চ্যানেল খুলে সাংবাদিক পরিচয় দিলে প্রকৃত সাংবাদিকতার মর্যাদা কোথায় থাকবে?”

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ সব দপ্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন,নিজে যেমন দুর্নীতি করবেন না,তেমনি তার অধীনস্থ কাউকেও দুর্নীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন,আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোথাও কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ কেউ খুঁজে পাবে না।শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে থাকা অনিয়ম দূর করতে কঠোর নজরদারি জোরদারের নির্দেশও দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন,দেশপ্রেম শুধু রাজনৈতিক বক্তব্যে নয়, বরং কর্মক্ষেত্রে সততা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই প্রমাণিত হয়।শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়নে ‘কারিকুলাম,ক্লাসরুম ও কনসিস্টেন্সি’—এই তিনটি মূলনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন,বাংলা ভাষা ও গণিতে দক্ষতা অর্জন ছাড়া শিক্ষার্থীদের শক্ত ভিত্তি তৈরি সম্ভব নয়।এ লক্ষ্যে পাঠ্যক্রম পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের কথাও জানান তিনি।

তিনি বলেন,ইংরেজি বা তৃতীয় ভাষা শেখার আগে শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষা বাংলায় দৃঢ় জ্ঞান নিশ্চিত করতে হবে।প্রশাসনিক গাফিলতি বা আর্থিক অনিয়ম কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না বলেও কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন তিনি।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

Loading

মেহেন্দিগঞ্জ(বরিশাল) প্রতিনিধি।।সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উত্তর উলানিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা সালমা আক্তার।

দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত হয়ে বরিশাল জেলার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।

পারিবারিকভাবেও রাজনৈতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত সালমা আক্তার।তার বাবা হাজী আব্দুল বাছেদসহ পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।

বর্তমানে তিনি মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাড়াও ঢাকা জেলা বিএনপির সদস্য,আশুলিয়া থানা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা,বরিশাল বিভাগীয় জাতীয়তাবাদী ফোরামের সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা এবং জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।দলীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে সক্রিয় ভূমিকার কারণে ইতোমধ্যে বরিশাল জেলার সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের মাঝেও তার পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।বরিশাল জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের একটি অংশ তাকে সংসদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মিরাজ,জাবেদ ও রুবেল বলেন,“সালমা আপু বিএনপির দুর্দিনে দলের পাশে ছিলেন।আমরা তাকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চাই।”

এছাড়া এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিরা জানান,“তিনি ভালো পরিবারের সন্তান এবং সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য। তার মতো মানুষের সংসদে যাওয়া প্রয়োজন।”

সালমা আক্তার বলেন,“বরিশাল জেলা দীর্ঘদিন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত।বিশেষ করে নারীদের উন্নয়নে তেমন কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।সুযোগ পেলে পিছিয়ে পড়া নারীদের নিয়ে কাজ করতে চাই।” তিনি আরও বলেন,মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বেড়ে ওঠার কারণে এলাকার মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে তার বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে।

নিজের রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ আমলে বিএনপির ওপর নির্যাতনের সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলাম।হামলা-মামলার শিকার হয়েছি এবং জেলজুলুমও সহ্য করেছি।দলের দুর্দিনে পাশে থাকায় এবার দল আমাকে মূল্যায়ন করবে বলে আশা করছি।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা বিএনপির এক সিনিয়র নেতা জানান,সালমা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।তিনি মেহেন্দিগঞ্জ মানব কল্যাণ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান এবং ঢাকাস্থ মেহেন্দিগঞ্জ সমিতির আজীবন সদস্য হিসেবে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয়তা ও সামাজিক সম্পৃক্ততার কারণে বরিশাল থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় তিনি এগিয়ে থাকতে পারেন।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেন।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে তাঁর গাড়িবহর কার্যালয় প্রাঙ্গণে পৌঁছালে সেখানে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল তাঁর কার্যালয়ে প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্মদিবস।তেজগাঁও কার্যালয়ে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে তারেক রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় দায়িত্ব পালনকারী পুরোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কুশল বিনিময় করেন।এসময় তিনি অনেক কর্মকর্তাকে নাম ধরে ডেকে তাদের খোঁজখবর নেন,যা উপস্থিতদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করে।

এদিকে কার্যালয় চত্বরে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ ফুলের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।বৃক্ষরোপণ শেষে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম,পিএসসি, জি (অব.)সহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভাষা শহীদদের স্মরণে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।ভাষার মর্যাদা রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী বীরদের স্মরণ করে বক্তারা বলেন,একটি জাতির পরিচয়,ইতিহাস ও সংস্কৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি হলো তার মাতৃভাষা।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আলোচনায় বলা হয়,তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকা শহরে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে বহু তরুণ প্রাণ হারান। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় জীবন উৎসর্গের এই ঘটনা বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

বক্তারা আরও বলেন,ভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি একটি জাতির চিন্তা,সংস্কৃতি ও বিশ্বদর্শনের বাহক।ভাষা সংরক্ষণ মানে একটি সভ্যতার জ্ঞান ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করা। বর্তমান বিশ্বে বহুভাষাবিদ্যা ডিজিটাল কূটনীতি,আন্তঃখাত শাসন ও বৈশ্বিক সংযোগ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও মত প্রকাশ করা হয়।

 

১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের উদ্যোগে ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।২০০০ সাল থেকে দিনটি বিশ্বব্যাপী ভাষাগত বৈচিত্র্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে পালিত হয়ে আসছে।বিশেষজ্ঞদের মতে,বর্তমানে বিশ্বের আট হাজারের বেশি ভাষার একটি বড় অংশ বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে,যা ভাষা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তাকে আরও জরুরি করে তুলেছে।

 

এদিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশে বাংলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে আলোচনা, শ্রদ্ধাঞ্জলি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাপানের টোকিওতে জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের (UNU) উদ্যোগে ভাষা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের কথাও জানানো হয়েছে।

 

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন,ভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং ভাষাগত অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা বৈশ্বিক শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। মাতৃভাষা মানুষের পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ—এই বার্তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়াই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মূল লক্ষ্য।

Loading

ডেস্ক রিপোর্ট।।মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রথমবার শ্রদ্ধা নিবেদনকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্ক এড়িয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ইশরাক হোসেন বলেন,অতীতের বিভেদ ভুলে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার মাধ্যমেই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন সম্ভব। বিভাজনের রাজনীতি দেশের জন্য কখনোই কল্যাণ বয়ে আনে না এবং অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি।

জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান ও ক্ষমা চাওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যে কারণেই হোক,দেশে ও দেশের বাইরে তারা তাদের অবস্থান নিয়ে ক্ষমা চেয়েছে।সেই ভাষা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।কিন্তু আমরা কি এখনো বিভেদ আঁকড়ে ধরে থাকব? জাতিকে আবারও বিভক্ত করা উচিত নয়।”

তিনি আরও বলেন,বর্তমান জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সব রাজনৈতিক শক্তির ঐক্য প্রয়োজন।ঐক্যই ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা।

প্রতিমন্ত্রী জানান,গণতান্ত্রিক পরিবেশে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে শহীদ দিবস পালন একটি ইতিবাচক দিক এবং নতুন সরকার এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে দীর্ঘদিনের সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভাজন দূর হবে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রফিকুল ইসলাম (২৮) নামের এক হাজতি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কারারক্ষী আরমান জানান,বিকেলের দিকে কারাগারের ভেতরে রফিকুল ইসলাম গলায় ফাঁস দিয়ে অচেতন হয়ে পড়েন।পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, মো. রফিকুল ইসলাম কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতি হিসেবে ছিলেন।তার হাজতি নম্বর ৩৯১৮/২৬ এবং বাবার নাম আশরাফ আলী।তবে তিনি কোন মামলায় হাজতি ছিলেন,সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

এদিকে,ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান,মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে।ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Loading

ডেস্ক রিপোর্ট।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা নতুন করে সাংগঠনিক উপস্থিতি জানান দিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় ঝটিকা কর্মসূচি পালন শুরু করেছেন।এ পর্যন্ত অন্তত ১২ জেলায় দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে সংক্ষিপ্ত মিছিল,পতাকা উত্তোলন ও স্লোগান দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

রাজধানীতে কর্মসূচি

সর্বশেষ শুক্রবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে যুব মহিলা লীগের কয়েকজন নেত্রী জাতীয় পতাকা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি টানিয়ে সংক্ষিপ্ত মিছিল করেন। পরে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

যুব মহিলা লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম বি কানিজ জানান,দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালন করা হলেও পুলিশের উপস্থিতি ও বাধার কারণে প্রকাশ্যে কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

১২ জেলায় তালা খোলা

ঢাকার বাইরে ফরিদপুর,পটুয়াখালী,খুলনা,রাজবাড়ী,নওগাঁ, দিনাজপুর,কুড়িগ্রাম,নারায়ণগঞ্জ,ময়মনসিংহ,শরীয়তপুর, পঞ্চগড় ও নোয়াখালী জেলায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুলে পতাকা উত্তোলন ও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভোরবেলা নেতা-কর্মীরা এসে অল্প সময় অবস্থান করে চলে যান।

পুলিশ সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্টদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।কয়েকটি ঘটনায় গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

পাল্টা উত্তেজনা ও ভাঙচুর

কার্যালয় খোলার পর অনেক এলাকায় ক্ষমতাসীন বিএনপির অঙ্গসংগঠন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখান।কোথাও ব্যানার ছেঁড়া, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।পরে আবার অনেক কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়।

ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের বিরুদ্ধে। পটুয়াখালীর দশমিনায় কার্যালয় খোলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভাঙচুর চালানোর ঘটনাও ঘটে।

বিভিন্ন জেলার চিত্র

ফরিদপুরে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা পতাকা উত্তোলন করেন।

খুলনায় মুখোশ পরা নেতা-কর্মীরা প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।

নোয়াখালীতে তালা ভেঙে কার্যালয় খোলার পর বিএনপি কর্মীরা পুনরায় তালাবদ্ধ করেন; ৫ জন আটক।

দিনাজপুরে স্লোগান দেওয়ার প্রতিবাদে কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়।

নওগাঁয় উত্তোলিত পতাকা পুলিশ খুলে নেয়।

নারায়ণগঞ্জে স্লোগান দেওয়া এক কর্মীকে মারধরের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

 

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

নওগাঁ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান বলেন,নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি দলের এ ধরনের কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য নয় এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে,নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম ঠেকাতে তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।নির্বাচনী হলফনামায় ব্যারিস্টার আরমান তার ব্যক্তিগত সম্পদ মাত্র ২ কোটি টাকা দেখিয়েছেন।কিন্তু সম্প্রতি প্রমাণ-সাপেক্ষ চিঠিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি “নগদ ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস” কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন,যার প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ ১০০০ কোটি টাকা,যার মধ্যে প্রযুক্তি খরচ alone ৬০০ কোটি টাকা।

চিঠিতে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে ফরেনসিক অডিটের অনুমতি চেয়েছেন,যাতে ভবিষ্যতে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।চিঠির ভাষা প্রফেশনাল হলেও,যে পরিমাণ নগদ বিনিয়োগের পরিকল্পনা দেখানো হয়েছে,তা তার ঘোষিত সম্পদের সঙ্গে স্পষ্টভাবে মেলেনি,যা রাজনৈতিক,সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষণ:

নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদকে ন্যূনতম দেখানো এবং পরবর্তীতে কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব রাখা রাজনৈতিক অসঙ্গতি সৃষ্টি করে।

এটি সাধারণ নাগরিকদের জন্য অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার প্রশ্ন তুলেছে।জনগণ ও ভোটারদের বিশ্বাস ও আস্থা ক্ষুণ্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সামাজিকভাবে,এটি বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়েছে কারণ নির্বাচনী ঘোষণার সঙ্গে মিল না থাকা আর্থিক কর্মকাণ্ড জনগণের স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার প্রতি অবমাননা হিসেবে দেখা যেতে পারে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ:

১০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ একটি বিশাল অর্থনৈতিক লেনদেন।নির্বাচনী হলফনামায় প্রদত্ত সম্পদ বিবেচনা করলে, বাস্তবায়নযোগ্যতা প্রায় অসম্ভব মনে হচ্ছে।

বড় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ফরেনসিক অডিট জরুরি হলেও, প্রাথমিক ঘোষিত সম্পদের অসঙ্গতি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্যও উপযুক্ত বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্ন তুলেছে।

সংবিধান ও আইনগত দিক:

বাংলাদেশের সংবিধান ও নির্বাচনী আইন অনুসারে,প্রার্থীকে তার সম্পদ যথাযথভাবে ঘোষণা করতে হয়।যদি সম্পদের বড় ভঙ্গিমা দেখানো না হয়, তা কঠোর আইনি ব্যাধি ও প্রতারণার শ্রেণিতে পড়তে পারে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী, বড় আর্থিক লেনদেনের জন্য সম্পদের সঠিক উৎস ও বৈধতা যাচাই অপরিহার্য।

সংক্ষিপ্ত মন্তব্য:

ব্যারিস্টার আরমানের ২ কোটি টাকার নির্বাচনী ঘোষণা বনাম ১০০০ কোটির নগদ বিনিয়োগের প্রস্তাব রাজনৈতিক, সামাজিক ও আইনি দিক থেকে বিতর্কিত।এটি শুধু ব্যক্তিগত নৈতিকতা বা সম্পদের স্বচ্ছতার প্রশ্ন নয়,বরং দেশের নাগরিক আস্থা,আর্থিক স্বচ্ছতা এবং নির্বাচনী আইনপ্রণালীর প্রতি জনগণের অবিচ্ছেদ্য নজরকেও প্রভাবিত করছে।

তথ্যসূত্র:

মীর আহমেদ বিন কাসেমের বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে লেখা চিঠি, MABQ/BB/INFO/2026/001, ০৮/০২/২০২৬।

Loading

Loading

সংবাদ

তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
বগুড়ায় অর্থ আত্মসাৎ মামলায় এনসিপি নেতা মিজানুর রহমান সাগর কারাগারে
কিশোর গ্যাংয়ের ধাওয়ায় প্রাণ গেল কলেজছাত্র শাওনের, গ্রেপ্তারের দাবিতে এসপি কার্যালয় ঘেরাও
সরকারি বেতন-ভাতা ও গাড়ি ব্যবহার করবেন না: কৃষিমন্ত্রী আমিন-উর-রশীদ ইয়াছিন
বারবার জয়, তবু মন্ত্রিসভায় নয় — সরওয়ারকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রশ্ন
শিক্ষা ও ক্রীড়া উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেছেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদের আগে ইমাম-মুয়াজ্জিন-খতিবদের সম্মানী দেবে
সরকারি পরীক্ষামূলক ফ্যামিলি কার্ড ঈদের আগে ৮ উপজেলায় চালু করতে যাচ্ছে
বরিশালে হোটেল ব্যবসা,মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ: ডিবি কর্মকর্তাকে ঘিরে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
চাঁদা নিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে জামায়াতের তীব্র প্রতিক্রিয়া
সাংবাদিকতার নামে অপসংস্কৃতি: ইউটিউব চ্যানেল খুললেই কি সাংবাদিক হওয়া যায়? মেহেন্দিগঞ্জে উদ্বেগ
দুর্নীতি করবো না, কাউকে করতেও দেব না : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হতে চান মেহেন্দিগঞ্জের সালমা আক্তার
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রথম কর্মদিবস পালন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা
শহীদ মিনারে জামায়াতের শ্রদ্ধা জানানো প্রসঙ্গে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির আত্মহত্যা
১২ জেলায় কার্যালয়ের তালা খুলে আ.লীগের ঝটিকা কর্মসূচি
নির্বাচনী হলফনামা বনাম নগদ বিনিয়োগ: ব্যারিস্টার আরমানের ২ কোটি টাকার সম্পদে ১০০০ কোটির নগদ কেনার প্রস্তাব বিতর্কের ঝড় তুলেছে
মুহাম্মদ হাসনাত মোর্শেদ ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পিএস হিসেবে নিয়োগ
যে পরিমাণ খাদ্যপণ্য মজুত আছে, তা দিয়ে বাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব: বাণিজ্যমন্ত্রী
রমজানে দ্রব্যমূল্য বাড়বে না, হজের সুবিধা উন্নত হবে: ধর্মমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একুশে ভাষা দিবস বাণী
অধ্যাপক আরাফাত হোসেনের অভিযোগ, এনসিপির বিজয় কারচুপির ফল
ভুয়া চিকিৎসার অভিযোগে ডা. খোন্দকার মঞ্জুরুল ইমাম শুভ্রের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি, চিকিৎসা নথিপত্রসহ অভিযোগ
শিক্ষামন্ত্রী রাতের কিশোরদের ঘোরাঘুরি বন্ধে পুলিশ তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ
নতুন সরকারের উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন সম্পন্ন
ভাটারা থানার ওসির মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৩২ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন, অনলাইন জুয়ায় হরানো অভিযোগ
দায়িত্ব নিয়েই ৩ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের উদ্যোগ নতুন সরকারের
চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী গড়তে বন্দরে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে: অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু
জমি–ফ্ল্যাট বিরোধের জেরে নিহত চুয়েট গ্র্যাজুয়েট তানজিল জাহান তামিম, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হয়েছিল—পরিবারের দাবি
মন্ত্রীসভা যেন কোটিপতিদের ক্লাব: সবার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা
সমঝোতার নামে অর্থ আদায় নিয়ে বিতর্ক: সেতুমন্ত্রীর বক্তব্যে সমালোচনার ঝড়
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ফেসবুকে বিতর্ক: বাস্তবতা কী বলছে?
এপিলেপসি (মৃগী রোগ) সম্পর্কে তথ্য:-
সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুন বিতর্ক: বিলুপ্তির প্রস্তাব, ছবি অপসারণ ও নোটের নকশা পরিবর্তন আলোচনায়
ইতালির তিন বছর মেয়াদি শ্রমিক নিয়োগে প্রথম ধাপের ‘ক্লিক ডে’ শেষ, ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি
ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকির অভিযোগে বাজার কমিটির সভাপতিকে ঘিরে বিতর্ক
গ্রীন টিভি ইস্যুতে ফেসবুক স্ট্যাটাস: ডা. থ্রিনা ইসলামের বিস্ফোরক অভিযোগ
রাঙ্গুনিয়ায় যৌতুকের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, পাল্টা অভিযোগ ছেলে পক্ষের
ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবের হাতেই পতন হবে’— মব কালচার নিয়ে গোলাম মাওলা রনি
পোল্ট্রি খামারিদের সঙ্গে লোন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ: গাজীপুরের শ্রীপুরে এনজিও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
ক্যাশ’ সামলাতেন স্ত্রী শীলা: ড. আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে ১৪ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ধ্যান শিক্ষক হিসেবে মাসরুর কবিরের অর্জন, শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা
জাইমা রহমানকে নিয়ে কথিত ডিপফেক ভিডিও ভাইরাল — অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য
দেশে মব কালচার আর সহ্য করা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফেসবুকে: কর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও সহযোগীরা রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় গ্রেফতার হতে পারেন
স্বশিক্ষিত দুই মন্ত্রী: অর্থের প্রভাবে রাজনৈতিক অঙ্গন দখলে নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে
ফুয়াদের ‘গণ-অভ্যুত্থান’ বক্তব্যে পাল্টা চ্যালেঞ্জ, রাজপথে মোকাবিলার ঘোষণা তারেক রহমানের
জুলাই গণহত্যার বিচার স্বাভাবিক গতিতে চলবে: আইনমন্ত্রী
শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন
জাতীয় প্রকল্পের খরচ কমাতে চান মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
চীন ও ভারতের অভিনন্দন পেলেন নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান