প্রতিনিধি ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ , ১২:২৬:৪০ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।গত ৫ আগস্ট ২০২৪, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নিয়োগে জুলাই যোদ্ধা কোটা কার্যত প্রাধান্য পাচ্ছে বলে সমালোচনা তুঙ্গে উঠেছে।এ নিয়ে বিশেষ করে বরিশাল ও রাজধানীতে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোরের খবর পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে দেখা গেছে,ওমর বিন হাদি,যিনি সদ্য প্রয়াত রাজনীতিবিদ ওসমান হাদীর ভাই,তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন, বার্মিংহাম,যুক্তরাজ্য-এ দ্বিতীয় সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন।নিয়োগ শর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিয়োগকালীন সময়ে অন্য কোনো ব্যবসা বা পেশা এবং সরকারি,আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক রাখা যাবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ৫ আগস্টের পর ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর একটি বড় অংশ প্রশাসনিক নিয়োগে নিজেদের সমর্থক ও দলগত নেতা-কর্মীদের প্রাধান্য দিচ্ছে। বিশেষ করে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচিত প্রাক্তন সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীদের ক্ষেত্রে এটি এক সুস্পষ্ট উদাহরণ।
এক সরকারি কর্মকর্তা অনামিতভাবে বলেন, “ওমর হাদির নিয়োগের মতো পদাধিকারী নিয়োগ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন যে,কতটা পারদর্শিতা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে এই পদ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থের প্রশ্নও উঠছে।”
রাজনীতিবিদ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো সরকারের এই পদক্ষেপকে সমালোচনা করে বলেছেন,“রাজনৈতিক যোগ্যতা নয়,পারিবারিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ বণ্টন করা হচ্ছে,যা সরকারের স্বচ্ছতা ও দক্ষতার প্রশ্ন তোলে।”
প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওমর হাদির নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হয়েছে,এবং বিষয়টি দেশের বিভিন্ন মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।


















