Top Tags
সর্বশেষ সংবাদ
নেপালের সংসদীয় নির্বাচন সফল হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশদুদকের মহাপরিচালকের ফোন ও টাকা ছিনতাই: গ্রেফতার দুই আসামি কারাগারেবাংলাদেশ পুলিশে ৪ হাজার এসআই পদ সৃজনের প্রস্তাব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সভা মঙ্গলবারহাদী হত্যাকাণ্ড: তদন্তে নতুন তথ্য, জুমাকে ঘিরে অভিযোগ জোরালোস্বপ্ন দেখিয়ে সর্বনাশ: টাঙ্গাইলের মায়াকে নিঃস্ব করে স্বর্ণ ও লাখ টাকা নিয়ে উধাও চীনা প্রেমিকজুনিয়র নেতারা এমপি-মন্ত্রী, উপেক্ষিত প্রবীণরা—বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনাগাজীপুরের সাবেক কাউন্সিলর শাহীন মোল্লা বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তারমন্ত্রিপরিষদে পাঁচ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার নাম সংশোধনহাদির হত্যাকাণ্ড: শ্যুটার নয়, মূল হুকুমদাতার খোঁজ জরুরিরাজধানীতে তেলের তীব্র সংকট, ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনপ্রতারণা ও লোভের আঁধারে সমাজ: হানিট্র্যাপের ভয়ঙ্কর বাস্তবতাইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান মার্কিন সিনেটর টিম কেইনেরমুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে সশস্ত্র হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত অন্তত ৩৬ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ড: প্রধান আসামিসহ দুইজন ভারতে গ্রেপ্তার, দেশে আনার আশ্বাস আইজিপিরজুলাই আন্দোলন কারও বাপের সম্পত্তি নয়, অপব্যবহারকারীদের তালিকা করা হচ্ছে: আইজিপিনৌ-পুলিশ প্রধানসহ পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকারভোট কারচুপির অভিযোগে ৫ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টেরআমব্রেলা ফাউন্ডেশন মাওনা ব্রাঞ্চের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগশেখ হাসিনার রাজনৈতিক পথচলা: পারিবারিক ইতিহাস, ট্র্যাজেডি ও দীর্ঘ সংগ্রামের প্রেক্ষাপটরাজনীতিতে ব্যক্তিগত আস্থা ও রাষ্ট্রীয় বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সব সময় সহজ নয়

সংবাদ শিরোনাম

সর্বশেষ সংবাদ

আজকের সর্বশেষ সংবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক।।নেপালে ৫ মার্চ ২০২৬ অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচন সফল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় দেশটির সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,এই গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নেপালের জনগণের আকাঙ্ক্ষা,দৃঢ়তা এবং তাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের শক্তির প্রতিফলন।

বাংলাদেশ আশা প্রকাশ করেছে,নবগঠিত নেপাল সরকার ও দেশটির জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করা হবে।

এ সময় বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার আশাবাদও ব্যক্ত করা হয়।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান ও তদন্ত শাখা-২-এর মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেনের মোবাইল ফোন,নগদ টাকা ও হাতঘড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামি শাহজাদা ও রুবেলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৯ মার্চ) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জমসেদ আলম তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে জানা যায়,গত শনিবার রাত ১১টার দিকে মো. মোতাহার হোসেন রাজধানীর শহীদ ফারহান ফাইয়াজ চত্বর (নানক চত্বর) এলাকায় ফুটপাতে হাঁটছিলেন।এ সময় কয়েকজন ছিনতাইকারী দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাকে ঘিরে ধরে।একপর্যায়ে তাকে মারধর করে তার কাছে থাকা একটি আইফোন ৬ প্লাস ও একটি আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্স মডেলের মোবাইল ফোন,নগদ ১৫ হাজার টাকা এবং একটি হাতঘড়ি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে শাহজাদা ও রুবেলকে গ্রেফতার করে।মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 📰

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে ৪ হাজার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদ সৃজনের প্রস্তাব নিয়ে সভা ডেকেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।এ বিষয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (৮ মার্চ ২০২৬) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে,পুলিশ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাব অনুযায়ী বাংলাদেশ পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোভুক্ত বিভিন্ন ইউনিটে চার হাজার এসআই (গ্রেড–১০) (নিরস্ত্র) পদ সৃজনের বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

সকাল ১০টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে (ভবন নম্বর–৮, কক্ষ নম্বর–২০৮, তৃতীয় তলা) এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।এতে সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব।

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সালাহউদ্দিন আহমদ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে জনবল সংকট দূর করতে নিয়োগ কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দেন।গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি দ্রুত শূন্য পদ পূরণের তাগিদ দেন।

এর ধারাবাহিকতায় কনস্টেবলের শূন্য পদ জরুরি ভিত্তিতে পূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়।পাশাপাশি গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সার্জেন্টের ১৮০টি শূন্য পদেও দ্রুত নিয়োগের ঘোষণা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ইতিমধ্যে কনস্টেবল ও পুলিশ সার্জেন্ট পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে এবং এসব পদে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।হাদী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন নতুন তথ্য সামনে আসতে শুরু করেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের দাবি, শুরু থেকেই ফাতেমা তাসনিম জুমার সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে যে আলোচনা ছিল,তা এখন আরও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন আসামি ফয়সাল গ্রেপ্তার হওয়ার পর তদন্তে নতুন কিছু দিক উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।একই সময়ে ফাতেমা তাসনিম জুমা তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট করেছেন এবং মোবাইল সিম বন্ধ করে আত্মগোপনে গেছেন বলে জানা গেছে।বিষয়টি তদন্তকারীদের নজরেও এসেছে।

এদিকে সাংবাদিক মুক্তাদির রশিদের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে,তদন্তে বাধা প্রদানকারীদের তালিকায় জুমার নাম শুরু থেকেই আলোচনায় ছিল।কিছু সূত্রের মতে,জাবের নামের এক ব্যক্তিসহ একটি নির্দিষ্ট মহলের সহযোগিতায় হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়েছিল কি না,তা নিয়েও তদন্ত চলছে।

ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।অনেকেই দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে,তদন্ত এখনও চলমান এবং যাচাই-বাছাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে চূড়ান্তভাবে দায়ী বলা যাচ্ছে না।

হাদী হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্তকারী সংস্থাগুলো কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার তরুণী মায়া আক্তারের জীবন এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।প্রেম,বিয়ে এবং উন্নত জীবনের রঙিন স্বপ্ন দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে নিঃস্ব করে পালিয়ে গেছে এক চীনা যুবক।বিশ্বাস আর ভালোবাসার নির্মম প্রতারণার শিকার হয়ে সামাজিক মাধ্যমে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এই তরুণী। 💔

 

প্রতারণার ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারানো

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,প্রায় দুই দিন আগে ওই চীনা নাগরিক মায়াকে চীনে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘাটাইলের বাড়ি থেকে ঢাকায় নিয়ে আসে।ঢাকায় এসে তারা একটি হোটেলে ওঠে।কিন্তু সেখানে ঘটে যায় ভয়ংকর প্রতারণা।

সুযোগ বুঝে মায়ার কাছে থাকা প্রায় ২ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১ লাখ টাকা নিয়ে হঠাৎ করেই উধাও হয়ে যায় সেই বিদেশি যুবক।এরপর থেকেই তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতারকের বিষয়ে মায়ার কাছে এখন কেবল একটি চীনা নাগরিক পরিচয়পত্রের ছবিই একমাত্র সূত্র হিসেবে রয়েছে।

টিকটক লাইভে কান্নায় ভেঙে পড়েন মায়া

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে লাইভে এসে ভেঙে পড়েন মায়া।চোখের জল আর অসহায় কণ্ঠে তিনি জানান,“আমি তাকে বিশ্বাস করেছিলাম।ভেবেছিলাম সে সত্যিই আমাকে ভালোবাসে।কিন্তু সে আমার সব স্বপ্ন ভেঙে দিয়ে পালিয়ে গেছে।আমার সবকিছু নিয়ে আমাকে মাঝপথে ফেলে রেখে গেছে।”

 

বাবা-মায়ের কাছে আবেগঘন ক্ষমা প্রার্থনা

লাইভে এক পর্যায়ে নিজের বাবা-মায়ের উদ্দেশ্যে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন—“বাবা-মা, আমি তোমাদের অনেক ভালোবাসি। কখনো বলতে পারিনি।যদি কোনোদিন তোমাদের কষ্ট দিয়ে থাকি,আমাকে ক্ষমা করে দিও।আমি তোমাদের ভালো সন্তান হতে পারিনি।তোমাদের কাছে আর কিছু চাই না,শুধু দোয়া করো যেন আমি বেঁচে থাকতে পারি।”

 

সতর্কবার্তা সমাজের জন্য

এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল— সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা বিদেশি পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রতারণার ফাঁদ কতটা ভয়ংকর হতে পারে।স্বপ্ন দেখিয়ে বিশ্বাস অর্জন করে অর্থ ও মূল্যবান সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার এমন ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে।

স্থানীয়দের দাবি,এই প্রতারককে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন,যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো তরুণী এমন প্রতারণার শিকার না হন। ⚖️

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন করেছেন, হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন—বিএনপির এমন অনেক ত্যাগী ও প্রবীণ নেতা এবার এমপি বা মন্ত্রী হতে পারেননি।আবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের প্রভাবশালী অনেক মন্ত্রীও তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে কোনো পদ পাননি।ফলে দলের এই জ্যেষ্ঠ নেতাদের জন্য ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক পুরস্কার অপেক্ষা করছে, নাকি তারা ধীরে ধীরে রাজনীতির মূল স্রোত থেকে ছিটকে পড়ছেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৪৯ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণার পর থেকেই দলীয় অঙ্গন ও রাজনৈতিক মহলে এ আলোচনা তুঙ্গে।

নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া ৪৯ জনের মধ্যে ৪০ জনই নতুন মুখ।এমনকি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেও এবারই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।নবীনদের ওপর আস্থা রাখলেও মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন বিএনপির নীতি-নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্য,যারা অতীতে খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাদ পড়া হেভিওয়েটরা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন,গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং ড. আব্দুল মঈন খান মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পাননি।

এছাড়া স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ও সেলিমা রহমানের নামও নেই মন্ত্রীদের তালিকায়।

তারেক রহমানের নির্বাসনকাল এবং খালেদা জিয়ার কারাবাসের সময় দলকে সক্রিয় রাখতে এসব নেতার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

তবে মন্ত্রিপরিষদে স্থান না পেলেও মির্জা আব্বাস,নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিত্ব না পাওয়ার বিষয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেন,“মন্ত্রিপরিষদে স্থান পাওয়ার বিষয়টি দেখছেন দলের চেয়ারম্যান।এটা নিয়ে আমার মন্তব্য না করা ভালো।”

 

যুগপৎ সঙ্গীদের ক্ষোভ

নতুন মন্ত্রিসভায় তারেক রহমান বিএনপির জোটের শরিক ও তরুণ নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখেছেন।গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি,গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর এবং এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পেয়েছেন।

তবে যুগপৎ আন্দোলনের দীর্ঘদিনের সঙ্গী নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না,বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক কিংবা ভাসানী জনশক্তি পার্টির শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুর জায়গা হয়নি।

এ নিয়ে কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।তিনি বলেন,“প্রথমত এটি পুরোটাই বিএনপির সরকার।যুগপৎ আন্দোলনের দুই-তিনজন থাকছেন।বিএনপি বাস্তবে যুগপৎ সঙ্গীদের বাদ দিয়েই এক ধরনের ‘একলা চলো’ নীতির দিকে যাচ্ছে।নতুন মন্ত্রিসভায় অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেখা যাচ্ছে।”

 

তিনি আরও বলেন,“দুর্দিনে যারা পাশে ছিল, তাদের বাদ দিয়ে সরকার গঠন করা হয়েছে।এর তাৎপর্য বা অভিঘাত কয়েকদিন পর বোঝা যাবে।”

 

চমক নাকি বিতর্ক

এই মন্ত্রিসভার সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে খলিলুর রহমানকে।তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা’ ও রোহিঙ্গা সমস্যা বিষয়ক ‘হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ’ ছিলেন।

বিদেশি কোম্পানিকে বন্দর ইজারা দেওয়া এবং প্রস্তাবিত রোহিঙ্গা করিডোর নিয়ে বিতর্কের জেরে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী তার অপসারণ দাবি করেছিলেন।অথচ এমপি না হয়েও ‘টেকনোক্র্যাট’ কোটায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।বিষয়টি নিয়ে দলের ভেতরেও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে।

 

যাদের কপাল খোলেনি

সাবেক মন্ত্রীদের মধ্যে মীর নাছির,আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু,লুৎফুজ্জামান বাবর ও আমান উল্লাহ আমানের নাম আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত তারা মন্ত্রিসভায় জায়গা পাননি।

এছাড়া দলের দুঃসময়ের কান্ডারি হিসেবে পরিচিত যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুন নবী খান সোহেলের নাম টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত তারও ঠাঁই হয়নি।

 

স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন,“তারেক রহমান তার রাজনৈতিক কৌশল অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেছেন।এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। মর্নিং শোজ দ্য ডে।”

 

অবস্থান ধরে রেখেছেন যারা

 

তবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী,সালাহউদ্দিন আহমদ,ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু,ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এবং হাফিজ উদ্দিন খান নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়ে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছেন।

Loading

গাজীপুর প্রতিনিধি।।গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শাহীন মোল্লাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।রোববার (৮ মার্চ) ভোর ৩টার দিকে কাশিমপুরের সারাদগঞ্জের হাজি সালামের বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।জানা যায়,শাহীন মোল্লার দ্বিতীয় স্ত্রী মীম ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।গ্রেপ্তারের সময় মীম বলেন, “আমার হাজবেন্ড আমার অনেক প্রিয়,আমার হাজবেন্ডকে আমি যাইতে দিব না।”

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,শাহীন মোল্লা আওয়ামী লীগের একজন নিষ্ক্রিয় সদস্য ছিলেন।কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়ায় তিনি দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেননি।৫ আগস্টের পর পরিস্থিতি পরিবর্তনের কারণে গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

কাশিমপুর থানার ওসি মোল্লা খালিদ হোসেন জানান,শাহীন মোল্লাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।রোববার (৮ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পাঁচজন মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার নাম সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।সংশোধিত নামগুলো হলো:

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী → আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু → আবদুল আউয়াল মিন্টু

ধর্ম মন্ত্রী: কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ → কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)

কৃষি,খাদ্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী: মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ → মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ

পানিসম্পদ মন্ত্রী: মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি → মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি

প্রতিমন্ত্রীর পদে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম → ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম

এছাড়া, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ তার নাম হাফিজ উদ্দিন আহমদ হিসেবে সংশোধনের আবেদন মন্ত্রিপরিষদে পাঠিয়েছেন।

মন্ত্রিপরিষদ সূত্রে জানানো হয়েছে,এই নাম সংশোধনের পদক্ষেপ মূলত বানান ঠিক করা ও ডাক্তারি সম্মানসূচক সংযোজনের জন্য নেওয়া হয়েছে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মা বলেছেন,শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে আলোচনায় বারবার একটি ভুল হচ্ছে—শ্যুটার বা খুনিকে মূল পরিকল্পনাকারীর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা।তিনি জানান,হত্যার ট্রিগার টানানো ব্যক্তি সব সময় প্রকৃত খুনি নাও হতে পারে; প্রকৃত দায়িত্ব মূলত হুকুমদাতা বা মাস্টারমাইন্ডের।

সালাহউদ্দিন আম্মা বলেন,হত্যার সিদ্ধান্ত,পরিকল্পনা ও নির্দেশ কে দিয়েছিল, তা ছাড়া কোনো তদন্ত পূর্ণ হয় না।তিনি আরও জানান,শ্যুটারদের জীবিত দেশে ফেরত আনার পাশাপাশি হত্যার পেছনের মূল উদ্দেশ্য,হুকুমদাতা এবং পরিকল্পনাকারীকে খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরি।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে আজ সোমবারও তেল নেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইনের দৃশ্য দেখা গেছে। অনেক পাম্পে জ্বালানি বিক্রি বন্ধ থাকায় চালকরা অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন।

মিরপুর,কল্যাণপুর,মোহাম্মদপুর,বিজয়সরণি ও কালশী এলাকার ৯টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে ৩টিতে বিক্রি বন্ধ ছিল। অন্য পাম্পগুলোতে সীমিত পরিমাণে অকটেন ও ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে।পাম্পের বাইরে প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলের সারি এক থেকে দেড় কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।অনেক চালক দেড় থেকে দুই ঘণ্টার বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন।

বিজয়সরণি এলাকার ট্রাস্ট পাম্পে প্রাইভেট কারের সারি জাহাঙ্গীরগেট ছাড়িয়ে মহাখালীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল পর্যন্ত এবং মোটরসাইকেলের সারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূল ফটক পর্যন্ত দেখা গেছে।

ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তারা জানান,তেলের নতুন সরবরাহ আসা পর্যন্ত বিক্রি বন্ধ থাকবে।চালকরা বলছেন,গাড়ি ঠেলে অন্য পাম্পে যাওয়ার সুযোগ নেই।

Loading

মাজহারুল ইসলাম।।সমাজে লোভ,প্রতারণা ও অসততার গল্প নতুন কিছু নয়।কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ‘হানিট্র্যাপ’ বা প্রেম ও ঘনিষ্ঠতার ফাঁদে মানুষকে ফাঁসিয়ে অর্থ ও সুযোগ হাসিলের অপরাধের ঘটনা একটি গভীর উদ্বেগের সংকেত হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।রমজানের পবিত্র সময়েও এমন অপরাধ সংঘটিত হওয়া সমাজের নৈতিক ও মানবিক মানদণ্ডে আঘাত করেছে।

রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট:

প্রকৃতপক্ষে,রাজনৈতিক,সামাজিক ও নৈতিকভাবে সুসংগঠিত সমাজে এ ধরনের অপরাধ দ্রুত চিহ্নিত ও দমনযোগ্য।কিন্তু আমাদের সমাজে এখনও লোভ ও প্রলোভনের প্রতি একটি ভুল সচেতনতা বিরাজমান।কিছু মানুষ বিলাসী জীবন,বাহ্যিক সাজসজ্জা বা রূপচর্চার জগতে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে,যা সমাজে নৈতিক দুর্বলতার পরিচায়ক।রাজনীতিবিদ,সামাজিক নেতারা যখন শুদ্ধাচার ও নৈতিকতার আদর্শ প্রতিষ্ঠা করবেন না,তখন সাধারণ মানুষ প্রতারণার মতো অন্ধকার পথ অবলম্বন করে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ:

অর্থের লোভের সঙ্গে প্রযুক্তির সংমিশ্রণ আজ হানিট্র্যাপের মতো নতুন ধরনের অপরাধকে সহজলভ্য করেছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তার,ডিজিটাল লেনদেনের সহজলভ্যতা এবং অর্থ উপার্জনের দ্রুত ফাঁদ—এগুলো প্রতারকদের জন্য সুযোগ তৈরি করছে।যে ব্যক্তি অর্থের জন্য নৈতিকতা ও আইনকে উপেক্ষা করে,তার জন্য দীর্ঘমেয়াদে ফলাফল বিপরীত হতে বাধ্য।

আইনি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষণ:

আইনের কঠোর বাস্তবতা সামনে রেখে,এখন অপরাধীকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।হানিট্র্যাপের মতো অপরাধে দ্রুত তদন্ত,অভিযোগ যাচাই ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অপরিহার্য। শুধুমাত্র ব্যক্তিগত শাস্তি নয়,বরং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা কৌশলগুলোকে শক্তিশালী করা আইন প্রণেতাদের কাছে জরুরি।এ ধরনের অপরাধ দমন করা না হলে সাধারণ নাগরিকরা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

নৈতিক ও শিক্ষামূলক দিক:

এই ঘটনা সমাজকে এক কঠিন বার্তা দিচ্ছে—লোভ,প্রতারণা ও অসততার পথে যাওয়া ব্যক্তি এক সময় লজ্জা,শাস্তি ও আইনের হাতে পড়ে।সমাজের প্রতিটি স্তরে নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব বেড়ে যাচ্ছে।পরিবার,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে তরুণ প্রজন্মকে সতর্ক ও সচেতন করার দায়িত্ব নিতে হবে।

উপসংহার:

হানিট্র্যাপের মতো অপরাধ কেবল এক ব্যক্তির নয়; এটি সমাজের নৈতিক,সামাজিক ও প্রযুক্তিগত দায়ের সঙ্গে জড়িত। যে পথ ব্যক্তি বেছে নেয়—প্রলোভন ও প্রতারণার অন্ধকার, নাকি সততা ও নিয়ম-নীতি—শেষ পর্যন্ত তার ফলাফলের দায়ভার বহন করতে হয়।সমাজের জন্য সতর্কবার্তা স্পষ্ট: লোভ ও প্রতারণার পথে যাত্রা মানেই লজ্জা ও শাস্তির দরজায় পৌঁছানো।আইন,নৈতিকতা ও সচেতনতার মেলবন্ধন ছাড়া, এমন ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।

Loading

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে ইরানে হামলার সমালোচনা করে অপ্রয়োজনীয় ও বিপজ্জনক এই যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সিনেটর টিম কেইন।তিনি বলেছেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সিনেটর কেইন বলেন,তার দৃঢ় বিশ্বাস—ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুধু অপ্রয়োজনীয়ই নয়,এটি অত্যন্ত বিপজ্জনকও।প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অগ্রহণযোগ্য পন্থায় মার্কিন তরুণদের একটি ঝুঁকিপূর্ণ যুদ্ধে জড়িয়ে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তার মতে,এই যুদ্ধ শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়,পুরো মধ্যপ্রাচ্যের জন্যই অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।

এ সময় অতীতের যুদ্ধের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ইরাক,লিবিয়া ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানে উল্লেখযোগ্য কোনো অর্জন হয়নি।বরং এসব যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনতে ব্যর্থ হয়েছে।

এদিকে ইরানে হামলার ঘটনায় সমালোচনা করে আরেক মার্কিন সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেনও বলেছেন,এই ধরনের হামলা মার্কিন জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।

কেইন আরও জানান,যুদ্ধ বন্ধে তিনি তার সাধ্যের মধ্যে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করবেন। 🌍🕊️

 

Loading

শ্রীনগর(মুন্সিগঞ্জ)প্রতিনিধি।।মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়া ইউনিয়নের রুদ্রপাড়া গ্রামে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। শটগান,পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল হামলাকারী প্রতিপক্ষের বাড়িতে ঢুকে গুলি ও এলোপাতারি হামলা চালালে অন্তত ১৬ জন গুলিবিদ্ধ হন।আহতদের মধ্যে তিনজন শিশু ও একজন বৃদ্ধ রয়েছেন।এছাড়া আরও প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার জুয়েল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়,রাতে অধিকাংশ মানুষ ঘুমিয়ে থাকার সময় মান্নান গ্রুপের লোকজন প্রতিপক্ষ মিজান গ্রুপের বাড়িঘরে অতর্কিত হামলা চালায়।এ সময় হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলোপাতারি হামলা করে। হঠাৎ হামলায় ঘুমন্ত মানুষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই অনেকেই গুলিবিদ্ধ ও আহত হন।

আহতদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেয়।পরে স্থানীয়দের সহায়তায় গুলিবিদ্ধ ও আহতদের উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও দোহারের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 🚑

শ্রীনগর থানার ওসি খন্দকার জুয়েল মিয়া বলেন,স্থানীয় পর্যায়ের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মান্নান গ্রুপের লোকজন প্রতিপক্ষ মিজানের পরিবারসহ তার গ্রুপের লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে।খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। 👮‍♂️

এদিকে র‍্যাব-১০ এর ভাগ্যকুল ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মহাসিন খান,হারুন রশিদ খান ও মানান খানকে আটক করেছেন।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিকে অচিরেই দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

সোমবার (৯ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে পুলিশ সদরদপ্তরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

আইজিপি বলেন,হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ দুইজনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।তাদের দ্রুত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,কলকাতা পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করে।গতকাল রোববার (৮ মার্চ) তাদের বিধাননগর আদালতে হাজির করা হলে আদালত ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গ্রেপ্তার হওয়া দুই বাংলাদেশি নাগরিক হলেন— রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও আলমগীর হোসেন (৩৪)। ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলায় এবং আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়।

পুলিশ জানায়,হত্যাকাণ্ডের পর তারা অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন এবং বনগাঁ এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন।পরে সুযোগ বুঝে পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন,২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনকে যারা নিজেদের সম্পত্তি মনে করছে বা ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করছে তাদের তালিকা করা হচ্ছে।তিনি বলেন, “আমরাও রাজপথে ছিলাম।জুলাই বিপ্লব কারও বাপের সম্পত্তি নয়।”

সোমবার (৯ মার্চ) বেলা ১১টায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।ডিএমপির সেন্ট্রাল কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ভবনের নিচতলায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

আইজিপি জানান,ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে অচিরেই দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন,দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।দল-মত নির্বিশেষে এ অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোনো দলীয় বিবেচনার সুযোগ থাকবে না।

তিনি আরও বলেন,ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।ব্লক রেট দিয়ে চাঁদাবাজি,সন্ত্রাস,মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

চাঞ্চল্যকর কোনো ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান আইজিপি।গণধর্ষণ,ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার তদন্তের মান উন্নয়নে সিআইডিকে আরও আধুনিক করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।আইজিপি বলেন, তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

পুলিশি সেবা সম্পর্কে তিনি বলেন,জনগণ যেন থানায় এসে হয়রানির শিকার না হয় এবং হাসিমুখে সেবা নিয়ে থানার বাইরে যেতে পারে,সে লক্ষ্যেই কাজ করছে পুলিশ।পুলিশের রিঅ্যাকশন টাইম কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আইজিপি আরও বলেন,গত ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে।সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।নৌ-পুলিশের প্রধান কুসুম দেওয়ানসহ বাংলাদেশ পুলিশের পাঁচজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) কে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

সোমবার (৯ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক পাঁচটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনগুলোতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

অবসরে পাঠানো অন্য চারজন অতিরিক্ত আইজিপি হলেন—

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ওএসডি) আবু হাসান মুহম্মদ তারিক,পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ওএসডি) মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদ,পুলিশ সদর দপ্তরের টিআর মো. মাসুদুর রহমান ভূঞা এবংরাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল অতিরিক্ত আইজিপি মো. তওফিক মাহবুব চৌধুরী।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে।বিধি অনুযায়ী তারা অবসরজনিত সকল সুবিধা প্রাপ্য হবেন।

এছাড়া প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়,জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে পাঁচটি সংসদীয় আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৯ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের নির্বাচনী বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

মামলা করা বিএনপির প্রার্থীরা হলেন— কুমিল্লা-১১ আসনের কামরুল হুদা,ময়মনসিংহ-২ আসনের মোতাহার হোসেন তালুকদার,চাঁদপুর-৪ আসনের হারুনুর রশীদ ও সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের এম. আকবর আলী।এছাড়া চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এলডিপি প্রার্থী ওমর ফারুকও একই ধরনের অভিযোগে আবেদন করেছেন।

আদালতে বিএনপি প্রার্থীদের পক্ষে আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন,ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টদের সাক্ষর ছাড়াই অন্য প্রার্থীর এজেন্টদের দিয়ে রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর করিয়ে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।এছাড়া ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া,ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার মতো নানা অনিয়মের অভিযোগ আদালতে তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি আরও জানান,এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যালট পেপার ও ফলাফলের নথি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন,যাতে পরবর্তী শুনানিতে বিষয়গুলো যাচাই করা যায়।

এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে ১০টি আসনে,জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ৭টি আসনে এবং এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ থেকে নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।এসব আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য,গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়ম সংক্রান্ত আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগে একটি নির্বাচনী বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে।বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চে বর্তমানে এসব আবেদনের শুনানি চলছে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও জাহাঙ্গীর পোল্ট্রি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খানের কাছ থেকে আমব্রেলা ফাউন্ডেশন মাওনা ব্রাঞ্চের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী খামারি জানান,তিনি দীর্ঘদিন ধরে চারটি পোল্ট্রি ফার্মে প্রায় ১০ হাজার মুরগি লালন-পালন করে আসছিলেন। সম্প্রতি আইপিএস রোগে আক্রান্ত হয়ে তার খামারের প্রায় সব মুরগি মারা যায়।এতে তিনি মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়েন।

এ অবস্থায় আমব্রেলা ফাউন্ডেশন থেকে নেওয়া ৩ লাখ টাকার ঋণের ৩–৪টি কিস্তি বাকি থাকলেও প্রতিষ্ঠানটির মাওনা ব্রাঞ্চের ম্যানেজার তাকে নতুন করে ৫ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।নতুন ঋণ অনুমোদনের কথা বলে পূর্বের ঋণের বকেয়া প্রায় ৭০ হাজার টাকা একসাথে পরিশোধ করতে তাকে চাপ দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীর দাবি,২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নতুন ঋণ দেওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে আর কোনো ঋণ দেওয়া হয়নি।এতে করে তিনি সিপি কোম্পানির কাছে প্রায় ৬০ হাজার টাকার পাওনা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।ফলে সিপি কোম্পানি তার খামারে মুরগির বাচ্চা ও খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। এতে তার পোল্ট্রি ব্যবসা কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন,“নতুন ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আমার কাছ থেকে বকেয়া টাকা আদায় করা হয়েছে।কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ঋণ না দেওয়ায় আমি চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।”

এ বিষয়ে যুগান্তর বার্তা,মুক্তিযুদ্ধ ৭১ সংবাদ ও জনতার কণ্ঠ পত্রিকার পক্ষ থেকে আমব্রেলা ফাউন্ডেশন মাওনা ব্রাঞ্চের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা ও কৈফিয়ত তলব করা হলেও অদ্যাবধি তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

আইনি বিশ্লেষণ ⚖️

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে,যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পূর্বের ঋণ পরিশোধে চাপ সৃষ্টি করে এবং পরে প্রতিশ্রুত ঋণ প্রদান না করে,তবে তা বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৪১৫ ও ৪২০ ধারার আওতায় প্রতারণা (Cheating) হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

ধারা ৪১৫: মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে কাউকে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেললে তা প্রতারণা হিসেবে গণ্য।

ধারা ৪২০: প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় করলে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি চাইলে থানায় লিখিত অভিযোগ, আদালতে মামলা কিংবা সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে অভিযোগ করে আইনি প্রতিকার চাইতে পারেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে,ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সাথে এ ধরনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমান ও সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম আলোচিত ব্যক্তিত্ব শেখ হাসিনার রাজনৈতিক পথচলা তাঁর পারিবারিক ইতিহাস,জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি এবং ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বয়স যখন মাত্র সাত বছর,তখন তাঁর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হন।শেখ হাসিনার বয়স নয় বছর হওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সে সময় শেখ হাসিনার বয়স ছিল প্রায় ২৩ বছর।তবে পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগকে সরকার গঠনের সুযোগ দেয়নি। রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও দমন-পীড়নের প্রেক্ষাপটে পরিস্থিতি ক্রমে মুক্তিযুদ্ধের দিকে গড়ায় এবং ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধের পর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান আমলে বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনের কারণে দীর্ঘ সময় কারাবন্দি ছিলেন। বিভিন্ন গবেষণা ও ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী,তিনি তাঁর জীবনের প্রায় ৪ হাজার ৬০০ দিনেরও বেশি সময় কারাগারে কাটিয়েছেন,যা প্রায় ১৩ বছরের সমান।স্বাধীন বাংলাদেশের দাবিতে আন্দোলনের সময় এই কারাবাস তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাগুলোর একটি ঘটে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট।ওইদিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাসভবনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্য নিহত হন।ওই সময় শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা বিদেশে অবস্থান করায় তারা প্রাণে রক্ষা পান।

ঘটনার পর শেখ হাসিনাকে প্রায় ছয় বছর বিদেশে অবস্থান করতে হয়।১৯৮১ সালে তিনি দেশে ফিরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।সে সময় দেশে সামরিক শাসনের প্রভাব ছিল এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল অস্থির।

পরবর্তীতে দীর্ঘ আন্দোলন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের চেষ্টা চালান শেখ হাসিনা।প্রায় ২১ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রামের পর ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হলে শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত জীবন,পারিবারিক ট্র্যাজেডি এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

Loading

মাজহারুল ইসলাম।।রাজনীতির ইতিহাসে এমন বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে,যেখানে ক্ষমতার শীর্ষে থাকা নেতারাই নিজেদের নেওয়া সিদ্ধান্তের ভারে শেষ পর্যন্ত বিপর্যস্ত হয়েছেন।বাংলাদেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিসরে শেখ হাসিনার শাসনকালও এমন কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের সাক্ষী,যেগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক বাস্তবতার জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়োগ পরবর্তীকালে নানা বিতর্ক ও সংকটের জন্ম দিয়েছে।

১৯৯৬ সালে দীর্ঘ ২১ বছর পর ক্ষমতায় ফিরে আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব দেন সাবেক প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে।তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি তখন সরকারের জন্য ইতিবাচক বলে মনে করা হয়েছিল।তবে রাজনীতির বাস্তবতা সব সময় ক্ষমতাসীনদের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে না।নিরপেক্ষতার প্রশ্নে তাঁর অবস্থান অনেক সময় সরকারের রাজনৈতিক প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে ওঠে।ফলে সেই নিয়োগ পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরেই বিতর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

একইভাবে ২০১৫ সালে এস কে সিনহাকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্তও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।জ্যেষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন থাকা সত্ত্বেও তাঁর নিয়োগ দেওয়া হয়।পরবর্তীতে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়কে কেন্দ্র করে বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।এই সংঘাত দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তোলে এবং রাষ্ট্রের ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।

২০২৪ সালে সেনাপ্রধান হিসেবে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের নিয়োগকে অনেক বিশ্লেষক শেখ হাসিনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখেন।সমালোচকদের মতে,এই সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যক্তিগত আস্থা ও রাজনৈতিক সমীকরণ বড় ভূমিকা রেখেছিল।পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে সেনাবাহিনীর অবস্থান ও ভূমিকা নিয়ে যে আলোচনা তৈরি হয়,তা দেশের ক্ষমতার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে।

সবশেষে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগও রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়।আওয়ামী লীগের অভিজ্ঞ ও দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাদের পাশ কাটিয়ে অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসানোর সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হয়েছিল।সংকটময় সময়ে তাঁর বক্তব্য ও অবস্থান নিয়েও সমালোচনা দেখা যায়,যা রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

রাজনীতিতে ব্যক্তিগত আস্থা ও রাষ্ট্রীয় বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সব সময় সহজ নয়।ক্ষমতার দীর্ঘ পথচলায় অনেক সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কৌশলগত বলে মনে হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার ভিন্ন ফলাফল সামনে আসে। শেখ হাসিনার এই কয়েকটি নিয়োগ সেই বাস্তবতারই একটি উদাহরণ,যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে থাকবে।

Loading

Loading

সংবাদ

নেপালের সংসদীয় নির্বাচন সফল হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ
দুদকের মহাপরিচালকের ফোন ও টাকা ছিনতাই: গ্রেফতার দুই আসামি কারাগারে
বাংলাদেশ পুলিশে ৪ হাজার এসআই পদ সৃজনের প্রস্তাব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সভা মঙ্গলবার
হাদী হত্যাকাণ্ড: তদন্তে নতুন তথ্য, জুমাকে ঘিরে অভিযোগ জোরালো
স্বপ্ন দেখিয়ে সর্বনাশ: টাঙ্গাইলের মায়াকে নিঃস্ব করে স্বর্ণ ও লাখ টাকা নিয়ে উধাও চীনা প্রেমিক
জুনিয়র নেতারা এমপি-মন্ত্রী, উপেক্ষিত প্রবীণরা—বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা
গাজীপুরের সাবেক কাউন্সিলর শাহীন মোল্লা বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার
মন্ত্রিপরিষদে পাঁচ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার নাম সংশোধন
হাদির হত্যাকাণ্ড: শ্যুটার নয়, মূল হুকুমদাতার খোঁজ জরুরি
রাজধানীতে তেলের তীব্র সংকট, ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন
প্রতারণা ও লোভের আঁধারে সমাজ: হানিট্র্যাপের ভয়ঙ্কর বাস্তবতা
ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান মার্কিন সিনেটর টিম কেইনের
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে সশস্ত্র হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত অন্তত ৩৬
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ড: প্রধান আসামিসহ দুইজন ভারতে গ্রেপ্তার, দেশে আনার আশ্বাস আইজিপির
জুলাই আন্দোলন কারও বাপের সম্পত্তি নয়, অপব্যবহারকারীদের তালিকা করা হচ্ছে: আইজিপি
নৌ-পুলিশ প্রধানসহ পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার
ভোট কারচুপির অভিযোগে ৫ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
আমব্রেলা ফাউন্ডেশন মাওনা ব্রাঞ্চের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ
শেখ হাসিনার রাজনৈতিক পথচলা: পারিবারিক ইতিহাস, ট্র্যাজেডি ও দীর্ঘ সংগ্রামের প্রেক্ষাপট
রাজনীতিতে ব্যক্তিগত আস্থা ও রাষ্ট্রীয় বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সব সময় সহজ নয়
আস্থার দহন: চার নিয়োগের ভুলে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ট্র্যাজেডি
মেহেন্দিগঞ্জে প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করে চলছে পোনা নিধন উৎসব: হুমকির মুখে মৎস্য সম্পদ
পেকুয়ায় পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ: মা–মেয়েকে মারধর করে জেলে পাঠানোর ঘটনায় আইনি প্রশ্ন
প্রেম ও বিয়ের আড়ালে মানবপাচারের অভিযোগ: খাগড়াছড়ির সুনি চাকমাকে ঘিরে চাঞ্চল্য
মেহেন্দিগঞ্জে জেলে হাবীব মাঝির মৃত্যু সংবাদের জেরে সাংবাদিককে কোস্টগার্ডের জিজ্ঞাসাবাদ
কোস্ট গার্ডের ক্ষমতা, আইন ও নাগরিক অধিকার: সীমা কোথায়?
কোস্টগার্ডের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন     উপকূলীয় বাহিনীর অভিযানের নামে হয়রানির অভিযোগ, আইনি বৈধতা নিয়ে বিতর্ক
তেহরানে হামলায় একজন চীনা নাগরিক নিহত, বেইজিংয়ের যুদ্ধবিরতি আহ্বান
ফিলিস্তিনে মসজিদুল আকসা বন্ধ, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের অজুহাত
জয়পুরহাটে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নারী আক্রমণ: পুরুষের বিশেষ অঙ্গ কেটে দিলেন ভুক্তভোগী
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক
বিএনপির মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি
ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল
সংবিধানের বাইরে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে ঢাকায় ১০২টি ফ্লাইট বাতিল
নতুন সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ থেকে বিরত থাকার চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে
কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসে ইরানি মিসাইল হামলা, জরুরি সতর্কতা
সৈয়দপুরে ব্যাংকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
ঢাকায় নারী যাত্রীদের জন্য বিশেষ বাস চালু করতে যাচ্ছে সরকার
মেহেন্দিগঞ্জে গরুচুরি চাঞ্চল্য: ৭টি গরু উদ্ধার, একজন আটক
কুয়েতের আকাশে মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলটদের নিরাপদ উদ্ধার
সৌদির বৃহত্তম তেল শোধনাগারে ইরানের ড্রোন হামলা, সাময়িকভাবে বন্ধ কার্যক্রম
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের হামলার নিন্দা: যুক্তরাষ্ট্রসহ ৭ দেশের যৌথ বিবৃতি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি
চার আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপি প্রার্থীদের আবেদন
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন কাঠামো নির্ধারণ, নতুন নীতিমালা গেজেট প্রকাশ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকা হত্যা: দ্বিতীয় স্বামী আটক, তদন্তে নতুন মোড়
ইরানের পাল্টা হামলায় ইউএইতে হতাহত, নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি
গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে কাজ করছে বাংলাফ্যাক্ট, সচেতনতার আহ্বান
শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত সংস্কার ও দ্রুত কারিকুলাম প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
রমজানের পর সিটি করপোরেশন নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার
জেলা ও উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি সংশোধন করে পুনর্গঠন
৫ জেলার ডিসি ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যাহার
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তি: এম সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্য ও অস্ত্র লুটের তথ্য যাচাই