বরিশাল প্রতিনিধি।।প্রতারনার মাধ্যমে জমি ও নগদ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বেলা ১২ টায় শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহীন সরদার ও তার পরিবার।
সংবাদ সম্মলনে ভুক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শাহীন সরদার।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে শাহীন সরদার বলেন, আমাদের বাড়ির জমি জমা পরিমাপ করাকে কেন্দ্র করে আমি ও আমার চাচাতো ভাইরা প্রতারনার শিকার হয়েছি।
ঘটনা শুরু হয় ২০২০ সালের প্রথম দিকে আমাদের বাড়িতে থাকা জমি জমা মাপঝোপের কাজ শুরু হয়।
আমার ও চাচাতো ভাইদের ৪৫ শতাংশ জমি রয়েছে। উক্ত জমি আমরা আমাদের মত করে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে মাপঝোপ করার প্রক্রিয়া শুরু করি।
এসময় একই এলাকার মৃত. আবদুর রহিম খান এর ছেলে শাহীন খান আমাদের ফোন করে বিপুল পরিমান জমি আমার বাবদাদার নামে রয়েছে বলে জানায়। বিষয়টি প্রথমে আমরা বিশ্বাস না করলেও প্রতারক শাহীন জানায় তার কাছে কাগজ ও দলিল আছে। তিনি সব আমাদের পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।
ঘটনা জানার পর আমরা মুন্সি মো. এছহাক আমিন এর মাধ্যমে জমি জমা ভাগ করা নিয়ে শালিশ করার প্রস্তাব দেই।
প্রস্তাবের উপর ভিত্তি করে ওই ৭ একর জমি ভোগ দখলকারীদের ডেকে শালিশি করে।
দুইটি শালিশির পর তৃতীয় বৈঠকে দলিল, ডিগ্রি, পরচা দাখিল করে শাহীন সরদার অথাৎ আমাদের পক্ষে অভিভাবক হয়ে প্রতারক শাহীন খান।
কাগজপত্র দেখে শালিশদারদের সন্দেহ হলে তারা বরিশাল জেলা সাব রেজিষ্ট্রার অফিসে এসে কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে। সেখানে শাহীন খানও যায়। কিন্তু সেখান থেকে শাহীন খান পালিয়ে যায়।আর জেলা সাব রেজিষ্ট্রার অফিসে দাখিলকৃত জমির কাগজপত্র সবই ভুয়া। যার ভুয়া দলিলের নম্বর, ৯৩২৩, তারিখ. ৪/০২/২০২১, দেওয়ানি মোকাদ্দমা নং ৫৪৫/৫৭। ও এস এ খতিয়ান নং ৮/২৩২/২২৬/১৮০/২৩০/২০১/২০২।
এঘটার জানার পর প্রকৃত জমির মালিক আমার চাচা সিরাজুল ইসলাম গং বাদী হয়ে মোকাম বরিশাল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বিচার আদালতে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে।
উক্ত মামলায় ১০ জনের মধ্যে ৫ জনকে অব্যহতি প্রদান করে। এর মধ্যে মামলা থেকে অব্যহতি পেয়েছেন শাহীন খানও।
উক্ত মামলায় চলতি মাসের ২৭ তারিখ আদেশের দিন ধার্য করেছে।








































