প্রতিনিধি ৪ জুন ২০২৫ , ৪:৫০:১৫ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস বলেছেন,বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে রাখাইনে মানবিক সহায়তার জন্য করিডর প্রতিষ্ঠায় কাজ করছিল (বাংলাদেশ) সরকার।কিন্তু এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জাতিসংঘ জড়িত নয়।

আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টকে’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
রাখাইনে মানবিক করিডরে জাতিসংঘের যুক্ততা নিয়ে জানতে চাইলে গোয়েন লুইস বলেন,যেকোনো ধরনের আন্তসীমান্ত সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ,সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের সহায়তা করার জন্য যেকোনো ধরনের উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।এ বিষয়ে জাতিসংঘ সহায়তা করবে।কিন্তু এ ধরনের কোনো মানবিক করিডর নেই।আমরা করিডর–সংক্রান্ত কোনো ধরনের আলোচনায়ও নেই।’
জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী বলেন,মানবিক করিডর একটি আনুষ্ঠানিক ও আইনি বিষয়।এ ক্ষেত্রে দুটি সার্বভৌম দেশ—বাংলাদেশ সরকার এবং মিয়ানমার সরকার এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষদের আনুষ্ঠানিক সম্মতি থাকতে হবে।যদি এখানে কোনো চুক্তি হয়,তবে জাতিসংঘ সহায়তা করতে পারে।আমি যত দূর বুঝতে পারছি—এ ধরনের চুক্তি এখন পর্যন্ত হয়নি।
গোয়েন লুইস বসেন,এটি (করিডর) দুই সরকারের বিষয়। এটি প্রতিষ্ঠিত হলে জাতিসংঘ সহায়তা করতে পারে। রাখাইনে প্রবেশ করা খুব দুরূহ।সেখানে সংঘাত চলছে এবং পরিস্থিতি অনিশ্চিত।মিযানমার সরকারের সঙ্গে ইউএনডিপি ও ইউএনএইচসিআরের মধ্যে সহায়তা দেওয়ার জন্য একটি সমঝোতা ছিল।এটি চালু রয়েছে।কিন্তু জাতিসংঘের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে গেছে।যদিও সেখানে কিছু কর্মী রয়েছে এবং কিছু অংশীদার সেখানে কাজ করছে।
রোহিঙ্গাদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়ছে বলে জানান জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী।তিনি বলেন,রোহিঙ্গারা সম্মানজনকভাবে তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে চায়।কিন্তু সেখানকার পরিস্থিতি এখন ভালো নয় ও চ্যালেঞ্জিং।

















