খালেদা জিয়ার পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ থাকলেও শেখ হাসিনার পরিবারের নেই কেন—-
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ৩১, ২০২৫

মাজহারুল ইসলাম।।বেগম খালেদা জিয়ার দুই পুত্র—তারেক রহমান ও আরাফাত “কোকো” রহমান আন্তর্জাতিকভাবে নথিভুক্ত অর্থ পাচার মামলার মুখোমুখি হয়েছেন।এসব মামলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আদালতের নথি,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ফাইলিং এবং সিঙ্গাপুরে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণের আদেশ,যা তাদের অবৈধ আর্থিক লেনদেনের একটি স্পষ্ট প্রমাণপত্র সরবরাহ করেছে। এই নথিগুলো একাধিক বিদেশি সংস্থার সহযোগিতায় করা হয়েছে।তারা বাংলাদেশের জন্য সম্পদ পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।অন্যদিকে,ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুললেও,এখন পর্যন্ত তেমন কোনো তুলনীয় প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। ফলস্বরূপ,বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে জবাবদিহির প্রশ্নে দেখা যাচ্ছে এক বৈপরীত্যপূর্ণ বাস্তবতা যেখানে অভিযোগ অনেক, কিন্তু প্রমাণ ও ন্যায়বিচারের মানদণ্ডে পার্থক্য স্পষ্ট। আরাফাত “কোকো” রহমান: বিদেশি নথিপত্রে প্রমাণিত অর্থ পাচারের মামলাঃ- বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো বাংলাদেশের সবচেয়ে নথিভুক্ত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অর্থ পাচার মামলার অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে চিহ্নিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের নথি অনুযায়ী,কোকোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩০ লাখ মার্কিন ডলার সিঙ্গাপুরের একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাওয়া যায়।এই অর্থের উৎস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল চট্টগ্রাম বন্দর প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত সিমেন্স বাংলাদেশ কর্তৃক প্রদত্ত ঘুষের অর্থ। বিচার বিভাগের ২০১২ সালের অভিযোগপত্রে বলা হয়, “বিচার বিভাগ সিঙ্গাপুরে কয়েকটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে সিভিল বাজেয়াপ্তকরণ মামলা দায়ের করে,যেখানে আনুমানিক ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জমা ছিল।অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে,এই অর্থগুলো সিমেন্স বাংলাদেশ কর্তৃক আরাফাত ‘কোকো’ রহমানকে প্রদত্ত ঘুষের ফল।” এই মামলার ফলস্বরূপ,সিঙ্গাপুরের আদালত প্রায় ৮০০ মিলিয়ন টাকা (প্রায় ৯.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) বাংলাদেশে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়।দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস-এর ২৮ আগস্ট ২০১৩ সালের প্রতিবেদনে এই রায় নিশ্চিত করে বলা হয়: “সিঙ্গাপুরের একটি আদালত… দেশের একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে ৮০০ মিলিয়ন টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছে… যা কোকো ২০০১–২০০৬…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সাভারে ফিল্ম স্টাইলে পাষণ্ড মেয়ে বাবাকে হত্যা অপরাধ ধামাচাপা দিতে বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

মাজহারুল ইসলাম।।পৃথিবীতে অনেক কিছু অজানা রয়ে যায়।সব সত্যের পেছনে আরেকটা সত্য থাকে।আমরা কখনো জানি না।বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করা মেয়েটা প্রথম থেকেই একটু উশৃংখলভাবে চলাফেরা করতো।বাবা প্রথমে কিছুটা বাঁধা দিতেন কিন্তু মেয়ে মানতে চাইতো না। বাবা আব্দুস সাত্তার ভাবতেন- থাক মেয়ে বড় হয়েছে এখন আর এতকিছু না বলি। এর কিছুদিন পরই বাবা খেয়াল করেন তার মেয়ে তার আরও দুই বান্ধবীকে তাদের সাভারের ফ্ল্যাট বাসায় সাবলেট থাকার জন্যে নিয়ে আসে। আব্দুস সাত্তার প্রথমে কিছু বলেননি।ভেবেছিলেন মেয়ের বান্ধবীই হবে হয়তো,বাসায় থাকুক সমস্যা কি! আব্দুস সাত্তার তাদের জন্য রুম ছেড়ে দিয়ে নিজে কষ্ট করে ডাইনিং রুমে থাকতেন।মেয়ের বান্ধবীরা ডাইনিং রুমে থাকবে এতে মেয়ের সম্মান নষ্ট হবে তাই নিজেই থাকতেন। মেয়েটাকে অনেক আদর করতেন তাই মেয়ের কষ্ট সইতে পারতেন না। তার কিছুদিন পর বাবা লক্ষ্য করেন মেয়েসহ তার ওই বান্ধবীরা ড্রাগস নিচ্ছে,উগ্র আচরণ করছে।এটা দেখার পর তিনি মনে মনে অনেক কষ্ট পান।মেয়েকে এসব ছেড়ে দিতে বলেন।সাথে মেয়ের বান্ধবীরা যাতে সাবলেট বাসা থেকে চলে যায় সেটা বলেন।বান্ধবীদের বাসা ছেড়ে যেতে বলায় মেয়ে প্রচন্ড রেগে যায়।কথা কাটাকাটি হয় এমনকি মেয়ে একপর্যায়ে বাবার গায়ে হাত তুলতেও আসে।বাবা কি করবেন বুঝতে না পেরে এর মধ্যে একবার থানায়ও গিয়েছিলেন।মেয়ের নামে জিডি করিয়েছিলেন যাতে অন্তত এ বিপথ থেকে মেয়েটা ফিরে আসে। কিন্তু মেয়ের কোন উন্নতি ঘটে না।দিনদিন আরও উগ্রতা বাড়তে থাকে।বাবা আব্দুস সাত্তারও সীমাহীন কষ্ট নিয়েই ডাইনিং রুমে থেকে দিন পার করতে থাকেন।এভাবেই আরও কিছু দিন কেটে যায়।বান্ধবীদের সাথে এতটা ঘনিষ্ঠভাবে থাকাটা ধীরে ধীরে সন্দেহের সৃষ্টি করে বাবা আব্দুস সাত্তারের মনে। তিনি একরাতে মেয়েকে ডাকতে যাওয়ার সময় দুই বান্ধবী এবং মেয়েকে রুমে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। মানে দুটো বান্ধবী এবং তার মেয়ে লে’সবিয়ান ছিল।ছেলেদের প্রতি কোন আকর্ষণ…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
তিনি শুধু মা নন—!বাবা,অভিভাবক,বন্ধু,শিক্ষক—সব

ইসরাত জাহান।।আমার বড় বোন যখন সবে ক্লাস টুয়ে পড়ে আর আমি মায়ের আঁচল ধরে হাঁটতে শিখছি,ঠিক তখনই আব্বু হঠাৎ মারা গেলেন।বাবার কোনো স্মৃতিই আমার নেই। যখন স্মৃতি জমতে শুরু করল,তখন বুঝলাম,সিঙ্গেল প্যারেন্ট হিসেবে মা আমাদের লালন–পালনের দায়িত্ব নিয়েছেন, সমাজের সব সংকীর্ণতা,প্রশ্নবিদ্ধ দৃষ্টিকে উপেক্ষা করে আমাদের দুই বোনকে সামলে রাখছেন।তিনি শুধু মা নন,হয়ে উঠলেন বাবা,অভিভাবক,বন্ধু,শিক্ষক—সব। প্রতিদিন সকালে উঠে,আমাদের জন্য সবকিছু গুছিয়ে অফিসে ছুটতেন।বিকেলে ফিরতেন ক্লান্ত হয়ে,কিন্তু মুখে হাসি লেগেই থাকত।যেন তিনি আমাদের শেখাতে চান—কোনো কিছুই অসম্ভব নয়,যদি মন থেকে চাও। প্রাইমারি স্কুলে পড়ি তখন।ছোট্ট একটা ছেলেমানুষি ভুলে হয়তো মা একটু রেগে গিয়েছিলেন।স্কুলে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে তিনি আমাকে একটি চড় মারলেন।আমি চোখে জল নিয়ে,গাল ফুলিয়ে বেরিয়ে পড়লাম স্কুলের পথে।মনে রাগ,কষ্ট আর অভিমান।বারবার খালি মনে হচ্ছিল,মা কেন এমন করলেন?’ সেই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য স্কুলে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরই পেয়েছিলাম। আমার মা,সংসারের হাজারটা দায়িত্ব সামলে সকালেই যার অফিসে যাওয়ার কথা,সেই মা হঠাৎ টিফিনের সময় আমাদের ক্লাসরুমে হাজির।হাতে খাবার নয়,মুখে হাসিও নয়,খালি চোখে একরাশ অপরাধবোধ।শুধু বললেন,‘তুই ঠিক আছিস তো?’ ওই একটা প্রশ্নেই বুঝে গিয়েছিলাম—মা আমাকে মেরে নিজেকেই শাস্তি দিয়েছেন সারাটা সকাল।আমি যেভাবে গালে ব্যথা পেয়েছিলাম,মা ঠিক সেভাবেই ব্যথা পেয়েছিলেন মনে। আমাদের সংসার তখন কিছুটা অসচ্ছল।বাবা নেই,মায়ের কাঁধেই সব দায়িত্ব।কোনো খেলনা দোকানের শোকেসে চোখে পড়লে বুঝতাম,ওটা আমার জন্য নয়।দামি জিনিস আমাদের বাসায় আসে না।কিন্তু অবাক ব্যাপার হলো—আমি কোনো কিছু মন থেকে চাইলে,কিছুদিন পরই সেটা মায়ের হাতে।তখন বুঝিনি,মা নিজের প্রয়োজনের কত কিছু বাদ দিয়েছেন, নিজের স্বপ্নগুলোকে পেছনে ঠেলে দিয়েছেন,শুধু আমার হাসিটুকুর জন্য। আমি যখন বলতাম না,তখনো মা বুঝে ফেলতেন আমার মনের ইচ্ছাগুলো।কীভাবে ম্যানেজ করতেন জানি না,কিন্তু কখনোই আমাকে না বলতেন না।এখন বুঝি,ওই না–বলাটাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় ভালোবাসা।সেই ভালোবাসা শব্দে প্রকাশ করা যায় না,কেবল…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
এপার-ওপার বাংলার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক তুলতুল
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ২৯, ২০২৫

মাজহারুল ইসলাম।।বাংলাদেশের লেখালেখির শীর্ষে যে জন সাহিত্যিক আছেন তার মধ্যে অন্যতম চট্টগ্রামের মেয়ে তরুণ লেখক ও কথাসাহিত্যিক শাম্মী তুলতুল। তিনি একাধারে একজন লেখক. কবি. উপন্যাসিক.গল্পকার. শিশু সাহিত্যিক.নজরুল অনুরাগী.রেডিও অনুষ্ঠান পরিচালক. খবর পাঠিকা ও দাবা খেলোয়াড়।বাংলাদেশের জনপ্রিয় জাতীয় পত্রিকায় লিখছেন ছোটবেলা থেকেই।জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠ,প্রথম আল,বাংলাদেশ প্রতিদিন.ইত্তেফাক.খোলা কাগজ.প্রতিদিনের সংবাদ.এন টিভি অনলাইন. মানবকন্ঠ.আজাদী. পূর্বকোণ. শিশু.নবারুণ সহ অন্যান্য পত্রিকায়। তাছাড়া তিনি এপার বাংলা আর ওপার বাংলা দুই জায়গায় সমান তালে লেখনি দিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।তাকে দুই বাংলার জনপ্রিয় লেখকও বলা হয়ে থাকে।লিখছেন জার্মানি,সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়ার.প্যারিসের বাংলা পত্রিকাগুলোতেও।পড়ালেখায় চরম ফাঁকিবাজ ছিলেন টিচার এলে নানা ওজুহাতে তাড়াতেন। কিন্তু অতি ভালো রেজাল্ট না করে ভালো ফলাফল করে দেশসেরা কলেজ চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্রী এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় এই কত্থাসাহিত্যিক। তার জন্ম একটি সাহিত্য.সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক. মুক্তিযোদ্ধা ও অভিজাত পরিবারে। বুকের ভেতর রয়েছে অফুরন্ত গল্পের বাস:-সে সব গল্প বলে যেতে চান তার লেখায়।জন্ম চট্টগ্রামে হলেও গ্রাম রাউজান। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে বিখ্যাত নদী হালদা।যার স্রোতের সাথে জুড়ে আছে একেক গল্প।তার মতে এসব গ্রামীণ গল্পই আমাদের প্রাণ.চলার পথে শেখার ভিত্তি।সে তার প্রতিটি লেখনীতে সমাজ পরিবর্তনের কোন না কোন ম্যাসেজ রাখেন।লেখালেখির হাতেখড়ি ছোট থেকেই পত্রিকা দিয়ে শুরু। একটি রক্ষনশীল পরিবার থেকে উঠে এসে নিজেকে সাহিত্যিক হিসেবে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন।খুব অল্প বয়সেই তিনি দেশ ও দেশের বাইরে তার লেখনি দিয়ে জয় করছেন অজশ্র মানুষের ভালোবাসা। দাদাও একজন লেখক. শিক্ষক.বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন।নানীও কাজী লতিফা হক বেগম পত্রিকার সুপরিচিত লেখক ছিলেন।উল্লেখ্য যে দাদা আব্দুল কুদ্দুস মাষ্টার কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাল্যকালের বন্ধু ছিলেন।এর উপর ভিত্তি করে তিনি লিখেছেন উপন্যাস একজন কুদ্দুস ও কবি নজরুল। এই পর্যন্ত বইয়ের সংখ্যা ১৬ টি।ভারতে প্রকাশিয় হয়েছে ২০২২ কলকাতা বইমেলায় তার গল্পের বই “নরকে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সেনাপ্রধানের সময়োপযোগী বক্তব্য-মেজর জিল্লুর রহমান (অব.)
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ৩, ২০২৫

মেজর জিল্লুর রহমান (অবঃ)।।সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের এক বক্তব্য নিয়ে তোড়পাড় শুরু হয়েছে।তিনি দেশের বিপ্লবোত্তর পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। দায়িত্বশীল পদে থেকে তাঁর কথা বলেছেন। তাঁর কথার সারাংশ হচ্ছে,তিনি নির্বাচন দিয়ে গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে ফিরে যেতে চান। ড. ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার সেই দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাঁর প্রত্যাশা ফেয়ার ইনক্লুসিভ নির্বাচন।হয়তো আগামী ডিসেম্বর নাগাদ নির্বাচন হবে। তাঁর আর কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই। তিনি বলেছেন,আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ আছে।নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করে বিভেদ সৃষ্টি করে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে।তিনি ন্যায্য কথাই বলেছেন।৫ আগস্টের আগে-পরে সংস্কার করে এক নতুন দেশ গড়ার লক্ষ্যে যে অটুট ঐক্য ছিল,এখন সে প্রত্যাশা অনেকটাই ম্লান। রাজনৈতিক দলের মধ্যে জলদি ক্ষমতায় পা রাখার লড়াই আমরা দেখছি।সংস্কারের আগে নির্বাচন জরুরি বলে অনেক রাজনৈতিক দল মনে করছে।তাদের দাবি,নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এসে তারা সংস্কার করবে।কিন্তু সাধারণ মানুষ চায় আগে সংস্কার হোক,তারপর নির্বাচন করে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এসে প্রয়োজন হলে আরো সংস্কার করবে। ক্ষমতাপ্রত্যাশী দল অপেক্ষা করতে চাইছে না। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর ৮ আগস্ট ড. ইউনূস দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।প্রথম থেকেই তিনি সংস্কারের ওপর জোর দেন। সেনাবাহিনী জাতির শেষ ভরসাস্থল।সেখানেও বিভেদ সৃষ্টি করে ফাটল ধরানো,মনোবল ভাঙার চেষ্টা চলছে।যারা কুটনামি করছে,তারা জাতির ক্ষতি করছে।বোধগম্য কারণেই জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের বক্তব্য এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রে।তিনি স্পষ্ট করেই উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলার অবনতির কারণ রাজনীতিতে বিভেদ।জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে এক বক্তৃতায় তিনি বলেছেন,বিশৃঙ্খলা-সংঘর্ষ বন্ধ না হলে,কাদা ছোড়াছুড়ি করলে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন আরেকজনের বিষোদগারে ব্যস্ত।দেশের রাজনীতিতে এটাই এখন দৃশ্যমান।স্বাভাবিকভাবেই সেনাপ্রধান সতর্ক করেছেন,নিজেদের ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে না পারলে আমরা বিপদে পড়তে পারি।একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর প্রধান হিসেবে তিনি তাঁর অবস্থান থেকে সঠিক কথাই তো বলেছেন।একজন…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
জনপ্রিয় সাহিত্যিক ও লেখক শাম্মী তুলতুল মানুষের হৃদয় জয় করেছেন
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৫

শাম্মী ইসলাম।।লেখালেখি দিয়ে নিজ ভুবন আলোকির করেছে বীর চট্টগলার মেয়ে শ লেখক ও সাহিত্যিক শাম্মী তুলতুল। তিনি একাধারে একজন লেখক. কবি. উপন্যাসিক.গল্পকার. শিশু সাহিত্যিক.নজরুল অনুরাগী.রেডিও অনুষ্ঠান পরিচালক. খবর পাঠিকা.ভয়েস আর্টিস্ট ও দাবা খেলোয়াড়।বাংলাদেশের জনপ্রিয় জাতীয় পত্রিকায় লিখছেন ছোটবেলা থেকেই।যেমন. কালের কন্ঠ.প্রথম আলো,বাংলাদেশ প্রতিদিন.ইত্তেফাক.খোলা কাগজ.প্রতিদিনের সংবাদ.এন টিভি অনলাইন. মানবকন্ঠ.আজাদী. পূর্বকোণ. শিশু.নবারুণ. সুপ্রভাত বাংলাদেশ সহ অন্যান্য পত্রিকায়।তাছাড়া তিনি এপার বাংলা আর ওপার বাংলা দুই জায়গায় সমান তালে লেখনি দিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।তাকে দুই বাংলার জনপ্রিয় লেখকও বলা হয়ে থাকে।লিখছেন জার্মানি,সিংগাপুর,অস্ট্রেলিয়ার. প্যারিসের বাংলা পত্রিকাগুলোতেও। পড়ালেখায় চরম ফাঁকিবাজ ছিলেন টিচার এলে নানা ওজুহাতে তাড়াতেন।কিন্তু অতি ভালো রেজাল্ট না করে ভালো ফলাফল করে দেশ সেরা কলেজ চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্রী এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় এই সাহিত্যিক। তার জন্ম একটি সাহিত্য.সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক. মুক্তিযোদ্ধা ও অভিজাত পরিবারে। বুকের ভেতর রয়েছে অফুরন্ত গল্পের বাস সে সব গল্প বলে যেতে চান তার লেখায়।জন্ম চট্টগ্রামে হলেও গ্রাম রাউজান।গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে বিখ্যাত নদী হালদা।যার স্রোতের সাথে জুড়ে আছে একেক গল্প।তার মতে এসব গ্রামীণ গল্পই আমাদের প্রাণ.চলার পথে শেখার ভিত্তি।সে তার প্রতিটি লেখনীতে সমাজ পরিবর্তনের কোন না কোন ম্যাসেজ রাখেন।লেখালেখির হাতেখড়ি ছোট থেকেই পত্রিকা দিয়ে শুরু। একটি রক্ষনশীল পরিবার থেকে উঠে এসে নিজেকে সাহিত্যিক হিসেবে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। খুব অল্প বয়সেই তিনি দেশ ও দেশের বাইরে তার লেখনি দিয়ে জয় করছেন অজশ্র মানুষের ভালোবাসা।দাদাও একজন লেখক. শিক্ষক.বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন। ।নানীও কাজী লতিফা হক বেগম পত্রিকার সুপরিচিত লেখক ছিলেন।উল্লেখ্য যে দাদা আব্দুল কুদ্দুস মাষ্টার কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাল্যকালের বন্ধু ছিলেন।এর উপর ভিত্তি করে তিনি লিখেছেন উপন্যাস একজন কুদ্দুস ও কবি নজরুল। এই পর্যন্ত বইয়ের সংখ্যা ১৬ টি।ভারতে প্রকাশিয় হয়েছে ২০২২ কলকাতা বইমেলায় তার গল্পের বই “নরকে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
অপসাংবাদিকতার বিপরীতে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিপাকে!
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ২১, ২০২৪

মাজহারুল ইসলাম।।ভয় না করে জয় করাই সাংবাদিকতা।হাজারো পেশার মধ্যে সাংবাদিকতা একটি মহৎ ও সম্মানজনক পেশা।তবে এর সঙ্গে আর অন্য দশটি পেশার পার্থক্য অনেক। একজন ভালো ও পেশাদার সাংবাদিক হওয়ার জন্য কি কি প্রয়োজন? আজকের প্রতিষ্ঠিত ও সম্মানিত সাংবাদিকদের অনেকেই বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশুনা করে এসেছেন।ভালো সাংবাদিক হওয়ার জন্য সাংবাদিকতাই পড়তে হবে এমনটা জরুরি নয়।তবে বিষয়টি পড়া থাকলে একজনকে ভালো সাংবাদিক হতে তা অবশ্যই সাহায্য করে। সাংবাদিকদের ‘সব কাজের কাজী’ হতে হয়।অর্থাৎ অনেক বিষয়ে মৌলিক জ্ঞান থাকা একজন সাংবাদিকের জন্য জরুরি। সেটা খেলা,অর্থনীতি ও বাণিজ্য,আইন-আদালত,সংবিধান, জ্বালানির মতো বিষয় হতে পারে।একজন সাংবাদিক হলেন একজন ব্যক্তি যিনি পাঠ্য, অডিও বা ছবির আকারে তথ্য সংগ্রহ করেন, এটিকে একটি সংবাদযোগ্য আকারে প্রক্রিয়াকরণ করেন এবং জনসাধারণের কাছে তা ছড়িয়ে দেন ।একে বলে সাংবাদিকতা।সাংবাদিকপেশা। সাংবাদিকদের কলম আর ক্যামেরা কারো কাছে মাথা নত করে না।কলম যতই দামী হোক ভিতরে কালি না থাকলে মূল্যহীন…!মানুষ যতই শিক্ষিত হোক ভিতরে বিবেক না থাকলে তা মূল্যহীন.নে রাখবেন:-অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করে না!! ১.সাংবাদিক মানে জাতির বিবেক।২. সাংবাদিক মানে দেশ প্রেমিক।৩.সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক।৪.সাংবাদিক মানে জাতির দর্পন।৫. সাংবাদিক মানে জাতির সেবক।৬.সাংবাদিক মানে শিক্ষিত।৭.সাংবাদিক মানে স্বাধীন।৮.সাংবাদিক মানে সম্মানি জাতি।৯.সাংবাদিক মানে তদন্ত করা।১০.সাংবাদিক মানে আইন বিষয়ে জানা। একজন সাংবাদিকের গুণাবলি:-শারীরিক সক্ষমতা থাকতে হবে।চারিত্রিক গুণসম্পন্ন হতে হবে।সাংবাদিককে হতে হবে বুদ্ধিমান।কাল্পনাশক্তির অধিকারী হতে হবে।স্মৃতিশক্তির অধিকারী হতে হবে।বন্ধুভাবাপন্ন হতে হবে।উদ্ভাবনী শক্তির অধিকারী হতে হবে।স্নায়ু খুব শক্ত হতে হবে।তীক্ষ্ণতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।সহনশীল হতে হবে।সাংঠনিক শক্তি থাকতে হবে।সময়নিষ্ঠ হতে হবে।সাংবাদিককে পেশার প্রতি সৎ হতে হবে।জীবনবাদি, জীবনঘনিষ্ঠ হতে হবে।পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা থাকা চাই।সাংবাদিককে উদ্যোগী হতে হবে।সামাজিক হতে হবে, মানুষের প্রিয়ভাজন হতে হবে।মানুষের সাথে মেশার ক্ষমতা থাকতে হবে।কাণ্ডজ্ঞানের পরিচয় দিতে হবে।মানুষের গোপনীয়তা,প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে।অনুসন্ধানে লেগে থাকতে হবে।ভালো…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
গণমাধ্যম-গণতন্ত্র, সুশাসন এবং প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ৯, ২০২৪

আহমেদ আবু জাফর।।একটি দেশের গণমাধ্যম-গণতন্ত্র, সুশাসন এবং ভোটাধিকার প্রশ্নে প্রথমেই যেটি অগ্রাধিকার পায় সেটি হচ্ছে দেশটির গণমাধ্যম ও সাংবাদিক সুরক্ষার জায়গাটি কতটুকু নিশ্চিত করা হয়েছে।একই সাথে প্রশাসন কতটুকু নিরপেক্ষ নীতিতে অটল।রাজনৈতিক দলগুলো এবং ক্ষমতায় থাকা সরকারকে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের চুলছেরা বিশ্লেষণ এবং সমালোচনাকে কতটুকু গ্রহণ করতে পারে সেটাও সুশাসনের একটা অংশ।কথায় কথায় গণমাধ্যমের টুটি চেপে ধরা হলে ধরে নিতে হবে রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকা সরকার বা রাজনৈতিক দলের লোকেরা সমালোচনাকে সহ্য করতে পারছেনা,এটি একটি ব্যর্থতা।সুশাসন প্রশ্নে রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা যে কোন রাজনৈতিক দল বা সরকারকে গণমাধ্যমের সমালোচনায় সৃষ্টি হওয়া ক্ষতের জায়গাটি সংশোধনের মানসিকতা তৈরী রাখা উচিত। ‘একটি দেশে দীর্ঘদিন ধরে সুশাসন,গণতন্ত্র আর ভোটাধিকারের জায়গাটি যদি অরক্ষিত থাকে সেখানে গণমাধ্যম নানা ভাবে লেখালেখির মাধ্যমে রাজনৈতিক দল বা সরকারকে সুরসুরি দিতেই পারে,এতে ক্ষিপ্ত হবার কিছু নেই’। রাষ্ট্রের মৌলিক প্রশ্নে গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকদেরকে সাহস এবং উৎসাহ জোগাবে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল মানুষেরা।বহি:বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র বেতন-ভাতা দিয়ে তাদের সমালোচনা বা ভুল গুলো ধরিয়ে দিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নিযুক্ত করে থাকেন। বিশ্বের উন্নত দেশ গুলো গণমাধ্যমের সমালোচনা সহ্য করে তাদের দেখানো পথেই হাটেন। ‘গণমাধ্যম হচ্ছে একটি দেশের এন্ট্রিবায়োটিকের মত’।কোন দেশ তথা রাজনৈতিক দলগুলো যখন ভুল পথে হাটে তখন একমাত্র গণমাধ্যমই তাদের পথ দেখাতে পারে।তবে সেটি কিন্তু কোন দলকানা মনোভাবাটন্ন গণমাধ্যম বা সাংবাদিকদের দ্বারা সম্ভব নয়।কিন্তু আমাদের দেশের বিভিন্ন সরকার বা রাজনৈতিক দল গুলো গণমাধ্যমকে পক্ষপাতদুষ্ট মনে করে ছিটকে ফেলে দেয়,তাদের মতকে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে হুমকি দেয়,যা একটি দেশের জন্য মঙ্গলকর হতে পারেনা। যে কথাটি বলে রাখা দরকার সেটি হচ্ছে সাংবাদিক সুরক্ষা। বাংলাদেশ নামের এই রাষ্ট্রের মাঝে দেশ স্বাধীনের ৫৩টি বছর অতিবাহিত হয়ে গেলেও গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জন্য কোন সুরক্ষার জায়গা তৈরী হয়নি।সরকার আসে সরকার…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ইউনূসের সরকার বিদায়ী শেখ হাসিনা সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও অন্যান্য নেতাদের বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেপ্তার করছে
  • newadminnewadmin
  • আগস্ট ২৫, ২০২৪

বিজয় প্রসাদ।।বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার পরদিন আমার এক বন্ধুর ফোনকল পেয়েছিলাম।বন্ধুটি সেদিন ঢাকার রাস্তায় বেশ কিছু সময় কাটিয়েছিলেন।তিনি আমাকে বলেছিলেন,কীভাবে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরা বিশাল বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল এবং আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল।আমি তাঁকে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কাঠামো ও তাদের রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করি।তিনি তখন বলেন,বিক্ষোভটি সুসংগঠিত বলেই মনে হয়েছে।ছাত্ররা সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের জন্য আন্দোলন শুরু করলেও তা শেষ পর্যন্ত সরকারের পদত্যাগের দাবি পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিল।তবে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার কয়েক ঘণ্টা আগেও মনে হয়নি,সরকারের পতন হতে পারে।সবাই ভেবেছিল,সরকার আরও সহিংস হবে। বাংলাদেশে এই বিক্ষোভ একেবারে আকস্মিক নয়।এটি মূলত এক দশক আগে শুরু হওয়া ক্ষোভের চক্রের একটি অংশ। দাবিগুলোও বেশ পুরোনো।যেমন কোটা সংস্কার করা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভালো আচরণ করা,সরকারি দমন-পীড়ন বন্ধ করা ইত্যাদি।আপাত সরল এই দাবিগুলো হয়তো সহজেই সমাধান করা যেত।কিন্তু কোটা সংস্কারের দাবিগুলো দেশের অভিজাত শ্রেণি সব সময় মরিয়া হয়ে দমন করার চেষ্টা করেছে।এই কোটার সঙ্গে দেশের জন্মের ইতিহাস জড়িত। কারণ সিংহভাগ কোটা দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বরাদ্দ ছিল,যারা ১৯৭১ সালে জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন। অনেকে জীবন দিয়েছেন,অনেকে অঙ্গ-প্রতঙ্গ হারিয়েছেন। তবে এটিও স্বীকার করতে হবে যে,এ ধরনের কোটা ব্যবস্থা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বহাল রাখা উচিত নয়।একই সঙ্গে এটিও স্বীকার করতে হবে যে,কোটা ব্যবস্থার সঙ্গে দেশের তরুণদের কর্মসংস্থানের সমস্যা এবং দেশে ইসলামপন্থী শক্তির পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিষয়টি জড়িত।স্মরণ করা কর্তব্য,বাংলাদেশের ইসলামপন্থী দলগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে আপস করেছিল। যা হোক,২০১৮ সালে একবার কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনা এই কোটা ব্যবস্থাই বাতিল করে দিয়েছিলেন।এরপর কোটা ব্যবস্থা বহাল থাকবে কি থাকবে না,চলতি বছরে তার সিদ্ধান্ত চলে যায় আদালতে।হাইকোর্ট যুক্তি দেন,কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহাল করতে হবে। কিন্তু পরে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
অবসরের প্রায় ১৬ মাস পরে লেখা ও সাক্ষর করা ত্রয়োদশ সংশোধনীর রায় কি সংবিধান পরিপন্থী হয় না?
  • newadminnewadmin
  • আগস্ট ১৭, ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।জাতীয়ভাবে আমাদের সাধারণ একটা অভ্যাস বা প্রবণতা হচ্ছে আমরা কোনো সমস্যা বা সংকটের গভীরে যাই না।আমরা যা চোখে দেখি তা নিয়েই মাতা-মাতি, তর্কা-তর্কি ও গালা-গালি করি।এ যেন কঠিন এক রোগের কারণ ও উপসর্গ নির্ণয় না করে সাধারণ প্যারাসিটামল দিয়ে তার প্রতিকারের চেষ্টা করা।এতে হিতে-বিপরীত হয়।কঠিন রোগটি আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে রোগীর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।তখন আর কারো তেমন কিছুই করার থাকে না।তাই রোগ বা সংকটের মূল কারণে বা গভীরে না গিয়ে যদি ভাসাভাসা (superficially) সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হয় তাতে সমস্যা না কমে বরং তা প্রকট আকার ধারণ করে।এক সময় তা সমাধান ক্ষমতার বাইরে চলে যায়।গত দেড় দশকে তো আমরা তাই দেখে আসলাম।দেশ গভীর রাজনৈতিক সংকটে পড়েছিল যা থেকে উদ্ধার হয়েছে ছাত্র-জনতার সফল গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। আর এই সংকটের একেবারে গোড়ায় ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায়।এই রায়ের প্রধান কারিগর হলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক।এই নিবন্ধে খুঁজবো দেশকে গভীর রাজনৈতিক সংকটে ফেলা সেই রায়ের আইনি,নৈতিক,সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি। দেখবো কীভাবে এই রায় শঠতা ও গোঁজামিলে ভরপুর! ২০১১ সালের ১০ মে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে দেয়া সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় সর্বসম্মত ছিল না।বরং এটি ছিল গভীরভাবে (অনেকটা সমান সমানভাবে) বিভক্ত রায়।রায় দেয়ার সময় প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক।রায় প্রদানকারী বাকি ৬ জন বিচারপতির মধ্যে ৩ জন (যথাক্রমে বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন,বিচারপতি এস কে সিনহা ও বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পক্ষে রায় দেন।আবার ৩ জন (যথাক্রমে বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞা,বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা ও বিচারপতি মো. ইমান আলী) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে রায় দেন।বিচারপতি মো. ইমান আলীর রায়টি একটু ভিন্ন ধাঁচের হলেও তাঁর…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
কিশোর গ্যাং একটি ভয়ানক সামাজিক ব্যাধি ও মহা বিষফোড়ার নাম

ইয়াসিনুল হক।।কৈশোর মানব জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়।এসময়েই রচিত হয় জীবনের ভিত্তি।কিন্তু কিশোররা যখন বিপদগামী হয়ে অপরাধে লিপ্ত হয়,তখন সেই অমিত সম্ভাবনাময় কিশোরটিই পরিণত হয় দেশ ও জাতির মহা আপদে। বর্তমান সময়ে কিশোর গ্যাং একটি ভয়ানক সামাজিক ব্যাধি ও মহা বিষফোড়ার নাম।প্রথম দিকে কিশোর গ্যাং কালচার রাজধানী ও বড় বড় বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে সারা দেশে ভয়াবহভাবে বাড়ছে কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার।শহর,নগর ও গ্রাম সর্বত্রই সমান তালে গ্যাং কালচারের আধিপত্য।প্রতিটি জনপদেই তারা সাধারণ মানুষের ঘুম কেড়ে নিচ্ছে।পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর লেখাপড়া না জানা ভবঘুরে কিশোর থেকে শুরু করে অভিজাত ঘরের কিশোররাও জড়িয়ে পড়ছে এ অভিশপ্ত কালচারে।কিশোর গ্যাং কালচার শুরুতে আড্ডা কিংবা ইভটিজিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও তা এখন ছিনতাই,চাঁদাবাজি,মাদকব্যবসা,ভাঙচুর, দখলদারিত্ব,আধিপত্য বিস্তার এমনকি খুনখারাপি পর্যন্ত গড়িয়েছে।শিশু থেকে বৃদ্ধ কেউই নিরাপদ নয় তাদের কাছে। মেহেন্দিগঞ্জ বাসীদের নিকট দুঃসংবাদ হচ্ছে এই কিশোর গ্যং নামক বিষফোড়া মাথাচারা দিয়ে উঠেছে মেহেন্দিগঞ্জ এর বুকে।গত ইং ২০/০৫/২০২৪ তারিখ বিকাল ০৪.০০ ঘটিকার সময় শরিফুল ইসলাম (২১), পিতা মৃত- সবুজ ঢালী, সাং চরহোগলা ০১নং ওয়ার্ড, মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভা, থানা- মেহেন্দিগঞ্জ,জেলা- বরিশাল কিশোর গ্যাং এর আক্রমনের শিকার হয়। মেহেন্দিগঞ্জ থানাধীন ৮-১০ জন কিশোরগ্যাং এর সদস্য ভিকটিম শরিফুল ইসলামকে উত্তর বাজার ঈদগাহ মাঠের সামনে থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে অমানবিকভাবে মারধর করে তার পরিবারের কাছে চাঁদা দাবী করে। ভিকটিমের পরিবারের লোকজন শরিফুল ইসলামকে উদ্ধার করার জন্য কিশোর গ্যাংদের দেয়া তথ্য মতে নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ভিকটিমকে ছেড়ে দিতে অনুনয় বিনয় করে। কিন্তু কিশোর গ্যাংরা তাদের দাবীকৃত টাকা ছাড়া ভিকটিমকে তার পরিবারের নিকট কোন ভাবেই বুজিয়ে দিতে রাজি হয়নি। একপর্যায়ে কোন উপায় না পেয়ে ভিকটিমের পরিবার জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল করে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানায় এবং আইনি…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ধেয়ে আসছে সামাজিক বিপর্যয়: –ভয়ংকর এক নারী প্রজন্মের অপেক্ষায় আমরা!!
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ১১, ২০২৪

ডাঃ জাকিয়া সুলতানা।।৭৫% উচ্চ শিক্ষিত মেয়ে ২৭ থেকে ৩০ বয়সেও বিয়েহীন।ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে এরা এমন এক সংকট তৈরী করেছে যে।আগামী ৫ বছরে লাখ লাখ মেয়ে বিয়েহীন থাকবে৷ তাদের যৌবনের চাহিদা,আবেগ,ভালোবাসা হারানোর ফলে। স্বামীর মন জয় করার পরিবর্তে স্বামীর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েই সংসারে দরকষাকষি করবে৷আর স্বামীও তাদের মাঝে আনুগত্য,কোমলত্ব,নারীত্ব না পেয়ে অসহ্য হয়ে উঠবে। তখন সংসার টিকানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।কারণ তার স্ত্রী ৩০ টা বছর পুরুষের ফিতরাতে টেক্কা দিয়ে সে নিজেই পুরুষে বিবর্তিত হয়ে গেছে।তার আস্ত দেহটাই নারীর বৈশিষ্ট্য হলেও। সে মানসিকভাবে পুরুষ। স্বামী তাকে দৈহিক ভাবে নারী পেলেও সে মেন্টাল ভাবে পুরুষ।এমন একটা দিন আসতে যাচ্ছে। মেয়েরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে যৌবন থেকে যেমন বঞ্চিত হবে।বঞ্চিত হবে সংসার থেকেও।বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে সমাজব্যবস্থা । Dr. Zakia Sultana Gynecologist, obstetrician and surgeon.

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার আমলে শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে প্রতিরোধ গড়ে তােলায় রাষ্ট্রদ্রোহিতার ১ নং আাসামী মুরাদ
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৩

মাজহারুল ইসলাম।। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত শিকড় থেকে বেড়ে উঠা কর্মী ও জনবান্ধব বিকশিত নেতৃত্বের নাম মোঃ শাহে আলম মুরাদ। বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মরহুম আবদুল খালেক জমাদারের পুত্র। বর্তমান ঠিকানাঃ মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভা,৬নং ওয়ার্ড খরকী। ★★১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা পরবর্তী আওয়ামীলীগের রাজনীতির চরম দূর্বিসহ সামরিক গেষ্টাপোর শাসন সময়ে*শিক্ষা *শান্তি *প্রগতি’র ধারক ও বাহক মুজিবাদর্শের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র লীগের পতাকা হাতে অবিভক্ত ঢাকা শহরের রাজপথ এবং অলিতে গলিতে শাহে আলম মুরাদ এর রাজনৈতিক কর্মতৎপরতায় আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত। ** ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৬ ইং সাল পর্যন্ত অবিভক্ত ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব নিয়ে মহানগর ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করেন। পরবর্তীতে —- ** বাাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির গ্রন্হনা ও প্রকাশনা সম্পাদক। ** বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য। **অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ** ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। ** ঢাকা মহানগর ১৪ দলের সাবেক মুখপাত্র। **ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এর সিনিয়র সদস্য। **অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এর দায়িত্ব পালনকালে ১/১১ সেনা সমর্থিত তত্বাবধায় সরকার কর্তৃক দায়েরকৃত মিথ্যা মামলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার হলে প্রিয় নেত্রীর মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে কোর্ট প্রাঙ্গন, সাবজেল,বিশেষ আদালতে নেত্রীর মুক্তির দাবিতে সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের সকল ব্যারিকেট ভেঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তােলায় তাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার ১ নং আাসামী করে গ্রফতার করার উদ্দেশ্যে সামরিক গেষ্টাপো বাহিনী তাঁর এলিফ্যান্ট রোডস্হ বাসভবনে তল্লাশী ও ভাংচুর চালায় এবং মোঃ শাহে আলম মুরাদকে গ্রফতার করতে না পারায় তাঁর বাসভবন তালামেরে তাঁর গর্ভধারিণী বয়স্ক মা…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
পুরুষ কিসে আটকায়?
  • newadminnewadmin
  • আগস্ট ১১, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক।।নারী কিসে আটকায়’ বিষয়টি নিয়ে কিছুদিন ধরে বেশ আলোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।বিপরীত দিক থেকে শোনা যাচ্ছে,তাহলে পুরুষ কি আটকায় না?আমাদের জনসমাজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে এ প্রসঙ্গ নিয়ে,মূলত কোথায় আটকায় পুরুষ? গল্প-উপন্যাসে সাহিত্যিকেরা নারীকে যেমন নানাভাবে এঁকেছেন,তেমনি এঁকেছেন পুরুষকেও।তাঁদের কেউ কখনো কখনো লেখায় পুরুষতন্ত্রের স্বরূপও উন্মোচন করেছেন। জনসমাজ ও জনসংস্কৃতির বাস্তবতা ঘেঁটে গল্প-উপন্যাসে তাঁরা দেখিয়েছেন কোথায়,কখন,কী পরিস্থিতিতে এবং কেন আঁতে ঘা লাগে পুরুষের।বস্তুত বিশ্বের সিংহভাগ রাষ্ট্র ও সমাজকাঠামো এখনো পুরুষতান্ত্রিক,অর্থাৎ কর্তৃত্বের সবটুকু জায়গা পুরুষের জন্য বরাদ্দ।আর কর্তা হয়ে উঠতে পুরুষের শিক্ষা শুরু হয় জন্ম থেকেই।আমাদের সমাজে এখনো বেশির ভাগ পরিবারে অনাগত উত্তরাধিকারের কাঙ্ক্ষিত লিঙ্গ পুং। কারণ,পরিবারের হাল ধরবে সে,লাঠি হবে পরিবারের—আমাদের সাধারণ ধারণা এমনই।তো এ প্রত্যাশার ভার নিয়ে বড় হতে হতে একজন ছেলে শেখে পুরুষত্ব মানে যোগ্যতা নয়,লিঙ্গের বিচারে আধিপত্য।সে শেখে ঘরে ও বাইরে সে কর্তা।যেকোনো যুদ্ধে সেই অগ্রগামী সৈনিক।সে উপার্জনকারী, রক্ষাকারী ও পালনকারী।জনজাতির সামষ্টিক অবচেতনে প্রোথিত এই প্রজন্মান্তরের ধারণা থেকে সে নারীর সঙ্গী নয়, বরং কর্তা হয়ে ওঠে।তাই পুরুষকে ঘরে বেঁধে রাখাটা সামাজিক দায়িত্বও নারীর ওপরই বর্তায়। অনেকেই পুরুষতান্ত্রিকতার পদ্ধতিগত শিক্ষার বাইরে নজর দিতে পারছেন এখন।রান্না,ঘরকন্নার কাজ,সন্তান প্রতিপালনের মতো ‘নারীসুলভ’ দায়িত্বগুলো অনেকেই নিষ্ঠার সঙ্গে এবং আনন্দ নিয়ে পালন করছেন।প্রেমিকা/স্ত্রীকে সমপর্যায়ের সঙ্গীর মতো দেখছেন।কিন্তু যুগ যুগ ধরে যে কর্তৃত্বপরায়ণতার ভার তাঁর ওপরে রয়েছে,তা কি এত সহজে পিছু ছাড়ে?না, তা এত সহজে পিছু ছাড়ার নয়।কাজেই কেউ স্বীকার করুক আর না-ই করুক,অনেক ক্ষেত্রেই পুরুষের এখন এই দ্বৈরথের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।বিশেষ করে অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে। পুরুষের জন্য সংবেদনশীল হওয়া এবং অনুভূতির প্রত্যক্ষ প্রকাশের বিষয়টি একেবারেই অনুমোদিত নয়।বরং এটাকে তাঁর দুর্বলতা হিসেবে দেখার যে ঐতিহাসিক চল আমাদের সমাজে রয়েছে,তা তাঁদের মনোজগৎকে বোধ করি আরও জটিল…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নতুন ভূমি আইনে সাত ধরনের দলিল বাতিল
  • newadminnewadmin
  • এপ্রিল ১৮, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশে দ্রুতই ‘ভূমি ব্যবহার স্বত্ব আইন’ এবং ‘ভূমি অপরাধ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ প্রণীত হতে যাচ্ছে। নতুন এই আইনে যে ৭ ধরনের দলিল বাতিল হতে যাচ্ছে সেগুলোই আজকের মূল আলোচ্য বিষয়।প্রথমত, রেজিস্ট্রিবিহীন দলিল নিয়ে সামান্য আলোচনা করি।সাধারণত যে দলিলে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসারের কোনো বৈধ সিল ও স্বাক্ষর থাকে না, সরকার কোনো রেজিস্ট্রি ফি পায় না, এসব দলিল নতুন আইন অনুসারে বাতিল হতে যাচ্ছে। বিষয়টির আলোচনার প্রারম্ভে আমাদের দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি সম্পর্কে ভাল ধারণা অর্জন করতে হবে। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।যেমন- বিক্রয় দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে।জমি ক্রয় করার আগে বায়না দলিল করলে ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের জন্য জমা দিতে হবে। রেজিস্ট্রি ছাড়া বায়না দলিলের আইনগত মূল্য নেই। বায়না দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে বিক্রয় দলিল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দাখিল করতে হবে।হেবা বা দানকৃত সম্পত্তির দলিলও রেজিস্ট্রি করতে হবে।বন্ধককৃত জমির দলিল রেজিস্ট্রি করতে হবে।কোনো ভূমি সম্পত্তি মালিকের মৃত্যু হলে তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বাটোয়ারা করা এবং ওই বাটোয়ারা বা আপোস বণ্টননামা রেজিস্ট্রি করতে হবে। বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুসারে জমি রেজিস্ট্রেশন করতে যা যা লাগে সেগুলোর অন্যতম হলো- বিক্রীত জমির পূর্ণ বিবরণ,দলিলে দাতা-গ্রহীতার পিতা-মাতার নাম, পূর্ণ ঠিকানা এবং সাম্প্রতিককালের পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।যিনি জমি বিক্রয় করবেন, তার নামে অবশ্যই উত্তরাধিকার ছাড়া নামজারি থাকতে হবে।দলিলে বিগত ২৫ বছরের মালিকানা সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও কার কাছ থেকে কে ক্রয় করল, সে বিবরণ লেখা থাকতে হবে।সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য, সম্পত্তির চারদিকের সীমানা, নকশা দলিলে থাকতে হবে।যিনি ক্রয় করেছেন তিনি ছাড়া অন্য কারও কাছে এই জমি বিক্রি করা হয়নি মর্মে হলফনামা থাকতে হবে।জমির পর্চাগুলোতে সিএস, এসএ, আরএস মালিকানার ধারাবাহিকতা (কার পরে কে মালিক ছিল) থাকতে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
তনু হত্যার বিচার চাই
  • adminadmin
  • মার্চ ২০, ২০২৩

মাজহারুল ইসলাম@মামুন।।কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনু ধর্ষণ ও হত্যার সাত বছর অতিক্রম করলো,এখনো কি এর ঘাতকদের শনাক্ত করতে পেরেছে পুলিশ?পারেনি!পারার চেয়ে বলা ভালো,ধর্ষক ও খুনিদের সর্বসাধারণের সামনে আনেনি।হয়তো ধর্ষক তারাই যারা ইউনিফর্মের লোক নতুবা গদি চালান। অনেকেই বলেন প্রশাসনের বিরুদ্ধে কেন লিখি? বাস্তবিক প্রশাসনের বিরুদ্ধে আমি কখনোই লিখি না।বোঝার একটু ভিন্নতা,চোখ সরানোর একটু সদিচ্ছা থেকে লেখা পড়লে মনে হয় বিভ্রান্তি থাকবে না।যারা বাংলাদেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং যথার্থ আইন মানেন,প্রয়োগ করেন তারাই সত্যিকারের প্রশাসন।তাদের বিরুদ্ধে আমি কখনোই লিখি না। কিন্তু যারা শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,স্থানীয় সরকার,বিচার বিভাগে থেকে দেশপ্রেম,আইনের সঠিক প্রয়োগকারী নন প্রশাসনের মোড়কে তারা দুর্বৃত্ত।জাতির জনকের বক্তব্য কিন্তু এমনটাই বলে।এসব চাটার দল।বরংছ এসব চাটার দলদের বিরুদ্ধে আমাদের সকলের সোচ্চার হওয়া উচিত। আইন অনুসারে হওয়া উচিত ছিল,অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা। সাগর-রুনী হত্যার যেমন কূল কিনারা হয়নি তেমনি তনু হত্যারও কূলকিনারা হয়নি। ধরুন কোন পুলিশ কর্মকর্তার বাসা থেকে সিচকে চোর একটা তোয়ালে নিয়ে গেছেন,সেই চোর মোবাইলও চালান না। অথচ দেখবেন সূর্য অস্ত যাওয়ার আগে সেই চোরকে শনাক্ত করে খাঁচায় পুরে দিবে পুলিশ। শুধু তনু হত্যা, সাগর রুণী হত্যার মত কিছু ঘটনার অপরাধী প্রকাশ্যে আসে না।তাহলে প্রশাসন যে বলে, জিরো টলারেন্স, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।তনু হত্যার ৭ বছরেও কি পুলিশ পেরেছে অপরাধীদের ছাড় না দিতে? যদি না পারতো তাহলে নিশ্চয়ই জাতি জানতে পারতো খুনিদের পরিচয়। তাদের বিচার নিশ্চিত হতো। কারন খুনতো অজ্ঞাত কোন স্থানে হয়নি? খুন হয়েছে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে একটি সুরক্ষিত এলাকায়। তনুর লাশ ক্যান্টনমেন্টের পাওয়ার হাউজের অদূরে ঝোপের ভেতর পরে ছিল। ভিনগ্রহ থেকে এসেতো কেউ ধর্ষণ আর খুন করে যায়নি। দশ ট্রাক অস্ত্র সরকারি মদদে দেশে এনে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর কিন্তু বলেছিলেন,…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ভুল গুলো আমাদের জীবনকে শেষ করে দেয়
  • adminadmin
  • মার্চ ৫, ২০২৩

মাজহারুল ইসলাম।।সৃষ্টিকর্তা অনেক দয়ালু,অসীম ক্ষমতার অধিকারী।তিনি চাইলে অনেক কিছু ক্ষমা করে দিতে পারেন।কিন্তু ভাই/বোন সব কিছুর একটা Limit আছে তো,ওটা Cross করলে ধ্বংস অনিবার্য। ১.পর্নোগ্রাফিতে আসক্তি,তারপর হস্তমৈথুন,যদি আপনি এইগুলো থেকে বের হয়ে না আসতে পারেন, এর ভয়ানক পরিনতি আপনাকে ভোগ করতে হবে। ২.সিগারেট ১ টান দিলে কিছু হয় না,বন্ধুর এই বানী টা শোনার পর ১ টান দেওয়া।যেটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মারাত্মক লেভেলের আসক্তিতে রূপ নেয়।আপনি যেটা করবেন,সেটা আপনার জন্য ভাল হোক আর খারাপ হোক,বারবার করলে,আপনার ব্রেন,আপনি যা করবেন সেইটার প্রতি আপনাকে addicted করে ফেলবে। ৩.নিজের সাথে অন্যের তুলনা করা।যেটি চরম ভাবে নিজের আত্মসম্মান কমিয়ে দেয়৷নিজেকে ভাল না বেসে,অন্যের জন্য মন উজাড় করে দেওয়া। ৪.যে সময় নিজের ক্যারিয়ারের প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত,সেই সময় অন্যকিছুতে আকৃষ্ট হওয়া। ৫.সময়ের কাজ,সময়ে না করে,পরে আফসোস করা।যেমনঃ পরীক্ষার প্রশ্ন হাতে পাওয়ার পর, আর একটা দিন সময় পেলে নিশ্চিত A+ পাইতাম এটা বলা। ৬.লাইফে আমরা অনেক Academic পরীক্ষা দিয়ে থাকি। বেশিরভাগ পরীক্ষা গুলো ৩ ঘন্টার হয়ে থাকে।সময় শেষ হলে,স্যার আমাদের খাতা নিয়ে যান।তখন,যদি আমি, আপনি বলি, স্যার একটা ভুল উত্তর লিখে ফেলেছি, ২ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেন।নিশ্চয়ই পাব না আমরা। সৃষ্টিকর্তা আমাদের ভুল গুলো শোধরানোর জন্য,অনেক সময় দিয়েছেন,আমাদের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা পর্যন্ত।কিন্তু কেউ যদি এই সময়ের ভিতর,তার ভুল গুলো থেকে বের না হয়ে আসে,পরে যখন তাহার সম্মুখীন হবেন।নিশ্চয়ই বলতে পারবেন না।আর একটু সময় দিন!!।সারা জীবনের কাজ অনুযায়ী রেজাল্ট শিট আগেই তৈরি হয়ে যাবে,তখন আর সংশোধনের সুযোগ থাকবে না।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
মফিজ হওয়ার যোগ্যতা কি আমাদের আছে?
  • adminadmin
  • মার্চ ২, ২০২৩

মাজহারুল ইসলাম।।গাইবান্ধা জেলার প্রত্যন্ত এক গ্ৰামের স্বল্পশিক্ষিত অত্যন্ত সৎ ড্রাইভার ছিল মফিজ।তার শেষ জীবনের সঞ্চয় এবং তার বাবার দেয়া জমি বিক্রয় করা ঢাকা রুটের একটা পুরাতন বাস ক্রয় করে ঢাকা -গাইবান্ধার রুটে বাসটি চালু করেন। গরীব দরদী মফিজ সাহেব দিনমজুরি লোকদের স্বল্প ভাড়ায় ঢাকা নিয়ে যেতেন।একসময় মফিজ সাহেব বয়সের ভারে অন্য ড্রাইভার দিয়ে বাস চালানো শুরু করলেন। কিন্তু দিনমজুরী শ্রেণীর লোকেরা ভাড়া সাশ্রয়ের জন্য তার বাড়িতে ধর্না দেয়া শুরু করলেন।তাদের উপকারের জন্য সাদা কাগজে মফিজ লিখে সুপারভাইজারকে দিতে বললেন এবং বাসের ছাদের নাম মাত্র ভাড়ায় ঢাকা যাতায়াতের সুবিধা ব্যবস্থা করতেন। বাসের সুপারভাইজার মফিজ স্বাক্ষর যুক্ত করে কম ভাড়া আদায় করতেন । তাই উচ্চস্বরে সুপারভাইজার বলতেন ছাদে কয়জন মফিজ আছো?অর্থাৎ কয়টা মফিজের শ্নিপ আছে।আর এইভাবে গরিবের বন্ধু মফিজ শব্দটি চালু হয়।আজ আমরা ঠাট্টা করে অনেক সময় মফিজ শব্দটি উচ্চারণ করি।কিন্তু বুকে হাত দিয়ে বলেন মফিজ হওয়ার যোগ্যতা কি আমাদের আছে ? তথ্য সুত্র:- ‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক,সমাজবিজ্ঞানী ড. আবদুর রহমান সিদ্দিকীর উপন্যাস ‘একজন মফিজ’।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
যতক্ষণ পর্যন্ত নিজে সমস্যায় না পড়ে ততক্ষণ পর্যন্ত অন্যের সমস্যা বুঝতে রাজি নয়—–!!!
  • adminadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৩

মাজহারুল ইসলাম।।যখন নিজেদের ক্ষমতা ও ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারি, তখনই আমরা চুপসে যাই!তার আগে নয়….! ঘটনা হলো:-এক রাজা একটি কুকুরকে সঙ্গে নিয়ে নৌকায় ভ্রমণ করেছিলেন।সেই নৌকায় অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে একজন দার্শনিকও ছিলেন।কুকুরটা খালি অস্থির হচ্ছিল এবং লাফালাফি করছিল?! নৌকার মাঝি মন খারাপ করে ভাবছিল যে,এমন চলতে থাকলে নৌকা যাত্রীদের নিয়ে ডুবে যাবে!কিন্তু কুকুর তার স্বভাবজাত প্রকৃতির কারণে কিছুতেই থামছিল না!! এইরকম পরিস্থিতি দেখে,রাজাও রাগ করছিলেন কিন্তু কুকুরকে শান্ত করার জন্য কোনও উপায় তিনি খুঁজে পাচ্ছিলেন না—?! নৌকাতে বসে দার্শনিক আর থাকতে পারলেন না—!!! তিনি রাজাকে কাছে গিয়ে বললেন, “রাজা মসাই, যদি আপনি অনুমতি দেন,আমি এই কুকুরটিকে একটি বিড়াল করে দিতে পারি।;! রাজা অনুমতি দিলেন—-দার্শনিক দুই জন যাত্রীর সাহায্য নিয়ে সেই কুকুরটিকে নদীতে ফেলে দিলেন।কুকুরটি হাঁসফাঁস করতে করতে ভাসমান নৌকা ধরার চেষ্টা করতে লাগলো। *সে এখন তার জীবনের মূল্য অনুভব করছিল।* কিছুক্ষণ পর,দার্শনিক তাকে নৌকায় টেনে তুলে নিলেন। তারপর কুকুরটি গোপনে একটি কোণায় গিয়ে চুপ করে বসে রইলো। নৌকার অন্যান্য যাত্রীদের মত রাজাও সেই কুকুরের আচরণ দেখে প্রচন্ড অবাক হলেন——!!!! তারপর রাজা দার্শনিককে জিজ্ঞেস করলেন: *”এটি কেন এখন একটি পোষা ছাগলের মত বসে আছে?*” দার্শনিক বললেন–যতক্ষণ পর্যন্ত নিজে সমস্যায় না পড়ে ততক্ষণ পর্যন্ত অন্যের সমস্যা বুঝতে রাজি নয়। *এই কুকুর যখন জলের ক্ষমতা ও নৌকার উপযোগিতা এবং নিজের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারলো তখনই চুপ করে বসে গেল।” শিক্ষনীয় হলো:-আমরা মানুষেরাই ঠিক একরকম।নিজেদের অহংকার ও দাম্ভিকতায় আমরা অন্যদের জীবন অতিষ্ট করি। যখন নিজেদের ক্ষমতা ও ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারি, তখনই আমরা চুপসে যাই!তার আগে নয়….!

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আপনি কি ভার্জিন?বাসর রাতে সদ্য বিবাহিত স্বামীর মুখে এমন কথা শুনে হতভম্ব হয়ে যায় রিয়া!
  • adminadmin
  • জানুয়ারি ২৫, ২০২৩

মাজহারুল ইসলাম।। আপনি কি ভার্জিন?বাসর রাতে সদ্য বিবাহিত স্বামীর মুখে এমন কথা শুনে হতভম্ব হয়ে যায় রিয়া। তার মুখে কোনোই কথা নেই।ঘৃনার্থ চাহুনিতে শুধু একবার তাকালো তার স্বামীর দিকে।মাথাটা সাথে সাথে নামিয়ে নিলো। বাসর রাতে তার স্বামীর প্রথম প্রশ্নটা যে এমন হবে তা সে কখনো কল্পনাও করতে পারেনি। রিয়াকে চুপ থাকতে দেখে রিয়াদ(রিয়ার স্বামী)আবার বলে উঠলো:-না মানে আজকালকের মেয়েরা তো বিয়ের আগেই বয়ফ্রেন্ডের সাথে রুমডেটে গিয়ে রুম কাপায়।একের পর এক বয়ফ্রেন্ড আসছে যাচ্ছে।কত জনের সাথে যে রুমে উঠলো তার হিসাবই হয়ত নেই তাদের কাছে।তাই কথাটা জিজ্ঞেস করলাম।তুমি সতী তো? স্বামীর মুখে এমন কথা শুনে চোখের কোণে পানি চলে আসলো তার।এমন একটা নিচ মানসিকতার মানুষের সাথে তার বিয়ে হবে সে কখনোই ভাবতে পারেনি।এই হীন মানুষটার সাথেই তার সারাজীবন থাকতে হবে কথাটা ভাবতেই তার দু চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়তে লাগলো। রিয়াকে চুপ থাকতে দেখে রিয়াদ আবার বলে উঠলো..কিছু বলছো না যে?নাকি তুমিও বিয়ের আগেই বয়ফ্রেন্ডের কাছে নিজের সতীত্ব বিলিয়ে দিয়েছ?কথাটা শোনা মাত্রই রিয়ার মাথায় রক্ত উঠে গেল। কিন্তু নিজেকে সংযত করে বললো..আমার জীবনে আপনিই প্রথম পুরুষ।এর আগে দ্বিতীয় কোনো পুরুষ আসেনি।কথাটা শুনে তার স্বামীর মুখে স্পষ্ট হাসির ছাপ দেখতে পেলো রিয়া। কিন্তু তার মনে শুধুই বিষন্নতা।বাসর রাত নিয়ে হাজারও কল্পনা ছিল রিয়ার।তার স্বামীর মুখে এমন কথা শুনে সব স্বপ্নই তার চুরমার হয়ে গেল।আজ তার মনে হচ্চে তার মনটা যেনো সমুদ্রের তীরে গড়া বালি দিয়ে কোনো ভাস্কর্য,যা সামান্য বাতাসেই ভেঙে পড়ে। এমন ফালতু ছিল না?জীবনের কত কঠিন পরিস্থিতি সে দৃঢ়তার সাথে মোকাবেলা করেছে।কখনো সে হার মানেনি। ভেঙে পড়েনি।তবে আজ?রিয়ার মনে হাজারও ব্যাথা, হাজারও কথা বাসা বাঁধতেছে। হঠাৎ লক্ষ করলো রিয়াদ বিছানার ওপরে সাদা তোয়ালে পারতেছে।কিছু বুঝতে না পেরে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

মেহেন্দিগঞ্জে ৬টি হাইস্কুলের শিক্ষকদের সনদে জালিয়াতির প্রমাণ, তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ কমিটি
ব্যাংক কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহারের নির্দেশ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোংলা বন্দরে এলো ৫৮ হাজার মেট্রিক টন গম
মোংলায় ডিউটিরত অবস্থায় কোস্ট গার্ড সদস্যের গুলিতে মৃত্যু
রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের মতো ছাড় চাইল বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ
সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩ অধ্যাদেশ, ৩০ দিনের মধ্যে বিল পাসের চ্যালেঞ্জ
ময়মনসিংহে ডাকাতি হওয়া ট্রাকভর্তি ১৯টি গরু উদ্ধার
জনসম্মুখে অশালীন আচরণের অভিযোগে রাশিয়ান মডেলকে লিগ্যাল নোটিশ
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ভাষণ বিতর্ক – সংবিধান, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপট
রাষ্ট্রপতি ভাষণ বিতর্ক – সংবিধান, আইন ও নৈতিক দায়িত্বের পরীক্ষা
দমন, দ্বৈতমান, এবং সরকারের নীরবতা
জামেয়া আহমদিয়া দায়েম নাজির জামে মসজিদে খতিব, ইমাম ও হাফেজদের সম্মাননা প্রদান
বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ নির্বাচনে গণভোট থাকছে না: ইসি
ক্রাইম রিপোর্টারের দায়িত্ব ও প্রয়োজনীয় গুণাবলি
সংসদ সদস্যদের মার্জিত ও সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রতিশ্রুত ঋণ না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ট্রি খামারি, আমব্রেলা ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান
নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া পিস্তল ও গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনে পার্বতীপুরে পৌঁছেছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী
রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল মালিশ: স্বাস্থ্যে কী উপকার পেতে পারেন
জামিনের বিনিময়ে কোটি টাকা দাবি: তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি
মেহেন্দিগঞ্জে জুনিয়র বৃত্তিতে সেরা সরকারি পাতারহাট মুসলিম মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী: বরাদ্দ, সুবিধাভোগী ও বাস্তবতার চিত্র
মামলা বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধে কাজ করছে সরকার: আইনমন্ত্রী
হাদির সঙ্গে কাফিকেও হত্যার নির্দেশ দেওয়া
রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবে সশস্ত্র হামলা ও চাঁদা দাবির ঘটনায় ২ আসামি গ্রেপ্তার
পুলিশ প্রশাসনে রদবদল: ডিএমপির ডিসিসহ ৪ কর্মকর্তা বদলি
জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় ভারত থেকে ডিজেল আসছে, মাসে ১৫ হাজার টন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
শাহবাগে ওষুধ ব্যবসা ঘিরে চাঁদাবাজি     “আমি শ্রাবণ মাসের পাগলা কুত্তার মতো হয়ে গেছি”—তাসকিন গাজী
দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে মানবিক সহায়তার আবেদন গাজীপুরের আহাদুল ইসলামের
অন্তর্বর্তী সরকার ছিল ‘অধ্যাদেশ জারির সরকার’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্র সিয়ামকে হত্যা, জড়িত চার বন্ধু—দুই কিশোর আটক
জামিন পাইয়ে দিতে ১ কোটি টাকার দাবি: আইসিটি প্রসিকিউটরের অডিও ফাঁস
দিল্লি না ঢাকা—নাকি পিন্ডির ছায়া? বাস্তবতা বনাম স্লোগানের রাজনীতি
মাধবদীতে কিশোরী আমেনা হত্যা: সৎ বাবাসহ ৯ জন গ্রেপ্তার, প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
নেপালের সংসদীয় নির্বাচন সফল হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ
দুদকের মহাপরিচালকের ফোন ও টাকা ছিনতাই: গ্রেফতার দুই আসামি কারাগারে
বাংলাদেশ পুলিশে ৪ হাজার এসআই পদ সৃজনের প্রস্তাব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সভা মঙ্গলবার
হাদী হত্যাকাণ্ড: তদন্তে নতুন তথ্য, জুমাকে ঘিরে অভিযোগ জোরালো
স্বপ্ন দেখিয়ে সর্বনাশ: টাঙ্গাইলের মায়াকে নিঃস্ব করে স্বর্ণ ও লাখ টাকা নিয়ে উধাও চীনা প্রেমিক
জুনিয়র নেতারা এমপি-মন্ত্রী, উপেক্ষিত প্রবীণরা—বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা
গাজীপুরের সাবেক কাউন্সিলর শাহীন মোল্লা বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার
মন্ত্রিপরিষদে পাঁচ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার নাম সংশোধন
হাদির হত্যাকাণ্ড: শ্যুটার নয়, মূল হুকুমদাতার খোঁজ জরুরি
রাজধানীতে তেলের তীব্র সংকট, ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন
প্রতারণা ও লোভের আঁধারে সমাজ: হানিট্র্যাপের ভয়ঙ্কর বাস্তবতা
ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান মার্কিন সিনেটর টিম কেইনের
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে সশস্ত্র হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত অন্তত ৩৬
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ড: প্রধান আসামিসহ দুইজন ভারতে গ্রেপ্তার, দেশে আনার আশ্বাস আইজিপির
জুলাই আন্দোলন কারও বাপের সম্পত্তি নয়, অপব্যবহারকারীদের তালিকা করা হচ্ছে: আইজিপি
নৌ-পুলিশ প্রধানসহ পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার
ভোট কারচুপির অভিযোগে ৫ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
আমব্রেলা ফাউন্ডেশন মাওনা ব্রাঞ্চের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ
শেখ হাসিনার রাজনৈতিক পথচলা: পারিবারিক ইতিহাস, ট্র্যাজেডি ও দীর্ঘ সংগ্রামের প্রেক্ষাপট