Top Tags
সর্বশেষ সংবাদ
মেহেন্দিগঞ্জে ৬টি হাইস্কুলের শিক্ষকদের সনদে জালিয়াতির প্রমাণ, তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ কমিটিব্যাংক কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহারের নির্দেশযুক্তরাষ্ট্র থেকে মোংলা বন্দরে এলো ৫৮ হাজার মেট্রিক টন গমমোংলায় ডিউটিরত অবস্থায় কোস্ট গার্ড সদস্যের গুলিতে মৃত্যুরাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের মতো ছাড় চাইল বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধসংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩ অধ্যাদেশ, ৩০ দিনের মধ্যে বিল পাসের চ্যালেঞ্জময়মনসিংহে ডাকাতি হওয়া ট্রাকভর্তি ১৯টি গরু উদ্ধারজনসম্মুখে অশালীন আচরণের অভিযোগে রাশিয়ান মডেলকে লিগ্যাল নোটিশরাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ভাষণ বিতর্ক – সংবিধান, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটরাষ্ট্রপতি ভাষণ বিতর্ক – সংবিধান, আইন ও নৈতিক দায়িত্বের পরীক্ষাদমন, দ্বৈতমান, এবং সরকারের নীরবতাজামেয়া আহমদিয়া দায়েম নাজির জামে মসজিদে খতিব, ইমাম ও হাফেজদের সম্মাননা প্রদানবগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ নির্বাচনে গণভোট থাকছে না: ইসিক্রাইম রিপোর্টারের দায়িত্ব ও প্রয়োজনীয় গুণাবলিসংসদ সদস্যদের মার্জিত ও সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানপ্রতিশ্রুত ঋণ না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ট্রি খামারি, আমব্রেলা ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগপুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বাননারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া পিস্তল ও গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনে পার্বতীপুরে পৌঁছেছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ শিরোনাম

সর্বশেষ সংবাদ

আজকের সর্বশেষ সংবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে জালিয়াতির প্রমাণ পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠিত একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি।বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে,উপজেলার শ্রীপুর মহিষা ওহেদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়াশোনা করেও পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।পরে অভিভাবকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় সামনে আসে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,২০২০ সাল থেকে একাধিকবার তথ্য অধিকার আইনের আওতায় ২০১১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি,পরীক্ষার্থী সংখ্যা,পাসের হার,শিক্ষক-শিক্ষিকার নিয়োগ পদ্ধতি ও যোগ্যতা, প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়সহ বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা সরবরাহ করেনি। এমনকি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন জমা দিয়ে রিসিভ কপি সংরক্ষণ করা হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন খানকে শিক্ষক নিয়োগ ও কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজেকে অসহায় দাবি করেন।এ সময় তিনি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. হারুন অর রশীদ মোল্লা এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর ওপর দায় চাপিয়ে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে,চলতি বছর অনুষ্ঠিত নির্বাচনী (বাছাই) টেস্ট পরীক্ষায় মাত্র ৭ জন শিক্ষার্থী পাস করলেও প্রতিটি বিষয়ে ১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে প্রায় ৯০ জন শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করা হয়েছে।এ সময় প্রতিজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন অভিভাবকরা।

বিষয়টি ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে আনা হয়েছে।জানা গেছে,মেহেন্দিগঞ্জের ৬টি বিদ্যালয়সহ সারাদেশের মোট ৭৩৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।

এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি,অনিয়ম,কোচিং ও নিয়োগ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর অভিযানে নেমেছে বলে জানা গেছে।

বিস্তারিত আসছে—প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে।এর অংশ হিসেবে ব্যাংক কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।প্রয়োজনে কার-পুলিং (শেয়ারিং) পদ্ধতি ব্যবহার করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনার মূল বিষয়গুলো

🔹 এসির তাপমাত্রা: ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা যাবে না।

🔹 বিদ্যুৎ সাশ্রয়: অপ্রয়োজনে লাইট, ফ্যান, এসি ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ রাখতে হবে।

🔹 দিনের আলো ব্যবহার: অফিসে দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

🔹 জ্বালানি সাশ্রয়: ব্যক্তিগত গাড়ি কম ব্যবহার করে গণপরিবহন বা কার-পুলিং ব্যবহার করতে হবে।

🔹 আলোকসজ্জা নিয়ন্ত্রণ: ব্যাংকের অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা ও ডিসপ্লে বোর্ড সীমিত করতে হবে।

🔹 জেনারেটর ব্যবহারে সাশ্রয়: জ্বালানি ব্যবহার কমাতে সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

কেন এই নির্দেশনা

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে,বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।তাই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহারের জন্য এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

📅 বুধবার (১১ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়।

⚖️ ব্যাংক কোম্পানি আইন,১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

Loading

মোংলা প্রতিনিধি।।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৮ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন গম নিয়ে এমভি ক্যালিপসো এন নামের একটি জাহাজ মোংলা বন্দরের বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে।

বুধবার (১১ মার্চ) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ভিত্তিক নগদ ক্রয় চুক্তি জি-টু-জি–০৩ এর আওতায় এ গম আমদানি করা হয়েছে।

এর আগে জি-টু-জি–০১ ও জি-টু-জি–০২ চুক্তির আওতায় আমদানিকৃত সব গম দেশে পৌঁছেছে। এর মধ্যে জি-টু-জি–০১ চুক্তির আওতায় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন এবং জি-টু-জি–০২ চুক্তির আওতায় ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৯ মেট্রিক টন—মোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়,দেশে মোট গমের চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন।এর মধ্যে দেশে উৎপাদন হয় প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন।বাকি চাহিদা পূরণে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিদেশ থেকে গম আমদানি করা হয়।

মোংলা বন্দরে পৌঁছানো জাহাজের গমের নমুনা পরীক্ষার কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং দ্রুত গম খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Loading

মোংলা(বাগেরহাট)প্রতিনিধি।।বাগেরহাটের মোংলায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দফতরের গার্ড রুমে ডিউটি পালনকালে নিজের অস্ত্রের গুলিতে সালেহ আহমেদ (৪২) নামে এক কোস্ট গার্ড সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দফতরের গার্ড রুমে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।এ সময় তিনি নিজের কাছে থাকা অস্ত্র বুকে ঠেকিয়ে গুলি করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

গুলির শব্দ শুনে আশপাশে থাকা কোস্ট গার্ড সদস্য ও কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত খুলনার উপশম হাসপাতালে নেওয়া হয়।সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান জানান,কোস্ট গার্ড সদস্য সালেহ আহমেদ নিজের হাতে থাকা অস্ত্র বুকে ঠেকিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হবে।

তিনি আরও জানান,ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং জাতীয় অর্থনীতিকে সহায়তা দিতে ভারতের মতো বাংলাদেশকেও রাশিয়ার তেল কেনার ক্ষেত্রে অস্থায়ী ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ⛽🌍

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার সময় এই বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে।বুধবার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর নিজের দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন,ভারতকে ইতোমধ্যেই রাশিয়ার তেল কেনার ক্ষেত্রে অস্থায়ী ছাড় দেওয়া হয়েছে।একই ধরনের সুযোগ বাংলাদেশকেও দেওয়া উচিত বলে যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন,“আমরা বলেছি, যদি ভারতের জন্য এমন সুযোগ থাকে, তাহলে বাংলাদেশও সেই সুযোগ পাওয়া উচিত। আমাদের অর্থনীতির জন্য শক্তিশালী সমর্থন প্রয়োজন।”

অর্থমন্ত্রী জানান,বাংলাদেশের এই অনুরোধ ইতোমধ্যেই ওয়াশিংটনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং সেখান থেকে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে সরকার।

বৈঠকে জ্বালানি সহযোগিতা,বিনিয়োগ,সম্ভাব্য দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি এবং সরকারি সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে,রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার কারণে অনেক দেশ বিকল্প উৎস খুঁজছে। এ প্রেক্ষাপটে স্বল্পমূল্যে জ্বালানি আমদানির সুযোগ পেতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ। ⚖️📊

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ আগামী ১২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩(২) অনুযায়ী,সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ সংসদে পেশ করে আইনে রূপান্তর করতে হবে।

সরকারি সূত্র জানায়,অন্তর্বর্তী সরকার তাদের ৫৫৯ দিনের শাসনামলে এসব অধ্যাদেশ জারি করেছিল।এখন সেগুলো সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করে আইন হিসেবে পাস করানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন,প্রতিটি অধ্যাদেশই সংসদে বিল হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।তবে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে সব অধ্যাদেশ পাস করা কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংবিধান অনুযায়ী,নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরিত না হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। তবে পরে চাইলে সরকার সেই বিষয়গুলো আবার নতুন বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করতে পারবে।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন,সরকার সংবিধান মেনেই সব কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং সংবিধানের বাইরে কোনো আইন পাস করা হবে না।তিনি বলেন,সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে জাতীয় সংসদের এখতিয়ার,এবং আলোচনার মাধ্যমেই প্রয়োজনীয় সংশোধন বা সংস্কার করা হবে

অন্যদিকে আলোচিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,এটি বাতিল হয়নি।বরং বিএনপি ও বর্তমান সরকার এই সনদের প্রতিটি শব্দের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ।তবে তিনি সতর্ক করে বলেন,এই সনদকে সংবিধানের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া যাবে না; সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে,সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এসব অধ্যাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে এবং এর মধ্য দিয়েই নতুন সংসদের আইন প্রণয়ন কার্যক্রমের গতি ও রাজনৈতিক সমীকরণ স্পষ্ট হতে পারে। 📜⚖️

 

Loading

গাজীপুর প্রতিনিধি।।ময়মনসিংহের ভালুকায় ডাকাতির শিকার হওয়া ট্রাকভর্তি ১৯টি গরু উদ্ধার করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)।বুধবার (১১ মার্চ) ভোরে গাজীপুর মহানগর এলাকার একটি স্থান থেকে ট্রাকসহ গরুগুলো উদ্ধার করা হয়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়,মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় ট্রাকভর্তি গরু ডাকাতির ঘটনা ঘটে।ডাকাতরা ট্রাকে থাকা গরুর মালিক, রাখাল,হেলপার ও চালককে হাত-পা বেঁধে সড়কের পাশে ফেলে রেখে ট্রাকটি নিয়ে ঢাকার দিকে পালিয়ে যায়।

ঘটনার খবর পেয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানা দ্রুত ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসায়।এক পর্যায়ে ডাকাতি হওয়া ট্রাকটি চেকপোস্টের সামনে পৌঁছালে পুলিশ টহল দল ট্রাকটি থামার সংকেত দেয়।

তবে ডাকাতরা পুলিশের সংকেত অমান্য করে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দেয়।এ সময় ডাকাতরা মহাসড়কের পাশে ট্রাক ও গরু ফেলে পালিয়ে যায়।

পরে পুলিশ ট্রাকসহ ১৯টি গরু উদ্ধার করে এবং সেগুলো প্রকৃত মালিকদের কাছে বুঝিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 🚔🐄

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।জনসম্মুখে অশালীন আচরণ, শারীরিক আঘাত,জনশৃঙ্খলা বিঘ্ন এবং বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে বাংলাদেশে অবস্থানরত রাশিয়ান নাগরিক ও মডেল মনিকা কবিরকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জান্নাতুল ফেরদৌস (জান্নাত) বুধবার (১১ মার্চ ২০২৬) এ নোটিশ পাঠান।নোটিশে বলা হয়,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিও ও সংবাদ সূত্রে জানা যায় যে,মনিকা কবির বিভিন্ন পাবলিক স্থানে অশালীন ও উসকানিমূলক আচরণ করে তা ভিডিও আকারে ধারণ করে অনলাইনে প্রচার করছেন,যা দেশের সামাজিক শালীনতা ও জনশৃঙ্খলার পরিপন্থী।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়,তার বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত অভিযোগ পাওয়া গেছে—জনসম্মুখে রাস্তায় পোশাক পরিবর্তন করে অশালীন কনটেন্ট তৈরি করা,মেট্রোরেলের ভেতরে সাধারণ যাত্রীদের কোলে শুয়ে পড়ে জনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করা,বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া ভিডিও কনটেন্ট তৈরি ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করা,একটি ভিডিও ধারণের সময় একজন প্রবীণ ব্যক্তিকে শারীরিকভাবে আঘাত করা,এসব ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা সহ বেশকয়েকটি অভিযোগ।

আইনজীবী জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন,এসব কর্মকাণ্ড The Dhaka Metropolitan Police Ordinance, 1976 এর Section 75, বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ২৯৪, ৩২৩ ও ৩৫২, এবং সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৫-এর ধারা ২৫, ২৯ ও ৩১ লঙ্ঘনের শামিল হতে পারে।

নোটিশে মনিকা কবিরকে ৭ দিনের মধ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সংশ্লিষ্ট ভিডিও ও কনটেন্ট অপসারণ করা এবং ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি বাংলাদেশে অবস্থানের বৈধ ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের কথাও বলা হয়েছে।

অন্যথায়,নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তার বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে সতর্ক করা হয়েছে।এছাড়া বিদেশি নাগরিক হিসেবে দেশের আইন ও সামাজিক শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে তার ভিসা বাতিল করে বাংলাদেশ থেকে বহিষ্কার (Deportation) করার ক্ষমতা রাখে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনজীবী জান্নাতুল ফেরদৌস জানান,সচেতন নাগরিক মহলের অনুরোধে তিনি এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন এবং প্রয়োজনে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নির্বাহী বিভাগের লিখিত ভাষণ প্রদান করতে যাচ্ছেন।তবে এ সিদ্ধান্তে বিরোধী দল সরাসরি আপত্তি জানিয়েছে,যা রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র করছে।

আইনগতভাবে,সংবিধানের ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ভাষণ মূলত সংবিধান ও সরকারের কার্যক্রম উপস্থাপন করা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।কিন্তু বিরোধী দল দাবি করছে,বর্তমান প্রস্তুত ভাষণ নির্বাহী বিভাগের কার্যক্রমের স্বাধীনতার সীমা অতিক্রম করতে পারে।আইনি বিশ্লেষকরা বলছেন,এটি যদি বাধ্যতামূলক নির্দেশ বা রাজনৈতিক প্রভাব প্রদানের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হয়,তবে তা সংবিধান ভঙ্গের শামিল হতে পারে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে,এই ঘটনা স্পষ্ট করে দেয় যে দেশের বিরোধী ও ক্ষমতাসীন শিবিরের মধ্যে বিদ্যমান অবিশ্বাস কতটা গভীর।রাষ্ট্রপতির ভাষণ যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কৌশলগতভাবে ব্যবহার হয়,তবে সংসদের স্বায়ত্তশাসন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বিপন্ন হবে।

সামাজিক প্রভাবও কম নেই।এই ধরনের অবস্থান জনমতের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করে, যা সাধারণ জনগণের মধ্যে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।জনগণ যদি মনে করে রাষ্ট্রপতি পদ রাজনৈতিক চালের অংশ হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে,তা সামাজিক সহমর্মিতা ও জাতীয় ঐক্য নষ্ট করতে পারে।

নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও এটি গুরুত্ব বহন করছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ বিতর্ক যদি হঠাৎ রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা সমাবেশকে উসকে দেয়,তবে ভিত্তি প্রস্তুত থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চাপের মুখে পড়তে পারে।এছাড়া,আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও কূটনৈতিক মহলও এ ঘটনার দিকে সতর্ক নজর রাখছে,কারণ এটি দেশটির গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত বহন করে।

সংক্ষেপে,রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর লিখিত ভাষণ বিতর্ক শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়,এটি দেশের আইনি,রাজনৈতিক,সামাজিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রতিবিম্ব,যা সঠিকভাবে পরিচালিত না হলে গণতন্ত্রের ভিত্তি কমজোরি করতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন,“সংবিধান ও আইন মেনে চলা না হলে,রাষ্ট্রপতির পদও রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে বাধ্য।”

Loading

মাজহারুল ইসলাম।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নির্বাহী বিভাগের লিখিত ভাষণ প্রদান করতে যাচ্ছেন। এটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নয়,বরং দেশের আইনি ও সংবিধানিক কাঠামোর ওপরও পরীক্ষা।কিন্তু বিরোধী দলের আপত্তি স্পষ্ট করে দেয়,এই ভাষণ প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হতে পারে,যা সংবিধান ও আইন উভয়ের দিক থেকে সমস্যা তৈরি করে।

সংবিধানিক দিক

বাংলাদেশের সংবিধান,ধারা ৭০ ও ৭১ অনুযায়ী,রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব হলো সংসদে সরকারী কার্যক্রমের প্রতিবেদন প্রদান। কিন্তু রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিক নির্দেশনা বা নীতিমালা নির্ধারণে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না।যদি ভাষণে নির্ধারিত রাজনৈতিক নির্দেশনা বা মত প্রকাশ থাকে,তা সংবিধান লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে, কারণ ধারা ৭১(৩) স্পষ্টভাবে বলেছে, রাষ্ট্রপতি সংসদের কার্যক্রমে বাধ্যতামূলক হস্তক্ষেপের ক্ষমতা নেই।

আইনগত দিক

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে,বাংলাদেশের দালিলিক আইন (Evidence Act, 1872 – Sections 3, 5 & 64) অনুসারে,রাষ্ট্রপতির লিখিত বক্তব্য প্রমাণ হিসেবে দালিলিকভাবে গ্রহণযোগ্য,তবে এর ব্যবহার যদি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে হয়, তা সরকারি কর্তৃপক্ষের ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে ধরা যেতে পারে।বিশেষ করে, Public Servants (Conduct) Act, 2018 অনুযায়ী,সরকারি কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।

রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব

ভাষণ বিতর্ক একদিকে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে বাড়াচ্ছে,অন্যদিকে জনগণের মধ্যে ভীতি ও বিভ্রান্তি তৈরি করছে।রাষ্ট্রপতির পদ যদি রাজনৈতিক আদেশ বা সরকারের পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়,তা সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নৈতিক দায়বোধকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট

এই ঘটনা কেবল অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্ক নয়; এটি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের চোখেও গুরুত্বপূর্ণ।রাষ্ট্রপতির ভাষণ যদি রাজনৈতিক উত্তেজনা বা সমাবেশকে উসকে দেয়,তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করবে, এবং গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।

সমালোচনা

সংবিধান ও আইন অনুযায়ী,রাষ্ট্রপতির বক্তব্য শুধু সংবিধানিক প্রতিবেদন ও সরকারি কার্যক্রম উপস্থাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।তা অতিক্রম করলে তা দলীয় আচার-ব্যবহার, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং আইন লঙ্ঘনের অনৈতিক precedent তৈরি করবে।

আমাদের রাষ্ট্রপতির প্রতি আহ্বান,সংবিধান ও আইনকে সম্মান করুন,রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে থেকে বক্তৃতা প্রদান করুন। গণতন্ত্রের এই পরীক্ষায়,যদি সংবিধান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখানো হয়,তবে এটি শুধু রাজনৈতিক সমস্যা নয়—দেশের নৈতিক ও সংবিধানিক ইতিহাসের উপর লজ্জার দাগ হিসেবে রয়ে যাবে।

Loading

মাজহারুল ইসলাম।।ধানমন্ডি ৩২—বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের পবিত্র ঠিকানা,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতীক।অথচ আজ সেই ঠিকানায় ঘটে গেল অত্যন্ত অমানবিক ও অপ্রত্যাশিত ঘটনা: ঘর ভাঙা হলো নিরব দর্শকের সরকারের চোখের সামনে।আর কেউ যদি স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা হিসেবে ফুল দেয়,তাকে ঘিরে পড়ে গ্রেফতারের কুপ্রথা।

এতে একদম স্পষ্ট—আমাদের দেশে ইতিহাসকে সম্মান করার স্বাধীনতা নেই।ইতিহাসকে স্মরণ করাও অপরাধে পরিণত হয়েছে।ধানমন্ডি ৩২ শুধু একটি বাড়ি নয়; এটি বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের প্রতীক,৭ মার্চের ভাষণের স্মৃতি,হাজারো বাঙালির আত্মত্যাগের চিহ্ন।এই স্মৃতিকে শাসন ব্যবস্থার নীরব চাপে ভাঙা আমাদের জাতির নৈতিক অবক্ষয়ের সংকেত।

যারাই বলবেন “আইন শৃঙ্খলার নামে,” তারা কি সত্যিই মনে করেন,ফুল দেওয়াই অপরাধ? ইতিহাস স্মরণ করাই শাস্তিযোগ্য? গণতন্ত্রে,দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতার স্মৃতিকে লালন করা অপরাধ নয়—সর্বকালের নৈতিক দায়িত্ব।

আর এই নিয়ন্ত্রণ ও গ্রেফতারের পদ্ধতি স্পষ্টভাবে দ্বৈতমানের চরম উদাহরণ।যাকে ভাঙা হলো,তাকে সরকার নীরব; যে ফুল দেয়, তাকে শাস্তি।যা ঘটেছে,তা শুধু প্রশাসনিক অমানবিকতা নয়—এটি সংস্কৃতি ও ইতিহাসের হত্যার চরম নিদর্শন।

সরকার যদি সত্যিই নিজেকে গণতান্ত্রিক বলে মনে করে, তবে তা এখন প্রমাণ করতে হবে: নৈতিক দায়িত্ব,ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা,এবং নাগরিক অধিকার রক্ষা করা।অন্যথায়,ধানমন্ডি ৩২-এর ঘটনায় প্রকাশিত এই দ্বৈত মান দেশের নৈতিক ইতিহাসকেই কলঙ্কিত করবে।

এই ঘৃণ্য নীরবতা আর দ্বৈত নীতি,ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় লজ্জার চিহ্ন হিসেবে থাকবে।আমরা রাষ্ট্রকে মনে করাই,যে শুধুমাত্র শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ইতিহাসকে দমন করতে চায়,অতীতকে মুছে ফেলার চেষ্টা করে, এবং জনসাধারণকে ভয় দেখায়।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।জামেয়া আহমদিয়া দায়েম নাজির জামে মসজিদে ধর্মীয় দায়িত্ব পালনকারী আলেম ও হাফেজদের সম্মাননা ও হাদিয়া প্রদান করা হয়েছে।মসজিদের পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

জানা যায়,মসজিদের খতিবকে ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা, ইমামকে ১ লাখ ৩ হাজার টাকা এবং মুয়াজ্জিনকে ৭০ হাজার টাকা হাদিয়া প্রদান করা হয়েছে।এছাড়া তিনজন হাফেজকে প্রত্যেককে ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা করে হাদিয়া দেওয়া হয়েছে।

মসজিদের পরিচালনা কমিটির এমন উদ্যোগে স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।অনেকেই আলেম ও হাফেজদের সম্মাননা প্রদানের এ উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেছেন।

মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে এ মহৎ উদ্যোগের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মাশাআল্লাহ।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ আসনের শূন্য পদে উপনির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে গণভোটের কোনো ব্যবস্থা থাকছে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে এ তথ্য জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন,বগুড়া-৬ আসনের শূন্য পদে উপনির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে গণভোটের কোনো ব্যবস্থা রাখা হবে না।

এ সময় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভোটের আগে ও পরে মোট আট দিন আনসার সদস্য মোতায়েন রাখা হবে বলেও জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনের পরিবেশ স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছে ইসি।

Loading

মাজহারুল ইসলাম।।সমাজে ঘটে যাওয়া অপরাধমূলক ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন ক্রাইম রিপোর্টাররা।হত্যা,ডাকাতি,চুরি,মাদক পাচার,দুর্নীতি বা বিভিন্ন অপরাধের খবর নির্ভুলভাবে সংগ্রহ করে তা জনসম্মুখে তুলে ধরা এই পেশার মূল কাজ।একজন দক্ষ ক্রাইম রিপোর্টারের দায়িত্ব শুধু ঘটনাটি জানানো নয়,বরং ঘটনার পেছনের কারণ,প্রভাব এবং আইনি প্রক্রিয়ার অগ্রগতি তুলে ধরা।

১. তথ্য সংগ্রহ ও নির্ভরযোগ্য উৎস তৈরি

ক্রাইম রিপোর্টিংয়ের মূল ভিত্তি হলো নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র বা সোর্স তৈরি করা।একজন রিপোর্টারকে পুলিশ,গোয়েন্দা সংস্থা, আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হয়।এতে করে কোনো অপরাধ ঘটলে দ্রুত তথ্য পাওয়া সহজ হয়।

২. ঘটনাস্থল পরিদর্শন

কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রকৃত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা একজন ক্রাইম রিপোর্টারের অন্যতম দায়িত্ব।প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলা,প্রমাণ সংগ্রহ করা এবং ছবি বা ভিডিও ধারণ করে ঘটনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ।

৩. অপরাধের কারণ অনুসন্ধান

একজন ক্রাইম রিপোর্টারের কাজ শুধু ঘটনাটি বর্ণনা করা নয়, বরং ঘটনার পেছনের কারণ অনুসন্ধান করা।অনেক সময় ব্যক্তিগত বিরোধ,রাজনৈতিক প্রভাব,অর্থনৈতিক দ্বন্দ্ব বা অপরাধচক্রের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে—এসব বিষয় গভীরভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

৪. আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নজর রাখা

অপরাধী গ্রেপ্তারের পর মামলার অগ্রগতি,তদন্তের ধাপ এবং আদালতের বিচার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করাও ক্রাইম রিপোর্টারের দায়িত্ব।এতে করে জনগণ জানতে পারে বিচার কার্যক্রম কতদূর এগিয়েছে।

৫. অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা (ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিং)

অনেক বড় অপরাধ বা দুর্নীতি দীর্ঘদিন আড়ালে থাকে।ক্রাইম রিপোর্টাররা দীর্ঘ সময় ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে মাদক সিন্ডিকেট, মানবপাচার,অর্থপাচার বা বড় ধরনের আর্থিক জালিয়াতির মতো বিষয় উন্মোচন করেন।

৬. মানবিক দিক তুলে ধরা

অপরাধের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের কষ্ট,ক্ষতি এবং বিচার পাওয়ার আকুতি তুলে ধরা সাংবাদিকতার মানবিক দায়িত্বের অংশ।এতে করে সমাজে সচেতনতা তৈরি হয় এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়।

একজন ভালো ক্রাইম রিপোর্টারের গুণাবলি

সাহসিকতা: ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে কাজ করার মানসিক শক্তি থাকা।

সতর্কতা: নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রকাশ না করা।

আইনি জ্ঞান: দেশের প্রচলিত আইন ও দণ্ডবিধি সম্পর্কে ধারণা থাকা।

তৎপরতা: দ্রুত খবর সংগ্রহ ও প্রকাশ করার দক্ষতা।

সতর্কতা

ক্রাইম রিপোর্টিং পেশা ঝুঁকিপূর্ণ।তাই সব সময় পেশাদারিত্ব, সততা এবং তথ্য যাচাইয়ের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা জরুরি।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান মন্ত্রী ও দলীয় সংসদ সদস্যদের চলাফেরা,বক্তব্য ও আচরণে মার্জিত ও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।একই সঙ্গে গণমাধ্যমে কথা বলার ক্ষেত্রেও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বুধবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে বিএনপির সংসদীয় দলের প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্য জানান,প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে নির্দেশনা দেন—যার যে দায়িত্ব, তার বাইরে কেউ যেন কোনো বিষয়ে মন্তব্য না করেন।গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেন তিনি।

সভা শুরু হয় বেলা সোয়া ১১টায় এবং শেষ হয় দুপুর ১টায়। সভায় বিএনপির ২০৯ জন সংসদ সদস্য অংশ নেন।

সভায় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্বাগত বক্তব্য দেন। এরপর বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।সভার মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর এক পাশে ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সালাহউদ্দিন আহমদ এবং অন্য পাশে ছিলেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন,বিএনপির নেওয়া বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে এবং এ বিষয়ে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

 

তিনি বলেন, “ভোটের আঙুলের কালির দাগ মোছার আগেই আমরা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি।এটাই হচ্ছে বিএনপি। এই বিএনপিকেই মানুষ দেখতে চায়।”

প্রধানমন্ত্রী সভায় বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়টিও তুলে ধরেন।তিনি জানান,দ্রুত সময়ের মধ্যে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করা হবে।

সামনে ডেঙ্গুর মৌসুম বিবেচনায় নিয়ে দেশব্যাপী পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় জুলাই জাতীয় সনদের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সনদের কিছু বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়েছে। তবে যেসব বিষয় বাস্তবায়নযোগ্য,সরকার সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে।

এর আগে বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের বিষয়ে বিএনপি যতটুকুতে সম্মত হয়েছে,সরকার ততটুকুই বাস্তবায়ন করবে।

সভায় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার তরুণ সদস্যদের নিয়মিত ও সময়মতো অফিসে উপস্থিত থাকার ওপর জোর দেন।তিনি বলেন,মন্ত্রিসভায় অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা আছেন,তবে তরুণ মন্ত্রীদের বিশেষভাবে সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে।

অফিসে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন মেনে চলারও পরামর্শ দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন,তিনিও নিজে ট্রাফিক আইন মেনে চলেন।

এ ছাড়া দৈনন্দিন জীবনযাপনে কৃচ্ছ্রসাধনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি—বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে।

সভায় জাতীয় সংসদের নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের দায়িত্ব সংসদ নেতা তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়।আগামীকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,সংসদ অধিবেশন শুরুর পর শুক্রবার ও শনিবার দুই দিন বিরতি থাকবে।এরপর ১৫ মার্চ আবার সংসদ বসবে।ওই দিন মুলতবি হওয়ার পর ঈদুল ফিতরের পর ২৯ মার্চ পুনরায় অধিবেশন শুরু হবে।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামের প্রতিষ্ঠিত পোল্ট্রি খামারি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খান আমব্রেলা ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন।প্রতিশ্রুত ঋণ না পাওয়ায় তিনি কয়েক লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়,জাহাঙ্গীর আলম খান দীর্ঘদিন ধরে তার জাহাঙ্গীর পোল্ট্রি ফার্মে চারটি খামারে প্রায় ১০ হাজার মুরগি লালন-পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। সম্প্রতি আইপিএস রোগে আক্রান্ত হয়ে তার খামারের অধিকাংশ মুরগি মারা গেলে তিনি আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।

এ অবস্থায় আমব্রেলা ফাউন্ডেশনের মাওনা ইউনিয়নের চকপাড়া প্রশিকা মোড় শাখার ম্যানেজার তাকে নতুন করে ৫ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।এর আগে নেওয়া ৩ লাখ টাকার ঋণের ৩/৪ কিস্তি বাকি থাকলেও নতুন ঋণের আশ্বাস দিয়ে তাকে একসাথে প্রায় ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জাহাঙ্গীর আলম খান জানান,২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নতুন ঋণ দেওয়ার কথা থাকলেও আজ পর্যন্ত তা দেওয়া হয়নি। ফলে সিপি কোম্পানির প্রায় ৬০ হাজার টাকা পাওনা পরিশোধ করতে না পারায় কোম্পানি থেকে মুরগির বাচ্চা ও খাদ্য সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন,“ছোটবেলায় বাবা-মা হারিয়েছি।তিন সন্তান নিয়ে কষ্ট করে খামার গড়ে তুলেছি।আইপিএস রোগে দুইবার মুরগি মারা যাওয়ার পর সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। নতুন ঋণের আশ্বাসে আত্মীয়ের কাছ থেকে ধার করে ৬৮ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি।কিন্তু প্রতিশ্রুত ঋণ না পাওয়ায় এখন বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছি।”

তার দাবি,১০ হাজার মুরগি লালন-পালন করতে পারলে খরচ বাদ দিয়েও প্রতি মাসে প্রায় ২ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হতো। কিন্তু ঋণ না পাওয়ায় খামারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রায় ৩ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

বর্তমানে স্থানীয় এক ডিলারের সহায়তায় তিনি ৮ হাজার মুরগি নিয়ে সীমিত পরিসরে খামার চালু করেছেন।তবে শ্রমিকের বেতন,বিদ্যুৎ বিল,ঘরভাড়া ও তিন সন্তানের পড়াশোনার খরচ মেটাতে তাকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে আমব্রেলা ফাউন্ডেশনের হেড অফিস (House No-62, Block-Ka, Pisciculture Housing Society, ঢাকা-1207) এবং গাজীপুর জোনাল অফিসে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া ফোন নম্বর 01717454046 ও 01711961399-এ কল করা হলেও সন্তোষজনক জবাব মেলেনি।এছাড়া ইমেইল ও হোয়াটসঅ্যাপে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়ে বক্তব্য চাওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

তবে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন,অভিযোগটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইনি বিশ্লেষণ
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে,অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে ঘটনাটি কয়েকটি আইনের আওতায় পড়তে পারে।

১. দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ধারা ৪২০ (প্রতারণা):
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় করে এবং প্রতিশ্রুত সুবিধা প্রদান না করে, তাহলে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

২. দণ্ডবিধি ৪০৬ (বিশ্বাসভঙ্গ):
প্রতিশ্রুতি বা চুক্তির ভিত্তিতে অর্থ গ্রহণ করে তা যথাযথভাবে ব্যবহার না করলে ‘ক্রিমিনাল ব্রিচ অব ট্রাস্ট’ হিসেবে মামলা করা যেতে পারে।

৩. চুক্তি আইন ১৮৭২:
লিখিত বা প্রমাণযোগ্য মৌখিক চুক্তি ভঙ্গের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দেওয়ানি আদালতে ক্ষতিপূরণের দাবি করতে পারেন।
৪. মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA) আইন

২০০৬:
বাংলাদেশে নিবন্ধিত এনজিও বা ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকলে এমআরএ কর্তৃপক্ষের কাছেও অভিযোগ করা যায়।

আইনজীবীরা বলছেন,ভুক্তভোগী চাইলে
থানায় প্রতারণার মামলা,
দেওয়ানি আদালতে ক্ষতিপূরণ মামলা,
এবং মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA)-তে লিখিত অভিযোগ করতে পারেন।

জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন,“ক্ষুদ্রঋণ মানুষের দারিদ্র্য দূর করার কথা। কিন্তু আমব্রেলা ফাউন্ডেশনের এমন আচরণে আমার পরিবারের ঈদের আনন্দও ম্লান হয়ে গেছে।আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এর প্রতিকার চাই।”

Loading

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপে চলমান সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ক্রেমলিনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানায়।

ক্রেমলিন জানিয়েছে,আলোচনায় পুতিন রাজনৈতিক উপায়ে সংকট সমাধানের পক্ষে মস্কোর নীতিগত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান রাশিয়ার সমর্থনের জন্য পুতিনকে ধন্যবাদ জানান।বিশেষ করে ইরানে মানবিক সহায়তা পাঠানোর জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।

এছাড়া ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি আবারও গভীর সমবেদনা জানান রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন।

ক্রেমলিন আরও জানিয়েছে,তেহরানে মানবিক সহায়তা পাঠানোর বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে।

Loading

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি।।নারায়ণগঞ্জে কর্তব্যরত এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া সরকারি পিস্তল,দুটি ম্যাগাজিন ও ১৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তার যুবকের নাম মো. মিশাল ওরফে বিশাল (৩০)।

সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়,গত ৯ মার্চ ভোরে নারায়ণগঞ্জ নগর ভবনের সামনে শীতলক্ষ্যা পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) এস এম লুৎফর রহমান দায়িত্ব পালন করছিলেন।এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা তিন দুর্বৃত্ত চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে আঘাত করে। পরে তার কাছ থেকে সরকারি পিস্তল,দুটি ম্যাগাজিন ও ১৬ রাউন্ড গুলি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে একটি দস্যুতা মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান,ঘটনার পরপরই পুলিশের একাধিক টিম সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযানে নামে।অভিযানের একপর্যায়ে বন্দর থানার সোনাকান্দা ব্যাপারিপাড়া এলাকা থেকে মিশাল ওরফে বিশালকে গ্রেপ্তার করা হয়।এ সময় তার কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি চাপাতি,একটি ছোরা ও একটি বড় ছুরি উদ্ধার করা হয়।

পরে গ্রেপ্তারকৃত মিশালের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বন্দর থানার রেলী আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি পরিত্যক্ত সিমেন্টের বস্তার ভেতর থেকে ছিনতাই হওয়া সরকারি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে,এ ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Loading

দিনাজপুর প্রতিনিধি।।ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে ডিজেল সরবরাহ শুরু হয়েছে।গত দুই দিনে (সোমবার ও মঙ্গলবার) মোট ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোর ইনচার্জ আহসান হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডিপো সূত্রে জানা গেছে,চলতি মার্চ মাসে এটি প্রথম চালান। এ মাসে আরও প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার শিলিগুড়ি হয়ে নির্মিত ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে এই জ্বালানি তেল বাংলাদেশে আসছে।

২০২৩ সালের মার্চ মাসে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে জ্বালানি তেল আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়।প্রায় ১৩১ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনের মধ্যে প্রায় ৫ কিলোমিটার ভারতের ভেতরে এবং বাকি ১২৬ দশমিক ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অংশে অবস্থিত।

দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী,পাইপলাইন চালুর পর প্রথম তিন বছরে প্রতি বছর ২ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করা হবে।পরবর্তী তিন বছরে এই সরবরাহ বাড়িয়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন করা হবে এবং পরবর্তী চার বছরে তা আরও বাড়িয়ে ৫ লাখ মেট্রিক টন পর্যন্ত নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ডিপো সূত্রে আরও জানা যায়,দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বিপিসির এই রেলহেড ডিপো থেকে প্রতিদিন রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট,কুড়িগ্রাম,নীলফামারী,গাইবান্ধা,রংপুর, দিনাজপুর,পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়।

তবে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।ফলে ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।

বর্তমানে ডিপোতে প্রায় ৪৫ লাখ লিটার জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে।অতিরিক্ত মজুত ঠেকাতে পেট্রল পাম্পগুলোতে চাহিদার তুলনায় কিছুটা কম পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোর ইনচার্জ আহসান হাবিব জানান, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে সর্বোচ্চ ১০ লাখ মেট্রিক টন পর্যন্ত ডিজেল সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে।পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে বাংলাদেশে তেল পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ২ থেকে ৩ দিন।

Loading

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশজুড়ে নদী-নালা,খাল ও জলাশয় খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি জানান,প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পাশাপাশি একই দিনে দেশের আরও ৫৪টি জেলায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় একযোগে এই কর্মসূচির সূচনা করবেন।

সরকারের পানিসম্পদ,স্থানীয় সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে এই বৃহৎ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন,“এটি শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়,বরং সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের একটি বড় রাজনৈতিক অঙ্গীকার।”

তিনি আরও জানান,প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যেন যন্ত্রপাতির ব্যবহার সীমিত রেখে অন্তত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ সাধারণ শ্রমিকদের দিয়ে করানো হয়।এতে গ্রামীণ এলাকায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এছাড়া এই কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন,হাইস্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেরও সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।তরুণ প্রজন্মকে দেশ গঠনের এই উদ্যোগে সরাসরি অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Loading

চার আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপি প্রার্থীদের আবেদন
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ২, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বিএনপির চার প্রার্থী। সোমবার (২ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আবেদনকারী প্রার্থীরা হলেন— কুড়িগ্রাম-২ আসনে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ আসনে মো. সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ আসনে মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং রাজশাহী-১ আসনে মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন। এর আগে রোববার পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিব এবং ডি এম ডি জিয়াউরের পৃথক আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ২, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে গত ১৭ মাসে একটি গোষ্ঠী,বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ছত্রছায়ায় থেকে ভয়াবহ নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।এতে জননিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ে।বিভিন্ন স্থানে মব সহিংসতা ও বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধারাও নজিরবিহীনভাবে নাজেহালের শিকার হয়েছেন। এই নৈরাজ্য মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে।২০২৪ সালের আগস্টে পুলিশের প্রায় সাড়ে তিন হাজার সদস্য প্রাণ হারানোর দাবি উঠে,এবং দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীও বিভিন্ন হুমকির মুখে পড়ে।ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।নির্বাচনে বিএনপি সর্বাধিক আসন লাভ করে সরকার গঠন করেছে।নতুন সরকারের প্রতি জনগণের প্রত্যাশাও অনেক বেশি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ। সরকার গঠনের আগে ও পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান “সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগান সামনে এনে রাষ্ট্র পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পুলিশের প্রতি জনআস্থা পুনর্গঠন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।তবে মাঠপর্যায়ে প্রত্যাশিত পরিবর্তন এখনো স্পষ্ট নয় বলে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—কীভাবে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরবে এবং বাহিনীর মনোবল পুনরুদ্ধার হবে? রাজনৈতিক অস্থিরতা,নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা,কথিত ভুয়া মামলা এবং অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশের কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা দেখা যায় এবং সদস্যদের মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দায়িত্ব পালনকালে হামলা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার কারণে অনেক সদস্য এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যে সরকার গত ২৪ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরকে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।নবনিযুক্ত আইজিপির কাছে প্রত্যাশা—তিনি মাঠপর্যায়ে পুলিশি কার্যক্রম আরও গতিশীল করবেন। এ ক্ষেত্রে সরকারপ্রধান ও…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন কাঠামো নির্ধারণ, নতুন নীতিমালা গেজেট প্রকাশ
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ২, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের মসজিদগুলোর জনবল কাঠামো শক্তিশালী করা এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য দূর করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় নীতিমালাটি প্রকাশিত হয়। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটি এ নীতিমালা প্রণয়ন করে। চূড়ান্ত করার আগে দেশের প্রখ্যাত আলেম-ওলামা, ইমাম-খতিব ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসব সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক। গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামো নীতিমালায় খতিব ছাড়া মসজিদের অন্যান্য জনবলের জন্য জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ অনুযায়ী গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে। খতিবের বেতন চুক্তিপত্র অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। তবে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও পাড়াভিত্তিক মসজিদের ক্ষেত্রে সামর্থ্য অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে। নির্ধারিত বেতন কাঠামো হলো— পদ গ্রেড বেতন স্কেল (টাকা) সিনিয়র পেশ ইমাম ৫ম গ্রেড ৪৩,০০০ – ৬৯,৮৫০ পেশ ইমাম ৬ষ্ঠ গ্রেড ৩৫,৫০০ – ৬৭,০১০ ইমাম ৯ম গ্রেড ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ প্রধান মুয়াজ্জিন ১০ম গ্রেড ১৬,০০০ – ৩৮,৬৪০ মুয়াজ্জিন ১১তম গ্রেড ১২,৫০০ – ৩০,২৩০ প্রধান খাদিম ১৫তম গ্রেড ৯,৭০০ – ২৩,৪৯০ খাদিম ১৬তম গ্রেড ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ আবাসন, সঞ্চয় ও অবসর সুবিধা নীতিমালায় মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মীদের সপরিবারে আবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মাসিক সঞ্চয়, চাকরি শেষে এককালীন সম্মাননা প্রদান এবং কল্যাণমূলক সুবিধার বিধান রাখা হয়েছে। ছুটি ও নিয়োগ ব্যবস্থা প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৪ দিন সাপ্তাহিক ছুটি বছরে ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি প্রতি ১২ কর্মদিবসে ১ দিন অর্জিত ছুটি নিয়োগের জন্য সাত সদস্যের বাছাই কমিটি থাকবে এবং তাদের সুপারিশ ছাড়া কোনো নিয়োগ দেওয়া যাবে না। নিয়োগপত্রে বেতন-ভাতা ও দায়িত্ব স্পষ্টভাবে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকা হত্যা: দ্বিতীয় স্বামী আটক, তদন্তে নতুন মোড়
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ১, ২০২৬

গোবিন্দগঞ্জে(গাইবান্ধা)প্রতিনিধি।।গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক স্কুলশিক্ষিকা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাঁর দ্বিতীয় স্বামী মামুনুর রশিদ চৌধুরী মামুন (৫২)-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।রোববার রাতে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। এতে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন দিক উন্মোচিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে শনিবার বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে চক গোবিন্দপুর গ্রামে শিক্ষিকার নিজ বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায়,নিহতের হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধা এবং গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মেঝেতে নিথর দেহ পড়ে ছিল। ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া যায়। নিহত শিক্ষিকা রুমা উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোলাইমান আলীর মেয়ে। তিনি তালুককানুপুর ইউনিয়নের চণ্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার কর্মচারী মামুনুর রশিদ চৌধুরীর দ্বিতীয় স্ত্রী। জানা গেছে,প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর এক পুত্রসন্তান নিয়ে বাবার মালিকানাধীন ওই বাড়িতে বসবাস করতেন রুমা। ছেলেটি ঢাকায় পড়াশোনা করায় তিনি বেশিরভাগ সময় বাসায় একাই থাকতেন। মাঝে মধ্যে তাঁর দ্বিতীয় স্বামী সেখানে এসে থাকতেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই রোকনুজ্জামান রুবেল বাদী হয়ে শনিবার গোবিন্দগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান,নিহতের দ্বিতীয় স্বামী মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশের ক্রাইম সিন ইউনিট কাজ করছে। তবে এখন পর্যন্ত হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ইরানের পাল্টা হামলায় ইউএইতে হতাহত, নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ১, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যাপক পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইরান।এ হামলার জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অন্তত তিনজন প্রবাসী নিহত এবং আরও ৫৮ জন আহত হয়েছেন বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল এবং আমিরাতভিত্তিক গণমাধ্যম খালিজ টাইমস-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়,নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি,একজন পাকিস্তানি এবং একজন নেপালের নাগরিক রয়েছেন। ইউএই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের পক্ষ থেকে ছোড়া মোট ১৬৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়।এর মধ্যে আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১৫২টি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ভূপাতিত করে।পাশাপাশি ছোড়া দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও মাঝ আকাশে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বাইরে চলে যাওয়া কিছু ক্ষেপণাস্ত্র আবাসিক এলাকায় আঘাত হানায় হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় আরও জানায়,ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি ইরান থেকে বিপুল সংখ্যক ড্রোনও আমিরাতের দিকে পাঠানো হয়। রাডারে মোট ৫৪১টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়,যার মধ্যে ৫০৬টি আকাশেই ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও আকাশসীমা সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এদিকে চলমান পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে কাজ করছে বাংলাফ্যাক্ট, সচেতনতার আহ্বান
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ১, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট।।সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া শত শত অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট।প্রতিষ্ঠানটি বলছে,দেশে গুজব ও ভুয়া খবরের বিস্তার রোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক ও যাচাইকৃত তথ্য পৌঁছে দিতে তারা নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাফ্যাক্টের এক বিবৃতিতে জানানো হয়,রাজনৈতিক উত্তেজনা,সামাজিক অস্থিরতা কিংবা সংবেদনশীল ঘটনার সময় ভুল তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে,যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং কখনও কখনও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।এ কারণে অনলাইনে প্রচারিত তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। সচেতনতার আহ্বান প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে বলেছে— কোনো ছবি,ভিডিও বা তথ্য সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করার আগে অবশ্যই এর উৎস যাচাই করতে হবে।পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে খবরটির সত্যতা মিলিয়ে দেখা এবং সন্দেহজনক বা উসকানিমূলক কনটেন্ট থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাংলাফ্যাক্টের মতে,সংঘাতপূর্ণ বা রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল সময়গুলোতে গুজব সবচেয়ে দ্রুত ছড়ায়।তাই দায়িত্বশীল অনলাইন আচরণ এবং তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলাই ভুয়া খবর প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। প্রতিষ্ঠানটি সকলকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল নাগরিক হিসেবে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত সংস্কার ও দ্রুত কারিকুলাম প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ১, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক,সহজতর ও ফলপ্রসূ করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সৃজনশীল প্রস্তাব ও কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার (১ মার্চ) বিকেলে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা বা ‘রেড টেপ’ দূর করে কোর্স ও কারিকুলামকে সময়োপযোগী ও উৎপাদনশীল করতে হবে। মন্ত্রী জানান,২০২৭ সালের লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে চলতি মাসের মধ্যেই নতুন কারিকুলাম কমিটি গঠন ও সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।আগামী সপ্তাহ থেকেই এ প্রক্রিয়া শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন সিলেবাস প্রস্তুতে দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন। ড. মিলন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো প্রচলিত প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় নয়; এটি জাতি গঠনের প্রধান ভিত্তি।এই মন্ত্রণালয় দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করে এবং নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলে। তিনি সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ নির্মাণে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। মাদরাসা ও সাধারণ শিক্ষার মানোন্নয়নে উন্নত দেশের শিক্ষামডেল,গবেষণা প্রবন্ধ এবং পিএইচডি গবেষণার ফলাফল পর্যালোচনা করে কার্যকর ধারণা গ্রহণের পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী।পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও গবেষণালব্ধ জ্ঞান ধাপে ধাপে জাতীয় শিক্ষানীতিতে যুক্ত করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ শিক্ষা খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাস্তবভিত্তিক সমাধান প্রস্তাব তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন।তিনি বলেন,মাদরাসা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরসমূহ শিক্ষাসংক্রান্ত সমস্যা ও প্রশাসনিক জটিলতার একটি সুসংগঠিত তালিকা মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করলে দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
রমজানের পর সিটি করপোরেশন নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ১, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন,রমজান মাসের পরপরই স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। রোববার (১ মার্চ) দুপুরে রিপোর্টারস ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচন কমিশনার বলেন,রমজানের আগে কয়েকটি উপ-নির্বাচন রয়েছে এবং সেগুলোর তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে।নির্ধারিত সময়েই এসব নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। এরপর দ্রুত সময়ের মধ্যেই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি আরও জানান,আইন অনুযায়ী সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হলেও নির্বাচন সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন সংসদের এখতিয়ার।সংসদ যে আইন করবে,সেই আইনের আওতায় থেকেই কমিশন গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকবে কি না,সে বিষয়ে সংসদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে নির্বাচন কমিশন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ সময় সাম্প্রতিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন,নির্বাচনগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং যেসব ঘাটতির অভিযোগ উঠেছে সেগুলো কমিশন পর্যালোচনা করবে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
জেলা ও উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি সংশোধন করে পুনর্গঠন
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ১, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে তদারকি ও সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি সংশোধনপূর্বক পুনর্গঠন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।এ বিষয়ে রবিবার (১ মার্চ) রাজনৈতিক শাখা-২ এর উপসচিব কে এম ইয়াসির আরাফাত স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি নতুন কাঠামো অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কমিটির সভাপতি থাকবেন এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।সদস্য হিসেবে থাকবেন পুলিশ সুপার,ডিএসবি,মেট্রোপলিটন এলাকায় ডেপুটি পুলিশ কমিশনার,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ,বিজিবি ও উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড প্রতিনিধি। এছাড়া জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা,পৌরসভার মেয়র বা প্রশাসক, আনসার ও ভিডিপি প্রতিনিধি,শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা,বার অ্যাসোসিয়েশন,চেম্বার অব কমার্স,প্রেসক্লাব প্রতিনিধি,পাবলিক প্রসিকিউটর,মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি,ইমাম-খতিব,নারী প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। জেলার সংসদ সদস্যরা কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সভার কার্যবিবরণী নিয়মিত তাদের কাছে পাঠাতে হবে।   কার্যপরিধি   কমিটির প্রধান দায়িত্বগুলোর মধ্যে রয়েছে— জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা অপরাধ প্রতিরোধে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন খুন,ধর্ষণ,ছিনতাই,অপহরণ,কিশোর গ্যাং,মাদক ও নারী-শিশু পাচারসহ গুরুতর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম। জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ প্রতিরোধ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রেরণ প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং পুলিশ সুপারকে প্রয়োজনীয় তথ্যসহ উপস্থিত থাকতে হবে। উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।সংসদ সদস্য থাকবেন মুখ্য উপদেষ্টা এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত থাকবেন। কমিটিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি),স্বাস্থ্য কর্মকর্তা,কৃষি,মৎস্য, প্রাণিসম্পদ,শিক্ষা ও সমাজসেবা কর্মকর্তা,থানার ওসি,পৌর মেয়র/প্রশাসক,ইউপি চেয়ারম্যান,প্রেসক্লাব প্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি,ইমাম-খতিব,নারী প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সদস্য থাকবেন। উপজেলা কমিটিও প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা করবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। স্বরাষ্ট্র…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
৫ জেলার ডিসি ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যাহার
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ১, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের পাঁচ জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। রোববার (১ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাদের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদ থেকে প্রত্যাহারপূর্বক পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন— – গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন – পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান – কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেন – নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান – চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়,জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। এদিকে প্রত্যাহারকৃত কর্মকর্তাদের পরবর্তী পদায়নের বিষয়ে পরবর্তীতে পৃথক আদেশ জারি করা হবে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তি: এম সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্য ও অস্ত্র লুটের তথ্য যাচাই
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ১, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।৫ আগস্ট ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত কিছু বক্তব্য আংশিক সত্য হলেও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ বিভ্রান্তিকর ও ভুয়া তথ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশেষ করে সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্য নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। অস্ত্র লুট নিয়ে প্রকৃত বক্তব্য গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের বিভিন্ন থানায় হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় এম সাখাওয়াত হোসেন একাধিকবার উদ্বেগ প্রকাশ করেন।তিনি জানান,পুলিশের ব্যবহৃত ৭.৬২ মিমি রাইফেলসহ বিভিন্ন অস্ত্র সাধারণ মানুষের হাতে দেখা যাচ্ছে,যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি লুট হওয়া অস্ত্র নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সাত দিনের সময়সীমা ঘোষণা করেছিলেন। “শেখ হাসিনার বিকল্প নেই” — দাবি ভুয়া সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত একটি বক্তব্যে দাবি করা হয়,তিনি নাকি বলেছেন “দেশ পরিচালনায় শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।” তবে যাচাইয়ে দেখা যায়,এমন কোনো মন্তব্য তিনি করেননি। বরং বিভিন্ন বক্তব্যে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে “স্বৈরাচারী” হিসেবে উল্লেখ করে তার শাসনামলের সুশাসন ঘাটতির সমালোচনা করেছিলেন। অস্ত্র লুটের পরিসংখ্যান অস্ত্র লুটের সংখ্যা নিয়েও বিভ্রান্তি রয়েছে।পুলিশের প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ৫,৫০০ অস্ত্র লুট হওয়ার তথ্য উঠে এলেও পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান,মোট লুট হওয়া অস্ত্রের সংখ্যা ছিল ৩,৬১৯টি। এর মধ্যে প্রায় ২,২৫৯টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে,যা মোটের প্রায় ৬২ শতাংশ। ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত আনুমানিক ১,৩৬০টি অস্ত্র এখনও উদ্ধার হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।   নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা বিশ্লেষকদের মতে,লুট হওয়া অস্ত্র সম্পূর্ণ উদ্ধার না হওয়া বর্তমান সময়েও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য একটি বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি।এম সাখাওয়াত হোসেনও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত অস্ত্র উদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছিলেন।   সারসংক্ষেপ অস্ত্র লুট ও নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে তার উদ্বেগ…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
মেহেন্দিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, অভিযানে ৬ জন আটক
  • newadminnewadmin
  • মার্চ ১, ২০২৬

মেহেন্দিগঞ্জ(বরিশাল) প্রতিনিধি।।বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে কঠোর অবস্থান নিয়েছে থানা পুলিশ।মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন মেহেন্দিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান।তার নেতৃত্বে চলমান অভিযানে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়,আটককৃতদের কাছ থেকে ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। আটকরা হলেন— রুবেল চৌকিদার (৩২),মোঃ রিমন (২৫),বশির উদ্দিন হাওলাদার (৪০),নয়ন বৈদ্য (২৫), মোঃ মিলন (২৩) ও মোঃ তানভীর হোসেন (১৮)। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি,দীর্ঘদিন ধরে মাদক সমস্যায় জর্জরিত ছিল মেহেন্দিগঞ্জ।বিশেষ করে তরুণ ও যুব সমাজ মাদকের ভয়াল থাবায় আক্রান্ত হচ্ছিল।তবে নতুন ওসি দায়িত্ব নেওয়ার পর নিয়মিত অভিযান,মাদক উদ্ধার এবং গ্রেপ্তার বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকায় অপরাধ কিছুটা কমেছে এবং পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বেড়েছে। ওসি মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, “মাদক ব্যবসা বন্ধ করে মাদকমুক্ত মেহেন্দিগঞ্জ গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। বলতে পারেন,মাদকের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছি। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই দ্রুত অভিযান চালানো হচ্ছে।ঝুঁকি থাকলেও আমরা পিছু হটবো না।যতদিন এখানে দায়িত্বে থাকবো,মাদকের ব্যাপারে কোনো আপস হবে না।” স্থানীয় প্রশাসন,গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ বাসিন্দারা মনে করছেন,ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকলে উপজেলার মাদক পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণে আসবে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ক্ষমার মাধ্যমে ইতিহাস গড়া নেতা: নেলসন ম্যান্ডেলার মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা ও দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই নন,বরং ক্ষমাশীলতা ও মানবতার এক বিশ্বস্বীকৃত প্রতীক। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবাসের পর ১৯৯৪ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রতিশোধ নয়,বরং পুনর্মিলন ও সহমর্মিতার রাজনীতি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেন। ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, কারাগার থেকে মুক্তির পর তিনি বিশ্বাস করতেন— নতুন দক্ষিণ আফ্রিকা গড়তে হলে অতীতের ঘৃণা ভুলে যেতে হবে।তাঁর বিখ্যাত উক্তি, “যখন আমি কারাগারের দরজা দিয়ে স্বাধীনতার দিকে বেরিয়ে যাচ্ছিলাম,আমি জানতাম যদি আমার তিক্ততা ও ঘৃণা পেছনে ফেলে না আসি,তবে আমি তখনও কারাগারেই বন্দি থাকব।” — আজও বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণার উৎস।   হোটেলের সেই আলোচিত ঘটনা রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর একদিন একটি হোটেলে খাবার খেতে গিয়ে ম্যান্ডেলা পাশের টেবিলে বসা এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেন, যিনি ভয়ে কাঁপছিলেন।পরে তিনি তাকে নিজের টেবিলে আমন্ত্রণ জানান।উপস্থিতদের প্রশ্নের জবাবে ম্যান্ডেলা জানান, ওই ব্যক্তি রবেন আইল্যান্ড কারাগারে তার একসময়কার প্রহরী ছিলেন। ম্যান্ডেলার ভাষ্য অনুযায়ী,বন্দি অবস্থায় তিনি পানি চাইলে ওই প্রহরী তাকে অপমান ও অমানবিক আচরণের শিকার করেছিলেন।কিন্তু রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রতিশোধ না নিয়ে তিনি উল্টো তাকে সম্মান দিয়ে নিজের সঙ্গে খাবার ভাগ করে নেন।   ক্ষমার দর্শন এই ঘটনাকে ম্যান্ডেলার ক্ষমাশীলতার এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়।তিনি বিশ্বাস করতেন,ক্ষমতা অর্জনের পর দুর্বলদের ওপর প্রতিশোধ নেওয়া নয়,বরং মানবিক আচরণই প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয়। বর্ণবাদ-পরবর্তী দক্ষিণ আফ্রিকায় জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় তাঁর এই দর্শন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।ঘৃণার বদলে ভালোবাসা ও সহনশীলতার মাধ্যমে তিনি একটি বিভক্ত জাতিকে পুনর্মিলনের পথে এগিয়ে নেন।   ‘Long Walk to Freedom’ নিজের আত্মজীবনী Long Walk to Freedom-এ ম্যান্ডেলা সংগ্রাম,কারাবাস এবং স্বাধীনতার দীর্ঘ পথচলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।বইটি বিশ্বজুড়ে নেতৃত্ব,সাহস ও মানবতার এক ঐতিহাসিক দলিল…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
বিএনপি সরকারের দৃষ্টি অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ নিয়ে
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশে ২০২৪ সালের আগস্টে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ১৮ মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল।নতুন বিএনপি সরকারের প্রধান তারেক রহমান ও মন্ত্রীরা শপথ নেওয়ার পর এসব অধ্যাদেশের আইনি ভিত্তি সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিএনপি সরকারের আপত্তি মূলত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন সংক্রান্ত আদেশসহ কিছু স্পর্শকাতর অধ্যাদেশ নিয়ে। বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ,সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা বৃদ্ধি,এবং ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে তারা যাচাই-বাছাই করছেন। যদিও দায়মুক্তির অধ্যাদেশের বিষয়ে বিএনপি ইতিমধ্যেই আইনি ভিত্তি দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।তবে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু অধ্যাদেশকে তারা বাতিল করতে পারেন। সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে, এবং এর পর ৩০ দিনের মধ্যে যে অধ্যাদেশগুলোর আইনি অনুমোদন হবে না,সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। আইনজ্ঞরা মনে করছেন,অনেক অধ্যাদেশের আইনি বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ হতে পারে।ফলে বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়া রাজনৈতিক ও আইনি জটিলতায় ঘেরা।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ছোট ভাইয়ের সিট এভাবে কেড়ে না নিলেও পারতেন, আব্বাস ভাই বললেন, দুষ্টুমি করবা না: পাটওয়ারী
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জামায়াতে ইসলামীর ইফতারে প্রধানমন্ত্রীরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে কথোপকথনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।তিনি জানান,প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে “বাসার বুয়া প্রতিদিন ফ্যামিলি কার্ড চায়” বিষয়টি উল্লেখ করলে প্রধানমন্ত্রী এটি সারাদেশে চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিনকে শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার করার পরামর্শ দেন,তবে মন্ত্রী জানান, সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে সময় লাগবে। পাটওয়ারী আরও বলেন,মির্জা আব্বাস তাকে ‘দুষ্টুমি করতে না’ বলেছেন এবং ছোট ভাইয়ের সিট এভাবে কেড়ে না নিলে ভালো হতো।ইফতারের শেষে প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য নেতাদের কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময়ও আব্বাস একই বার্তা দিয়েছেন।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
গোবিন্দগঞ্জে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

গোবিন্দগঞ্জ(গাইবান্ধা)প্রতিনিধি।।গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের পন্ডিতপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রঞ্জু মিয়াকে এক ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী,ভুক্তভোগী ছাত্রী চার মাস আগে মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়।অধ্যক্ষ রঞ্জু মিয়া মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে সরকারি উপবৃত্তি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর,অধ্যক্ষ ছাত্রীকে উপবৃত্তি ফরমে স্বাক্ষর করার অজুহাতে বাসায় ডেকে এনে একটি কক্ষে আটকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করার পর, সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ৪ ফেব্রুয়ারি আবারও ধর্ষণ করেন। ছাত্রী বাদী হয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অধ্যক্ষকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং অধ্যক্ষকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নিউমার্কেটে আধুনিক ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার ঘোষণা
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত আধুনিক ফুটওভার ব্রিজটি শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর রোড করিডোরের নিউমার্কেট এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠান উপলক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন। ডিএসসিসি সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই ব্রিজটির ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৭৭ লাখ ৬২ হাজার ২৫৮ টাকা।৪২ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ২০ ফুট প্রশস্ত ব্রিজটিতে পথচারীদের সুবিধার্থে চলন্ত সিঁড়ি (Escalator) এবং দুই পাশে ৭ ফুট প্রশস্ত সাধারণ সিঁড়ি সংযোজিত করা হয়েছে।এছাড়া ব্রিজের পূর্ব পাশে নূর ম্যানশন ও পশ্চিম পাশে নিউ সুপার মার্কেটের সাথে সরাসরি সংযোগ রয়েছে।রাতের নিরাপত্তা ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য আধুনিক লাইটিং ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধনের সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘নিউমার্কেটের মতো জনাকীর্ণ এলাকায় এই ব্রিজ জনসাধারণের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাবে। তবে ব্রিজে কোনো অবৈধ হকার বা দোকান বসতে দেওয়া হবে না।’ ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান, ‘পবিত্র রমজানে ক্রেতাদের কাছে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রয় করুন এবং মার্কেট এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন।’ বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ সিটির অধীনে মোট ৩১টি ফুটওভার ব্রিজ রয়েছে।নিউমার্কেট ব্রিজের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন হবে এবং পথচারীরা নিরাপদে রাস্তা পারাপার হতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছে ডিএসসিসি।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নওগাঁর ধামরহাটে অনন্য ও চাঞ্চল্যকর পারিবারিক ঘটনা
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

ধামরহাট(নওগাঁ) প্রতিনিধি।। নওগাঁর ধামরহাট পল্লীতে এক অদ্ভুত পরিবারিক ঘটনা ঘটেছে।মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার মাত্র এক মাসের মধ্যেই মেয়ের মা নিজের মেয়ের শ্বশুরকে বিয়ে করেছেন। ঘটনায় জানা যায়,মেয়ের মা বিয়ের পূর্বেই মেয়ের শ্বশুরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন।মেয়ের বাড়িতে এসে তিনি স্বামীকে ডিভোর্স লেটার পাঠান এবং মেয়ের শ্বশুরকে বিয়ের পাত্র হিসেবে গ্রহণ করেন।মেয়ে এই ঘটনায় কোনো আপত্তি করেননি; বরং তার মাকে শাশুড়ি হিসেবে পেয়ে খুশি।বর্তমানে মা-মেয়ে একই ছাদের নিচে সংসার করছেন। মেয়ের প্রাক্তন স্বামী স্ত্রীকে ফিরে পেতে চাইছেন,কিন্তু মহিলা তা করছেন না। স্থানীয়রা এই ঘটনা চমকপ্রদ ও নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেছেন।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক খানের জেলমৃত্যু – স্বাস্থ্য উপেক্ষা ও রাজনৈতিক নিপীড়ণের অভিযোগ
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক খান জেলখানায় মৃত্যু বরণ করেছেন।পরিবারের দাবি,শফিক খানের মৃত্যু স্বাভাবিক নয়; এটি ক্রমাগত অবহেলা এবং নিপীড়নের ফল। জানা যায়,শফিক খান পূর্বে মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ছিলেন।মেরুদণ্ডসহ ২৬টি স্থানে ফ্রাকচার ছিল।অসুস্থ অবস্থায় ঢাকায় অবস্থান করার সময় ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট দুমকি থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। জেলে থাকার সময় শফিক খান দু’বার হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি হন।তারপরও তিনবার জামিন পাওয়ার পরেও বারবার পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।সর্বশেষ ২৬ ফেব্রুয়ারি,জামিন শুনানিতে চিকিৎসার আবেদন জানানো হলেও ম্যাজিস্ট্রেট জামিন নামঞ্জুর করেন। সেই রাতেই তিনি তৃতীয়বার হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। পরিবার ও স্থানীয় নেতারা অভিযোগ করছেন, শফিক খানের মৃত্যুর পেছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও প্রশাসনিক অবহেলা রয়েছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, কি এই মৃত্যুর জন্য সরকারের, প্রশাসন ও বিচার বিভাগের কেউ দায় এড়িয়ে যেতে পারবে কি না।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ড. ইউনূস ছাড়লেন সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শনিবার বিকেল ৩:৩০ টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ত্যাগ করে গুলশানের নিজ বাসভবনে চলে যান। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,ভবনটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু হবে এবং চলতি মাসের মধ্যে সব কাজ সম্পন্ন করে ভবনটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য প্রস্তুত রাখা হবে।তবে তিনি সেখানে উঠবেন কিনা তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ড. ইউনূস গত ৫ আগস্ট ২০২৪-এর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।তখন যমুনা ব্যবহার করা হচ্ছিল তার কার্যালয় ও সরকারি বাসভবন হিসেবে।নতুন সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব হস্তান্তরের পর তিনি সরকারি বাসভবন খালি করেন।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

মেহেন্দিগঞ্জে ৬টি হাইস্কুলের শিক্ষকদের সনদে জালিয়াতির প্রমাণ, তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ কমিটি
ব্যাংক কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহারের নির্দেশ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোংলা বন্দরে এলো ৫৮ হাজার মেট্রিক টন গম
মোংলায় ডিউটিরত অবস্থায় কোস্ট গার্ড সদস্যের গুলিতে মৃত্যু
রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের মতো ছাড় চাইল বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ
সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩ অধ্যাদেশ, ৩০ দিনের মধ্যে বিল পাসের চ্যালেঞ্জ
ময়মনসিংহে ডাকাতি হওয়া ট্রাকভর্তি ১৯টি গরু উদ্ধার
জনসম্মুখে অশালীন আচরণের অভিযোগে রাশিয়ান মডেলকে লিগ্যাল নোটিশ
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ভাষণ বিতর্ক – সংবিধান, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপট
রাষ্ট্রপতি ভাষণ বিতর্ক – সংবিধান, আইন ও নৈতিক দায়িত্বের পরীক্ষা
দমন, দ্বৈতমান, এবং সরকারের নীরবতা
জামেয়া আহমদিয়া দায়েম নাজির জামে মসজিদে খতিব, ইমাম ও হাফেজদের সম্মাননা প্রদান
বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ নির্বাচনে গণভোট থাকছে না: ইসি
ক্রাইম রিপোর্টারের দায়িত্ব ও প্রয়োজনীয় গুণাবলি
সংসদ সদস্যদের মার্জিত ও সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রতিশ্রুত ঋণ না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ট্রি খামারি, আমব্রেলা ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান
নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া পিস্তল ও গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনে পার্বতীপুরে পৌঁছেছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী
রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল মালিশ: স্বাস্থ্যে কী উপকার পেতে পারেন
জামিনের বিনিময়ে কোটি টাকা দাবি: তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি
মেহেন্দিগঞ্জে জুনিয়র বৃত্তিতে সেরা সরকারি পাতারহাট মুসলিম মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী: বরাদ্দ, সুবিধাভোগী ও বাস্তবতার চিত্র
মামলা বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধে কাজ করছে সরকার: আইনমন্ত্রী
হাদির সঙ্গে কাফিকেও হত্যার নির্দেশ দেওয়া
রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবে সশস্ত্র হামলা ও চাঁদা দাবির ঘটনায় ২ আসামি গ্রেপ্তার
পুলিশ প্রশাসনে রদবদল: ডিএমপির ডিসিসহ ৪ কর্মকর্তা বদলি
জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় ভারত থেকে ডিজেল আসছে, মাসে ১৫ হাজার টন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
শাহবাগে ওষুধ ব্যবসা ঘিরে চাঁদাবাজি     “আমি শ্রাবণ মাসের পাগলা কুত্তার মতো হয়ে গেছি”—তাসকিন গাজী
দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে মানবিক সহায়তার আবেদন গাজীপুরের আহাদুল ইসলামের
অন্তর্বর্তী সরকার ছিল ‘অধ্যাদেশ জারির সরকার’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্র সিয়ামকে হত্যা, জড়িত চার বন্ধু—দুই কিশোর আটক
জামিন পাইয়ে দিতে ১ কোটি টাকার দাবি: আইসিটি প্রসিকিউটরের অডিও ফাঁস
দিল্লি না ঢাকা—নাকি পিন্ডির ছায়া? বাস্তবতা বনাম স্লোগানের রাজনীতি
মাধবদীতে কিশোরী আমেনা হত্যা: সৎ বাবাসহ ৯ জন গ্রেপ্তার, প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
নেপালের সংসদীয় নির্বাচন সফল হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ
দুদকের মহাপরিচালকের ফোন ও টাকা ছিনতাই: গ্রেফতার দুই আসামি কারাগারে
বাংলাদেশ পুলিশে ৪ হাজার এসআই পদ সৃজনের প্রস্তাব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সভা মঙ্গলবার
হাদী হত্যাকাণ্ড: তদন্তে নতুন তথ্য, জুমাকে ঘিরে অভিযোগ জোরালো
স্বপ্ন দেখিয়ে সর্বনাশ: টাঙ্গাইলের মায়াকে নিঃস্ব করে স্বর্ণ ও লাখ টাকা নিয়ে উধাও চীনা প্রেমিক
জুনিয়র নেতারা এমপি-মন্ত্রী, উপেক্ষিত প্রবীণরা—বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা
গাজীপুরের সাবেক কাউন্সিলর শাহীন মোল্লা বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার
মন্ত্রিপরিষদে পাঁচ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার নাম সংশোধন
হাদির হত্যাকাণ্ড: শ্যুটার নয়, মূল হুকুমদাতার খোঁজ জরুরি
রাজধানীতে তেলের তীব্র সংকট, ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন
প্রতারণা ও লোভের আঁধারে সমাজ: হানিট্র্যাপের ভয়ঙ্কর বাস্তবতা
ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান মার্কিন সিনেটর টিম কেইনের
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে সশস্ত্র হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত অন্তত ৩৬
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ড: প্রধান আসামিসহ দুইজন ভারতে গ্রেপ্তার, দেশে আনার আশ্বাস আইজিপির
জুলাই আন্দোলন কারও বাপের সম্পত্তি নয়, অপব্যবহারকারীদের তালিকা করা হচ্ছে: আইজিপি
নৌ-পুলিশ প্রধানসহ পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার
ভোট কারচুপির অভিযোগে ৫ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
আমব্রেলা ফাউন্ডেশন মাওনা ব্রাঞ্চের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ
শেখ হাসিনার রাজনৈতিক পথচলা: পারিবারিক ইতিহাস, ট্র্যাজেডি ও দীর্ঘ সংগ্রামের প্রেক্ষাপট