কৃষি সংবাদ

শখের বসে ড্রাগন চাষ, ছয় মাসেই ফল ধরেছে গাছে

  প্রতিনিধি ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ , ৩:৪২:৩৯ প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়া প্রতিনিধি।।ড্রাগন বিদেশি ফল হলেও বর্তমানে বাংলাদেশে এ ফলের চাষ এতটা বেড়েছে যে, ধীরে ধীরে দেশি ফলে রূপ নিয়েছে। পরিচিতির সংখ্যাও বাড়ছে, আরও বেশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এ ফলের ক্রেতা-বিক্রেতা।

ড্রাগন ফণি মনসা প্রজাতির উদ্ভিদ। এর ফুল রাতে ফোটে, তাই একে নাইট কুইনও বলা হয়। ড্রাগন মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ফল। দুই দশক ধরে আমাদের দেশে এ ফল আমদানি করা হচ্ছে। থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও চীনেও বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষাবাদ জনপ্রিয়। বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক চাষাবাদ শুরু হয় ২০০৭ সালে।

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ৪নং থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের দারিয়াপুর গ্রামে ১ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের বাগান গড়ে তুলেছেন আরিফুল ইসলাম।

প্রথমে ইউটিউব দেখে বাগান করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ধীরে ধীরে ২০০ টি খুঁটিতে প্রায় ৮০০ টি চারা রোপন করে আরিফুল । তার বড় সাফল্য ছয় মাসেই গাছে ফল দিতে শুরু করেছে।

ড্রাগন চাষী আরিফুল ইসলাম বলেন, আমি এসএসসি পরিক্ষা শেষ করে ইউটিউবে ড্রাগন ফল চাষের ভিডিও দেখি। আমার বড় ভাই ও আমি মিলে ১ বিঘা জমিতে চারা রোপন করি। সঠিক পরিচর্যায় মাত্র ৬ মাসেই ফল ধরেছে। আমার এ যাবত ২ লক্ষ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। আশাকরি বাগানে যে পরিমাণে ফলন হয়েছে তিন থেকে চার লাখ টাকার বিক্রি করতে পারবো।

আরিফুল ইসলাম শুধু ড্রাগন চাষই করেননি ১ বিঘা জমিতে থাই পেয়ারারও বাগান করেছেন।

কৃষিবিদরা বলছেন, চাষাবাদে তুলনামূলক খরচ অনেক কম ও লাভ বেশি হওয়ায় জেলায় চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের মাঝে। নন্দীগ্রাম উপজেলার মাটি সব ধরনের চাষাবাদে উপযোগী যার অন্যতম হলো ড্রাগন, মাল্টা, পেয়ারা ও উন্নত জাতের তরমুজ।

আরও খবর

Sponsered content