শিক্ষা

বরিশাল বিএম কলেজের সমন্বয়ককে ছাত্রাবাস থেকে বহিষ্কার

  প্রতিনিধি ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ , ১:২৬:৩১ প্রিন্ট সংস্করণ

বরিশাল প্রতিনিধি॥মাদক সেবনের দায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সমন্বয়ক শাহাবুদ্দিনকে ছাত্রাবাস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের বি-ব্লকের ৩১৫ নং কক্ষে থাকতেন।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক আসাদুজ্জামান।

অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাস সূত্রে জানা গেছে,গাঁজা সেবন করার অভিযোগ জানিয়ে শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলো ছাত্রাবাসের অর্ধশতাধিক ছাত্র।এ ঘটনায় সোমবার তার ছাত্রাবাসের সিট বাতিল করা হয়।শিক্ষার্থীদের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,ছাত্রাবাসের বি-ব্লকের ৩১৫ নং কক্ষে শাহাবুদ্দিন মিয়া নিয়মিত প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন করতো। অন্য ছাত্ররা নিষেধ করলে তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতো। মাদকমুক্ত ছাত্রাবাসে শাহাবুদ্দিনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের আবেদন করা হয়।অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক আসাদুজ্জামান বলেন,গত ৭ সেপ্টেম্বর দেয়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ছাত্রাবাসের ওই কক্ষে অভিযান চালানো হয়।এ সময় শাহাবুদ্দিন মিয়ার অপরাধের বিষয়টি প্রমানিত হয়।পরে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে ছাত্রাবাস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিষয়টি সম্পর্শাকে হাবুদ্দিন মিয়া জানান,মাদকসেবীর দেশ ও জাতির শত্রু।আমি যদি মাদকসেবন করে থাকি তাহলে সেটার প্রমান তো করতে হবে।আমি বার বার বলেছি আমার ডোপ টেস্ট করা হোক।এতে যদি প্রমান হয় আমি মাদকসেবী তাহলে আমাকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া হোক। কিন্তু তেমন কিছুই করা হয়নি।মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে আমাকে হল থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিএম কলেজের সমন্বয়ক সাব্বির আহমেদ বলেন,একজন ব্যক্তি যদি মাদক সেবন করে থাকে তাহলে সেটি প্রমানের জন্য ডোপ টেস্ট করতে হবে। এর আগেই একজনকে মাদকসেবী বলা যায় না।কোনো যাচাই বাছাই ছাড়াই একজন ব্যক্তিকে মাদকসেবী বলা বা আখ্যা দেওয়াটা পুরোপুরি অযৌক্তিক।আমরা বিষয়টি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো।

আরও খবর

Sponsered content