প্রতিনিধি ২৬ অক্টোবর ২০২২ , ৯:৫৯:৩৯ প্রিন্ট সংস্করণ
মাজহারুল ইসলাম।।ব্রেকআপের আগে ৫০% মেয়ে অন্য অপশন আগে থেকেই বরাদ্দ করে রাখে। বানানো ভাইয়া বা জাস্টফ্রেন্ড এর মধ্যেই সেই মানুষটাকে লুকিয়ে রাখে তারা।

এই বানানো ভাইয়ারা বা জাস্টফ্রেন্ড গুলোই তৃতীয় পক্ষ হয়ে তোমার প্রিয়জনকে জিতে নিয়ে যাবে।আর বর্তমানে এইটা খুব বেশিই দেখা যাচ্ছে।তাই বলি কি রিলেশন থাকা অবস্থায় যদি প্রিয়মানুষটিকে একান্তই নিজের করে রাখতে না পারো? তাইলে ছেড়ে দেওয়াই ভালো।”কথা হচ্ছিল এক বড় ভাইয়ের সাথে। ভাইয়ার সাত বছরের প্রেম শেষ করে উনার পছন্দের মানুষ তার অন্য সহপাঠিকে বিয়ে করে নিয়েছে।
আমার উত্তর ছিল–” ভাই সো কল্ড গফ এর ইচ্ছাও নাই আর এসব নাই ও আমার। ইনশা আল্লাহ কাঊকে পছন্দ হলে বিয়েই করে ফেলবো একেবারে।”
ভাইটি উত্তর দিলেন — আজকাল বউয়ের ও এমন সোকল্ড ভাই আর জাস্ট ফ্রেন্ড থাকে। হঠাৎ মনে হলো কথাগুলো আসলেই কি যৌক্তিক??বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কে না হয় এসব মেনে নেয়া গেল কারন এটাতো হারাম সম্পর্ক। কিন্তু বিবাহিত জীবনে??আসলেই কি এসব সোকল্ড ভাইয়া/আপু/বোন (বিশেষ করে অনলাইনের) বা জাস্ট ফ্রেন্ড এতটাই জরুরী?
এখন কথা হলো বিয়ের পর যদি দেখেন আপনার বউয়েরও তেমনি সো কল্ড জাস্ট ফ্রেন্ড, ফেইসবুক ফ্রেন্ড আছে বা স্বামীর ও তেমনি আছে।তাহলে কি করা উচিত?আমার মতে,
অন্তত বিবাহিত জীবনে নিজস্ব (একান্ত ব্যক্তিগত) কোন ফ্রেন্ড রাখাই উচিত না।হোক সেটা সহপাঠি বা কলিগ। রাখলেও পার্টনারের কাছে স্পষ্ট করে রাখা উচিত-ধোয়াটে কোনোমতেই নয়।
আপনার সহপাঠি বা কলিগ আপনার খুব বেশি ক্লোজ হলে তাকে আপনাদের ফ্যামিলি ফ্রেন্ড করে নিবেন। কারন বিয়ের পর যারা ব্যাক্তিগত লাইফ আছে বলে যুক্তি দেখায় এরা আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যাক্তিগত লাইফের যুক্তিতে নোংরামীতে জড়িয়ে থাকে। আর সব থেকে বড় কথা,
বিপরীত লিংগের সাথে ওপেন ফ্রেন্ডশীপ জিনিসটা কখনো ভাল ফল বয়ে আনে না,আর বিয়ের পরতো নয়ই।
আর হ্যাঁ- বিয়ে মানে একটি বন্ধন।যে বন্ধনটি দুটি মানুষের মাঝে হয়।সেখানে সংসারটা দুজনের,সন্তানও দুজনের,
সংসারের সুখ-দুঃখ দুজনের,সেখানে ব্যক্তিগত জীবন কথাটি কোথা হতে আসে??আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেছেন–“স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পোষাক স্বরূপ”
এর থেকে আর উত্তম উদাহরন আর কি হতে পারে!











