Top Tags
সর্বশেষ সংবাদ
নির্বাচনী হলফনামা বনাম নগদ বিনিয়োগ: ব্যারিস্টার আরমানের ২ কোটি টাকার সম্পদে ১০০০ কোটির নগদ কেনার প্রস্তাব বিতর্কের ঝড় তুলেছেমুহাম্মদ হাসনাত মোর্শেদ ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পিএস হিসেবে নিয়োগযে পরিমাণ খাদ্যপণ্য মজুত আছে, তা দিয়ে বাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব: বাণিজ্যমন্ত্রীরমজানে দ্রব্যমূল্য বাড়বে না, হজের সুবিধা উন্নত হবে: ধর্মমন্ত্রীপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একুশে ভাষা দিবস বাণীঅধ্যাপক আরাফাত হোসেনের অভিযোগ, এনসিপির বিজয় কারচুপির ফলভুয়া চিকিৎসার অভিযোগে ডা. খোন্দকার মঞ্জুরুল ইমাম শুভ্রের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি, চিকিৎসা নথিপত্রসহ অভিযোগশিক্ষামন্ত্রী রাতের কিশোরদের ঘোরাঘুরি বন্ধে পুলিশ তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশনতুন সরকারের উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন সম্পন্নভাটারা থানার ওসির মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৩২ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন, অনলাইন জুয়ায় হরানো অভিযোগদায়িত্ব নিয়েই ৩ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের উদ্যোগ নতুন সরকারেরচট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী গড়তে বন্দরে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে: অর্থমন্ত্রী আমীর খসরুজমি–ফ্ল্যাট বিরোধের জেরে নিহত চুয়েট গ্র্যাজুয়েট তানজিল জাহান তামিম, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হয়েছিল—পরিবারের দাবিমন্ত্রীসভা যেন কোটিপতিদের ক্লাব: সবার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনাসমঝোতার নামে অর্থ আদায় নিয়ে বিতর্ক: সেতুমন্ত্রীর বক্তব্যে সমালোচনার ঝড়ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ফেসবুকে বিতর্ক: বাস্তবতা কী বলছে?এপিলেপসি (মৃগী রোগ) সম্পর্কে তথ্য:-সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুন বিতর্ক: বিলুপ্তির প্রস্তাব, ছবি অপসারণ ও নোটের নকশা পরিবর্তন আলোচনায়ইতালির তিন বছর মেয়াদি শ্রমিক নিয়োগে প্রথম ধাপের ‘ক্লিক ডে’ শেষ, ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশিম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকির অভিযোগে বাজার কমিটির সভাপতিকে ঘিরে বিতর্ক

সংবাদ শিরোনাম

সর্বশেষ সংবাদ

আজকের সর্বশেষ সংবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক।।নির্বাচনী হলফনামায় ব্যারিস্টার আরমান তার ব্যক্তিগত সম্পদ মাত্র ২ কোটি টাকা দেখিয়েছেন।কিন্তু সম্প্রতি প্রমাণ-সাপেক্ষ চিঠিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি “নগদ ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস” কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন,যার প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ ১০০০ কোটি টাকা,যার মধ্যে প্রযুক্তি খরচ alone ৬০০ কোটি টাকা।

চিঠিতে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে ফরেনসিক অডিটের অনুমতি চেয়েছেন,যাতে ভবিষ্যতে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।চিঠির ভাষা প্রফেশনাল হলেও,যে পরিমাণ নগদ বিনিয়োগের পরিকল্পনা দেখানো হয়েছে,তা তার ঘোষিত সম্পদের সঙ্গে স্পষ্টভাবে মেলেনি,যা রাজনৈতিক,সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষণ:

নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদকে ন্যূনতম দেখানো এবং পরবর্তীতে কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব রাখা রাজনৈতিক অসঙ্গতি সৃষ্টি করে।

এটি সাধারণ নাগরিকদের জন্য অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার প্রশ্ন তুলেছে।জনগণ ও ভোটারদের বিশ্বাস ও আস্থা ক্ষুণ্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সামাজিকভাবে,এটি বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়েছে কারণ নির্বাচনী ঘোষণার সঙ্গে মিল না থাকা আর্থিক কর্মকাণ্ড জনগণের স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার প্রতি অবমাননা হিসেবে দেখা যেতে পারে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ:

১০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ একটি বিশাল অর্থনৈতিক লেনদেন।নির্বাচনী হলফনামায় প্রদত্ত সম্পদ বিবেচনা করলে, বাস্তবায়নযোগ্যতা প্রায় অসম্ভব মনে হচ্ছে।

বড় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ফরেনসিক অডিট জরুরি হলেও, প্রাথমিক ঘোষিত সম্পদের অসঙ্গতি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্যও উপযুক্ত বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্ন তুলেছে।

সংবিধান ও আইনগত দিক:

বাংলাদেশের সংবিধান ও নির্বাচনী আইন অনুসারে,প্রার্থীকে তার সম্পদ যথাযথভাবে ঘোষণা করতে হয়।যদি সম্পদের বড় ভঙ্গিমা দেখানো না হয়, তা কঠোর আইনি ব্যাধি ও প্রতারণার শ্রেণিতে পড়তে পারে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী, বড় আর্থিক লেনদেনের জন্য সম্পদের সঠিক উৎস ও বৈধতা যাচাই অপরিহার্য।

সংক্ষিপ্ত মন্তব্য:

ব্যারিস্টার আরমানের ২ কোটি টাকার নির্বাচনী ঘোষণা বনাম ১০০০ কোটির নগদ বিনিয়োগের প্রস্তাব রাজনৈতিক, সামাজিক ও আইনি দিক থেকে বিতর্কিত।এটি শুধু ব্যক্তিগত নৈতিকতা বা সম্পদের স্বচ্ছতার প্রশ্ন নয়,বরং দেশের নাগরিক আস্থা,আর্থিক স্বচ্ছতা এবং নির্বাচনী আইনপ্রণালীর প্রতি জনগণের অবিচ্ছেদ্য নজরকেও প্রভাবিত করছে।

তথ্যসূত্র:

মীর আহমেদ বিন কাসেমের বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে লেখা চিঠি, MABQ/BB/INFO/2026/001, ০৮/০২/২০২৬।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।মুহাম্মদ হাসনাত মোর্শেদ ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।এর আগে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখার প্রজ্ঞাপনে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এই নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,উপদেষ্টা বা মন্ত্রী যতদিন পদে থাকবেন বা পিএস রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করবেন,ততদিন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা পিএস পদে বহাল থাকবেন।

Loading

সিলেট ব্যুরো।।দুই দিনের সরকারি সফরে সিলেটে আসা বাণিজ্য,বস্ত্র ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদী জানিয়েছেন,দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যপণ্য মজুদ থাকায় বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা সম্ভব।রমজান মাস শুরু হওয়ায় প্রস্তুতির সময় কম থাকলেও শঙ্কার কোনো কারণ নেই, তিনি জানান।

মন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন,আগামী পাঁচ বছরে ঘোষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে এবং সিলেটের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কাজ করা হবে।

তিনি আরও জানান,সিলেটে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রসার,কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কেন্দ্র স্থাপনসহ আধুনিক ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।উদাহরণ হিসেবে তিনি ভারতের ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের উল্লেখ করেন।

রপ্তানি খাত নিয়েও মন্ত্রী মন্তব্য করে বলেন,গত চার-পাঁচ মাস ধরে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ধারায় রয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রপ্তানি খাতে বৈচিত্র্য আনা অত্যাবশ্যক।

বিমানবন্দরে স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সরকারি কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ জানিয়েছেন,রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

মুরাদনগরে নিজ বাড়িতে শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন,“আমরা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বদ্ধপরিকর।সাধারণ মানুষ যেন কোনো কষ্টে না পড়ে, তার জন্য প্রধানমন্ত্রী খুবই সচেতন।”

ধর্মমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন,সব ধরনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা সরকার নিশ্চিত করবে।কেউ উচ্ছৃঙ্খলতা সৃষ্টি করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হজের ব্যয় বৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন,“প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা কাজ করব,যাতে মানুষ সব সুবিধা ভোগ করতে পারে এবং অতীতের তুলনায় আরও ভালো সুযোগ-সুবিধা পায়।”

এটি ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর কুমিল্লায় তার নিজ সংসদীয় আসনে প্রথম সাংবাদিক বৈঠক।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ,জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা।এই চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে আজ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

আগামীকাল মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তিনি শহীদদের গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন,১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য শহীদদের আত্মত্যাগ শুধু ভাষার অধিকারই রক্ষা করেনি,বরং বাঙালির স্বাধিকার,গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন।ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।তিনি সকলকে আহ্বান জানান, দেশে বিদ্যমান ভাষাবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করতে হবে এবং বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

শেষে তিনি শহীদদের মাগফেরাত কামনা করে সকল আয়োজনের সফলতা কামনা করেন।

সূত্র: বাসস

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সাবেক তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অধ্যাপক আরাফাত হোসেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে দাবি করেছেন,এনসিপি যে কয়টি পদে বিজয়ী হয়েছে,তা কারচুপির মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে।

তিনি তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, “এনসিপি যে কটা রাজাকারের বাছুর নির্বাচনে জিতেছে,সবগুলোকে কারচুপি করে জেতানো হয়েছে।সেই এলাকায় গিয়ে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে দেখুন,জানতে পারবেন।সঠিক নির্বাচন হলে এগুলোর একটিরও জামানত থাকত না।”

অধ্যাপক আরাফাত হোসেনের এই মন্তব্যে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

Loading

ভুল চিকিৎসায় রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি—অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ; স্বাস্থ্য বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা

বরিশাল ব্যুরো:বরিশালে কথিত ভুয়া চিকিৎসা,প্রতারণা ও ভুল চিকিৎসার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ডা. খোন্দকার মঞ্জুরুল ইমাম শুভ্র নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।ভুক্তভোগী মোঃ আল আমিন চৌকিদারের দাবি,সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়াই চিকিৎসা দেওয়ায় তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে এবং তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,ডান পাশ অবশ হয়ে যাওয়া ও হাঁটার সময় পায়ের মাংসপেশী শক্ত হয়ে যাওয়ার উপসর্গ নিয়ে আল আমিন চৌকিদার শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) বরিশালে চিকিৎসা নিতে যান।হাসপাতাল এলাকায় অবস্থানরত এক দালালের মাধ্যমে তাকে দ্রুত চিকিৎসার আশ্বাস দিয়ে হাসপাতালের পূর্ব গেইট সংলগ্ন নিউ ল্যাবটেক মেডিকেল সার্ভিসেস নামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়।

সেখানে ডা. খোন্দকার মঞ্জুরুল ইমাম শুভ্র চিকিৎসা প্রদান করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।ভুক্তভোগীর দাবি,স্নায়বিক সমস্যার যথাযথ পরীক্ষা যেমন MRI বা বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন ছাড়াই CBC, ESR, Electrolyte, Uric Acid, X-Ray ও USGসহ একাধিক পরীক্ষা করানো হয় এবং বিভিন্ন ওষুধ সেবনের পর তার অবস্থার উন্নতি না হয়ে আরও অবনতি ঘটে।

পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি পুনরায় শেবাচিম হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগে চিকিৎসা নেন। সেখানে দায়িত্বরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পূর্ববর্তী চিকিৎসা যথাযথ স্নায়বিক মূল্যায়ন ছাড়া দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন এবং MRIসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ,অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও ওষুধের মাধ্যমে তার কাছ থেকে মোট প্রায় ২১ হাজার ৭০০ টাকা আদায় করা হয়েছে।বর্তমানে তিনি চলাচলে গুরুতর সমস্যায় ভুগছেন বলে জানান।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে,অভিযুক্ত ব্যক্তি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের জন্মনিবন্ধন শাখায় কর্মচারী হিসেবে কর্মরত থাকলেও চিকিৎসক পরিচয়ে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রেসক্রিপশন,পরীক্ষা রিপোর্ট,টাকা নেওয়ার রশিদসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও প্রমাণাদি সংরক্ষিত রয়েছে এবং এসব দলিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বরিশালের সিভিল সার্জন,জেলা প্রশাসক,বিভাগীয় কমিশনার, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী দ্রুত তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রতারণামূলক চিকিৎসা বন্ধ এবং ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।শিক্ষামন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বলেছেন,রাতে কিশোরদের অযাচিত রাস্তাঘাটে ঘোরাঘুরি বন্ধ করতে হবে।এর জন্য রাতের সময় রাস্তায় ঘুরলে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

তিনি আরও বলেন,যদি সংবিধান লঙ্ঘন হয়,তা পরে দেখা হবে।মন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা বজায় রাখার গুরুত্বও তুলে ধরে,নিজের জীবনে দুর্নীতি না করার ও কাউকে করতে না দেওয়ার প্রতিজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে আটজনের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা:

মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ – রাজনৈতিক উপদেষ্টা

নজরুল ইসলাম খান – রাজনৈতিক উপদেষ্টা

রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ – রাজনৈতিক উপদেষ্টা

মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ – জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর – অর্থ মন্ত্রণালয়

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা:

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম – প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

মাহদী আমিন – শিক্ষা,প্রাথমিক ও গণশিক্ষা,প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান,শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

রেহান আসিফ আসাদ – ডাক,টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাউল হকের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে ৩২ লাখ ৩৩ হাজার টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।তথ্য অনুযায়ী,২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অর্থ বিভিন্ন উৎস থেকে ওসির মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে পাঠানো হয় এবং পরে অনলাইন জুয়াতে খরচ করা হয়েছে।

হাতের তথ্য অনুযায়ী,এই টাকা সাতটি বিকাশ ও নগদ একাউন্ট থেকে এসেছে।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হলো কনস্টেবল সাদ্দামের মোবাইল নম্বর থেকে ৬ লাখ ৯১ হাজার ৬২৯ টাকা, লন্ড্রি পিকআপ অ্যান্ড ড্রপ নামে রেজিস্ট্রেশনকৃত নম্বর থেকে ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ টাকা এবং মিজানুর নামের ব্যক্তির নম্বর থেকে ৫ লাখ ৪৯ হাজার ১২০ টাকা।

ওসি ইমাউল হক অভিযোগকে অস্বীকার করে বলেছেন,তার মোবাইলটি হ্যাক করা হয়েছে এবং অনলাইন জুয়ার সাথে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।তিনি দাবি করেছেন,কোনো ধরনের অনলাইন লেনদেন তার জ্ঞাতিতে হয়নি।

অন্যদিকে তদন্তকারীরা মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেন ও API লগের মাধ্যমে ঘটনার সঠিক ব্যাখ্যা বের করার চেষ্টা করছেন। বিষয়টি দেশের সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে অনিয়ম ও দুর্নীতির একটি চরম উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।নবগঠিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে গুরুত্ব দিয়েছে।দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র তিন দিনের মাথায় ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছে।আগামী সপ্তাহে কমিশনের বৈঠকে নির্বাচন আয়োজনের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি তোলে জামায়াতসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল।তবে বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের বিরোধিতার মুখে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করে।১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে।রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিকেল ৪টায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান। এর মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বের সমাপ্তি ঘটে।

আইনি বাধ্যবাধকতা

আইন অনুযায়ী,সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রথম সভা: ২ জুন ২০২০ → মেয়াদ শেষ: ১ জুন ২০২৫

ঢাকা উত্তর সিটির প্রথম সভা: ৩ জুন ২০২০ → মেয়াদ শেষ: ২ জুন ২০২৫

চট্টগ্রাম সিটির প্রথম সভা: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ → মেয়াদ শেষ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

 

নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগের চিঠি পাওয়ার পর কমিশন প্রস্তুতি শুরু করেছে।আগামী সপ্তাহে বৈঠকে নির্বাচন আয়োজনের বিস্তারিত পরিকল্পনা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন,নির্বাচনে অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে এবং অতীতের মতোই প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা থাকবে।

Loading

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।।চট্টগ্রামকে দেশের প্রকৃত বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চট্টগ্রাম বন্দরে বড় পরিসরে বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।তিনি বলেন, বন্দরের কার্যক্রম আধুনিক ও গতিশীল করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।

 

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী করতে হলে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।পোর্টের কার্যক্রম আরও উন্নত করতে হবে এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।বিনিয়োগই বাণিজ্যিক রাজধানী গঠনের মূল চালিকাশক্তি।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান,চট্টগ্রাম বন্দর উন্নয়ন নিয়ে সরকারের বিস্তৃত পরিকল্পনা রয়েছে,তবে তা সংক্ষেপে বলা সম্ভব নয়।তিনি দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে কর্মসংস্থানের বিষয়টিকে উল্লেখ করেন।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা চট্টগ্রাম সফরে যান আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।সফরসূচি অনুযায়ী,তিনি নগরের পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীতে পারিবারিক কবরস্থানে মা–বাবার কবর জিয়ারত করবেন এবং কদমতলী মাদারবাড়ী জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করবেন।

 

পরে মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবেন তিনি।একই স্থানে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে বন্দরসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রাত ৮টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।

প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি।নির্বাচিত সংসদ ও সরকার গঠিত হয়েছে। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।চট্টগ্রামের উন্নয়নেও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে পড়াশোনা শেষ করে গণমাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন তানজিল জাহান তামিম।দীপ্ত টিভির সম্প্রচার বিভাগে কর্মরত এই তরুণের জীবন থেমে যায় একটি জমি ও ফ্ল্যাট বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংস ঘটনায়।

পরিবারের অভিযোগ, তামিমদের পরিবারের মালিকানাধীন একটি জমিসহ মোট তিনজন মালিক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৯ তলা একটি ভবন নির্মাণ করেন।ভবনটিতে মোট ২৭টি ফ্ল্যাট ছিল এবং চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যেক জমির মালিক পাঁচটি করে ফ্ল্যাট পাওয়ার কথা ছিল।

তবে নিহত তামিমের পিতা মাত্র দুটি ফ্ল্যাট পান বলে দাবি পরিবারের।বাকি তিনটি ফ্ল্যাটের মধ্যে একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার শ্বশুরের কাছে ডেভেলপার কোম্পানির পক্ষ থেকে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী,২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর প্রায় ২০–২৫ জন ব্যক্তি ভবনে হামলা চালায় এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে।এ সময় নিচতলা থেকে নিজের ফ্ল্যাটের দিকে যাওয়ার সময় তানজিল জাহান তামিম হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের পরিবারের দাবি, ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান প্লেজেন প্রোপার্টি–এর মালিক শেখ রবিউল আলম রবি এ ঘটনায় প্রধান আসামি।ঘটনার পর তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তারও করেছিল বলে তারা জানিয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শেখ রবিউল আলম রবি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ঢাকা–১০ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানা গেছে।এছাড়া তাকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন—এই তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রে আলোচনা রয়েছে।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান বা অভিযুক্ত পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও মামলার বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

ঘটনাটি নিয়ে নিহতের পরিবার বিচার দাবি করে আসছে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের মন্ত্রীসভা ও শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ প্রকাশের পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা ও প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়,তালিকাভুক্ত প্রায় সবাই কোটিপতি; কারও সম্পদ শতকোটি টাকার ঘরও ছাড়িয়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী নেতাদের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ নিচে তুলে ধরা হলো—

জাকারিয়া তাহের — ১৮১ কোটি ৭২ লাখ টাকা

আব্দুল আউয়াল মিন্টু — ১১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা

খলিলুর রহমান — ৫৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা

মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ — ২৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা

আফরোজা খানম রিতা — ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা

সালাহউদ্দিন আহমদ — ১৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা

আসাদুল হাবিব দুলু — ১৮ কোটি ৯ লাখ টাকা

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির — ১৮ কোটি টাকা

মো. আসাদুজ্জামান — ১১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা

আরিফুল হক চৌধুরী — ১১ কোটি ১৬ লাখ টাকা

আমির খসরু — ১০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা

আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন — ৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকা

ইকবাল হাসান মাহমুদ — ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি — ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা

এহসানুল হক মিলন — ৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা

জহির উদ্দিন স্বপন — ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা

মো. সাখাওয়াত হোসেন — ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা

ফকির মাহবুব আনাম — ২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা

দীপেন দেওয়ান — ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা

শেখ রবিউল আলম — ২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা

হাফিজ উদ্দিন আহমদ — ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা

কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ — ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর — ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা

কেন আলোচনায়?

বিশ্লেষকদের মতে,রাজনীতিতে ধনী ব্যক্তিদের উপস্থিতি নতুন নয়,তবে মন্ত্রীসভা বা উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বে বিপুল সম্পদের আধিক্য জনমনে প্রতিনিধিত্ব ও বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। সমালোচকদের দাবি,নির্বাচনী ব্যয়ের উচ্চতা সাধারণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির অংশগ্রহণ কমিয়ে দিয়েছে।

অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট নেতাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,তাদের অনেকেই দীর্ঘদিন ব্যবসা বা পেশাগত জীবনের মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করেছেন এবং আইন অনুযায়ী হলফনামায় সম্পদের তথ্য প্রকাশ করেছেন।

 

বিশেষজ্ঞ মত

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সম্পদ থাকা সমস্যা নয়; তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সম্পদের বৈধ উৎস, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সড়কে যানবাহন থেকে অর্থ আদায়কে “সমঝোতার ভিত্তিতে নেওয়া টাকা, চাঁদা নয়” — সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর এমন বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।সমালোচকদের দাবি,এই বক্তব্য বাস্তবতা ও আইনি যুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

বিশ্লেষক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন,প্রকৃত সমঝোতা তখনই হয় যখন দুই পক্ষ সমান স্বাধীন অবস্থানে থাকে এবং কোনো পক্ষ ‘না’ বললেও ক্ষতি বা হয়রানির আশঙ্কা থাকে না।কিন্তু সড়কে চলাচলকারী চালকদের ক্ষেত্রে বাস্তবতা ভিন্ন।অভিযোগ রয়েছে,নির্দিষ্ট স্থানে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চালকদের দেরি করানো,বাধা দেওয়া বা নানা ধরনের ঝামেলায় ফেলার ঘটনা ঘটে। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়েই অর্থ প্রদান করেন, যা স্বেচ্ছায় দেওয়া নয় বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে,বৈধভাবে কোনো অর্থ আদায় করতে হলে নির্দিষ্ট হার,অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ এবং রসিদের ব্যবস্থা থাকতে হয়।কিন্তু যেসব ক্ষেত্রে এসবের কোনো আনুষ্ঠানিক কাঠামো নেই,সেখানে অর্থ আদায়কে “সমঝোতা” বলা আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

সমালোচকদের ভাষ্য,ক্ষমতার প্রভাব বা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অর্থ আদায় করলে তার প্রকৃতি পরিবর্তিত হয় না।শব্দ পরিবর্তন করে বাস্তবতাকে বৈধতা দেওয়া যায় না বলেও তারা মন্তব্য করেন।

এদিকে মন্ত্রীর বক্তব্যের পক্ষে কেউ কেউ যুক্তি দিয়েছেন যে, পরিবহন খাতের কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হয়।তবে বিরোধীরা বলছেন,এই যুক্তি অনিয়মকে বৈধতা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে এবং সড়ক পরিবহন খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হচ্ছে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “ফ্যামিলি কার্ড” বা দেশের সব পরিবারকে মাসিক ভাতা দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। অনেকেই দাবি করছেন—৫ কোটি পরিবারকে মাসে ২,৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে।তবে বাস্তব তথ্য ও অর্থনৈতিক হিসাব বলছে ভিন্ন চিত্র।

🔎 বাংলাদেশে মোট পরিবার কত?

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এর জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২–এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে মোট পরিবারের সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখের বেশি।জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারা অনুযায়ী ২০২৬ সালের শুরুতে এটি আনুমানিক ৪.৩–৪.৫ কোটি হতে পারে।৫ কোটি পরিবার মূলত একটি সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা বা রাজনৈতিক আলোচনার অংশ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

💰 যদি ৫ কোটি পরিবারকে মাসে ২,৫০০ টাকা দেওয়া হয়

– মাসিক ব্যয়: ১২,৫০০ কোটি টাকা

– বাৎসরিক ব্যয়: ১,৫০,০০০ কোটি টাকা

তুলনামূলকভাবে,২০২৪–২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ৭,৯৭,০০০ কোটি টাকা।অর্থাৎ শুধু এই একটি কর্মসূচির পেছনেই বাজেটের প্রায় ১৮–১৯ শতাংশ ব্যয় হয়ে যাবে।

 

📊 সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বাস্তবতা

বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি একক কোনো মন্ত্রণালয় নয়; প্রায় ২৪–৪০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ যৌথভাবে পরিচালনা করে।

– মোট বরাদ্দ: ১,৩৬,০২৬ কোটি টাকা (মোট বাজেটের প্রায় ১৭%)

– সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ব্যয় হয় আনুমানিক ১২–১৫%।

👥 কারা এই সহায়তা পান?

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দেওয়া হয়—

✔ বয়স্ক,বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা

✔ খাদ্য সহায়তা (OMS, VGD, কাবিখা)

✔ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি

✔ মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ও দুর্যোগ সহায়তা

বর্তমানে সরাসরি নগদ সহায়তার আওতায় রয়েছে প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ মানুষ,অর্থাৎ দেশের সব পরিবার নয়।

 

🧭 বিশ্লেষণ

সব পরিবারকে মাসিক নগদ সহায়তা দেওয়া বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোয় অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও কঠিন উদ্যোগ।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, NID-ভিত্তিক ডিজিটাল ডাটাবেজ ব্যবহার করে প্রকৃত দরিদ্র পরিবার শনাক্ত করা গেলে অপচয় কমিয়ে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা বাড়ানো সম্ভব।

 

✅ উপসংহার:

“ফ্যামিলি কার্ড” নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে যে তথ্য ছড়াচ্ছে, তার বড় অংশই অনুমান বা রাজনৈতিক আলোচনার অংশ। এখনো দেশের সব পরিবারকে সার্বজনীন ভাতা দেওয়ার কোনো বাস্তবায়িত সরকারি সিদ্ধান্ত নেই—এটাই বর্তমান বাস্তবতা।

 

#ফ্যামিলি_কার্ড #সামাজিক_নিরাপত্তা #বাংলাদেশ_অর্থনীতি #ফ্যাক্টচেক

Loading

এপিলেপসি (মৃগী রোগ) সম্পর্কে তথ্য
সংজ্ঞা:
এপিলেপসি হলো মস্তিষ্কের একটি দীর্ঘস্থায়ী স্নায়বিক রোগ, যা হঠাৎ খিঁচুনি বা অস্বাভাবিক আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এটি মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক সংকেতে সাময়িক ব্যাঘাতের কারণে হয়।
লক্ষণ:
শরীর ঝাঁকুনি দেওয়া বা পেশীর মোচড়
অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
কিছুক্ষণ স্থির হয়ে তাকিয়ে থাকা
অদ্ভুত স্বাদ বা গন্ধ অনুভব করা
কারণসমূহ:
জেনেটিক বা পরিবারের ইতিহাস
মাথায় আঘাত, স্ট্রোক, টিউমার
মস্তিষ্ক সংক্রমণ (যেমন মেনিনজাইটিস)
জন্মগত ত্রুটি
চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণ:
ওষুধ: অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধ নিয়মিত খেলে প্রায় ৭০% রোগী খিঁচুনি-মুক্ত জীবন যাপন করতে পারেন।
অস্ত্রোপচার: যদি ওষুধে কাজ না হয়, মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট অংশ অপসারণ করা যেতে পারে।
ডিভাইস থেরাপি: ভেগাস নার্ভ স্টিমুলেশন (VNS) বা ডিপ ব্রেইন স্টিমুলেশন (DBS) ব্যবহার করা যেতে পারে।
জীবনধারার পরিবর্তন:
পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা
মানসিক চাপ কমানো (যোগব্যায়াম বা ধ্যান)
নির্দিষ্ট ডায়েট (যেমন কিটোজেনিক ডায়েট)
ট্রিগার এড়ানো: উজ্জ্বল আলো, উচ্চ শব্দ, অ্যালকোহল
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা (WHO অনুযায়ী):
মাথায় আঘাত থেকে রক্ষা করা (দুর্ঘটনা বা খেলাধুলার সময় সতর্ক থাকা)
গর্ভকালীন যত্ন উন্নত করা
সংক্রমণ ও পরজীবী থেকে দূরে থাকা
মোটামুটি:
এপিলেপসি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য নয়, তবে সঠিক চিকিৎসা ও জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রায় ৯০% ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশের সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি,আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, প্রধান শাখা কার্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক ছিল।২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান যুক্ত করা হয়।তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই অনুচ্ছেদকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক আলোচনা শুরু হয়েছে।

২০২৫ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্যোগে গঠিত ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’ সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে।কমিশন জানিয়েছে,প্রস্তাবটি ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না—সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের দরবার হলসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা আলোচনার জন্ম দেয়।পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন সরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেও প্রতিকৃতি অপসারণের খবর পাওয়া যায়।

একই সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বিদ্যমান কাগুজে মুদ্রার নকশা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে।নতুন নোটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির পরিবর্তে দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য,ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “জুলাইয়ের চেতনা” সমুন্নত রাখা এবং অতীতের “ফ্যাসিবাদের প্রতীক” হিসেবে বিবেচিত বিষয়গুলো পুনর্মূল্যায়নের অংশ হিসেবেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে এ উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে কয়েকটি রাজনৈতিক দল,যার মধ্যে জাসদ উল্লেখযোগ্য।তাদের দাবি,সাংবিধানিক বিধান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জাতীয় ঐকমত্য ও বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন।

 

সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক চলমান থাকায় বিষয়টি আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ইতালিতে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদে পাঁচ লাখ বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার কর্মসূচির প্রথম ধাপের ‘ক্লিক ডে’ সফলভাবে শেষ হয়েছে।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই পর্বে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫০ জন শ্রমিকের জন্য নির্ধারিত কোটায় বিভিন্ন খাতে অনলাইন আবেদন সম্পন্ন হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,কঠোর শর্ত ও জটিল আবেদন প্রক্রিয়ার কারণে এবার আবেদন সংখ্যা তুলনামূলক কম ছিল।ফলে যারা নির্ধারিত নিয়ম মেনে আবেদন জমা দিতে পেরেছেন,তাদের ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি বলে মনে করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা ও ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞরা।

এবারের কোটায় শ্রমিকদের খাতভিত্তিকভাবে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিজনাল বা মৌসুমী কাজ—বিশেষ করে কৃষি ও পর্যটন খাতে ৮৮ হাজার, নন-সিজনাল খাতে ৭৬ হাজার ২০০ এবং স্বনির্ভর কাজের জন্য ৬৫০ জনের সুযোগ রাখা হয়।

 

গত ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধাপে ধাপে আবেদন গ্রহণ করা হয়।শেষ দিনে গৃহস্থালি বা ডমেস্টিক কাজের জন্য আবেদনকারীর চাপ সবচেয়ে বেশি ছিল বলে জানা গেছে।

 

বিশেষজ্ঞরা জানান,আবাসন সনদ ও রেসিডেন্স সংক্রান্ত কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের কারণে অনেক আগ্রহী আবেদনকারী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেননি।তবে যারা সব ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করেছেন,তাদের আবেদন অনুমোদনের সম্ভাবনা উজ্জ্বল।

এদিকে সম্ভাব্য ভিসাপ্রার্থীদের সতর্ক করে সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এই সুযোগকে কেন্দ্র করে দালাল চক্র সক্রিয় হতে পারে।তাই কোনো ধরনের প্রতারণা এড়াতে সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরবর্তী ধাপে আরও ১ লাখ ৬৫ হাজার শ্রমিক নিয়োগের জন্য আগাম ফরম পূরণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।রমজানকে সামনে রেখে চালের বাজারে মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গেলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে এক বাজার কমিটির সভাপতির অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের একটি টিম বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে গেলে ব্যবসায়ীদের বর্তমান সভাপতি নিজেকে পরিচয় দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল জব্বারকে উদ্দেশ করে বলেন, “এটা আগের সভাপতি নয়, এখন আমি সভাপতি।” প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি,এ সময় তিনি আক্রমণাত্মক ও হুমকিসূচক ভঙ্গিতে কথা বলেন,যা দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ,সরকারি দায়িত্ব পালনকালে ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধা দেওয়া, হুমকি প্রদান এবং নাজেহাল করার চেষ্টা করা হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অনেক নেটিজেন অভিযুক্ত সভাপতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তারা বলেন,বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের অভিযান বাধাগ্রস্ত হলে সাধারণ ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।তাই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

Loading

Loading

সংবাদ

নির্বাচনী হলফনামা বনাম নগদ বিনিয়োগ: ব্যারিস্টার আরমানের ২ কোটি টাকার সম্পদে ১০০০ কোটির নগদ কেনার প্রস্তাব বিতর্কের ঝড় তুলেছে
মুহাম্মদ হাসনাত মোর্শেদ ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পিএস হিসেবে নিয়োগ
যে পরিমাণ খাদ্যপণ্য মজুত আছে, তা দিয়ে বাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব: বাণিজ্যমন্ত্রী
রমজানে দ্রব্যমূল্য বাড়বে না, হজের সুবিধা উন্নত হবে: ধর্মমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একুশে ভাষা দিবস বাণী
অধ্যাপক আরাফাত হোসেনের অভিযোগ, এনসিপির বিজয় কারচুপির ফল
ভুয়া চিকিৎসার অভিযোগে ডা. খোন্দকার মঞ্জুরুল ইমাম শুভ্রের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি, চিকিৎসা নথিপত্রসহ অভিযোগ
শিক্ষামন্ত্রী রাতের কিশোরদের ঘোরাঘুরি বন্ধে পুলিশ তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ
নতুন সরকারের উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন সম্পন্ন
ভাটারা থানার ওসির মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৩২ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন, অনলাইন জুয়ায় হরানো অভিযোগ
দায়িত্ব নিয়েই ৩ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের উদ্যোগ নতুন সরকারের
চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী গড়তে বন্দরে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে: অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু
জমি–ফ্ল্যাট বিরোধের জেরে নিহত চুয়েট গ্র্যাজুয়েট তানজিল জাহান তামিম, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হয়েছিল—পরিবারের দাবি
মন্ত্রীসভা যেন কোটিপতিদের ক্লাব: সবার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা
সমঝোতার নামে অর্থ আদায় নিয়ে বিতর্ক: সেতুমন্ত্রীর বক্তব্যে সমালোচনার ঝড়
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ফেসবুকে বিতর্ক: বাস্তবতা কী বলছে?
এপিলেপসি (মৃগী রোগ) সম্পর্কে তথ্য:-
সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুন বিতর্ক: বিলুপ্তির প্রস্তাব, ছবি অপসারণ ও নোটের নকশা পরিবর্তন আলোচনায়
ইতালির তিন বছর মেয়াদি শ্রমিক নিয়োগে প্রথম ধাপের ‘ক্লিক ডে’ শেষ, ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি
ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকির অভিযোগে বাজার কমিটির সভাপতিকে ঘিরে বিতর্ক
গ্রীন টিভি ইস্যুতে ফেসবুক স্ট্যাটাস: ডা. থ্রিনা ইসলামের বিস্ফোরক অভিযোগ
রাঙ্গুনিয়ায় যৌতুকের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, পাল্টা অভিযোগ ছেলে পক্ষের
ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবের হাতেই পতন হবে’— মব কালচার নিয়ে গোলাম মাওলা রনি
পোল্ট্রি খামারিদের সঙ্গে লোন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ: গাজীপুরের শ্রীপুরে এনজিও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
ক্যাশ’ সামলাতেন স্ত্রী শীলা: ড. আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে ১৪ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ধ্যান শিক্ষক হিসেবে মাসরুর কবিরের অর্জন, শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা
জাইমা রহমানকে নিয়ে কথিত ডিপফেক ভিডিও ভাইরাল — অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য
দেশে মব কালচার আর সহ্য করা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফেসবুকে: কর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও সহযোগীরা রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় গ্রেফতার হতে পারেন
স্বশিক্ষিত দুই মন্ত্রী: অর্থের প্রভাবে রাজনৈতিক অঙ্গন দখলে নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে
ফুয়াদের ‘গণ-অভ্যুত্থান’ বক্তব্যে পাল্টা চ্যালেঞ্জ, রাজপথে মোকাবিলার ঘোষণা তারেক রহমানের
জুলাই গণহত্যার বিচার স্বাভাবিক গতিতে চলবে: আইনমন্ত্রী
শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন
জাতীয় প্রকল্পের খরচ কমাতে চান মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
চীন ও ভারতের অভিনন্দন পেলেন নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, নরসিংদীতে আনন্দ উদযাপন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন
শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, আজই মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক
স্থানীয় সরকারে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করা হবে: মির্জা ফখরুল
জুলাই জাতীয় সনদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট
দীর্ঘ ২০ বছর পর ক্ষমতায় ফিরল বিএনপি, তারেক রহমান শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে
তিন মহানগরের সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু
সৌদি আরবে রমজানের চাঁদ দেখা, বুধবার থেকে প্রথম রোজা
গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবসান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হলেন যারা
বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম বিভাগের আধিপত্য, সর্বনিম্ন প্রতিনিধিত্ব সিলেটের
প্রধানমন্ত্রীর পিএস, এপিএস ও প্রটোকল অফিসার নিয়োগ, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ উপদেষ্টা
বরিশাল–ভোলা সড়ক যোগাযোগ না থাকায় চরম ভোগান্তি, আশার আলো নতুন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান
মন্ত্রিসভায় আইনজীবীদের শক্ত উপস্থিতি: বিএনপি সরকারের ৭ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী
সততাই সাংবাদিকতার মূলমন্ত্র: কাদের গনি চৌধুরী
নতুন সরকারে বরিশাল বিভাগের শক্ত অবস্থান: স্পীকারসহ পূর্ণমন্ত্রী চারজন
রাজনৈতিক ত্যাগের স্বীকৃতি: প্রতিমন্ত্রীর আসনে রাজীব আহসান
শপথ নিচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা: পূর্ণমন্ত্রী ২৫, প্রতিমন্ত্রী ২৪ — পূর্ণাঙ্গ তালিকা