তোমাকে পাওয়ার জন্য যদি আমাকে সরকারি চাকরিজীবি হতে হয়!
  • adminadmin
  • অক্টোবর ২৫, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।আমার কেবল থাকে পাওয়ার ইচ্ছে যে তার ভালোবাসা ও সাপোর্ট দিয়ে আমাকে সরকারি চাকরিজীবি হতে সাহায্য করবে, বি সি এস ক্যাডার হতে সাহায্য করবে। বি সি এস ক্যাডার হতে হয়!তবে তোমাকে পাওয়ার ইচ্ছে আমার নেই। যদি এমনটা না হয়,তবে নিজেকে নিজে সাপোর্ট দিয়ে সরকারি চাকরির বাজারে একা একা যুদ্ধ করে সরকারি চাকরিজীবি বা বি সি এস ক্যাডার হয়ে, সরকারি চাকরিজীবি মেয়ে ছাড়া তোমার মতো গৃহিণীকে বিয়ে করার ইচ্ছে আমার নেই!

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আপনার মেয়েকে অবশ্যই শেখাবেন
  • adminadmin
  • অক্টোবর ২৫, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।। নারী মায়ের জাত। আজকালকার মেয়েরা উশৃঙ্খল চলাফেরা ও ধর্মীয় সাংস্কৃতিক নারীত্বের অবজ্ঞা করায় নারীর প্রতি সহিংসতা-ধর্ষন,নির্যাতন, নিপীড়নের শিকার হচ্ছে নারীরা!এছাড়াও নানাবিধ অনৈতিক কর্মকাণ্ড ঘটতে শোনা যাচ্ছে।নারীকে ভোগ্যপন্য বানাতে চাচ্ছে কতিপয় অসাধু সমাজপতিরা।তাই নারীকে নিজের আত্মরক্ষার্থে কৌশল অবলম্বন করতে হবে। ১- মাটি থেকে কখনও কোনো কিছু উঠাতে গেলে অবশ্যই বুকের উপর এক হাত দিয়ে তারপর উঠাতে যাবে। সতর ঢাকার সতর্কতা স্বরুপ এটা করা উচিত। ২- পুরুষ মানুষের সামনে কখনও পায়ের উপর পা তুলে বসবে না, দুই পা’কে মিলিয়ে বা খুব কাছাকাছি রেখে বসবে। ৩- সিঁড়িতে উপরের দিকে উঠার সময় যদি পেছনে কোনো পুরুষ মানুষ থাকে, তাহলে এক কোনায় গিয়ে কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়াবে, পুরুষ লোকটি চলে গেলে তারপর উঠবে। ৪- লিপ্টে ওঠার সময় যদি অপরিচিত পুরুষ মানুষ থাকে এবং মাত্র একজনই থাকে, তাহলে তার সাথে ওঠবে না, অপেক্ষা করবে, সেই অপরিচিত লোকটি বের হলে তারপর উঠবে। ৫- সবসময় মুচকি হাসার অভ্যাস করবে, উঁচু আওয়াজে অট্টহাসি হাসবে না। ৬- তোমার চাচাতো ভাই, খালাতো ভাই বা ফুফাতো ভাইদের সাথে মুসাফাহা করবে না, যদিও তোমার কাছে তাদের ছোট মনে হয়। ৭- কোনো প্রয়োজনে পুরুষ মানুষের সাথে কথা বলতে হলে, অবশ্যই শারীরিকভাবে যথেষ্ট পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলবে। ৮- নিকটাত্মীয় হলেও কাজকর্মে বা কথা বার্তায় অবশ্যই একটা সীমারেখা বজায় রাখবে। নিজের ভাবগাম্ভীর্য এমনভাবে বজায় রাখবে, যেন তোমার প্রতি তার ভিতরে খারাপ কল্পনা তৈরি না হয়। ৯- রাস্তাঘাটে নিজ বান্ধবীদের সাথে হাসি ঠাট্টা করবে না, রাস্তার শিষ্টাচার বজায় রাখবে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
খুন-খারাবি করে খুনী মোশতাকের মাথা খারাপ হয়ে গেছে!
  • adminadmin
  • অক্টোবর ২১, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।ডিসি জনাব হাসনাত আব্দুল হাই ১৫ আগস্ট প্রসঙ্গে বললেন,আমাকে গত ১৭ আগস্ট ২০১১ সালে সচিব মোকাম্মেল হকের বাসায় এক ইফতার পার্টিতে ওই সময়ের (১৯৭৫ সালে)সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রায় ১৫ জন ডিসির সঙ্গে আমাকে প্রেসিডেন্ট মোশতাকের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হলো।প্রেসিডেন্ট মোশতাক আমাদের বললেন, ‘শেখ মুজিবের ৩২ নম্বরের বাড়িতে ২০ ভরি সোনা পাওয়া গেছে।এগুলো আপনারা অফিসারদের সব জানাবেন। এসব অবৈধ সোনা এবং তাঁর দুর্নীতির প্রমাণ।’’ মিটিং শেষে আমার সহকর্মীরা সকলে বলাবলি করলেন যে,বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে মাত্র ২০ ভরি সোনা পাওয়া গেছে! যখন তাঁর দুই পুত্র শেখ জামাল ও শেখ কামালের বিয়ে হয়েছে মাত্র কয় মাস আগেই।এরপরও এই ২০ ভরি সোনার গহনার কথা অফিসারদের কাছে তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুর দুর্নীতি প্রমাণের চেষ্টা করা হলে তাদের কাছে ডিসিদের আর কোন মান-সম্মান থাকবে কি?একটা বোকা লোকও বুঝবে এইসব উনার দুই ছেলের বিয়ের গহনা। আমার সহকর্মীরা প্রায় কোরাশের কণ্ঠে বললেন, খুন-খারাবি করে খুনী মোশতাকের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধুর চেয়ারে বসার স্বপ্ন সে কি করে দেখে?”

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
গ্রামে-গঞ্জে ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি খুঁজে পাওয়া কঠিন
  • adminadmin
  • অক্টোবর ২১, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।এখন কালের পরিক্রমায় আমাদের ঐতিহ্যের ঢেঁকি প্রায় বিলুপ্তর পথে। গ্রাম বাংলার গৃহস্থ বাড়িতে শোনা যায় না ঢেঁকির ছন্দময় শব্দ।ঢেঁকি একসময় আমাদের কৃষিকাজে নির্ভর গ্রামীণ জনপদে খুব দরকারি সামগ্রী ছিল। বর্তমানে গ্রামে-গঞ্জে ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি খুঁজে পাওয়া কঠিন। কালের বিবর্তনে বর্তমানে আমাদের অতীত ইতিহাস-ঐতিহ্য, সমাজ-সংস্কৃতির অংশ ঢেঁকির ব্যবহার হারিয়ে যাচ্ছে। আর এর ব্যবহার হারিয়ে গিয়ে ঢেঁকি এখন বিলুপ্ত। হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি আমাদের গ্রাম বাংলার প্রাচীন গ্রামীণ ঐতিহ্যের একসময়ের অতি প্রয়োজনীয় সামগ্রী ঢেঁকি।গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশেও এর একটা বিশেষ গুরুত্ব ছিল।গ্রামীণ নারীরা চালের গুঁড়া দিয়ে চিতই পিঠা, রুটি পিঠা, তালের পিঠাসহ হরেক রকমের পিঠা তৈরি করতেন। এসব তৈরি হতো ঢেঁকি ছাঁটা চালের গুঁড়া দিয়ে।কালের বিবর্তনে এসব পিঠা তৈরি ঢেঁকি ছাঁটা চালের গুঁড়া এখন তেমন ব্যবহার হয় না বললেই চলে।একসময় গ্রাম-গঞ্জসহ সর্বত্র ধান ভাঙ্গা, চাল তৈরি, গুঁড়া কোটা, চিড়া তৈরি, মশলাপাতি ভাঙ্গানোসহ বিভিন্ন কাজের জন্য ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হতো চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি।ঢেঁকিতে চিড়া কোটা আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের অংশজুড়েই আছে।ঢেঁকি ছাঁটা চালের কদর ছিল খুব বেশি। তাই ঢেঁকি ছাঁটা চালের চাহিদা আজও কমেনি।এক সময় গ্রামের ছোটবড় গৃহস্থ বাড়িতে ঢেঁকি থাকাটা বনেদি সমৃদ্ধ গৃহস্থ পরিবারের পরিচয় বহন করত। ‘আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারের ফলে এখন ঢেঁকিশিল্প বিলুপ্ত।ব্যবহার না থাকায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি। আমাদের ছেলেমেয়েরা ঢেঁকি চেনে না। নতুন প্রজন্ম এই প্রাচীন ঐতিহ্য সম্পর্কে তেমন জানে না। তৎকালীন সময়ে আমরা জমি থেকে পাকা ধান কেটে এনে ঢেঁকিতে মাড়াই করতাম।এখন এই কাজটা মেশিনে সেরে নেই। মুলত ঢেঁকির ব্যবহার কমে যাওয়ার কারণে এটি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আমি চাইলে ডিভোর্স দিতে পারতাম কিন্তু দুটো নিষ্পাপ মানুষের জন্য আমি নির্বাক-সাদিয়া আক্তার
  • adminadmin
  • অক্টোবর ২০, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।আমার ভাসুরের দেশে ফেরার ডেট একটু পিছিয়ে যায় কিন্তু খবর শোনার পর থেকেই আমার জা বেশ পাল্টে যেতে শুরু করলো।দিনরাত ভিডিও কলে বরের কাছে এটা ওটা আনার বায়না করতে থাকলো। অনয়কে পাত্তা দিচ্ছে না খুব একটা ইদানীং।অনয় বেচারা ছাঁদে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকে। কখনো কখনো দেখি বিছানায় নিস্তেজ হয়ে পড়ে আছে।মুখভার একরাশ হতাশা নিয়ে।এসবের ভিড়ে আমার সবসময়ই মনে হতে থাকে আমার শাশুড়ী কেন তার বড় ছেলেকে এইভাবে ঠকাচ্ছে?সে তো সব জানে!তবে তার নিশ্চুপ থাকা সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয় আমাকে। বিয়ের পর জানতে পারি আমার জায়ের ছোট বোন রিশার সাথে অনয়ের বিয়ের কথা হলেও সেটা আমার ভাসুর কোনো অজানা কারণে হতে দেয়নি।তারপর একদিন হুট করেই বাবার সাথে আমার শ্বশুরের বেশ অনেক বছর পর দেখা হয়।তারপর আমাদের বিয়ে হয়। এরমধ্যে আমার শ্বশুর একদিন আমায় ডেকে বলে পিহুক মা বড় খোকা ফেরার আগেই তুমি আর অনয় গিয়ে কোথাও একটা ঘুরে এসো রিফ্রেশ লাগবে।আজকাল অনয়কে বেশ ক্লান্ত লাগে।সবাই শুধু তার সন্তানের মুখের ছাপ পড়তে পারে অথচ বিয়ের পর থেকে আমার যে সংগ্রাম চলে তা কারো চোখ পড়ে না। সামনেই তো দুদিন সরকারি ছুটি পড়বে।এ প্রস্তাবে আমি কিছুটা সম্মতি পোষণ করি।তবে অনয় প্রথমে না করলেও পরে আমার শাশুড়ী তাকে রাজি করায়।মানুষটাকে একান্ত নিজের করে পেতে চেয়েছিলাম সবসময়ই কিন্তু সেটা জোরপূর্বক নয়।আর অনয় কতটা ভুলের স্বর্গে বাস করছে সেটা সময়ই বলে দিবে।অনয় যতবার আমার কাছে এসেছে ততবারই মনে হতো এটা একদম মেকি অনুভূতি। যেখানে আদৌ আমার প্রয়োজন ছিলো কি না আমার মনে হয়।বুঝতে পারার পর থেকে নিজে থেকে কখনো আমি তার কাছে যায়নি। প্রতিনিয়ত মনে হতে থাকে আমি মুখোশ পড়া একজনের সাথে সংসার করছি।আমি চাইলে ডিভোর্স দিতে পারতাম কিন্তু দুটো নিষ্পাপ…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
জীবনে সফলতার জন্য ছোটবেলা থেকেই আপনার শিশুকে ১৪ শিক্ষা দিন
  • adminadmin
  • অক্টোবর ১৮, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।শিশুকে এমন শিক্ষা দেওয়া উচিত যা তাকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে এবং তার জীবনে সফলতা আনবে। আর এজন্য কয়েকটি বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া যেতে পারে। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কিছু শিক্ষা- ১. টিভি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমানে শিশুরাও প্রচুর সময় ব্যয় করে। তবে এ সময় যেন দৈনিক এক ঘণ্টার বেশি না হয় সেজন্য শিক্ষা দিন। ভিডিও গেমস ও মোবাইল ফোনেও যেন সব মিলিয়ে দিনে এক ঘণ্টার বেশি সময় ব্যয় না করে। ২. প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি সাহিত্য বহির্ভূত বই পড়তে দিন এবং এক পাতা সারাংশ লেখা অভ্যাস করান।৩. সুস্থ মস্তিষ্কের জন্য শারীরিক অনুশীলনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ কারণে প্রতিদিন অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট দৌড়াদৌড়ি বা এ ধরনের খেলাধুলা করতে দিন। ৪. শিশুর আদর্শ ভবিষ্যৎ জীবন কেমন হবে সে সম্পর্কে লিখতে দিন।৫. শিশুকে প্রতি সপ্তাহের, মাসের, বাৎসরিক ও দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নির্ধারণ করা ও নিয়মিত তার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা শেখান। এটি তাকে নির্দিষ্ট লক্ষ্য তাড়া করতে শেখাবে। ৬. তাকে জনহিতকর কাজ করতে শেখান।৭. শিশুকে সঞ্চয় করতে শেখান।৮. যে কোনো দরকারে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থাকার বিষয়টি শিশুকে শেখানো খুবই প্রয়োজনীয়। ভবিষ্যতে সে যেন কোনো বিপদে পড়লে তাদের সহায়তা নেয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করুন। এছাড়া অন্য কারো বিপদে যেন সে পাশে দাঁড়ায় তাও শেখাতে হবে। ৯. যে কোনো বিষয়ে কারো কাছে উপকৃত হলে ধন্যবাদ দেওয়া শেখান। এছাড়া অন্যান্য ভদ্রতাও শেখাতে হবে।১০. শিশুর ভুল হতেই পারে। আর সে ভুলগুলোতে সে যেন হতাশ না হয় সেজন্য তাকে প্রয়োজনীয় শিক্ষা দিতে হবে। ভুল মেনে নেওয়ার পাশাপাশি এক ভুল যেন বারবার না হয় সেজন্যও তাকে সতর্ক হওয়ার শিক্ষা দিন।১১. রাগ নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। এ বিষয়টি ছোটবেলা তেকেই…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ডাকাতের কাছে পাওয়া গিয়েছে সাংবাদিকতার আইডি কার্ড!!!
  • adminadmin
  • অক্টোবর ১৭, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।জনমতামত নামের একটা সাংবাদিক প্রতিষ্ঠানের স্টাফ রিপোর্টার মোঃ সাহা জামাল তিনি ডাকাতি করার সময় ডাকাতদের সাথে আটক হয়েছে।কুষ্টিয়ায় জেলায় ডাকাতের কাছে পাওয়া গিয়েছে সাংবাদিকতার আইডি কার্ড। প্রকৃত সাংবাদিক হলো জাতির বিবেক। দেশে যেখানে সরকারি বেসরকারি পিওন-ঝাড়ুদার পর্যায়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে যাচাই বাছাইয়ের ব্যবস্থা আছে, আর সেখানে গণমাধ্যমগুলো সাংবাদিক নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো যাচাই-বাছাই করে না। প্রকৃত সাংবাদিকদের আর কতো নিচে নামতে হবে। টাকা দিলেই আর কতো দিন চোর ডাকাত মুর্খদের সাংবাদিকের কার্ড করে দিবেন। বর্তমানে কিছু মানুষ সম্পাদকের লেবাচ গায়ে লাগিয়ে সাংবাদিকতার এই মহান পেশাকে প্রতিনিয়ত পিশে মারছে। এবার থামুন সম্পাদক ও মালিক নামের ব্রিটিশ সাহেবরা। সাংবাদিকতার পাশেকে আর নিচে নামিয়েন না। সাংবাদিক সমাজের মানুষের কাছে বিশেষ অনুরোধ আপনারা সামান্য কয়টা টাকা লোভে চোর ডাকাত, মাদক ব্যবসাহিসহ যাকে তাকে আর সাংবাদিকতার পরিচয় পত্র বা আইডি কার্ড করে দিয়েন না।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
বিয়ের পর অবাক হয়ে দেখলাম পাত্রীটা তুমি!!!
  • adminadmin
  • অক্টোবর ১৬, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।মানুষের হাত এত লম্বা হয় না।ভয়ে দম বন্ধ হবার অবস্থা। থর থর করে কাপছি। আর নির্বাক ভাবে তাকিয়ে রইলাম। সেই হাতে একটা বালা পড়া ছিলো। কেন জানি বালা টা বেশ পরিচিত লাগছিলো।তারপর ই মনে পড়লো বালা টা সেই অশরীরীর হাতে ছিলো, যে আমার গলা চেপে ধরেছিলো। হাতটা ড্রয়ার খোলে তাতে কিছু একটা রেখে আবার ড্রয়ার বন্ধ করে ফিরে গেল জানালা দিয়ে। জানালার কপাট আবার বন্ধ হয়ে গেলো। আমি যেন নড়তেও পারছি না। কিছুক্ষণ পর নড়াচড়ার ক্ষমতা ফিরে পেলাম। ভয়ে ভয়ে ড্রয়ারের পাশে গিয়ে ড্রয়ার খোলে দেখি তিন হাজার টাকা। এবার বুঝতে বাকী রইলো না। অশরীরী সেই মহিলাটা আমাকে সাহায্য করছে। কিন্তু কেন আমাকে সাহায্য করছে সেটা বুঝলাম না। এ মাসে বাধ্য হয়ে টাকাটা খরচ করলাম। এক পর্যায়ে ভাবলাম যা হবার হবে। আমি টাকাটা খরচ করবো। আর ভাল করে পড়াশোনা করবো। যেই ভাবা সেই কাজ। আমি পড়াশোনা শুরু করলাম এখন আমার বাড়ীর খরচ আর নিজের খরচ নিয়ে ভাবতে হয় না। প্রতি মাসের দশ তারিখে টাকাটা ড্রয়ারে রেখে যায় সেই অশরীরী। আমি ভাল ভার্সিটিতে এডমিশান নিলাম। হলে ওঠার চান্স থাকা সত্বেও গেলাম না।যদি টাকাটা আর না পাই তাই। আমার আগের মেসে থেকেই পড়াশোনা করতে লাগলাম। একপর্যায়ে ভাল রিজাল্ট করার পর ভাল চাকরিও পেলাম। চাকরি পাবার পর অদ্ভুত ভাবে ড্রয়ারে টাকা রাখা বন্ধ হয়ে গেলো। ততদিনে আমার আর ঐ টাকার দরকার ও ছিলো না। এক বছর চাকরি করার পর মা হঠাৎ আমার জন্য পাত্রী ঠিক করলেন। আর বিয়ের পর অবাক হয়ে দেখলাম পাত্রীটা তুমি। এবার রেনু মুখ খোললো। রেনুঃ- সব বুঝলাম, তো আমি পাত্রী হওয়াতে আপনি অবাক হলেন কেন? আমি তখন উত্তর দিলাম…. আমাকে যে শরীরী মহিলাটা আক্রমণ…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
মেঘের সাথে জোর জবরদস্তি করে মহিলার বয়স চল্লিশ বছরের কাছাকাছি বিয়ে দেওয়া হয়
  • adminadmin
  • অক্টোবর ১৬, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।নিজের মায়ের বয়সও মনে হয় চল্লিশ বছর হবে বলে মনে হয়না তার।তারই বা বয়স কত!বিশ বছরে পরলো।কাঁন্না ভেঙে আসতে লাগলো তার। হিন্দুদের নিয়ে কুসংস্কার কথা বলাতে যে এমনটা ঘটবে জানা ছিলনা মেঘের।চারপাশে মানুষের নানান ভঙ্গিতে হাসি দেখা যাচ্ছে। সবাই বিয়েতে মেতে উঠেছে। এদিকে মেঘের যেনো কাঁন্না বেরিয়ে আসছিল। কাঁন্না করে লাভ নেই। শুধু শুধু অচেনা মানুষের কাছে নিজেকে আরো লজ্জায় ফেলতে চাই না সে।যেভাবেই হক তাকে এই ঝামেলা থেকে বের হতে হবে। নিজেকে যতক্ষণ না আড়াল করতে পারবে ততক্ষণ তার সব কিছু বিষের মতো লাগবে। চেনো! করলা কেমন তেতো হয়!যারা তেতো পছন্দ করেনা একদম ঠিক তেমনই অবস্থা। তেতো মেঘেরও পছন্দ নয়। তার পছন্দ মিষ্টি জাতীয় জিনিস। মূহুর্তটা তেতোর চেয়েও বিশ্রি হয়ে দাঁড়াল মেঘের কাছে। -“সিএনজি এনেছি। তোমাদের রেললাইন পর্যন্ত পৌছে দিবে। এরপর তুমি তোমার নতুন বউকে নিয়ে যেখানে খুশী যেতে পারো। তবে একটা কথা, এরপর কখনো এদিকে আসবে না। নাহলে জীবন্ত লাশ বানিয়ে দাপন করে ফেলব।” মুরব্বিদের কথার ধরণ মেঘের জানা ছিল। তবে এতোটা ভয়ংকর প্রথম দেখতে পায় মেঘ। চোখটা নিচু করে হালকা আওয়াজ করে বলল, -“আর কখনো এদিকে আসবো না।” ব‍্যাস! এরপর আর কোনো কথা নেই সিএনজিতে উঠে পরলো মেঘ। পাশে অনুভব করলো তার স্ত্রী, যার বয়স কিনা তার মায়ের কাছাকাছি। না, এখন সবটা পথ তার চুপ থাকা প্রয়োজন। এরপর গ্রামটা থেকে অন্তত ছাড়া পাওয়া যাবে। এমনিতে হিন্দুপাড়া সর্বক্ষেত্রে ভয়ংকর থাকে। . সিএনজি চালক রেলস্টেশনে পৌছে দিয়ে যায়। পথে নড়াচড়া করার শক্তি হয়নি মেঘের। কিন্তু সিএনজি এর ছোট ছোট খাদে পরার ধাক্কা অনেকবার অনিতার (স্ত্রী) সাথে লেপ্টে যাচ্ছিল শরীর। অনিতা কেমন অনুভব করলো তার মাথায় ছিল না। তবে সে কেমন ফিল করলো? নতুন বিবাহিত…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
মেয়েরা শুধু বিশ্বস্ত একটা হাত চায়-লিপি সরকার
  • adminadmin
  • অক্টোবর ১৪, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।একটা মেয়ের খুব বেশি চাওয়া থাকে না। মেয়েরা শুধু বিশ্বস্ত একটা হাত চায়। যে হাত ধরে সে নির্ভাবনায় হাঁটতে পারবে। যে হাতে হাত রেখে সে যৌবন থেকে বৃদ্ধ হবে! মেয়েরা একটা বিশ্বস্ত কাঁধ চায়। যে কাঁধে সে নিশ্চিন্তে মাথা রাখতে পারবে। যে কাঁধ সব সময় তার ভরসার জায়গা হয়ে থাকবে! মেয়েরা একটা প্রশস্ত বুক চায়। যে বুকে কেবল তার জন্য ঠাঁই হবে। যে বুকে মাথা রেখে সে শান্তির ঘুম ঘুমাতে পারবে! মেয়েরা একজন পুরুষের কাছে শুধুই ভালোবাসা চায়। তার জীবনে শুধুমাত্র একজন নারী হয়ে থাকতে চায়। সে চায় তাকে কেন্দ্র করেই তার পুরুষের জীবন আবর্তিত হোক। মেয়েরা আসলে বেশি কিছু চায় না। তাকে ভালোবেসে সারাজীবন পাশে থাকবে শুধু এরকম একজন মানুষ চায়। তাকে আগলিয়ে রাখবে সে রকম বিশ্বস্ত একজন সঙ্গী চায়!

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
“আমি এখন বিয়ে করবো না-সাদিয়া আফসানা
  • adminadmin
  • অক্টোবর ১৩, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।হাতে পায়ে কালি মেখে পাত্রপক্ষের সামনে বসে আছি।উদ্দেশ্য বিয়েটা হওয়ার আগেই আছাড় মেরে ভেঙে দেয়া।কাল রাতে যখন বিলকিস খালা ফোন করে জানালেন, আমাকে পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে।সেইসময়ই জোড়েসোড়ে বলে উঠি,”আমি এখন বিয়ে করবো না।” আমার আম্মাও স্থান,কাল,পাত্র ভেদে হুংকার ছেড়ে বলেছিলেন, “খুব বেয়াদব হয়েছো তুমি আফিয়া।বড়দের মুখে মুখে তর্ক করো।” আমি আমার ছাত্রদের সামনে লজ্জায় মাথা নিচু করে বসেছিলাম।রোজ আর পার্থ আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছিলো।এটা কী করলো আম্মা? এখন কী আমি ওদের আর ধমক দিতে পারবো।এমনিই আমি ওদের শাসন করতে পারি না। এখনতো সামনা-সামনি আম্মাই আমাকে আইয়ুব খানের মতো সামরিক শাসন করে গেলো।এখন আমি কী আর আমার ছাত্রদের সামনে হিটলার হয়ে শাসন করতে পারবো।সে যাই হোক ছাত্রদের ছুটি দিয়ে রুমে এসে দরজা দিলাম।ফোন লাগালাম কলিজার বান্ধবী রোকেয়াকে।যার এ যাবতকাল পর্যন্ত ছাপ্পান্নটা বিয়ে ফেরানোর অভিজ্ঞতা আছে।সেই আমাকে এই নিঞ্জা পদ্ধতিটা শিখিয়ে দিলো।রোকেয়া আমাকে অভিজ্ঞদের মতো বলেছিলো,”তুই যে ফকফকা সুন্দরী তা আজকে আর অস্বীকার করবো না।তোকে দেখলেই যেকোনো ছেলে কেন ছেলের আব্বারও পচ্ছন্দ করবে।তাই কাল যে রাজপুত্রই আসুক না কেনো তোকে পচ্ছন্দ না করে যাবে না।” আমি ভূমিকম্প ধরানো গলায় বলেছিলাম, “তাহলে এখন আমার কী হবে রুকু?আমিতো এখন বিয়ে সাদী করে রান্নাঘরে বন্দী হতে চাই না।তুইতো জানিস আমি রান্না করতে গেলে খাবার আর খাবার থাকে না।ওটা অন্য কিছু হয়ে যায়।” “বইন তোর ওই কুখাদ্যদের কথা মনে করে আমার বমির থেরাপিটা শুরু করে দিস না।এখন শুন, আমি যা বলি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবি।” “হু বল।” আমার সম্মতি পেতেই রোকেয়া তার বিজ্ঞ পরামর্শ দেয়।”তুই সুন্দর সেটা সকলেই জানে।তাই সেটা লুকানোর উপায় নাই।কাল পাত্রপক্ষ দেখতে আসলে নিশ্চয়ই পাত্র একা আসবে না।সাথে মা-বোন কিংবা ভাবি আসবে।তাই এক কাজ করবি…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
২৫টি সাংবাদিক সংগঠনের সমন্বয়ে ঐক্যজোট “এ্যাবজার”-এর আত্ম:প্রকাশ
  • adminadmin
  • অক্টোবর ১১, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।আজ চলমান নীতিনির্ধারকদের বুলডোজারের নীচে পরে সাংবাদিক যেনো কলুর বদল, গণমাধ্যমে তিরস্কৃত। সরেজমিনে দেখা যায়, বর্তমানে এক শ্রেনীর সাংবাদিকদের কিনে নিয়েছে বড়ো বড়ো মিডিয়া মোটা অংকের বেতন-ভাত সহ বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে আর বাকিরা যারা সংখ্যায় অধিকাংশ এবং আসলে মাঠপর্যায়ে কাজ করেন, মূলতথ্য সংগ্রহ করে নিউজ দাঁড় করেন দেশ ও জাতির স্বার্থে তাঁদের সাথেই চলছে প্রতারণা, সরকারি আমলাদের নৈতিকতার মানহীনতার কারণে! গতকাল সোমবার(১০ অক্টোবর, ২০২২) দেশের বেশকিছু সাংবাদিক সংগঠনের জাতীয় ঐক্যমতে, সাংগঠনিক শক্তি ও দক্ষতা বৃদ্ধিসহ সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার প্রাপ্তি এবং এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে সকল সাংবাদিকদের কল্যাণ-অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশন নামে একটি জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। যখন বাংলাদেশের সাংবাদিকতা বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে প্রতিপন্ন যা কোনো ভাবেই পৃথিবীর কোনো জাতির জন্য কাম্য নয়। সাংবাদিক তথা জাতির বিবেক, একটি জাতীয় সম্পদ যা অধুনায় একশ্রেণীর নীতিহীন ব্যবসায়ী পেশাজীবী মানসিকতা সম্পন্ন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর হাতে দীর্ঘদিন ধরে বানিজ্যিক অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান হিসেবে জিম্মি। তারা সাংবাদিকদের কলমকে ব্যবসার আইটেম বানিয়ে নিজেদের কাজে ব্যবহার করে চলেছে। বানিজ্যিক প্রয়োজনে তারা রাজনীতির গোলামী থেকে নীতিহীন হতে বাধ্য করে, বাস্তবতা ও দেশপ্রেমকে বাদ দিয়ে অর্থনৈতিক চিন্তা ধারায় সাংবাদিকতার দোকানদারী করা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ও সরকারের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করে ফায়দা লুটে চলেছে। এমতাবস্থায় গতকাল ১০ অক্টোবর সোমবার বিকাল ৪ টায় এক সাংবাদিক সমন্বয় বৈঠক রাজধানীর সোহরাওয়াদী উদ্যাণের শিখা অনির্বাণ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হাজার হাজার তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকদের প্রিয় নেতা আহমেদ আবু জাফর। বানিজ্যিক কারণে নৈতিকতার অবক্ষয়ে নিমজ্জিত বলে সাংবাদিক আজ সমাজের চোখে অচ্ছুৎ সম্প্রদায় হবার পথে। ইদানিং কালে সারাদেশে প্রতিদিন অগণিত সাংবাদিক নিরাপত্তাহীন জীবন যাপন করছেন। এছাড়াও লাঞ্ছিত, হামলা মামলা, লোভ লালসার…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
কেউ কারো রিজিক কেড়ে নিতে পারে না!
  • adminadmin
  • অক্টোবর ১০, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।কেউ কারো রিজিক কেড়ে নিতে পারে না। একজন সচেতন অভিভাবক চান তার সন্তান যোগ্য ব্যক্তির কাছ থেকে যেন শিক্ষা গ্রহণের জন্য সুযোগ পায়। অভিভাবক সেজন্য তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন, এটাই তো স্বাভাবিক৷ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যিনি এই পোস্টার লাগিয়েছেন তিনি যদি যোগ্য হন, তার হালাল রিজিকের ফয়সাল করে দিন, আমিন। শিক্ষা মানুষকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে, ছবিতে যিনি রসিকতার নামে “পড়াতে চাই”, লেখাটিকে “থাপড়াতে চাই” করে নিজের নিম্ন মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন প্রশ্ন মনে জাগে, তিনি কি আদৌ একজন বিবেকবান মানুষ! আজকাল সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত মানুষের অভাব নেই, কিন্তু মানুষের মতো মানুষের কেন খুঁজে বের করতে হয়? রসিকতার নামে, দেদারসে কেন চলে অন্যকে ছোট করার অসুস্থ প্রতিযোগিতা? আমরা কেন ভুলে যাই, অন্যের জন্য গর্ত করলে সেই গর্তে নিজেকেই পড়তে হয়! আমি যদি কারো ক্ষতির কারণ হই, আমাকে ক্ষতির সম্মুখীন করার মানুষটাও যে তৈরি হচ্ছে সেটা আমরা বেমালুম ভুলে যাই! আমরা ভুলে যাই আমাদেরও মৃত্যুকে বরণ করে নিতে হবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা’র সামনে দাঁড়িয়ে নিজের কৃতকর্মের হিসাব দিতে হবে। সূরা আল-যিলযালের ৭ এবং ৮ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, – ‘কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে।’ নিজেকে বিবেকের আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে উওর খুঁজি, নিজের কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই। কারো হক নষ্টের কারণ যদি আমি হই, তবে যেন সেই মানুষটার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেই। নয়তো হাশরের মাঠের সেই হিসাব-নিকাশের কঠিন সময়ে সেই মানুষটা যদি সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক আল্লাহর শাহী দরবারে ফরিয়াদ জানায়, আমার তখন উপায় কি হবে?

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আপনাদের মা-বোন নাই…’, গণমাধ্যম পত্রিকা, মিডিয়া, ফেইসবুক, টুইটার, ইউটিউবে তোলপাড়!
  • adminadmin
  • অক্টোবর ৮, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।সাধারণ মানুষ ৩৫ হাজার মেয়ের ইজ্জত হরণের জন্য ইডেন কলেজের অধ্যক্ষ_সুপ্রিয়া_ভট্টাচার্য-এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে তা দেখতে চায়, কারণ প্রতিটি অভিভাবক তাঁর হাওলায়‌ই লেখাপড়া করতে পাঠিয়েছেন তাদের মেয়েদের। প্রতিটি মেয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার শর্তেই কিন্তু তিনি অধ্যক্ষ,এড়িয়ে যাবার কোনো অবকাশ নাই।তিনিই পোলার বাপ তিনিই মাইয়ার বাপ?! রিভা-রাজিয়াকেও আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হোলো। আশা করি আপনাদের এটাও জানা আছে,যে মামলার জামিন নিয়ে আসার পথে রিভা-রাজিয়া সাংবাদিকদের জিজ্ঞেস করলো, ‘আপনাদের মা-বোন নাই…’, গণমাধ্যম পত্রিকা, মিডিয়া, ফেইসবুক, টুইটার, ইউটিউবে তোলপাড়! ৩৫ হাজার মেয়েদের অভিভাবক কিংকর্তব্যবিমূঢ়!! মেয়েদের করুন আহাজারি!!! প্রশ্ন একটাই, ‘যাই হয়েছে নাই হয়েছে কিন্তু এই ৩৫ হাজার মেয়েদের ভবিষ্যৎ কি?! এমতাবস্থায় ইডেন কলেজের অধ্যক্ষ সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য যদি বলেন যে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় নাই তাহলে কি দাঁড়ালো?!!! এক্ষেত্রে প্রথম কথা হোলো,তাঁকে কেনো তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হবে? কে দিয়েছে? কারণ তিনি নিজেও তো এই তদন্তের অন্তর্ভুক্ত!কেননা তাঁর আমলেই, তাঁর পরিচালিত ইডেন কলেজেই এহেন ঘটনা ঘটেছে!এমতাবস্থায় সেই সুপ্রিয়া দেবীই কি করে তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত করেন?! গোয়ালা কি বলবে যে তার দৈ টক্!তদন্ত তো তাঁর বিরুদ্ধেও হবার আছে, কেননা তিনি অধ্যক্ষ,সকল বিষয়ে খোঁজ খবর রাখা তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং বাধ্যতামূলক। “তদন্ত” -এ বিষয়টি এমন একটি কার্যক্রম যা কোনো বাপ-ভাই মানে না, রাজা বাদশাহ কেউ কিছু না। আমরা জানি যে তদন্তের স্বার্থে কিছুদিন আগে আমেরিকার এক্স-প্রেসিডেন্টের ফ্লোরিডার বাড়িতে এফবিআই চরম তল্লাশি চালিয়েছে। বলি, ‘আপনিই পোলার বাপ আপনিই মাইয়ার বাপ, আপনিই কবুল বললে বিয়া আর তালাক বললে তালাক’ -সুপ্রিয়া দেবীর গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্তের বিষয়টা এমন হয়ে গেলো না!? একটি দেশের ৩৫ হাজার মেয়ের ভবিষ্যত এক ঝটকায় ধ্বংস হবার পরেও তদন্তের নামে আবারও প্রহসন!? এতো বড়ো হিম্মত কার…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সবকিছুর আড়ালে সোনিয়ার দায় লুকিয়ে নেই তো?
  • adminadmin
  • অক্টোবর ৮, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আছে সোনিয়া। অপরপ্রান্তে নিলুফার স্বামী আশিক। যিনি আর কিছুক্ষণেই প্রাক্তন স্বামী হয়ে যাবে। উকিল একটু সময় দিয়েছে ওদের। অনেক দিন পর সোনিয়া আশিককে দেখছে। ছয়মাস ধরে সেপারেশন চলছিল। উকিল বলেছে, এতদিন পর দেখা দু’জন দু’জনার চোখের দিকে তাকাও, মায়া হলেও হতে পারে। সোনিয়া চোখ তুলে তাকায় আশিকের দিকে! সবকিছু যেন স্পষ্ট হচ্ছে চোখের সামনে। সেদিন ছিল গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির দিন। বিকেলে জানতে পারে রাতে তার বিয়ে হবে। কেমন একটা অনুভূতি হচ্ছিল। মামাতো বোন বারবার করে বলছিল,তুই এ যুগের মেয়ে হয়ে ছেলেকে না দেখেই বিয়েতে রাজি হলি কেমনে সোনিয়া,পরে যদি পছন্দ না হয়? সোনিয়া বলেছিল, “আব্বা দেখেছে, ছেলে লম্বা, মোটামুটি সুন্দর। আমি আর দেখতে চাই না।” বিয়ে নিয়ে সোনিয়া কখনোই অমত ছিল না।ছোট থেকেই সে বিয়ে করতে চাইতো।একটা পুরুষ মানুষ তার আশেপাশে ঘুরঘুর করবে ভাবতেই অন্যরকম অনুভূতি জাগতো মনের ভেতর। বিয়ে পড়িয়ে যখন শ্বশুর বাড়ি নিয়ে আসা হচ্ছিল তখনও সোনিয়া বরের মুখ দেখেনি। একেবারে বাসর ঘরে প্রথম দেখা। প্রথম দেখাতেই সোনিয়া মনে প্রাণে ভালো লাগার শিহরণ বয়ে গিয়েছিল। একবার জ্বর হলো সোনিয়া। সামান্য জ্বরেই আশিক পাগল প্রায়। হাতে পায়ে তেল দিয়ে দেয়, চুল আঁচড়ে দেয়, খাবার খাওয়ায়ে দেয়। এতো যত্ন সোনিয়া নিজের বাবার বাড়িতেও পায়নি কখনো। আশিকের অবস্থা খুব যে ভালো ছিল তা নয়। তীল তীল করে সোনিয়া সংসার গুছিয়েছে।দুটো বাচ্চার দেখভাল করা সবকিছু মিলিয়ে সুন্দর ভাবেই সময় চলে যাচ্ছিল। দীর্ঘ বারোটা বছর চলে গেছে অথচ একবারের জন্যও মনে হয়নি এ সংসার ছেড়ে সোনিয়া কোনদিন চলে যেতে হবে। সামান্য কারণে আশিক সোনিয়া গায়ে প্রথম হাত তুলে পাশের বাড়ির এক লোকের সাথে গল্প করার অপরাধে।সোনিয়া প্রতিজ্ঞা করেছিল জীবনে আর কখনও ওই লোকের সাথে গল্প করবে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
অন্য কাউকে বিয়ে করার চাইতে বেস্ট ফ্রেন্ডকেই বিয়ে করা ভালো
  • adminadmin
  • অক্টোবর ৭, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।বিয়ের জন্য আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড একদম পারফেক্ট। কারণ, সে আপনার সবকিছু জানে। আপনাকে বুঝার মতো এরচেয়ে ভালো কেউ নেই। যার কাছে আপনি নিজের ভালো মন্দ সবকিছু ভেঙে ছুঁড়ে উপস্থাপন করেছেন। আপনার বন্ধু বা বান্ধবী আপনার সম্পর্কে সবকিছু জানে। আপনার মন খারাপে কি করতে হবে? আপনাকে হাসাতে হলে কি করতে হবে? আপনার কি খেতে পছন্দ? সবকিছু। যদি একটা মানুষ আপনার ভালো মন্দ সব দিকগুলোতে অবগত থাকে। তবে, সেই মানুষটার সাথে সাংসারিক জীবন আপনার সুখের হবে। কারণ, সে জানবে আপনার কখন কি লাগবে? যখন মনের মধ্যে চিন্তা বা চাহিদা আনার আগেই পেয়ে যাবেন । তখন ভালোবাসা ছাড়া আর কিছু থাকবে না আপনাদের মাঝে। বছরের পর বছর বেস্ট ফ্রেন্ডের সাথে নিজের সবকিছু শেয়ার করে। তারপর অন্য কাউকে বিয়ে করার চাইতে বেস্ট ফ্রেন্ডকেই বিয়ে করা ভালো। অন্তত আপনার তার পিছে খরচ করা সময়টা বিফলে গেলো না! হুট করে অন্য কোথাও বিয়ে করে এডজাস্ট হতেও পারেন নাও হতে পারেন। কিন্তু আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড। তার সাথে তো আপনার সবকিছু এডজাস্ট করা সেই শুরু থেকেই। তাই বিয়ে করলে বেস্ট ফ্রেন্ডকেই করুন। ঠকে যাওয়ার কোনো চান্স নেই।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ইডেন কলেজে আওয়ামী লীগের ভাবমর্যাদার দফারফার জন্য নজিরবিহীন কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে-গোলাম মাওলা রনি
  • adminadmin
  • অক্টোবর ৩, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দেশের রাজনীতির মাঠের সব থেকে বড় একটি দলের নাম। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা বাংলাদেশকে শাসন করেছেন সব থেকে বেশি। আর এই কারণেই তাদের নাম রয়েছে আলোচনা সমালোচনা। এবার আওয়ামীলীগের ভবিষ্যত নিয়ে একটি বিশেষ লেখনী লিখেছেন বাংলাদেশের সাবেক সংসদ সদস্য জনাব গোলাম মাওলা রনি। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার সেই লেখনী তুলে ধরা হলো হুবহু:- ২০০৯ সালের ঘটনা। ভারতের দার্জিলিং থেকে উত্তরবঙ্গের স্থলবন্দর হয়ে ফিরছিলাম ঢাকায়। জনৈক সরকারি কর্তার নিমন্ত্রণে নাটোরে এক রাতের জন্য যাত্রাবিরতি করলাম। খবর পেয়ে পূর্বপরিচিত আরেক কর্তা, যিনি উপজেলা নির্বাহী প্রধান হিসেবে সেখানে কর্মরত ছিলেন, হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এলেন। আমি তার মহাব্যস্ততার কারণ জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি অত্যন্ত পুলকিতচিত্তে মুখে রাজ্যের বিরক্তি আর অসন্তোষ প্রকাশ করে বললেন, ‘স্যার আর পারছি না, স্থানীয় এমপি মহোদয় পুলাপান মানুষ। রাজনীতি বোঝেন না। তাকে সারাক্ষণ বুদ্ধি-পরামর্শ দেয়া ছাড়াও স্থানীয় রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ এবং নেতাকর্মীদের সব আবদার মোকাবেলা করে তাদের এমপি সাহেবের পক্ষে রাখার জন্য দিন-রাত নির্ঘুম কাটাতে হয়।’ আমি ইউএনওর কথার উত্তরে মুচকি হেসে বললাম, আপনি তো নিজে জীবনে রাজনীতি করেননি। তো এখন কিভাবে রাজনীতির তাত্ত্বিক গুরু হলেন এবং একজন সংসদ সদস্যের অলিখিত অভিভাবকে পরিণত হলেন। আমার কথার খোঁচা সম্ভবত ভদ্রলোক বুঝতে পারলেন। তাই কথা না বাড়িয়ে কাষ্ঠহাসি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করলেন। আজকের নিবন্ধে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ লিখতে গিয়ে কেন আমার ২০০৯ সালের উল্লিখিত ঘটনা মনে পড়ল তা বলার আগে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ঘটনাপঞ্জি বর্ণনা করা আবশ্যক। ২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার যখন আমি আজকের নিবন্ধটি লিখছি তখন বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশে যে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে তার কিছু নমুনা নিচে পেশ করছি। জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান, ব্রিটেনের প্রয়াত…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
বিয়ে বিচ্ছেদে পর্নোগ্রাফির ভয়াবহতা!
  • adminadmin
  • অক্টোবর ২, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।”অনেক মেয়ের বিবাহের কিছুদিন পর বিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে। কারণ, মেয়েটা কিন্তু কাল্পনিক সন্তুষ্টি চায়। মেয়েটি ইউটিউব দেখে বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখে, পর্ন সিনেমা দেখে দেখে বিভ্রান্ত হয়ে যায়। পর্ন সিনেমায় একটা জিনিস দেখা যাচ্ছে এক ঘণ্টা ধরে একটা কাজ হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে তা একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু মেয়েটা ভাবছে, সে যা চাচ্ছে, ছেলেটা তা পারে না। এক সময় তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। এসব ঘটনা বড়লোকদের পরিবারে বেশি হচ্ছে। এতে ছেলেটি সবচেয়ে বিপদে পড়ে। কারণ তাকে ৫ লাখ, ১০ লাখ, ২০ লাখ কিংবা ৫০ লাখ টাকা কাবিন বাবদ পরিশোধ করতে হয়। এত সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছে ছেলেপক্ষের পরিবার। কিছু যুবক বিচ্ছেদের পর বিপদে পড়ে যায়।একটা ছেলে হয়তো বিদেশে শ্রমিকের চাকরি করে অনেক টাকা রোজগার করে দেশে ফিরে একটা ভালো মেয়েকে বিয়ে করে। তার বিয়ের পরপরই তার শারীরিক সমস্যা হয়। অর্থাৎ, স্ত্রীর যে প্রত্যাশা ওই ছেলেটা সেভাবে পারে না। এক দুইদিন পরই সে মাকে, খালাকে, মামীকে বা পরিবারের কাছে বলে বেড়ায় যে ছেলেটার মধ্যে পুরুষত্ব নেই। কোর্টে বিচারের জন্য অনেককে আমাকে সার্টিফাই করতে হয় আসলে ছেলেটা পুরুষত্বহীন কিনা? কিন্তু দেখা যায়, কথাটা শতকরা ৯৯ ভাগ ক্ষেত্রে সঠিক নয়। ছেলেটা ঠিক আছে।”

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
প্রতিহিংসার রাজনীতি দূর হয়ে শ্রদ্ধার রাজনীতি ফিরে আসুক
  • adminadmin
  • অক্টোবর ১, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনজন রাষ্ট্র প্রধানের ইতিহাসে চিরকাল রয়ে যাবে। এই তিনজন রাষ্ট্র প্রধান ব্যতিত যারাই আছে,কালের বিবর্তনে একদিন তাদের নাম মুছে যাবেই। অনেকেই হয়তো বলবেন পরবর্তী রাষ্ট্র প্রধানদেরওতো অনেক সুন্দর কাজ আসছে।তার মাধ্যমে অমর হয়ে থাকবে।রাস্তা ঘাট ব্রিজ কালভার্ট পরিবর্তন শীল সময় অতিক্রম হলে ভেঙে নতুন করে গড়া হয় অথবা সরকার পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে নামও পরিবর্তন হয়ে যায়। কিন্তু কিছু বিষয় আছে যেগুলো পরিবর্তন করা যায় না। ১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ নামক দেশ যতোদিন থাকবে,স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ততোদিন থাকবে।কেউ চাইলেই বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছতে পারবে না। ২. বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইরি ধানের উৎপাদন,গার্মেন্টস শিল্পের পদচারণা, সৌদি আরবে জিয়া গাছ বা নিম গাছ লাগানো এসকল কর্মের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান আজীবন অমর হয়ে থাকবে। ৩. হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদকে যতই সৈরাচার সরকার বলা হোক না কেনো তারও কিছু ইতিহাস ঐতিহ্য আছে,যেগুলো কখনো মুছবে না।উপজেলা গঠন,সংবিধানে বিসমিল্লাহ অন্তর্ভুক্ত করা, শুক্রবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা সহ আরও কিছু ইতিহাস আছে। যাইহোক আমি এই কথা গুলো কেনো প্রচার করছি? এর কারন রাজনীতিতে ভিন্ন মতের মানুষের প্রতি দিনদিন শ্রদ্ধাবোধ হারিয়ে যাচ্ছে। প্রতিহিংসার রাজনীতি দূর হয়ে শ্রদ্ধার রাজনীতি ফিরে আসুক এই কামনা করি।বিরোধী মতের ভিতরেও দেশ উন্নয়ন এর রুপকার থাকতে পারে তাই বিরোধী মত দমন নয়।দেশ উন্নয়ন এর স্বার্থে বিরোধী রাজনৈতিক দলের মেধাও কাজে লাগানো যায়।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
কে সুখে আছে? টাকায় সুখ দিয়েছে কয়জনকে?
  • adminadmin
  • অক্টোবর ১, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।সুখের জন্যে অনেক কিছুর দরকার নেই। চলুন,আমরা মনটাকে একটু ভালো করি, ক্ষমতা ও অর্থের দম্ভ থেকে সরে আসি,হিংসা, লোভ, স্বার্থপরতা ত্যাগ করি, সৃষ্টিকর্তার তরে নিজেকে সপে দিই;আর কাউকে না ঠকাই। আমাদের জীবন সুখের হবে। ১।বুয়েট পাস এমন একজনকে চিনি, যার বিবাহিত জীবনের ১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায় কাটিয়ে দিচ্ছে। তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু পূর্ণতা নাই। ২।ব্যাংকের এ,জি,এম এমন একজনকে চিনি, যার বউ দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে। তার জীবনে সফলতা-পূর্ণতা সবই ছিলো, কিন্তু ভালোবাসাটা কপালে জুটেনি। ৩।এম,বি,এ পাশ করা একজনকে চিনি, পড়ালেখা শেষ করে ভালো কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের বাহিরে , তারপর বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের ভালোবাসার মানুষটির পরিবারে। শুধুমাত্র ছেলে প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি। ভালো চাকুরী মানেই কি সব কিছু?? ৪।প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায় বিষ ঢেলে দিলো। ভালোবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলো, সফলতা আসেনি কখনও। ৫।দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা জানি। শুধু গায়ের রঙটা কালো বলে প্রেমিকের বাবা মায়ের হাজারো অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলো। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়েও সে সুখী হতে পারছে না। ৬।ক্যারিয়ার গঠনের জন্য যে মেয়ে, তার বাবা মাকে বিয়ের কথা উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ পর্যন্ত বিয়েই হয়নি। টাকা পয়সা সব আছে কিন্তু স্বামী সংসার নেই। ৭।চাকুরী না পাওয়া তরুণের গল্পটাও করুণ। বেকার থাকার সময়ে প্রেমিকার বিয়ের আয়োজনটা থামাতে পারে নাই। চাকুরীটা হাতে পাওয়ার আগেই বাবা মারা গেলো। “সফলতা মানেই সুখ” বাক্যটা তার কাছে সম্পূর্ণ মিথ্যা। ৮।পুলিশের একজন এসপি-কে জানি, যিনি ভাগ্যের গেড়াকলে পড়ে; সন্তান হারিয়েছেন, স্ত্রীকে হারিয়েছেন, সংসার ও চাকুরি সব হারিয়ে,…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

মেহেন্দিগঞ্জে ৬টি হাইস্কুলের শিক্ষকদের সনদে জালিয়াতির প্রমাণ, তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ কমিটি
ব্যাংক কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহারের নির্দেশ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোংলা বন্দরে এলো ৫৮ হাজার মেট্রিক টন গম
মোংলায় ডিউটিরত অবস্থায় কোস্ট গার্ড সদস্যের গুলিতে মৃত্যু
রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের মতো ছাড় চাইল বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ
সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩ অধ্যাদেশ, ৩০ দিনের মধ্যে বিল পাসের চ্যালেঞ্জ
ময়মনসিংহে ডাকাতি হওয়া ট্রাকভর্তি ১৯টি গরু উদ্ধার
জনসম্মুখে অশালীন আচরণের অভিযোগে রাশিয়ান মডেলকে লিগ্যাল নোটিশ
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ভাষণ বিতর্ক – সংবিধান, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপট
রাষ্ট্রপতি ভাষণ বিতর্ক – সংবিধান, আইন ও নৈতিক দায়িত্বের পরীক্ষা
দমন, দ্বৈতমান, এবং সরকারের নীরবতা
জামেয়া আহমদিয়া দায়েম নাজির জামে মসজিদে খতিব, ইমাম ও হাফেজদের সম্মাননা প্রদান
বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ নির্বাচনে গণভোট থাকছে না: ইসি
ক্রাইম রিপোর্টারের দায়িত্ব ও প্রয়োজনীয় গুণাবলি
সংসদ সদস্যদের মার্জিত ও সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রতিশ্রুত ঋণ না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ট্রি খামারি, আমব্রেলা ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান
নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া পিস্তল ও গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনে পার্বতীপুরে পৌঁছেছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী
রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল মালিশ: স্বাস্থ্যে কী উপকার পেতে পারেন
জামিনের বিনিময়ে কোটি টাকা দাবি: তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি
মেহেন্দিগঞ্জে জুনিয়র বৃত্তিতে সেরা সরকারি পাতারহাট মুসলিম মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী: বরাদ্দ, সুবিধাভোগী ও বাস্তবতার চিত্র
মামলা বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধে কাজ করছে সরকার: আইনমন্ত্রী
হাদির সঙ্গে কাফিকেও হত্যার নির্দেশ দেওয়া
রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবে সশস্ত্র হামলা ও চাঁদা দাবির ঘটনায় ২ আসামি গ্রেপ্তার
পুলিশ প্রশাসনে রদবদল: ডিএমপির ডিসিসহ ৪ কর্মকর্তা বদলি
জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় ভারত থেকে ডিজেল আসছে, মাসে ১৫ হাজার টন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
শাহবাগে ওষুধ ব্যবসা ঘিরে চাঁদাবাজি     “আমি শ্রাবণ মাসের পাগলা কুত্তার মতো হয়ে গেছি”—তাসকিন গাজী
দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে মানবিক সহায়তার আবেদন গাজীপুরের আহাদুল ইসলামের
অন্তর্বর্তী সরকার ছিল ‘অধ্যাদেশ জারির সরকার’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্র সিয়ামকে হত্যা, জড়িত চার বন্ধু—দুই কিশোর আটক
জামিন পাইয়ে দিতে ১ কোটি টাকার দাবি: আইসিটি প্রসিকিউটরের অডিও ফাঁস
দিল্লি না ঢাকা—নাকি পিন্ডির ছায়া? বাস্তবতা বনাম স্লোগানের রাজনীতি
মাধবদীতে কিশোরী আমেনা হত্যা: সৎ বাবাসহ ৯ জন গ্রেপ্তার, প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
নেপালের সংসদীয় নির্বাচন সফল হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ
দুদকের মহাপরিচালকের ফোন ও টাকা ছিনতাই: গ্রেফতার দুই আসামি কারাগারে
বাংলাদেশ পুলিশে ৪ হাজার এসআই পদ সৃজনের প্রস্তাব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সভা মঙ্গলবার
হাদী হত্যাকাণ্ড: তদন্তে নতুন তথ্য, জুমাকে ঘিরে অভিযোগ জোরালো
স্বপ্ন দেখিয়ে সর্বনাশ: টাঙ্গাইলের মায়াকে নিঃস্ব করে স্বর্ণ ও লাখ টাকা নিয়ে উধাও চীনা প্রেমিক
জুনিয়র নেতারা এমপি-মন্ত্রী, উপেক্ষিত প্রবীণরা—বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা
গাজীপুরের সাবেক কাউন্সিলর শাহীন মোল্লা বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার
মন্ত্রিপরিষদে পাঁচ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার নাম সংশোধন
হাদির হত্যাকাণ্ড: শ্যুটার নয়, মূল হুকুমদাতার খোঁজ জরুরি
রাজধানীতে তেলের তীব্র সংকট, ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন
প্রতারণা ও লোভের আঁধারে সমাজ: হানিট্র্যাপের ভয়ঙ্কর বাস্তবতা
ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান মার্কিন সিনেটর টিম কেইনের
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে সশস্ত্র হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত অন্তত ৩৬
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ড: প্রধান আসামিসহ দুইজন ভারতে গ্রেপ্তার, দেশে আনার আশ্বাস আইজিপির
জুলাই আন্দোলন কারও বাপের সম্পত্তি নয়, অপব্যবহারকারীদের তালিকা করা হচ্ছে: আইজিপি
নৌ-পুলিশ প্রধানসহ পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার
ভোট কারচুপির অভিযোগে ৫ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
আমব্রেলা ফাউন্ডেশন মাওনা ব্রাঞ্চের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ
শেখ হাসিনার রাজনৈতিক পথচলা: পারিবারিক ইতিহাস, ট্র্যাজেডি ও দীর্ঘ সংগ্রামের প্রেক্ষাপট