খাগড়াছড়িতে ছুটে এসেছেন হাজারো পর্যটক-বিনোদনকেন্দ্রের আকর্ষণে দর্শনার্থীর ভিড়
  • newadminnewadmin
  • এপ্রিল ৩, ২০২৫

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।।এবারের ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে খাগড়াছড়িতে ছুটে এসেছেন হাজারো পর্যটক।পাহাড়ি এ জেলা বিনোদনকেন্দ্রের আকর্ষণে দর্শনার্থীর ভিড় লেগেছে। ঈদের চতুর্থ দিনেও জেলার প্রধান প্রধান পর্যটন কেন্দ্রগুলো পর্যটকের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে খাগড়াছড়ি শহরের নিকটবর্তী জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক ও অদূরের আলুটিলায় বেশি আকৃষ্ট জেলার বাইরের পর্যটকরা। সবুজ চাদরে ঢাকা সেখানকার বিভিন্ন স্পটগুলোতে ছবি তোলায় ব্যস্ত পর্যটকরা। আলুটিলার ভিন্নধর্মী সেতু, অ্যাম্পিথিয়েটার আর রহস্যময় গুহায় আনাগোনা বেশি পর্যটকদের। অন্যদিকে জেলা পরিষদ পার্কের ঝুলন্ত সেতুতে উঠতেই বেশি পছন্দ শিশু-কিশোরদের।এছাড়া লেকে সমৃদ্ধ পানছড়ির ‘মায়াবিনী লেক’ ও মহালছড়ির ‘মাতাই পুকুরি’তে ছুটছেন ভ্রমণপিপাসুরা। রাজশাহী থেকে ঘুরতে আসা আতিক হাসান ও আয়শা আক্তার বলেন,হর্টিকালচার পার্ক,আলুটিলা সুড়ঙ্গ, রিচাং ঝরনা ঘুরেছি।পাহাড়ের নির্মল পরিবেশ পেয়ে ভীষণ ভালো লাগছে। হর্টিকালচার পার্কের ব্যবস্থাপক অংগ্য মারমা বলেন, লম্বা ছুটি থাকায় পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে।আরও কয়েক দিন পর্যটকের ভিড় থাকবে। খাগড়াছড়ি ট্যুরিস্ট পুলিশের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিশাত রায় বলেন, বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমাদের টহল রয়েছে।সাদা পোশাকেও নজরদারি রয়েছে। পর্যটকদের আগমনে খাগড়াছড়ির হোটেল আর কটেজের অধিকাংশ রুম বুকিং হয়ে গেছে।আগামী ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়ার আশা করছেন পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। এদিকে যাতায়াত সুবিধার কারণে খাগড়াছড়ি হয়ে বহু পর্যটক রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্রমণে গেছেনএতে বাড়তি লাভের আশা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সেন্টমার্টিন রূটে পর্যটকবাহী একটিও জাহাজ চলাচল শুরু হয়নি
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ৯, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সেন্টমার্টিন দ্বীপ ভ্রমণে আনুষ্ঠানিক কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই কিন্তু দ্বীপের বাসিন্দা ছাড়া সেখানে কেউ বেড়াতে যেতে পারছেন না।নভেম্বর মাসে পর্যটকরা যেতে পারবেন,তবে থাকতে পারবেন না এমন ঘোষণা থাকলেও দ্বীপ ভ্রমণের সব ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে।দ্বীপটির বাসিন্দারা জানিয়েছেন,তাদের আত্মীয় স্বজনরাও বেড়াতে আসতে পারছেন না।অন্যদিকে সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী,নভেম্বর মাসে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে বাধা থাকার কথা নয়। এদিকে যাতায়াতের জন্য এখনো সেন্টমার্টিন রূটে পর্যটকবাহী একটিও জাহাজ চলাচল শুরু হয়নি।স্পিডবোট চলাচলও বন্ধ। গত বছর জানুয়ারিতে মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাতের কারণে বন্ধ হয় টেকনাফ রূট।পরে ইনানী সৈকতের নৌ-জেটি ব্যবহার করে সেন্টমার্টিনে আসা যাওয়া করতো পর্যটকরা। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ে ইনানী জেটিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে জাহাজ চলাচলের সুযোগ নেই। এদিকে যাত্রীবাহী ট্রলার বা সার্ভিস বোট চলাচল করলেও ভ্রমণ করতে লিখিত অনুমতি লাগছে।সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা ছাড়া কাউকে ভ্রমণ করতে দেওয়া হচ্ছে না।দ্বীপের অধিবাসী কি-না নিশ্চিত করতে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে ট্রলারের টিকেট বিক্রি হচ্ছে।দফায় দফায় কোস্টগার্ড যাত্রীদের এনআইডি যাচাই করছে। সেন্টমার্টিনে পরিবার-পরিজন নিয়ে রাজশাহী থেকে বেড়াতে এসেছিলেন আয়েশা সিদ্দিকার পরিবার।কিন্তু হলো না ভ্রমণ বন্ধ থাকায়।তিনি বলেন,খুবই আপসেট।অনেকেই আমাদের মতো আশা নিয়ে আছেন।আমরা চাই এই বন্ধটা তাড়াতাড়ি খুলে দিক।যাতে তারা আমাদের মতো আপসেট না হয়। স্থানীয় বিএনপির সভাপতি নুরুল আলম বলেন,সার্বভৌম দেশ,স্বাধীন দেশ,আমি যদি এখান থেকে বাংলাদেশের প্রত্যেকটা জেলায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেতে পারলে,আমার সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের অংশ হইয়া স্বাধীনভাবে আমার বাংলাদেশের লোকজন আসতে পারবে না কেন? সি ক্রুজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন,কক্সবাজার থেকে জাহাজ দিনে গিয়ে ফেরা সম্ভব নয়।তাই নভেম্বর মাসে সেন্টমার্টিনে পর্যটন জাহাজ যাতায়াত শুরু করতে পারবে কি-না সেটি অনিশ্চিত। তিনি আরও বলেন,আমরা হতাশার মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছি। সরকারের নভেম্বর মাসে পর্যটন চালু আছে ঘোষণা, বাস্তবতার সঙ্গে মিল নাই।টেকনাফ থেকে জাহাজ দিনে গিয়ে দিনে আসা সম্ভব ছিল।কক্সবাজার থেকে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
একদিনের ছুটিতে কোথায় যাবেন? রইল সেরা ৫ স্থান
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ২৫, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ক্লান্তি কাটাতে ভ্রমণের বিকল্প নেই।তাইতো অবসর মিললেই কেউ কেউ বেরিয়ে পড়েন দূরে কোথাও। কিন্তু নাগরিক জীবনের ব্যস্ততায় লম্বা ছুটি মেলা ভার। যানজটের ঝামেলার কারণে দীর্ঘ জার্নিও এড়াতে চান অনেকে।ইদানীং তাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ধারেকাছে কোথাও রিসোর্ট বুক করে ‘ডে লং ট্রিপ’ বা দিনব্যাপী ভ্রমণের আইডিয়া।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি সঙ্গী, পরিবার-পরিজন অথবা বন্ধু-বান্ধব নিয়ে দিনভর কাটিয়ে আসতে পারবেন এমন কয়েকটি রিসোর্টের কথা থাকছে এখানে। অ্যারিস্টোক্র্যাট রিসোর্ট পূর্বাচল নামের মতোই এই রিসোর্টটিতে প্রাকৃতিক পরিবেশের পাশাপাশি রয়েছে আভিজাত্যের ছোঁয়া।বাড়তি যোগ বোট হাউস বা ওয়াটার কটেজ।এখানে একদিনের গ্রুপ প্যাকেজে জনপ্রতি খরচ শুরু হবে ২১০০ টাকা থেকে,তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি ১৪০০ টাকা।এই প্যাকেজের মধ্যে পাবেন সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার এবং সন্ধ্যার স্ন্যাকস। সুইমিংপুল,কিডস জোনের পাশাপাশি রয়েছে বিশাল প্লে গ্রাউন্ডে ক্রিকেট,ফুটবল,ব্যাডমিন্টন,ক্যারম ইত্যাদি খেলার সুযোগ।এই প্যাকেজে কোনো রুম থাকছে না; তবে একসাথে ১৫ জনের বেশি গেলে কমপ্লিমেন্টারি একটি রুম সুবিধা পাবেন আপনারা।এ ছাড়া রাতে থাকছে ক্যাম্প ফায়ার এবং বার্বিকিউয়ের সুবিধা। ঠিকানা:পূর্বাচল,কালিগঞ্জ,গাজীপুর যোগাযোগ: ০১৭৭১৮০০৮৫১/ ০১৭৭১৮০০৭৫৩ ঢাকার কাছে পিকনিক স্পটের জন্য দারুণ মানানসই শীতলক্ষ্যা পাড়ের এই রিসোর্ট।কাপলদের জন্য এখানে প্যাকেজ শুরু সাড়ে চার হাজার টাকা থেকে।থাকছে তিনবেলা খাবার,রিভার ভিউ ডাইনিং স্পেস,রিভারসাইড লাউঞ্জ, সুইমিং পুল ইত্যাদি সুবিধা। আবার বন্ধুরা মিলে গেলে এখানকার অ্যাডভেঞ্চার জোনে পাবেন বিভিন্ন অ্যাকটিভিটিজের সুযোগ। ঠিকানা:ভোলাব ইউনিয়ন,রূপগঞ্জ,নারায়ণগঞ্জ যোগাযোগ: ০১৮৩৩-৩৩৪৩১০ রিভেরি রিসোর্ট প্রকৃতির মাঝে বুক ভরে নিশ্বাস নিতে চাইলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে যেতে পারেন এই রিসোর্টে। ঢাকা থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে এখানে পৌঁছাতে পারবেন। এখানে রয়েছে পিকনিক,করপোরেট গেট টুগেদার,ফ্যামিলি বা গ্রুপ ডে আউট,ফ্যামিলি নাইট স্টে,বার-বি-কিউ পার্টির সুবিধা।নৌকায় ঘুরে ঘুরে মাছও ধরতে পারবেন।ডে লং প্যাকেজে রুমের ভাড়া শুরু তিন হাজার টাকা থেকে; পাঁচ বছরের নিচে বাচ্চাদের জন্য খাওয়ার কোনো খরচ দিতে হবে না। ঠিকানা:…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
টেকনাফ-সেন্টমার্টিনে পর্যটন খাত বন্ধ হয়ে গেলে বেকারত্বের হার বাড়বে—আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটবে!
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ১৬, ২০২৪

টেকনাফ(কক্সবাজার)প্রতিনিধি।।পর্যটন মৌসুম শুরু হলেও দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াতের দ্বার খোলেনি এখনও।মধ্য অক্টোবরেও টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু না হওয়ায় দ্বীপে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না পর্যটকরা।দ্বীপে পর্যটক যাওয়ার সুযোগ বন্ধ থাকায় পর্যটন জৌলুস হারাতে বসছে নারকেল জিঞ্জিরা খ্যাত সেন্টমার্টিন।পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ে জড়িত বিনিয়োগকারী,ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শ্রমিকসহ লক্ষাধিক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। দ্বীপবাসীর দাবি,অতি দ্রুত টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের সুযোগ করে দিয়ে দ্বীপে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণের সুযোগ দেওয়া হোক। সেন্টমার্টিনে পর্যটনের দ্বার খুলতে দ্বীপবাসীর দাবির সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করেছেন পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ে জড়িত বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা।দ্বীপে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি মানুষের আয়-রোজগারের বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।গত সোমবার বিকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটের পর্যটকবাহী জাহাজ চালুর দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।এতে তারা ‘পরিবেশ বাঁচাও,মানুষ বাঁচাও’ স্লোগান দেন। সেন্টমার্টিনে পর্যটন মৌসুমের শুরুতে পর্যটক যাতায়াতের সুযোগ দেওয়ার প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য আবদুর রহমান বলেন,টেকনাফ-সেন্টমার্টিনে পর্যটন খাত বন্ধ হয়ে গেলে বেকারত্বের হার বাড়বে।এতে পর্যটনসংশ্লিষ্ট দেড় লাখ মানুষের জীবিকার পথ বন্ধ হয়ে যাবে।এ ছাড়া বৈধপথ বন্ধ হয়ে গেলে সীমান্তের বাসিন্দারা বেকারত্বে পাশাপাশি অবৈধ আয়ের দিকে ঝুঁকবে।তাই প্রধান উপদেষ্টার কাছে আমাদের অনুরোধ পর্যটকসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেশার মানুষের কথা চিন্তা করে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল চালুর পাশাপাশি দ্বীপে রাত্রিযাপন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হোক।’ এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন,সীমান্তের মানুষের বৈধ ব্যবসায়ের সুযোগ দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে।বৈধ উপায়ে একের পর এক আয়ের সুযোগ বন্ধ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে।এখন পর্যটন ব্যবসাতেও ধস নামলে মানুষের আয়-রোজগারের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে।এতে একদিকে বেকারত্বে সংখ্যা বাড়বে,পাশাপাশি উপায়ন্তর না পেলে অনেকেই অবৈধভাবে রোজগারের সুযোগ খুঁজবে। সেন্টমার্টিন পর্যটন ব্যবসায়ের সঙ্গে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। তাই দ্বীপে পর্যটকদের রাতযাপন বন্ধসহ…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
বিশাল জলরাশির ডালপা বিলের সৌন্দর্য দেখতে আসেন হাজারো দর্শনার্থী
  • newadminnewadmin
  • জুলাই ৮, ২০২৪

কুমিল্লা প্রতিনিধি।।কুমিল্লা শহর থেকে উত্তর–পশ্চিমে দুই ঘণ্টার পথ।সে পথ পার হলে চোখে পড়ে পুরোনো কিছু দোতলা বাড়ি।আরেকটু এগিয়ে গেলে চোখে পড়বে বিশাল জলরাশি। মুরাদনগর উপজেলার আন্দিকোট ইউনিয়ন।সেখানে আছে বিশাল জলরাশির ডালপা বিল।বিলের বুক চিরে কাঁচা মাটির পথ চলে গেছে এঁকেবেঁকে।এই মাটির পথে এসে ধাক্কা দেয় দুই পাশের পানির ঢেউ।রাস্তার একপাশে ৬০০ একর,আরেক পাশে ৪০০ একর মিলে মোট ১ হাজার একর জমি নিয়ে বিস্তৃত এই ডালপা বিল। বিকেল হলেই এই বিলের সৌন্দর্য দেখতে আসেন হাজারো দর্শনার্থী।আষাঢ়,শ্রাবণ ও ভাদ্র—এই তিন মাস বিলটি কানায় কানায় পূর্ণ থাকে। বিলের সিংহভাগ মুরাদনগর উপজেলায়।মুরাদনগরের মানুষ বিলটিকে ডালপা বিল নামে চেনে।আর বাকি অংশটা ব্রাহ্মণপাড়ার মুকিমপুরে।ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মানুষজন মকিমপুর বিল হিসেবে চেনে। শনিবার ছুটির দিন বিকেলে দেখা যায়,সহস্রাধিক দর্শনার্থী ঘুরে ঘুরে বিলের সৌন্দর্য দেখছেন।তাঁরা কেউ পরিবার নিয়ে, কেউবা প্রিয় মানুষকে নিয়ে এসেছেন বিল দেখতে। বিলে বেড়াতে এসেছিলেন ৩ নম্বর আন্দিকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন।তিনি বলেন,এই বিলের বয়স ৫০ বছরের বেশি হবে।তবে তিন থেকে চার বছর ধরে বিলটি মানুষের কাছে খুব পরিচিত হয়ে উঠেছে। বছরের এ সময়টায় হাজারো দর্শনার্থীর পদভারে মুখর হয় বিলটি।কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয়,সে জন্য সতর্ক থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কুমিল্লা নগরী থেকে পরিবার নিয়ে আসা আবদুল হালিম নামের একজন বলেন,ব্যবসার কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।সময় পেলে স্ত্রী–সন্তানদের নিয়ে ঘুরতে ভালোবাসেন।ফেসবুকে ডালপা বিলের সৌন্দর্য দেখে ঘুরতে এসেছিলেন।বিলের সৌন্দর্য তাঁকে মুগ্ধ করেছে।তবে পর্যাপ্ত নৌকা নেই দেখে তাঁর মন খারাপ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আবু শাহারিয়া তাঁর বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে এসেছেন।তিনি বলেন,ডালপা বিল সত্যিই মনোমুগ্ধকর।তবে এখানে খাবারের ভালো আয়োজন নেই। পর্যাপ্ত নৌকাও নেই।এসবের আয়োজন থাকলে খুব ভালো লাগতো। নৌকায় দর্শনার্থীদের বিল ঘুরিয়ে দেখানো যুবকেরা বলেন, তাঁরা প্রতি ঘণ্টা নৌকায় ঘুরে বেড়ানোর…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দ্বীপ জনপদ কুকরি-মুকরি
  • newadminnewadmin
  • এপ্রিল ১২, ২০২৪

ভোলা প্রতিনিধি।।চর কুকরি মুকরি (Char Kukri Mukri) এর অবস্থান ভোলা শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপাসাগরের কোলঘেঁষা মেঘনা নদীর মোহনায়।যা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসাবে পরিচিত।বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দ্বীপ জনপদ কুকরি-মুকরি।ভোলার দক্ষিণ উপকূল চরফ্যাশনের ম্যানগ্রোভ বাগানকে সুন্দরবনের আদলে গড়ে তোলা হয়েছে। চর কুকরি মুকরি দ্বীপচর কুকরি মুকরি দ্বীপএক সময় এই চরে অধিক কুকুর ও ইঁদুর (এখানে মেকুর নামে পরিচিত) পাওয়া যেত,এ কারণেই এটি চর কুকরি মুকরি নামে স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে উঠে।১৯৮৯ সালের ১৪ মে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার একর জমিতে সংরক্ষিত শ্বাসমূলীয় ম্যানগ্রোভ জাতীয় বৃক্ষের বনায়ন শুরু হয়।চর কুকরি মুকরির বনভূমিতে স্থান পেয়েছে সুন্দরী, গেওয়া,পশুর,কেওড়া,নারিকেল,বাঁশ ও বেত।বর্তমানে কুকুরি মুকুরি চরে বনভূমির পরিমাণ ৮৫৬৫ হেক্টর,যার মধ্যে ২১৭ হেক্টর জমি বন্য প্রাণীর অভয়াশ্রম এবং বসতি ও কৃষি আবাদের জন্য প্রায় ৪ হাজার ৮১০ হেক্টর জমি রয়েছে।মাছ ধরা ও কৃষিকাজ চর কুকরি মুকরিতে বসবাসকারী মানুষের প্রধান পেশা। চর কুকরি মুকরির অভয়াশ্রমে প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে চিত্রা হরিণ,বানর,শিয়াল,উদবিড়াল,বন্য মহিষ-গরু,বন মোরগ, বন-বিড়াল প্রভৃতি।এছাড়া বক,শঙ্খচিল,মথুরা,বন মোরগ, কাঠময়ূর,কোয়েল ইত্যাদি নানান প্রজাতির পাখি ও সরিসৃপ রয়েছে।শীতকালের এই চর কুকরি মুকরিতে বিপুল পরিমানে অথিতি পাখির আগমন ঘটে।এছাড়া কুকরি মুকরি চরের সমুদ্র সৈকত নিরিবিলি ও পরিছন্ন।এর বনভূমিতে প্রায় ৯ কোটিরও বেশি জীবন্ত গাছ রয়েছে।চর কুকরিমুকরি বুক চিঁড়ে বয়ে যাওয়া ভাড়ানি খাল মেঘনা নদী হয়ে আছড়ে পড়েছে বঙ্গোপসাগরে।চরের বালিয়াড়ির ধরে ঢাল চর অতিক্রম করে সামনে এগোলেই বঙ্গোপসাগর।এখানেও কক্সবাজার কিংবা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের আবহ খুঁজে পাবেন।স্থানীরা এই জায়গাটিকে বালুর ধুম নামে চেনে।কুকরি মুকরির সাগরপাড় থেকেও সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্থের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়।চর কুকরি মুকরি যাবার উপযুক্ত সময় শীতকালে চর কুকরি মুকরির আসল সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।আবার এখানে ক্যাম্পিং…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ইসরাইলি হামলায় প্রায় ২৩ মিলিয়ন টন ধ্বংসাবশেষ তৈরি করেছ -জাতিসংঘ
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ১৫, ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।গাজায় পাঁচ মাস ধরে চলা ইসরাইলি হামলায় প্রায় ২৩ মিলিয়ন টন ধ্বংসাবশেষ তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসঙ্ঘের অনুমান ২৩ মিলিয়ন টন পরিমাণের এই ধ্বংসাবশেষ যার মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে অবিস্ফোরিত অস্ত্র এটি পরিষ্কার করতে কয়েক বছর সময় লাগবে। জাতিসঙ্ঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয়ের কার্যালয় (ওসিএইচএ) খনি অ্যাকশন অংশীদারদের সাথে গাজায় অবিস্ফোরিত অস্ত্রের হুমকির মূল্যায়ন করার জন্য কাজ করছে। এদিকে হামাস-পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলায় উপত্যকায় নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৩২ হাজারের কাছাকাছি।এছাড়া আরো ৭২ হাজার ৭৬০ জন আহত হয়েছে। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অন্য বছরের মতো এবার রমজান যাপনের সুযোগ নেই।কারণ, শত শত মসজিদ গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। নগর-ভবন মিসমার করা হয়েছে। তাই জীবন যাপনের অনুসঙ্গ সংকীর্ণ হয়ে এসেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, চলমান গাজা যুদ্ধে অন্তত ১২ হাজার ৩০০ শিশু মারা গেছে। সূত্র : আল-জাজিরা

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
পর্যটকদের কাছ থেকে নগদ টাকা এবং ১৭টি মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিয়েছে সশস্ত্র বাহিনী
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪

বান্দরবান প্রতিনিধি।।বান্দরবানের থানচি উপজলায় ভ্রমণকারী পর্যটকদের কাছ থেকে নগদ টাকা এবং ১৭টি মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিয়েছে সশস্ত্র বাহিনী। ছিনতাইকারীদের হাতে ৬টি অস্ত্র এবং জলপাই রঙের পড়নের পোষাকে কেএনএফ লেখা ছিলো বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পর্যটকরা। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে দূ্র্গম পর্যটন ম্পট ভেলাখুম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আইনশৃংখলা বাহিনী ও পর্যটকরা জানায়,থানচি উপজেলার তীন্দু ইউনিয়নের নাফাখুম পর্যটন স্পটে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভ্রমণে যান ২২ জনের দুটি পর্যটক গ্রুপ।যাদের মধ্যে ৪ জন নারী পর্যটকও ছিলো। নাফাকুম ভ্রমণ শেষে ২৫ ফেব্রুয়ারি গ্রুপগুলো দর্শণীয় স্থান ভেলাখুম ট্যুরিস্ট স্পটে ক্যাম্পিং করে।ঐদিন রাতে এগারোটার দিকে ৬ জনের একটি সশস্ত্র বাহিনীর সন্ত্রাসী দল তাদের ক্যাম্পে হানা দেয়। এ সময় পর্যটকদের সারিবদ্ধভাবে এক জায়গায় বসিয়ে রেখে তাদের কাছ ১ লাখ ৮১ হাজার টাকা এবং ১৭টি মোবাইলফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয় সশস্ত্র বাহিনী। ভুক্তভোগী পর্যটক গ্রুপের সদস্য অনিক মোদক বলেন, বান্দরবান ভ্রমণে এসে ভয়ঙ্কর অ্যাডভেঞ্চারের মুখোমুখি হলাম আমরা ২২ জন পর্যটক। প্রথমদিনে নাফাখুম ঘুরে টুইসা পাড়া হয়ে আমরা ভেলাখুমে রাত্রীযাপন করি। তখন রাতেরবেলায় ৬টি অস্ত্র এবং জলপাই রঙের পড়নের পোষাকে কেএনএফ লেখা একটি সশস্ত্র ডাকাতদল আমাদের জিম্মি করে জিনিসপত্র লুটে নেন। তবে আমাদের কারোর কোনো ক্ষতি করেনি।শুধুমাত্র স্থানীয় গাইড’কে মারধর করে সশস্ত্র বাহিনী।কোনো রকম রাত পেরিয়ে আমরা সাঁতরে ভেলাখুম পার হয়ে থানচিতে চলে আসি দ্রুত। বিষয়টি আমরা স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্প এবং প্রশাসনকে অবহিত করেছি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানচি উপজেলা ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ এসআই আনোয়ার হোসেন জানান,ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা ২২ জন পর্যটকের দুটি গ্রুপ রেমাক্রী ভ্রমণে যান। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃংখলা বাহিনীর কাছ থেকে তারা রেমাক্রী পর্যন্ত ভ্রমণের অনুমতি নিলেও পরবর্তীতে নাফাকুম, টুইসা পাড়া হয়ে ভেলাখুম পর্যটন স্পটে ঘুরতে যান।সেখানেই ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
প্রতি সপ্তাহের বুধবার ধানমন্ডি লেক ঘিরে পরিচালিত সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে-তাপস
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দূষণরোধ এবং পরিচ্ছন্ন রাখার স্বার্থে সপ্তাহের একদিন ধানমন্ডি লেক ঘিরে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ধানমন্ডি লেকে পরিচালিত বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে এসে এ কথা জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র বলেন,প্রতি সপ্তাহের বুধবার ধানমন্ডি লেক ঘিরে পরিচালিত সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।এ নিয়ম না মানলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানার পাশাপাশি কারাদণ্ডের ব্যবস্থা করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। এদিকে ধানমন্ডি লেককে আরও সুন্দর এবং আকর্ষণীয় স্পটে পরিবর্তনের লক্ষ্যে নজরুল সরোবর স্থাপনেরও ঘোষণা দেন মেয়র তাপস।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিগগিরই এর উদ্বোধন করবেন বলেও জানান তিনি।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
লোডশেডিংয়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেও কিছুটা সময় লাগবে-বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী,নসরুল হামিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক।।আগামী দুদিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহের উন্নতি হবে।তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও ১০ থেকে ১২ দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সেই সঙ্গে লোডশেডিংয়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেও কিছুটা সময় লাগবে।রবিবার সচিবালয়ে সভাকক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান। ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী গ্যাস পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে নসরুল হামিদ বলেন,আমাদের ওই রকম কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। একটা ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) বা ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল সরে গেছে। আরেকটি রয়ে গেছে।যেটা রয়ে গেছে সেটি দিয়ে আমরা দু-তিন দিনের মধ্যে গ্যাস চালু করতে পারব। যেটা খুলে গেছে সেটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ১০ থেকে ১২ দিন সময় লাগতে পারে।’ নসরুল হামিদ বলেন, ‘বিদেশি ডুবুরি আসবে; তারা গিয়ে কাজ করবেন।তবে আমরা মনে করি,আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা ওই রকম ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।শিগগিরই আমরা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারব।আরও দু-এক দিন সময় লাগতে পারে।’ এফএসআরইউ সরে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হবে কি না–জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন,একটি এফএসআরইউ হয়তো আমরা ঠিক করতে পারব না,৪০০ এমএমসিএফ (মিলিয়ন কিউবিক ফুট) গ্যাসের ঘাটতি থাকবে।আমি মনে করি,এখনকার পরিস্থিতি থাকবে না,উন্নতি ঘটবে।তবে কিছু কিছু জায়গায় প্রভাব থাকবে। সেটা খুব বেশি না।গতকাল (শনিবার) রাত থেকে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল,এটা কভার করে আগামী দুদিনের মধ্যে ভালো অবস্থানে যেতে পারব।’ দুটি এফএসআরইউ পুরোদমে চালুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,দুটি চালু হতে সময় লাগবে।একটা চালু হয়ে যাবে।আগামী দুদিনের মধ্যে জাহাজ চলে আসবে,গ্যাস আমরা দিতে পারব। আরেকটি চালু হতে ১২-১৫ দিন সময় লাগবে।’ নসরুল হামিদ বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে বিদ্যুতের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে,তা এখন পর্যন্ত খবর পাওয়া যায়নি, মনিটরিং করা হচ্ছে।পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’ তিনি বলেন, সুখবর হচ্ছে মোখার যে ভয়াবহতা আশঙ্কা করা হয়েছিল সেটা কেটে গেছে।ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও খুব…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভটির পাশেই মাটির নিচে স্বাধীনতা জাদুঘরটির অবস্থান
  • newadminnewadmin
  • এপ্রিল ২৬, ২০২৩

মাজহারুল ইসলাম।।ঢাকায় বেড়াতে আসা যুবক হৃদয় হোসেন। তার মতো আরও অনেকেই প্রথমবারের মতো ঘুরতে এসেছেন দেশের প্রথম ও একমাত্র এই মাটির নিচের স্বাধীনতা জাদুঘর দেখতে।এর পাশ দিয়ে এতবার গিয়েছি, কিন্তু জানতামই না যে এখানে মাটির নিচে এমন একটা আস্ত জাদুঘর আছে। আরও অবাক হয়েছি যে, এই জাদুঘরে ঢুকতে কোনও টাকাও খরচ করতে হয় না’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভটির পাশেই মাটির নিচে এই স্বাধীনতা জাদুঘরটির অবস্থান।শিখা অনির্বাণ থেকে সোজা স্বাধীনতা স্তম্ভের দিকে হেঁটে গেলে হাতের বামে জাদুঘরের প্রবেশ পথ।সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতেই চোখে পড়বে বিশাল এক গ্যালারি।সেখানকার দেয়ালে সাঁটানো বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের বিভিন্ন ধাপের বিভিন্ন চিত্র।পাশাপাশি ফ্লোরেও কাঁচের ফ্রেম করে বসানো হয়েছেন নানান দুর্লভ চিত্র। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সেখানে গিয়ে দেখা যায়, অনেকেই ঘুরতে এসেছেন জাদুঘরে।অনেকের সঙ্গেই কথা বলে জানা গেলো,এমন একটি জাদুঘর এখানে থাকলেও অনেকেই সেভাবে জানেন না।তাই দর্শনার্থী কিছুটা কমই আসেন।তবে এবারের ঈদের ছুটিতে অনেকেই এসেছেন এখানে ঘুরতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় কর্মব্যস্ত জীবন শুরু করেছেন কর্মজীবীরা।আবার যারা বাড়তি ছুটি নিয়েছেন,তারা এখনো ঘুরেফিরে বেড়াচ্ছেন রাজধানীর বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে।আবার অনেকেই ছুটিতে আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় ঘুরতে এসেছেন।পরিবার কিংবা বন্ধুদের নিয়ে তাদের ঘোরাঘুরি এখনও চলছে। ছুটি পেয়ে অনেকে পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে এসেছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।অনেকেই আবার এসেছেন শাহবাগের শিশুপার্কে।পার্কটি বন্ধ থাকায় আশপাশে ঘোরাঘুরি করে গিয়েছেন স্বাধীনতা জাদুঘরে।   রাজধানীর বাসাবো এলাকা থেকে স্বাধীনতা জাদুঘরে ঘুরতে এসেছেন আলী হোসেন।তিনি জানান, এই জাদুঘরে এর আগে একবার এসেছিলেন।এবার এসেছেন বন্ধুদের নিয়ে।এর আগেরবার এসে জাদুঘরে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। সেই ছবি দেখে বন্ধুরা এখানে আসার কথা জানায়।তাই এবার বন্ধুদের নিয়ে এখানে এসেছেন।   চট্টগ্রাম থেকে আসা হৃদয় হোসেন বলছিলেন, ‘আমি আগে কখনও এখানে আসিনি।ফেসবুকে বন্ধুর ছবি দেখে এখানে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
রাজধানীতে ঈদের ছুটিতে ঘুরতে যেতে চান নিরিবিলি ও মনোরম ১০টি দার্শনিক স্হান
  • newadminnewadmin
  • এপ্রিল ২২, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ঈদের ছুটিতে বেশিরভাগ মানুষই গ্রামে ছুটেন।তবে যারা রাজধানীতে ঈদের ছুটি কাটাবেন ও আশপাশে কোথাও ঘুরতে যেতে চান, তারা চাইলে ঘুরে দেখতে পারেন ১০ স্পট।রইলো ঢাকার আশপাশের নিরিবিলি ও মনোরম ১০ স্থাওনের খোঁজ। পরিবার কিংবা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে দল বেঁধে ঘুরে আসতে পারেন এসব স্পটে।       মৈনট ঘাট ভালোবাসা দিবসে চাইলে প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন মৈনট ঘাটে।ঢাকার খুব কাছেই এই স্থানটি ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে পরিচিত। ঢাকার খুব কাছাকাছি হওয়ায় ২ ঘণ্টার মধ্যেই আপনি মিনি কক্সবাজারে যেতে পারবেন। তাও আবার মাত্র ৯০ টাকায়।   সারাদিন ঘুরে সন্ধ্যায় আবার ঢাকায় ফিরেও আসতে পারবেন।ঢাকার দোহার উপজেলার পশ্চিম প্রান্ত ঘেঁষে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীর কোলে মৈনট ঘাট।দোহার থেকে দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। নদীর ওপারে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন। কার গুলিস্তান থেকে সরাসরি পাকা রাস্তা আছে ঘাট পর্যন্ত।এ রুটে বাস সার্ভিসও চালু আছে বহুদিন ধরে। ঢাকা থেকে বাসে যেতে সময় লাগে ২-৩ ঘণ্টা। তবে ছুটির দিনে রাস্তা ফাঁকা থাকলে দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব। মৈনট ঘাটে যাবেন কীভাবে?ঢাকা থেকে মৈনট ঘাটে যাওয়ার সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায় হচ্ছে- গুলিস্তানের গোলাপ শাহর মাজারের সামনে থেকে সরাসরি মৈনট ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া যমুনা পরিবহনে চেপে বসা। ফেরার সময় একই বাসে আবার ঢাকা চলে আসবেন। মৈনট থেকে ঢাকার উদ্দেশে শেষ বাসটি ছেড়ে আসে সন্ধ্যা ৬টায়।গুলিস্তানের একই স্থান থেকে এন মল্লিক পরিবহনেও যেতে পারবেন।এক্ষেত্রে আপনাকে নামতে হবে নবাবগঞ্জের মাঝিরকান্দায়।ভাড়া পড়বে ৭০ টাকা। পানাম নগর, প্রবেশমূল্য ১৫ টাকা ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ফান্ড ২০০৬ সালে বিশ্বের ধ্বংসপ্রায় ১০০টি ঐতিহাসিক নগরের তালিকা প্রকাশ করে।সেই তালিকায় স্থান করে নেয় বাংলার এক নগর।যাকে আমরা সবাই চিনি পানাম নগর নামে। ঢাকার খুব কাছেই, মাত্র ২৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে নারায়ণগঞ্জের খুব কাছে সোনারগাঁতে অবস্থিত এই নগর। ঐতিহাসিক স্থানে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
কুয়াকাটায় পর্যটক না থাকায় অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দোকান খুলছেন না
  • adminadmin
  • এপ্রিল ১১, ২০২৩

কুয়াকাটা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।।সাগরকন্যা কুয়াকাটার আবাসিক হোটেলগুলোতে ৫০% ছাড় দেওয়া হয়েছে।তবুও দেশের আকর্ষণীয় এই পর্যটন কেন্দ্রে আসছেন না ভ্রমণপিপাসুরা।চলতি রমজান মাসের শুরু থেকেই পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের নয়নাভিরাম দৃশ্য অবলোকনের এই সৈকতে।এ জন্য পর্যটকদের টানতে ছাড় দিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,রমজানের আগে ছুটির দিনগুলোতে আবাসিক হোটেলে কক্ষ সংকটে পড়েছেন অসংখ্য পর্যটক।কমিউনিটি ট্যুরিজমের আওতায় অনেক পর্যটক আশ্রয় নিতেন আশেপাশের বাসাবাড়িতে।অনেকে আবার খোলা আকাশের নিচে,বাসের মধ্যে,সৈকতের বেঞ্চে রাতযাপন করেছেন।কিন্তু এখন সেই চিত্র একেবারেই উল্টো।পর্যটক না থাকায় অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দোকান খুলছেন না।ফলে চরম বেকাদায় পড়েছেন পর্যটন খাতের সঙ্গে যুক্ত নিম্ন আয়ের মানুষরা। শুক্রবার শেষ বিকালে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে দেখা গেছে, জিরো পয়েন্ট এলাকায় ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্সের সামনে তিন জন পুলিশ সদস্য বসে আছেন।সৈকতে মোটরসাইকেল রেখে কয়েকজন চালক আড্ডা দিচ্ছেন।একটু দূরে কয়েকজন ফটোগ্রাফার ক্যামেরা নিয়ে বসে বসে আয়-ব্যয়ের হিসাব মিলাচ্ছেন।আর গোটা সৈকতে ৪০ থেকে ৫০ জন পর্যটক ঘুরে বেড়াচ্ছেন।তাদের মধ্যে ছিলেন কাওসার আহমেদ ও লিমা আক্তার দম্পতি।তারা গাজীপুর থেকে এসেছেন।কথা হয় তাদের সঙ্গে।কাওসার আহমেদ বলেন,‘এই প্রথম কুয়াকাটায় এসেছি।কোথাও কোনও ঝামেলা হয়নি।এখানকার পরিবেশ খুব ভালো।সৈকতের মনোমুগ্ধকর পরিবেশে ঘুরতে বেশ ভালোই লাগলো।তবে পর্যটক না থাকায় সবকিছু ফাঁকা ফাঁকা মনে হচ্ছে।’ সৈকতের জিরো পয়েন্ট,লেবুর বন,শুঁটকি পল্লী,লাল কাকড়ার চর,মিশ্রীপাড়া বৌদ্ধ মন্দির,কাউয়ারচর,গঙ্গামতিসহ সব দর্শনীয় স্থান পর্যটকশূন্য।গুটিকয়েক ফুচকা বিক্রেতা দোকান খুলে বসে আছেন।সৈকতের ভাসমান দোকান,শুঁটকি মার্কেট, ঝিনুক মার্কেট,রাখাইন নারী মার্কেটে পর্যটকদের আনাগোনা নেই। আগের মতো নেই হইচই কোলাহল। সৈকতের ফটোগ্রাফার বেল্লাল হোসেন বলেন,রমজানের আগে প্রতিদিন গড়ে ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা আয় হতো।এখন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আয় করতে কষ্ট হয়।রমজানের শুরু থেকেই পর্যটকদের সংখ্যা কমে গেছে। এখন বাজার-সদায় কিনতে কষ্ট হয়।ঈদের বাজার কীভাবে করবো জানি না।’ ফুচকাবিক্রেতা নিজাম উদ্দিন বলেন,রমজানের আগে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা আয় হতো।এখন…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
৪০ হাজার টাকার মধ্যে বিদেশে বেড়াতে যাওয়ার সেরা ৫টি স্থান
  • adminadmin
  • এপ্রিল ৯, ২০২৩

মাজহারুল ইসলাম।।৪০ হাজার টাকার মধ্যে বিদেশে বেড়াতে যাওয়ার সেরা ৫টি স্থান।এই বাজেট নিয়ে কোথায় ঘুরবেন তা খুঁজে হয়রান?তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য। মজার বিষয় হচ্ছে,আপনি কিন্তু এই বাজেটেই বিভিন্ন দেশ ঘুরে দেখতে পারবেন।তবে এটা সম্ভব হবে যদি দেশটি বাংলাদেশের কাছাকাছি হয় এবং আপনি কোনো ট্রাভেল এজেন্সির ট্যুর প্যাকেজের অংশ হয়ে যান।একা ভ্রমণের থেকে কোনো গ্রুপের অংশ হয়ে ঘুরতে গেলে তুলনামূলকভাবে খরচ কমানো যায়। চলুন দেখে নিই ৪০ হাজার টাকার মধ্যে বিদেশে বেড়াতে যাওয়ার সেরা ৫টি স্থান। ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং:- আপনি যদি পাহাড় ভালোবাসেন,তবে দার্জিলিং ও কালিম্পং যেতে পারেন ঘুরতে।জনপ্রতি ২২ হাজার ৯৯৯ টাকা থেকে শুরু হওয়া ৫ দিনের ট্যুর প্যাকেজে একটি থ্রি স্টার হোটেলে থাকার ব্যবস্থা,প্রতিদিন সকালে বুফে নাস্তা,রেস্টুরেন্টে দুপুরের ও রাতের খাবার এবং ইংরেজিভাষী গাইড সেবা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।দার্জিলিংয়ে পাহাড়,রিসোর্টের পাশাপাশি ঘুম মনাস্ট্রি, বাতাসিয়া লুপ,জাপানিজ টেম্পল এবং আরও অনেক জনপ্রিয় পর্যটন স্পট দেখতে পারবেন। শহরের কোলাহল থেকে মুক্তি পাওয়ার সেরা উপায় হতে পারে এটি। থাইল্যান্ডের ব্যাংকক:- ২ রাত-৩ দিনের প্যাকেজে প্রাণবন্ত শহর ব্যাংককের অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন আপনিও।২৯ হাজার ৯৯৯ টাকা থেকে শুরু হওয়া আপনার সব ভ্রমণ ট্যাক্সসহ রিটার্ন এয়ার টিকিট,থ্রি স্টার হোটেলে টুইন-শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে থাকার ব্যবস্থা,বিমানবন্দর-হোটেল-এয়ারপোর্ট আসা যাওয়া,ভ্রমণসূচি অনুযায়ী দর্শনীয় স্থানগুলো দেখার সুযোগ এবং প্রতিদিন সকালে বুফে নাস্তাসহ নির্দিষ্ট সময়ে খাবার—সবই পেয়ে যাবেন এই প্যাকেজে।শহরের বিখ্যাত ভাসমান বাজার ঘুরে দেখা, ওয়াট অরুণ,জেমস গ্যালারি দেখা এবং আরও অনেক কিছু পাবেন এই প্যাকেজে।যারা কম খরচে ব্যাংককে দ্রুত এবং ঝামেলামুক্ত ট্রিপ দিতে চান তাদের জন্য এটি। ভারতের সিকিম:- আপনি যদি প্রকৃতিপ্রেমী হন,তাহলে ৩ রাত ৪ দিনের এই ট্যুর প্যাকেজ আপনার জন্য উপযুক্ত।জনপ্রতি ২৭ হাজার টাকা থেকে শুরু হওয়া এই প্যাকেজে আপনি একটি থ্রি স্টার হোটেলে আরামদায়ক থাকার ব্যবস্থা,প্রতিদিন…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সুস্থ হওয়ার পর সেই কাক বন্ধু হয়ে তারেকের বাসায় থেকে যায়
  • adminadmin
  • মার্চ ২৬, ২০২৩

বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি।।যুবক তারেক বিন সুলতান বছর খানেক আগে আহত একটি কাক পাখিকে বাসায় নিয়ে আসেন।সুস্থ হওয়ার পর সেই কাক বন্ধু হয়ে তারেকের বাসায় থেকে যায়।মোংলায় এমনই এক ঘটনার জন্ম দিয়ে সাড়া ফেলেছে একটি কাক পাখি। ইন্টারনেট সূত্রে জানা যায়,কালো কাক পাখি আলাদা আলাদা মানুষের মুখের আকৃতি মনে রাখতে পারে।এছাড়া অন্যান্য প্রাণীদের অনুকরণ করার পাশাপাশি কাক মানুষকে অনুকরণ করতেও পারে।কাক সাধারণত সারা জীবন একই সঙ্গীর সঙ্গে থাকে।তবে খুব সহজে পোষ না মানা কাক পাখিই কিনা এবার মানুষের বন্ধু হয়ে গেলো। মোংলা পৌর শহরের জয়বাংলা সড়কের বাসিন্দা মো. সুলতানের ছেলে তারেক বিন সুলতান প্রায় এক বছর আগে একটি কাকের বাচ্চা পাখিকে তাদের গাছের নিচে দেখতে পান।সেটির কাছে গিয়ে তিনি দেখেন বাচ্চা কাক পাখিটি আহত অবস্থায় পড়ে আছে।এরপর বাসায় নিয়ে এসে চিকিৎসা দেন তিনি।প্রায় ১৫ দিনের মধ্যে পাখিটি সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে তারেক ভেবেছিলেন সুস্থ হওয়ার পর পাখিটি তার আপন ঠিকানায় ফিরে যাবে।কিন্তু ঘটনা ঘটলো উল্টো।পাখিটির সঙ্গে তারেকের ভালো বন্ধুত্ব সম্পর্ক গড়ে ওঠে।যে কারণে প্রায় এক বছর হলেও কাক পাখিটি তারেককে ছেড়ে যায়নি। তারেক বিন সুলতান বলেন,মানবিক দায়িত্ব থেকে আহত কাক পাখিটিকে চিকিৎসা দেই।তবে বন্ধুত্বের ব্যাপারে ভাবিনি। কাকটি প্রায় এক বছর ধরে আমার সঙ্গেই আছে।আমি তাকে সিদ্ধ ডিম,মাছ ও মাংস খেতে দেই।সারাদিন আকাশে ঘুরে বেড়িয়ে ও আবার আমার বাসায় চলে আসে। কাক পাখির সঙ্গে তারেকের বন্ধুত্বের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল।ভিডিওতে দেখা যায় তারেকের মুখে কোন খাবার নিয়ে কাকটিকে খেতে দিলে সে তার মুখ থেকে সেই খাবারও খাচ্ছে।এমনকি তারেক কোথাও গেলে কাক পাখিটি তাকে অনুসরণ করে। তবে তারেক পাখিটিকে আটকে রাখতে চান না।বরং উড়ে যাওয়ার জন্য পাখিটিকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন তিনি।তিনি বিশ্বাস করেন স্বাধীনতার মধ্যে এই প্রকৃত…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
১৩ পরিবারের যেকোনো একটির সুদৃষ্টি থাকলেই সেন্টমার্টিনে যেকোনো বৈধ-অবৈধ ব্যবসা করা যায়!
  • adminadmin
  • মার্চ ৮, ২০২৩

মাজহারুল ইসলাম।।কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপ একটি পর্যটন এলাকা।এখানে জমি কেনা-বেচা,হোটেল-রিসোর্ট কিংবা যে কোনো ধরনের ব্যবসা করতে গেলে প্রয়োজন হয় সেখানকার ১৩ পরিবারের সুদৃষ্টি।১৩ পরিবারের যেকোনো একটির সুদৃষ্টি থাকলেই দ্বীপটিতে যেকোনো বৈধ-অবৈধ ব্যবসা করা যায়।বলতে গেলে ৫০ বছর ধরে সেন্টমার্টিন দ্বীপ শাসন করে আসছেন ওই ১৩ পরিবার।এসব অভিযোগ করেছেন সেখানকার ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। জানা গেছে,সেন্টমার্টিন দ্বীপের হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসার বেশির ভাগেরই মালিক ওই ১৩ পরিবারের সদস্যরা।তাদের একচেটিয়া ব্যবসার কারণে জিম্মি পর্যটকরা।পর্যটকদের কাছ থেকে যেমন ইচ্ছা তেমনভাবে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। পর্যটকরা কারও কাছে প্রতিকারও চাইতে পারছেন না। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন,সেন্টমার্টিনের উন্নয়নে আমরা কাজ করছি।তবে কিছু সমস্যা রয়ে যাচ্ছে। দ্বীপে অবৈধভাবে কেউ যেন হোটেল-রিসোর্টসহ অন্যান্য স্থপনা নির্মাণ করতে না পারে সেদিকে আমাদের দৃষ্টি থাকে। ১৩ পরিবারের বিষয়ে তিনি বলেন,পরিবারগুলোর কর্তাব্যক্তিরা এখন আর কেউ বেঁচে নেই।তাদের স্বজনরা আছেন।তারা তাদের জায়গা-জমি কেনা-বেচা করেন। চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আনোয়ার হোসেন বলেন,সেন্টমার্টিনে পর্যকটদের নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।তাদের জিম্মি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পর্যটকরা কোনো সমস্যায় পড়লে তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবহিত করার অনুরোধ জানান তিনি। ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা জানান,সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রতিদিন কয়েক হাজার পর্যটক আসা-যাওয়া করেন।এখানে যোগাযোগ, চিকিৎসা,শিক্ষা,নিরাপত্তাসহ অনেক সমস্যা রয়েছে। যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় সমস্যা হচ্ছে জাহাজভাড়া।তার সঙ্গে রয়েছে ঘাটে চাঁদাবাজি।বর্তমানে টেকনাফের দমদমিয়া থেকে জাহাজভাড়া যাওয়া-আসা জন প্রতি ১২০০ টাকা।কোনো কোনো ক্ষেত্রে গুনতে হয় তিন হাজার টাকা।এছাড়া ঘাটের ইজারাও বেশি আদায় করা হচ্ছে।সেন্টমার্টিন থেকে ছেড়াদ্বীপে যাওয়ার ভাড়াও বেশি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্পিডবোটচালক বলেন,এখানে স্থানীয় নেতাদের প্রতি মাসে চাঁদা দিতে হয়।ওই ১৩ পরিবারের কেউ না কেউ চাঁদা তোলেন।তারা নিজেদের শ্রমিক লীগের নেতাকর্মী দাবি করেন।চাঁদার কারণে পর্যটকদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া নিতে হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান,ওই ১৩…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
পর্যটকদের দেয়া হবে নগদ ১৭হাজার টাকা
  • adminadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।কথায় আছে মানুষ সুন্দরের পূজারী। সুন্দরের সন্ধানে সাত-সাগর,তের নদী পাড়ি দেওয়ার কিচ্ছা-কাহিনিও যে কত আছে তার হিসাব নেই।সুন্দর জায়গার সন্ধানে কিংবা জীবনের খানিকটা সময় স্বপ্নের মতো সুন্দর জায়গায় কাটানোর শখ হয়তো সবার মধ্যেই জাগে। তবে সেক্ষত্রে অন্যতম বাধা হয়ে দাঁড়ায় টাকা। টাকার অভাবে অনেকে বিদেশ তো দূরের কথা,নিজের দেশটাও ভালোভাবে ঘুরে দেখতে পারেন না।তবে এবার ব্যতিক্রম উদ্যোগ নিয়েছে চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তাইওয়ান।সেখানে ভ্রমণ করতে হলে আপনাকে টাকা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না,বরং উল্টো আপনাকেই টাকা দেওয়া হবে। অবিশ্বাস্য হলেও বিষয়টি সত্য।স্বশাসিত এ দ্বীপের নতুন সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী,সেখানে ঘুরতে গেলে একজন পর্যটক ১৬৫ মার্কিন ডলার পাবেন,যা বাংলাদেশি ‍হিসাবে প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার টাকা।এমনকি কেউ যদি দল বেঁধে তাইওয়ান ভ্রমণে যান,তাদেরও নগদ অর্থ দেওয়া হবে। পর্যটক আকর্ষণে উচ্চাভিলাষী এ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) তাইওয়ানের সরকারপ্রধান চেন চিয়েন-জেন ঘোষণা দেন,২০২৩ সালে ৬০ লাখ পর্যটক আকর্ষণের লক্ষ্য নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ২০২৫ সালের মধ্যে এ সংখ্যা এক কোটিতে নেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। তাইওয়ানের পর্যটন ব্যুরোর ঘোষণা অনুযায়ী, একজন পর্যটককে পাঁচ হাজার তাইওয়ানি ডলার দেওয়া হবে।মোট পাঁচ লাখ পর্যটককে এই নগদ প্রণোদনা দেওয়া হবে।এছাড়া দল নিয়ে অর্থাৎ কয়েকজন মিলে তাইওয়ানে ঘুরতে যাবে এমন ৯০ হাজার পর্যটক দলের প্রতিটি দলকে ২০ হাজার তাইওয়ানি ডলার নগদে দেওয়া হবে। এর আগে বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) তাইওয়ানের যোগাযোগমন্ত্রী ওয়াং কুয়ো-সাই বলেছিলেন,তাইওয়ানে আসা পর্যটকদের ডিজিটাল মাধ্যমে নগদ প্রণোদনার অর্থ দেওয়া হবে।অবশ্য এ অর্থ তাইওয়ানেই খরচ করতে হবে। পর্যটকরা তাইওয়ানে ঘুরতে গিয়ে থাকা–খাওয়া বা পরিবহন খরচের ক্ষেত্রে এ অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন। তবে কবে থেকে পর্যটকদের নগদ অর্থ দেওয়া হবে ও কীভাবে অর্থ পাওয়ার আবেদন করতে হবে,তাইওয়ানের সরকারের পক্ষ থেকে তা জানানো হয়নি।…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

তেহরানে হামলায় একজন চীনা নাগরিক নিহত, বেইজিংয়ের যুদ্ধবিরতি আহ্বান
ফিলিস্তিনে মসজিদুল আকসা বন্ধ, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের অজুহাত
জয়পুরহাটে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নারী আক্রমণ: পুরুষের বিশেষ অঙ্গ কেটে দিলেন ভুক্তভোগী
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক
বিএনপির মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি
ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল
সংবিধানের বাইরে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে ঢাকায় ১০২টি ফ্লাইট বাতিল
নতুন সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ থেকে বিরত থাকার চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে
কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসে ইরানি মিসাইল হামলা, জরুরি সতর্কতা
সৈয়দপুরে ব্যাংকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
ঢাকায় নারী যাত্রীদের জন্য বিশেষ বাস চালু করতে যাচ্ছে সরকার
মেহেন্দিগঞ্জে গরুচুরি চাঞ্চল্য: ৭টি গরু উদ্ধার, একজন আটক
কুয়েতের আকাশে মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলটদের নিরাপদ উদ্ধার
সৌদির বৃহত্তম তেল শোধনাগারে ইরানের ড্রোন হামলা, সাময়িকভাবে বন্ধ কার্যক্রম
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের হামলার নিন্দা: যুক্তরাষ্ট্রসহ ৭ দেশের যৌথ বিবৃতি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি
চার আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপি প্রার্থীদের আবেদন
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন কাঠামো নির্ধারণ, নতুন নীতিমালা গেজেট প্রকাশ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকা হত্যা: দ্বিতীয় স্বামী আটক, তদন্তে নতুন মোড়
ইরানের পাল্টা হামলায় ইউএইতে হতাহত, নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি
গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে কাজ করছে বাংলাফ্যাক্ট, সচেতনতার আহ্বান
শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত সংস্কার ও দ্রুত কারিকুলাম প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
রমজানের পর সিটি করপোরেশন নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার
জেলা ও উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি সংশোধন করে পুনর্গঠন
৫ জেলার ডিসি ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যাহার
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তি: এম সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্য ও অস্ত্র লুটের তথ্য যাচাই
মেহেন্দিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, অভিযানে ৬ জন আটক
ক্ষমার মাধ্যমে ইতিহাস গড়া নেতা: নেলসন ম্যান্ডেলার মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত
বিএনপি সরকারের দৃষ্টি অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ নিয়ে
ছোট ভাইয়ের সিট এভাবে কেড়ে না নিলেও পারতেন, আব্বাস ভাই বললেন, দুষ্টুমি করবা না: পাটওয়ারী
গোবিন্দগঞ্জে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার
নিউমার্কেটে আধুনিক ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার ঘোষণা
নওগাঁর ধামরহাটে অনন্য ও চাঞ্চল্যকর পারিবারিক ঘটনা
দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক খানের জেলমৃত্যু – স্বাস্থ্য উপেক্ষা ও রাজনৈতিক নিপীড়ণের অভিযোগ
ড. ইউনূস ছাড়লেন সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’
মেহেন্দিগঞ্জে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা: দুই মাসের মধ্যে তদন্ত শেষের নির্দেশ
মেহেন্দিগঞ্জবাসীর উন্নয়ন দাবিতে প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের কাছে স্মারকলিপি
ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের আশ্বাস, ২০২৭ সালে ভর্তি শুরুর আশা
আদালত বর্জনের কারণ ও স্থগিত ঘোষণা: বরিশাল আইনজীবীদের কর্মসূচি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
পাবনায় দাদি হত্যার পর নাতনিকে ধর্ষণ ও হত্যা: এলাকায় চরম ক্ষোভ
তিন মাসেও সন্ধান মেলেনি লালমাইয়ের মাদ্রাসাছাত্রীর
ডান্ডাবেড়ি ব্যবহারে বিতর্ক: আইন, আদালতের নির্দেশনা ও বাস্তবতার দ্বন্দ্ব
সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা, প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন
বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙতেই হবে
শিশু নির্যাতন: ন্যায়বিচারের অভাবের চরম লজ্জা
দেশের সব বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও হাইস্পিড ট্রেনে ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা হবে
নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় কিশোরী আমেনা বেগমকে হত্যা, বিএনপি নেতাসহ ৫ গ্রেফতার
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত
কুষ্টিয়ায় ফুফাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আইনগত ব্যবস্থা দাবি
মেহেন্দিগঞ্জে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
⚖️ আদালতের মর্যাদা বনাম ক্ষমতার প্রদর্শনী: বরিশাল ঘটনা সতর্কবার্তা
বরিশাল আদালতে হট্টগোল: বিচারকের ওপর হুমকি, ১২ আইনজীবীর সনদ বাতিলের সুপারিশ