অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।ইরানের রাজধানী তেহরানে সম্প্রতি হওয়া হামলায় অন্তত একজন চীনা নাগরিক নিহত হয়েছেন, জানায় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং সংবাদ মাধ্যমে বলেন,মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।
মাও নিং আরও বলেন,“সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো সামরিক অভিযান বন্ধ করা এবং সংঘাতের ছড়িয়ে পড়া রোধ করা।এর সমাধান কেবল সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সম্ভব।”
অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরোধী উত্তেজনার মধ্যে জেরুজালেমের মসজিদুল আকসা টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বন্ধ রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী।জরুরি অবস্থা ঘোষণার অজুহাতে মুসল্লিদের নামাজ ও তারাবি আদায় করতে দেওয়া হচ্ছে না।
মসজিদুল আকসার খতিব ও জেরুজালেম ইসলামিক হাই কাউন্সিলের প্রধান শায়খ ইকরিমা সাবরি বলেছেন,ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ অবৈধ ও অযৌক্তিক।এর মাধ্যমে দখলদাররা মসজিদে তাদের আধিপত্য চাপানোর চেষ্টা করছে।
শায়খ সাবরি আরও জানান,শনিবার থেকে মুসল্লি,শরিয়াহ আদালতের কর্মী ও শিক্ষার্থীরা মসজিদ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে; ভেতরে কেবল প্রহরীরা রয়েছেন।তিনি বলেন, নিরাপত্তার অজুহাতের এই পদক্ষেপ ইবাদতের স্বাধীনতার পরিপন্থী এবং ইসলামিক ওয়াকফ কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
ফিলিস্তিনি জেরুজালেম গভর্নরেটের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মসজিদ বন্ধ রাখার কারণে হাজার হাজার মুসল্লি এশা ও তারাবির নামাজ আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
ক্ষেতলাল(জয়পুরহাট)প্রতিনিধি।।জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে এক অস্বাভাবিক ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে।মুন্দাইল গ্রামের আজমাদ হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম (৪২) অভিযোগ অনুসারে একই গ্রামের এক গৃহবধূর বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করেন এবং তাকে জড়িয়ে ধরে অশালীন আচরণ ও কুপ্রস্তাব দেন।
ঘটনার সময় ভুক্তভোগী নারী আত্মরক্ষার্থে ধারালো বস্তু ব্যবহার করে নজরুল ইসলামের পুরুষাঙ্গ কেটে দেন।আহত নজরুলকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়।
ভুক্তভোগীর স্বামী মুকুল হোসেন জানিয়েছেন,অভিযুক্তের কাছে আগে থেকে তার স্ত্রীর প্রতি উত্ত্যক্তির ইতিহাস ছিল,কিন্তু সামাজিক সম্মানের কারণে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়নি।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী জানিয়েছেন,ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।ভুক্তভোগী পরিবারও থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।সাম্প্রতিক মিলিটারি সংঘর্ষ ও পাল্টা হামলার কারণে অঞ্চলটি নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে,জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (UNSC) সোমবার জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে।বৈঠকে আলোচনা হবে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি,আন্তর্জাতিক আইন এবং স্থিতিশীলতা রক্ষা বিষয়ে।
জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী,নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব দায়িত্ব পালন করবেন সংশ্লিষ্ট সদস্য রাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি বা রাষ্ট্রদূত,ফার্স্ট লেডি বা সাবেক রাষ্ট্রপতি পরিবারের কেউ এটি করতে পারেন না।
জাতিসংঘ মুখপাত্র জানিয়েছেন,বৈঠকে সব সদস্য রাষ্ট্রকে সংলাপ এবং কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর গুরুত্ব তুলে ধরতে বলা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্যোগে ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু হয়।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ আফাজ উদ্দিন ও নেতাকর্মীরা উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন খাল,লেক ও নালা পরিষ্কার করেন।প্রায় দুই মাসের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে ৫ কিলোমিটার খাল পরিষ্কার হয়।
পরবর্তীতে খালের কিছু অংশে পুনরায় ময়লা জমলে রবিবার (২ মার্চ) আফাজ উদ্দিন আবারও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নেমে পড়েন।স্থানীয়রা তার উদ্যোগকে দায়িত্বশীল ও মানবিক উদাহরণ হিসেবে প্রশংসা করেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।সরকার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী-এর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে। রোববার (১ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে দুই বছরের চুক্তিতে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল।এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্পষ্ট জানিয়েছেন যে,সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব নয়।তবে সংবিধান সংশোধন করে ভবিষ্যতে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন করা যেতে পারে।
সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন,সংবিধানে নেই এমন কোনো পদক্ষেপ সংসদে উত্থাপন করা যাবে না।তিনি বলেন,রাজনৈতিক অধিকার হিসেবে কেউ প্রস্তাব দিতে পারলেও সবকিছু সাংবিধানিক রীতির মধ্যে হতে হবে।
তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ এবং বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগসহ সাংবিধানিক কার্যক্রমে সরকারের অবস্থানও স্পষ্ট করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান,বিরোধী দল যদি ডেপুটি স্পিকারের প্রস্তাবে রাজি হন,তবে প্রথম অধিবেশনেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইরান,ইরাক,কুয়েত,সংযুক্ত আরব আমিরাত,বাহরাইন,কাতার ও জর্দান গত শনিবার তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়।এর ফলে পুরো অঞ্চলের বিমান যোগাযোগ ব্যাহত হয়।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গত শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত মোট ১০২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বিস্তারিত:
২৮ ফেব্রুয়ারি: ২৩টি ফ্লাইট বাতিল, যার মধ্যে এমিরেটস, গালফ এয়ার,ফ্লাইদুবাই,এয়ার অ্যারাবিয়া, ইউএস-বাংলা এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত।
১ মার্চ: ৪০টি ফ্লাইট বাতিল, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় এয়ারলাইন্সের।
২ মার্চ (এ পর্যন্ত): ৩৯টি ফ্লাইট বাতিল, যার মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস, গালফ এয়ার, ফ্লাইদুবাই, কুয়েত এয়ারওয়েজ, এয়ার অ্যারাবিয়া, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট রয়েছে।
বিমান যাত্রীরা এ নিয়ে সতর্ক থাকার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।নতুন সংসদ কয়েকদিন পর যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণ দেওয়ার জন্য নয়,বরং বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।
চিঠিটি সোমবার (২ মার্চ) দেওয়া হয়।এতে বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ দিতে বাধ্য না করার অনুরোধ করা হয়েছে।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে,সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে স্পিকার নির্বাচন করে সংসদ অধিবেশন আহ্বান ও ভাষণ প্রদানের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে,অথবা প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব সুবিধামত ব্যবস্থা নিতে পারেন।
কুয়েত থেকে: কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস ও এর আশেপাশের এলাকায় আগুন ও ধোঁয়া দেখা গেছে। খবরটি নিশ্চিত করেছে রয়টার্স ও এএফপি।ঘটনা স্থলে ফায়ার ফাইটার্স ও অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জানিয়েছে,দূতাবাসের এলাকায় কেউ যাওয়া থেকে বিরত থাকুক এবং বাসায় আশ্রয় নিক। দূতাবাসের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, “আপনার বাসস্থানের সবচেয়ে নিচতলায় থাকুন এবং জানালা থেকে দূরে থাকুন। বাইরে যাবেন না।”
কুয়েতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, “যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন, নিরাপত্তা পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করুন এবং সম্ভাব্য অতিরিক্ত হামলার জন্য প্রস্তুত থাকুন।”
দূতাবাসের কর্মীরাও বর্তমানে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করছেন।
সৈয়দপুর(নীলফামারী)প্রতিনিধি।।সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ঢাকা ব্যাংকের শাখায় আগুন লেগেছে।আগুনের সূত্রপাত এখনও জানা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তা বা গ্রাহক ভবনের ভেতরে আটকা পড়েছেন।ফায়ার সার্ভিস তাদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।আগামী ছয় মাসের মধ্যে রাজধানীতে নারী যাত্রীদের জন্য বিশেষ বাস সার্ভিস চালু করার পরিকল্পনা করছে সরকার।সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হকের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে বলা হয়,জনগণের জন্য নিরাপদ ও জনবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।নারীরা যখন নিরাপদ গণপরিবহন পান না,তখন তাদের দৈনন্দিন যাতায়াত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এই সমস্যা লাঘব করতে ঢাকার রাস্তায় নামানো হবে ইলেকট্রিক বাস,যা নারীদের জন্য বিশেষ এবং চালক হিসেবে নিয়োগ পাবেন নারী।
সংশ্লিষ্টরা আরও জানান,বৈঠকে রাজধানীর যানজট নিরসন ও যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে মেট্রোর পাশাপাশি মনোরেল চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।এটি জনগণের জন্য তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী ও দ্রুতগামী পরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে।
এছাড়া দেশের আন্তঃনগর যোগাযোগ আরও দ্রুত ও সহজ করতে ভবিষ্যতে ‘হাই-স্পিড’ বা উচ্চগতির ট্রেন সার্ভিস চালুর বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।
মেহেন্দিগঞ্জ(বরিশাল) প্রতিনিধি।।বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরএককরিয়া ইউনিয়নে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া গরুচুরি ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।পুলিশ জানায়,এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭টি গরু উদ্ধার করা হয়েছে এবং আঃ রব খান নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সূত্রে জানা যায়,চোরচক্রের হোতা মনির হোসেন আকন অভিযোগ করেছেন যে,আটক ব্যক্তির মাধ্যমে চোরেরা স্থানীয় কয়েকজন কথিত নেতার সাথে সমঝোতা করে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় সব মিটমাট করার চেষ্টা চালাচ্ছিল।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন,পুলিশ দ্রুত তদন্ত চালিয়ে চোরচক্রকে সুষ্ঠু আইনি ব্যবস্থার আওতায় আনার চেষ্টা করছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।কুয়েতের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।সোমবার (২ মার্চ) সকালে ইরাক-কুয়েত সীমান্তের কাছাকাছি একটি জনবসতিহীন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
খবরে বলা হয়,দুর্ঘটনার আগে বিমানটির দুই পাইলটই নিরাপদে ইজেক্ট করে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।আল জাজিরার এক সংবাদদাতা জানান,উদ্ধার হওয়া ক্রুদের একজন পুরুষ ও অপরজন নারী।তবে তাদের জাতীয়তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
মিডল ইস্ট আই দাবি করেছে,কুয়েতের আকাশে সংঘটিত একটি হামলার প্রেক্ষাপটে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা কুয়েতের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রয়টার্স এক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে জানায়,কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসের কাছাকাছি এলাকা থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। একই সময়ে দেশটিতে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজতে শোনা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন,চলমান সংঘাত আরও প্রায় চার সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।তিনি দাবি করেন, অভিযানে সৌদি আরবও যুক্ত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে রিয়াদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর গুরুত্বপূর্ণ রাস তানুরা তেল শোধনাগারে ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে শোধনাগারটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
হামলার পর স্থাপনার একটি অংশে আগুন লাগলেও তা সীমিত পর্যায়ে ছিল এবং দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।ইরান উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ ও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে।এর মধ্যেই সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটলো।
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত রাস তানুরা রিফাইনারি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধন ও রপ্তানি কেন্দ্র। প্রতিদিন এখানে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল শোধন করা হয় এবং সংলগ্ন রপ্তানি টার্মিনাল থেকে বিপুল পরিমাণ তেল আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়।
বিশাল সংরক্ষণ ট্যাংক,উন্নত পাইপলাইন নেটওয়ার্ক এবং আন্তর্জাতিক তেলবাহী জাহাজের জন্য বড় বন্দরসহ এই স্থাপনাটি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে এখানে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে মূল্য বৃদ্ধি ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা।
অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের ‘অবিচ্ছিন্ন ও অবিবেচক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা’র কঠোর নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয়টি দেশ।
যুক্তরাষ্ট্র,বাহরাইন,জর্ডান,কুয়েত,কাতার,সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এক যৌথ বিবৃতিতে এ নিন্দা প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে বলা হয়,ইরানের এসব ‘অযৌক্তিক হামলা’ বিভিন্ন দেশের সার্বভৌম ভূখণ্ডকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।এতে সাধারণ নাগরিকদের জীবন বিপন্ন হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দেশগুলো আরও উল্লেখ করে,তেহরানের পদক্ষেপ আঞ্চলিক উত্তেজনা বিপজ্জনকভাবে বাড়িয়ে তুলছে,যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি।
যৌথ বিবৃতিতে তারা নিজেদের নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে এবং আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের বিষয়টিও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসার পরিকল্পনা নেই তেহরানের।সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়ে প্রকাশিত গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সরাসরি নাকচ করেন তিনি।
বার্তা সংস্থা এএফপি তেহরান থেকে জানায়, সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়—ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ ব্যাপক হামলার পর দেশটির কর্মকর্তারা সপ্তাহান্তে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছেন।
তবে এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে লারিজানি বলেন,ইরান এমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি এবং আলোচনার বিষয়টি ভিত্তিহীন।
বর্তমানে আলী লারিজানি ইরানের প্রভাবশালী সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল-এর নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করছেন।তাঁর বক্তব্যকে দেশটির নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বিএনপির চার প্রার্থী।
সোমবার (২ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আবেদনকারী প্রার্থীরা হলেন—
কুড়িগ্রাম-২ আসনে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ,
রংপুর-৬ আসনে মো. সাইফুল ইসলাম,
রংপুর-৪ আসনে মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং
রাজশাহী-১ আসনে মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন।
এর আগে রোববার পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিব এবং ডি এম ডি জিয়াউরের পৃথক আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে গত ১৭ মাসে একটি গোষ্ঠী,বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ছত্রছায়ায় থেকে ভয়াবহ নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।এতে জননিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ে।বিভিন্ন স্থানে মব সহিংসতা ও বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধারাও নজিরবিহীনভাবে নাজেহালের শিকার হয়েছেন।
এই নৈরাজ্য মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে।২০২৪ সালের আগস্টে পুলিশের প্রায় সাড়ে তিন হাজার সদস্য প্রাণ হারানোর দাবি উঠে,এবং দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীও বিভিন্ন হুমকির মুখে পড়ে।ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।নির্বাচনে বিএনপি সর্বাধিক আসন লাভ করে সরকার গঠন করেছে।নতুন সরকারের প্রতি জনগণের প্রত্যাশাও অনেক বেশি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ। সরকার গঠনের আগে ও পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান “সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগান সামনে এনে রাষ্ট্র পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পুলিশের প্রতি জনআস্থা পুনর্গঠন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।তবে মাঠপর্যায়ে প্রত্যাশিত পরিবর্তন এখনো স্পষ্ট নয় বলে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—কীভাবে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরবে এবং বাহিনীর মনোবল পুনরুদ্ধার হবে?
রাজনৈতিক অস্থিরতা,নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা,কথিত ভুয়া মামলা এবং অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশের কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা দেখা যায় এবং সদস্যদের মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দায়িত্ব পালনকালে হামলা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার কারণে অনেক সদস্য এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
এর মধ্যে সরকার গত ২৪ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরকে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।নবনিযুক্ত আইজিপির কাছে প্রত্যাশা—তিনি মাঠপর্যায়ে পুলিশি কার্যক্রম আরও গতিশীল করবেন। এ ক্ষেত্রে সরকারপ্রধান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সক্রিয় সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ,কারণ যে কোনো সরকারের ভাবমূর্তি ও জননিরাপত্তা অনেকাংশেই পুলিশের কার্যকারিতার ওপর নির্ভরশীল।
পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে,রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা পুলিশের প্রতি জনআস্থা ফিরিয়ে আনার প্রধান শর্ত। নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগ,অভিযোগের স্বচ্ছ তদন্ত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা জরুরি। পাশাপাশি ঝুঁকি ভাতা,আবাসন সুবিধা,পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা বাড়ানো হলে সদস্যদের কর্মদক্ষতা ও মনোবল বৃদ্ধি পাবে।
পুলিশের চেইন অব কমান্ড পুনঃপ্রতিষ্ঠায় পুলিশ রেগুলেশন বেঙ্গল (PRB) ও ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) যথাযথভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন।অতীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়মিত ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ থানার কার্যক্রমকে গতিশীল রাখত এবং অনিয়ম দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হতো।সেই সংস্কৃতি পুনরায় চালু করা জরুরি।
পুলিশের প্রতি জনআস্থা পুনর্গঠন,বাহিনীর মনোবল পুনরুদ্ধার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই নতুন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।২০২৪ সালের আগস্টে পুলিশ সদস্যদের হত্যাসহ সকল সহিংস ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করাও সময়ের দাবি।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই—এটাই হতে পারে স্থিতিশীল রাষ্ট্র ব্যবস্থার একমাত্র পথ।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের মসজিদগুলোর জনবল কাঠামো শক্তিশালী করা এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য দূর করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় নীতিমালাটি প্রকাশিত হয়।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটি এ নীতিমালা প্রণয়ন করে। চূড়ান্ত করার আগে দেশের প্রখ্যাত আলেম-ওলামা, ইমাম-খতিব ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসব সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক।
গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামো
নীতিমালায় খতিব ছাড়া মসজিদের অন্যান্য জনবলের জন্য জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ অনুযায়ী গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে। খতিবের বেতন চুক্তিপত্র অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। তবে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও পাড়াভিত্তিক মসজিদের ক্ষেত্রে সামর্থ্য অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে।
নির্ধারিত বেতন কাঠামো হলো—
পদ
গ্রেড
বেতন স্কেল (টাকা)
সিনিয়র পেশ ইমাম
৫ম গ্রেড
৪৩,০০০ – ৬৯,৮৫০
পেশ ইমাম
৬ষ্ঠ গ্রেড
৩৫,৫০০ – ৬৭,০১০
ইমাম
৯ম গ্রেড
২২,০০০ – ৫৩,০৬০
প্রধান মুয়াজ্জিন
১০ম গ্রেড
১৬,০০০ – ৩৮,৬৪০
মুয়াজ্জিন
১১তম গ্রেড
১২,৫০০ – ৩০,২৩০
প্রধান খাদিম
১৫তম গ্রেড
৯,৭০০ – ২৩,৪৯০
খাদিম
১৬তম গ্রেড
৯,৩০০ – ২২,৪৯০
আবাসন, সঞ্চয় ও অবসর সুবিধা
নীতিমালায় মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মীদের সপরিবারে আবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মাসিক সঞ্চয়, চাকরি শেষে এককালীন সম্মাননা প্রদান এবং কল্যাণমূলক সুবিধার বিধান রাখা হয়েছে।
ছুটি ও নিয়োগ ব্যবস্থা
প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৪ দিন সাপ্তাহিক ছুটি
বছরে ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি
প্রতি ১২ কর্মদিবসে ১ দিন অর্জিত ছুটি
নিয়োগের জন্য সাত সদস্যের বাছাই কমিটি থাকবে এবং তাদের সুপারিশ ছাড়া কোনো নিয়োগ দেওয়া যাবে না। নিয়োগপত্রে বেতন-ভাতা ও দায়িত্ব স্পষ্টভাবে উল্লেখ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নতুন পদ ও অন্যান্য নির্দেশনা
নীতিমালায় মসজিদে নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। নারীদের জন্য শরিয়তসম্মত পৃথক নামাজের স্থান রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটি ১৫ সদস্যবিশিষ্ট করা হয়েছে, তবে আয়-আয়তন অনুযায়ী সদস্য সংখ্যা সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে।
নীতিমালা বাস্তবায়নে জটিলতা দেখা দিলে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি তা নিষ্পত্তি করবে। নতুন নীতিমালা জারির মাধ্যমে ২০০৬ সালের মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা বাতিল করা হয়েছে।
জাতীয় খতিব পরিষদের সভাপতি মুফতি মাওলানা শামীম মজুমদার বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় আলেম সমাজ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের আশা করছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে আটজনের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা: মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ – রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান – রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ – রাজনৈতিক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ – জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর – অর্থ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম – প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মাহদী আমিন – শিক্ষা,প্রাথমিক ও গণশিক্ষা,প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান,শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় রেহান আসিফ আসাদ – ডাক,টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক।।ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাউল হকের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে ৩২ লাখ ৩৩ হাজার টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।তথ্য অনুযায়ী,২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অর্থ বিভিন্ন উৎস থেকে ওসির মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে পাঠানো হয় এবং পরে অনলাইন জুয়াতে খরচ করা হয়েছে। হাতের তথ্য অনুযায়ী,এই টাকা সাতটি বিকাশ ও নগদ একাউন্ট থেকে এসেছে।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হলো কনস্টেবল সাদ্দামের মোবাইল নম্বর থেকে ৬ লাখ ৯১ হাজার ৬২৯ টাকা, লন্ড্রি পিকআপ অ্যান্ড ড্রপ নামে রেজিস্ট্রেশনকৃত নম্বর থেকে ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ টাকা এবং মিজানুর নামের ব্যক্তির নম্বর থেকে ৫ লাখ ৪৯ হাজার ১২০ টাকা। ওসি ইমাউল হক অভিযোগকে অস্বীকার করে বলেছেন,তার মোবাইলটি হ্যাক করা হয়েছে এবং অনলাইন জুয়ার সাথে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।তিনি দাবি করেছেন,কোনো ধরনের অনলাইন লেনদেন তার জ্ঞাতিতে হয়নি। অন্যদিকে তদন্তকারীরা মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেন ও API লগের মাধ্যমে ঘটনার সঠিক ব্যাখ্যা বের করার চেষ্টা করছেন। বিষয়টি দেশের সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে অনিয়ম ও দুর্নীতির একটি চরম উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।নবগঠিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে গুরুত্ব দিয়েছে।দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র তিন দিনের মাথায় ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছে।আগামী সপ্তাহে কমিশনের বৈঠকে নির্বাচন আয়োজনের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি তোলে জামায়াতসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল।তবে বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের বিরোধিতার মুখে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করে।১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে।রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিকেল ৪টায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান। এর মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বের সমাপ্তি ঘটে। আইনি বাধ্যবাধকতা আইন অনুযায়ী,সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রথম সভা: ২ জুন ২০২০ → মেয়াদ শেষ: ১ জুন ২০২৫ ঢাকা উত্তর সিটির প্রথম সভা: ৩ জুন ২০২০ → মেয়াদ শেষ: ২ জুন ২০২৫ চট্টগ্রাম সিটির প্রথম সভা: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ → মেয়াদ শেষ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগের চিঠি পাওয়ার পর কমিশন প্রস্তুতি শুরু করেছে।আগামী সপ্তাহে বৈঠকে নির্বাচন আয়োজনের বিস্তারিত পরিকল্পনা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন,নির্বাচনে অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে এবং অতীতের মতোই প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা থাকবে।
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।।চট্টগ্রামকে দেশের প্রকৃত বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চট্টগ্রাম বন্দরে বড় পরিসরে বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।তিনি বলেন, বন্দরের কার্যক্রম আধুনিক ও গতিশীল করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী করতে হলে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।পোর্টের কার্যক্রম আরও উন্নত করতে হবে এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।বিনিয়োগই বাণিজ্যিক রাজধানী গঠনের মূল চালিকাশক্তি।” এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান,চট্টগ্রাম বন্দর উন্নয়ন নিয়ে সরকারের বিস্তৃত পরিকল্পনা রয়েছে,তবে তা সংক্ষেপে বলা সম্ভব নয়।তিনি দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে কর্মসংস্থানের বিষয়টিকে উল্লেখ করেন। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা চট্টগ্রাম সফরে যান আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।সফরসূচি অনুযায়ী,তিনি নগরের পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীতে পারিবারিক কবরস্থানে মা–বাবার কবর জিয়ারত করবেন এবং কদমতলী মাদারবাড়ী জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করবেন। পরে মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবেন তিনি।একই স্থানে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে বন্দরসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রাত ৮টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার। প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি।নির্বাচিত সংসদ ও সরকার গঠিত হয়েছে। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।চট্টগ্রামের উন্নয়নেও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”
নিজস্ব প্রতিবেদক।।চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে পড়াশোনা শেষ করে গণমাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন তানজিল জাহান তামিম।দীপ্ত টিভির সম্প্রচার বিভাগে কর্মরত এই তরুণের জীবন থেমে যায় একটি জমি ও ফ্ল্যাট বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংস ঘটনায়। পরিবারের অভিযোগ, তামিমদের পরিবারের মালিকানাধীন একটি জমিসহ মোট তিনজন মালিক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৯ তলা একটি ভবন নির্মাণ করেন।ভবনটিতে মোট ২৭টি ফ্ল্যাট ছিল এবং চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যেক জমির মালিক পাঁচটি করে ফ্ল্যাট পাওয়ার কথা ছিল। তবে নিহত তামিমের পিতা মাত্র দুটি ফ্ল্যাট পান বলে দাবি পরিবারের।বাকি তিনটি ফ্ল্যাটের মধ্যে একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার শ্বশুরের কাছে ডেভেলপার কোম্পানির পক্ষ থেকে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী,২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর প্রায় ২০–২৫ জন ব্যক্তি ভবনে হামলা চালায় এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে।এ সময় নিচতলা থেকে নিজের ফ্ল্যাটের দিকে যাওয়ার সময় তানজিল জাহান তামিম হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিবারের দাবি, ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান প্লেজেন প্রোপার্টি–এর মালিক শেখ রবিউল আলম রবি এ ঘটনায় প্রধান আসামি।ঘটনার পর তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তারও করেছিল বলে তারা জানিয়েছে। এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শেখ রবিউল আলম রবি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ঢাকা–১০ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানা গেছে।এছাড়া তাকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন—এই তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রে আলোচনা রয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান বা অভিযুক্ত পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও মামলার বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি। ঘটনাটি নিয়ে নিহতের পরিবার বিচার দাবি করে আসছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের মন্ত্রীসভা ও শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ প্রকাশের পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা ও প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়,তালিকাভুক্ত প্রায় সবাই কোটিপতি; কারও সম্পদ শতকোটি টাকার ঘরও ছাড়িয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী নেতাদের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ নিচে তুলে ধরা হলো— জাকারিয়া তাহের — ১৮১ কোটি ৭২ লাখ টাকা আব্দুল আউয়াল মিন্টু — ১১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা খলিলুর রহমান — ৫৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ — ২৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আফরোজা খানম রিতা — ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা সালাহউদ্দিন আহমদ — ১৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা আসাদুল হাবিব দুলু — ১৮ কোটি ৯ লাখ টাকা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির — ১৮ কোটি টাকা মো. আসাদুজ্জামান — ১১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা আরিফুল হক চৌধুরী — ১১ কোটি ১৬ লাখ টাকা আমির খসরু — ১০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন — ৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ইকবাল হাসান মাহমুদ — ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি — ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা এহসানুল হক মিলন — ৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা জহির উদ্দিন স্বপন — ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা মো. সাখাওয়াত হোসেন — ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা ফকির মাহবুব আনাম — ২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা দীপেন দেওয়ান — ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা শেখ রবিউল আলম — ২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা হাফিজ উদ্দিন আহমদ — ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ — ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর — ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা…
নিজস্ব প্রতিবেদক।।সড়কে যানবাহন থেকে অর্থ আদায়কে “সমঝোতার ভিত্তিতে নেওয়া টাকা, চাঁদা নয়” — সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর এমন বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।সমালোচকদের দাবি,এই বক্তব্য বাস্তবতা ও আইনি যুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিশ্লেষক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন,প্রকৃত সমঝোতা তখনই হয় যখন দুই পক্ষ সমান স্বাধীন অবস্থানে থাকে এবং কোনো পক্ষ ‘না’ বললেও ক্ষতি বা হয়রানির আশঙ্কা থাকে না।কিন্তু সড়কে চলাচলকারী চালকদের ক্ষেত্রে বাস্তবতা ভিন্ন।অভিযোগ রয়েছে,নির্দিষ্ট স্থানে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চালকদের দেরি করানো,বাধা দেওয়া বা নানা ধরনের ঝামেলায় ফেলার ঘটনা ঘটে। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়েই অর্থ প্রদান করেন, যা স্বেচ্ছায় দেওয়া নয় বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে,বৈধভাবে কোনো অর্থ আদায় করতে হলে নির্দিষ্ট হার,অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ এবং রসিদের ব্যবস্থা থাকতে হয়।কিন্তু যেসব ক্ষেত্রে এসবের কোনো আনুষ্ঠানিক কাঠামো নেই,সেখানে অর্থ আদায়কে “সমঝোতা” বলা আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। সমালোচকদের ভাষ্য,ক্ষমতার প্রভাব বা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অর্থ আদায় করলে তার প্রকৃতি পরিবর্তিত হয় না।শব্দ পরিবর্তন করে বাস্তবতাকে বৈধতা দেওয়া যায় না বলেও তারা মন্তব্য করেন। এদিকে মন্ত্রীর বক্তব্যের পক্ষে কেউ কেউ যুক্তি দিয়েছেন যে, পরিবহন খাতের কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হয়।তবে বিরোধীরা বলছেন,এই যুক্তি অনিয়মকে বৈধতা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে এবং সড়ক পরিবহন খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “ফ্যামিলি কার্ড” বা দেশের সব পরিবারকে মাসিক ভাতা দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। অনেকেই দাবি করছেন—৫ কোটি পরিবারকে মাসে ২,৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে।তবে বাস্তব তথ্য ও অর্থনৈতিক হিসাব বলছে ভিন্ন চিত্র। 🔎 বাংলাদেশে মোট পরিবার কত? বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এর জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২–এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে মোট পরিবারের সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখের বেশি।জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারা অনুযায়ী ২০২৬ সালের শুরুতে এটি আনুমানিক ৪.৩–৪.৫ কোটি হতে পারে।৫ কোটি পরিবার মূলত একটি সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা বা রাজনৈতিক আলোচনার অংশ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। 💰 যদি ৫ কোটি পরিবারকে মাসে ২,৫০০ টাকা দেওয়া হয় – মাসিক ব্যয়: ১২,৫০০ কোটি টাকা – বাৎসরিক ব্যয়: ১,৫০,০০০ কোটি টাকা তুলনামূলকভাবে,২০২৪–২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ৭,৯৭,০০০ কোটি টাকা।অর্থাৎ শুধু এই একটি কর্মসূচির পেছনেই বাজেটের প্রায় ১৮–১৯ শতাংশ ব্যয় হয়ে যাবে। 📊 সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বাস্তবতা বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি একক কোনো মন্ত্রণালয় নয়; প্রায় ২৪–৪০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ যৌথভাবে পরিচালনা করে। – মোট বরাদ্দ: ১,৩৬,০২৬ কোটি টাকা (মোট বাজেটের প্রায় ১৭%) – সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ব্যয় হয় আনুমানিক ১২–১৫%। 👥 কারা এই সহায়তা পান? সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দেওয়া হয়— ✔ বয়স্ক,বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা ✔ খাদ্য সহায়তা (OMS, VGD, কাবিখা) ✔ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ✔ মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ও দুর্যোগ সহায়তা বর্তমানে সরাসরি নগদ সহায়তার আওতায় রয়েছে প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ মানুষ,অর্থাৎ দেশের সব পরিবার নয়। 🧭 বিশ্লেষণ সব পরিবারকে মাসিক নগদ সহায়তা দেওয়া বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোয় অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও কঠিন উদ্যোগ।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, NID-ভিত্তিক ডিজিটাল ডাটাবেজ ব্যবহার করে প্রকৃত দরিদ্র পরিবার শনাক্ত করা গেলে অপচয় কমিয়ে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা…
এপিলেপসি (মৃগী রোগ) সম্পর্কে তথ্য সংজ্ঞা: এপিলেপসি হলো মস্তিষ্কের একটি দীর্ঘস্থায়ী স্নায়বিক রোগ, যা হঠাৎ খিঁচুনি বা অস্বাভাবিক আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এটি মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক সংকেতে সাময়িক ব্যাঘাতের কারণে হয়। লক্ষণ: শরীর ঝাঁকুনি দেওয়া বা পেশীর মোচড় অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কিছুক্ষণ স্থির হয়ে তাকিয়ে থাকা অদ্ভুত স্বাদ বা গন্ধ অনুভব করা কারণসমূহ: জেনেটিক বা পরিবারের ইতিহাস মাথায় আঘাত, স্ট্রোক, টিউমার মস্তিষ্ক সংক্রমণ (যেমন মেনিনজাইটিস) জন্মগত ত্রুটি চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণ: ওষুধ: অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধ নিয়মিত খেলে প্রায় ৭০% রোগী খিঁচুনি-মুক্ত জীবন যাপন করতে পারেন। অস্ত্রোপচার: যদি ওষুধে কাজ না হয়, মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট অংশ অপসারণ করা যেতে পারে। ডিভাইস থেরাপি: ভেগাস নার্ভ স্টিমুলেশন (VNS) বা ডিপ ব্রেইন স্টিমুলেশন (DBS) ব্যবহার করা যেতে পারে। জীবনধারার পরিবর্তন: পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা মানসিক চাপ কমানো (যোগব্যায়াম বা ধ্যান) নির্দিষ্ট ডায়েট (যেমন কিটোজেনিক ডায়েট) ট্রিগার এড়ানো: উজ্জ্বল আলো, উচ্চ শব্দ, অ্যালকোহল প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা (WHO অনুযায়ী): মাথায় আঘাত থেকে রক্ষা করা (দুর্ঘটনা বা খেলাধুলার সময় সতর্ক থাকা) গর্ভকালীন যত্ন উন্নত করা সংক্রমণ ও পরজীবী থেকে দূরে থাকা মোটামুটি: এপিলেপসি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য নয়, তবে সঠিক চিকিৎসা ও জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রায় ৯০% ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশের সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি,আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, প্রধান শাখা কার্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক ছিল।২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান যুক্ত করা হয়।তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই অনুচ্ছেদকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্যোগে গঠিত ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’ সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে।কমিশন জানিয়েছে,প্রস্তাবটি ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না—সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়া হচ্ছে। এদিকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের দরবার হলসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা আলোচনার জন্ম দেয়।পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন সরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেও প্রতিকৃতি অপসারণের খবর পাওয়া যায়। একই সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বিদ্যমান কাগুজে মুদ্রার নকশা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে।নতুন নোটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির পরিবর্তে দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য,ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “জুলাইয়ের চেতনা” সমুন্নত রাখা এবং অতীতের “ফ্যাসিবাদের প্রতীক” হিসেবে বিবেচিত বিষয়গুলো পুনর্মূল্যায়নের অংশ হিসেবেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে এ উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে কয়েকটি রাজনৈতিক দল,যার মধ্যে জাসদ উল্লেখযোগ্য।তাদের দাবি,সাংবিধানিক বিধান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জাতীয় ঐকমত্য ও বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক চলমান থাকায় বিষয়টি আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।ইতালিতে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদে পাঁচ লাখ বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার কর্মসূচির প্রথম ধাপের ‘ক্লিক ডে’ সফলভাবে শেষ হয়েছে।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই পর্বে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫০ জন শ্রমিকের জন্য নির্ধারিত কোটায় বিভিন্ন খাতে অনলাইন আবেদন সম্পন্ন হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,কঠোর শর্ত ও জটিল আবেদন প্রক্রিয়ার কারণে এবার আবেদন সংখ্যা তুলনামূলক কম ছিল।ফলে যারা নির্ধারিত নিয়ম মেনে আবেদন জমা দিতে পেরেছেন,তাদের ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি বলে মনে করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা ও ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞরা। এবারের কোটায় শ্রমিকদের খাতভিত্তিকভাবে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিজনাল বা মৌসুমী কাজ—বিশেষ করে কৃষি ও পর্যটন খাতে ৮৮ হাজার, নন-সিজনাল খাতে ৭৬ হাজার ২০০ এবং স্বনির্ভর কাজের জন্য ৬৫০ জনের সুযোগ রাখা হয়। গত ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধাপে ধাপে আবেদন গ্রহণ করা হয়।শেষ দিনে গৃহস্থালি বা ডমেস্টিক কাজের জন্য আবেদনকারীর চাপ সবচেয়ে বেশি ছিল বলে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞরা জানান,আবাসন সনদ ও রেসিডেন্স সংক্রান্ত কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের কারণে অনেক আগ্রহী আবেদনকারী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেননি।তবে যারা সব ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করেছেন,তাদের আবেদন অনুমোদনের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। এদিকে সম্ভাব্য ভিসাপ্রার্থীদের সতর্ক করে সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এই সুযোগকে কেন্দ্র করে দালাল চক্র সক্রিয় হতে পারে।তাই কোনো ধরনের প্রতারণা এড়াতে সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরবর্তী ধাপে আরও ১ লাখ ৬৫ হাজার শ্রমিক নিয়োগের জন্য আগাম ফরম পূরণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।রমজানকে সামনে রেখে চালের বাজারে মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গেলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে এক বাজার কমিটির সভাপতির অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের একটি টিম বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে গেলে ব্যবসায়ীদের বর্তমান সভাপতি নিজেকে পরিচয় দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল জব্বারকে উদ্দেশ করে বলেন, “এটা আগের সভাপতি নয়, এখন আমি সভাপতি।” প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি,এ সময় তিনি আক্রমণাত্মক ও হুমকিসূচক ভঙ্গিতে কথা বলেন,যা দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ,সরকারি দায়িত্ব পালনকালে ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধা দেওয়া, হুমকি প্রদান এবং নাজেহাল করার চেষ্টা করা হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অনেক নেটিজেন অভিযুক্ত সভাপতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন,বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের অভিযান বাধাগ্রস্ত হলে সাধারণ ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।তাই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।চিকিৎসক,গবেষক ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ডা. থ্রিনা ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, গ্রীন টিভি সংশ্লিষ্ট একটি বিষয় তিনি ব্যক্তিগতভাবে নিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।তিনি অভিযোগ করেন,কিছু ব্যক্তি নারীদের ব্ল্যাকমেইল ও হয়রানির সঙ্গে জড়িত। স্ট্যাটাসে ডা. থ্রিনা ইসলাম আরও উল্লেখ করেন,গ্রীন টিভি থেকে পাওয়া তার বেতনের অর্থ তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে সেটি যাকাত হিসেবে কয়েকজনের নামে দান করার ঘোষণা দিয়েছেন। এ সময় তিনি বলেন,তার বিরুদ্ধে মামলা,অপপ্রচার কিংবা হুমকি দেওয়া হলেও তিনি প্রতিবাদ থেকে সরে আসবেন না। স্ট্যাটাসটি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।কেউ তার বক্তব্যের সমর্থন জানিয়েছেন, আবার কেউ ভাষার ব্যবহার ও অভিযোগের ধরন নিয়ে সমালোচনা করেছেন। এ বিষয়ে গ্রীন টিভি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় যৌতুক দাবি,নির্যাতন ও বিয়ের তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগে স্বামী,শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন এক নারী।একই ঘটনায় পাল্টা বক্তব্য দিয়ে অভিযোগগুলোকে ‘গুজব ও অপপ্রচার’ দাবি করেছেন অভিযুক্ত স্বামী। মামলার বাদী সাদিয়া নাসিম (২১) ও তার মা রোকেয়া বেগম এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন,বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে নির্যাতনের শিকার হন সাদিয়া।তাদের দাবি,১০ জুন ২০২৪ তারিখে হলফনামার মাধ্যমে তালাক ঘোষণা করা হলেও ১৬ জুলাই ডাকযোগে পাঠানো নোটিশের পরও ১১ লাখ টাকা দেনমোহর পরিশোধ করা হয়নি। বাদীপক্ষ আরও অভিযোগ করেন,তালাকের বিষয়টি গোপন রেখে দীর্ঘদিন আটকে রাখা, লশারীরিক নির্যাতন এবং ধর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে।মামলা দায়েরের পর বিবাদীপক্ষের লোকজন থেকে হুমকি পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। অন্যদিকে অভিযুক্ত আব্দুল মান্নান,যিনি পেশায় প্রবাসী বলে দাবি করেছেন,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।তিনি বলেন,বিয়ের কয়েকদিন পর জানতে পারেন তার স্ত্রীর এপিলেপসি (মৃগী) রোগ রয়েছে,যা বিয়ের আগে জানানো হয়নি।এরপরও তিনি সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন বলে দাবি করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী,কাবিন ১০ লাখ টাকা নির্ধারিত থাকলেও তার কাছে ১৮ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয়।এসব পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে তিনি তালাক দেন এবং তালাক কার্যকর হওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে জানান।বর্তমানে তাকে ও তার পরিবারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আইনি দিক বাংলাদেশের আইনে যৌতুক দাবি,নির্যাতন বা যৌতুকের কারণে তালাক দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ।যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী যৌতুক দাবি করলে ১ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে। এছাড়া তালাক আইনগতভাবে কার্যকর হওয়ার আগে দ্বিতীয় বিয়ে করলে তা দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দ্বি-বিবাহ হিসেবে গণ্য হতে পারে,যার শাস্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর…
নিজস্ব প্রতিবেদক।।ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় তৈরি হওয়া তথাকথিত ‘মব কালচার’ বা গণরোষ ভবিষ্যতে সরকারের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানব’-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেন,এই সংস্কৃতির ফল একসময় সংশ্লিষ্টদেরই ভোগ করতে হবে। সম্প্রতি একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।রনি দাবি করেন, “ড. ইউনূসের আমলে এমন কিছু রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা আগে এতটা দৃশ্যমান ছিল না।সময়ের সঙ্গে এর প্রভাব সবাই উপলব্ধি করবে।” ‘মব মানসিকতা’ প্রসঙ্গ বাংলাদেশের সামাজিক মনস্তত্ত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন,জনতার আবেগপ্রবণ আচরণ অনেক সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।তার ভাষায়,“রাস্তায় কেউ ‘ধর’ বলে চিৎকার করলে অনেক মানুষ না বুঝেই তাতে জড়িয়ে পড়ে।এই প্রবণতা ক্ষমতার পরিবর্তনের সময় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে পারে।” উপদেষ্টাদের সতর্কবার্তা সরকারের উপদেষ্টাদের উদ্দেশে রনি বলেন,জনমতকে অবমূল্যায়ন করা বা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেখানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।তিনি মন্তব্য করেন,ভবিষ্যতে জনরোষের আশঙ্কায় অনেকেই স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে অসুবিধায় পড়তে পারেন। ‘নিজ হাতে গড়া দানব’ মন্তব্য মব জাস্টিস বা গণপিটুনির সংস্কৃতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “যে পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে,সেটাই একসময় উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে।” এ প্রসঙ্গে তিনি ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানব’ উপমা ব্যবহার করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা প্রশিকা মোড় এলাকায় একটি এনজিওভিত্তিক ঋণ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে পোল্ট্রি খামারিদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগ অনুযায়ী,প্রতিষ্ঠানটির এরিয়া ম্যানেজার নতুন ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আগাম কিস্তি আদায় করলেও পরে ঋণ দিতে অস্বীকৃতি জানান,ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন একাধিক খামারি। ভুক্তভোগী পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা জানান,তারা পূর্বে নেওয়া প্রায় ৩ লাখ টাকার ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করে আসছিলেন। তখনও ৩ থেকে ৪টি কিস্তি বাকি থাকা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাদেরকে নতুন করে ৫ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।ওই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে খামারিদের কাছ থেকে একসঙ্গে প্রায় ৭০ হাজার টাকা কিস্তি হিসেবে আদায় করা হয়। খামারিদের দাবি,গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরানোর পর অবশেষে ১৯ ফেব্রুয়ারি নতুন ঋণ দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন সংশ্লিষ্ট এরিয়া ম্যানেজার।এতে ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সংকটে পড়েছেন তারা। আইনি বিশ্লেষণ আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন,কোনো ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান যদি ঋণ প্রদানের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত কিস্তি বা অর্থ আদায় করে,তবে তা প্রতারণা (Cheating) হিসেবে গণ্য হতে পারে।বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪১৫ ও ৪২০ ধারার আওতায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়া বাংলাদেশে নিবন্ধিত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো Microcredit Regulatory Authority (MRA)-এর নিয়ন্ত্রণাধীন।গ্রাহকের সঙ্গে অসদাচরণ,জোরপূর্বক কিস্তি আদায় বা বিভ্রান্তিকর প্রতিশ্রুতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীরা চাইলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এ অভিযোগ করতে পারেন।মিথ্যা প্রতিশ্রুতি বা বিভ্রান্তিকর সেবার মাধ্যমে অর্থ আদায় ভোক্তা অধিকার আইনের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়। আইনজীবীদের মতে,আদালতের বাইরে সমাধানের জন্য প্রথমে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বা গ্রিভ্যান্স রিড্রেস সিস্টেমে লিখিত অভিযোগ দেওয়া যেতে পারে।তাতে সমাধান না হলে Money-Lenders Act, 1940 অনুযায়ী হিসাব নিরীক্ষা ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া সম্ভব। করণীয় বিশেষজ্ঞরা ভুক্তভোগীদের সকল লোন…
নিজস্ব প্রতিবেদক।।অন্তর্বর্তী সরকারের সদ্য বিদায়ী আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে দাবি করা হয়েছে,গত প্রায় ১৮ মাসে নিয়োগ ও মামলা-সংক্রান্ত অনিয়মের মাধ্যমে অর্জিত প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়,এসব আর্থিক লেনদেন তদারকিতে তাঁর স্ত্রী শীলা আহমেদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি,বিভিন্ন নিয়োগ,বদলি এবং আলোচিত কিছু মামলার নিষ্পত্তি ঘিরে অর্থ লেনদেনের বিষয়গুলো তিনি সমন্বয় করতেন। তবে এ বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ‘ক্যাশ’ ব্যবস্থাপনার অভিযোগ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কিছু সূত্রের দাবি,নীতিগত সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনিক অনুমোদনের দায়িত্ব উপদেষ্টার হাতে থাকলেও আর্থিক লেনদেনের বিষয়গুলো আলাদা একটি চ্যানেলের মাধ্যমে পরিচালিত হতো।অভিযোগ অনুযায়ী,বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে অর্থ স্থানান্তরের চেষ্টা করা হয়েছে। ব্যবসায়ীকে অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক দিলীপ কুমার আগরওয়ালকে ঘিরে একটি আলোচিত মামলায় আইনি সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে কি না—তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিদেশে সম্পদের তথ্য অনুসন্ধানে সূত্রমতে,সুইজারল্যান্ড,যুক্তরাজ্য ও মালয়েশিয়ায় সম্ভাব্য ব্যাংক হিসাব ও সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে বলে দাবি করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে,অভিযোগগুলো সত্য হলে তা রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থার জন্য গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সত্য উদঘাটনের দাবি বিভিন্ন মহল থেকে উঠছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।আন্তর্জাতিক মাইন্ডফুলনেস ও ধ্যানচর্চায় নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছেন বাংলাদেশি ধ্যান প্রশিক্ষক মাসরুর কবির।তিনি International Mindfulness & Meditation Alliance (IMMA)–এর আন্তর্জাতিক রেজিস্ট্রিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মেডিটেশন শিক্ষক হিসেবে তালিকাভুক্ত প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। আন্তর্জাতিক মননশীলতা ও ধ্যান জোটের স্বীকৃত এই শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মানসিক প্রশান্তি,আত্মিক উন্নয়ন এবং সচেতন জীবনচর্চা গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন।একজন প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা ও মানসিক চাপের মধ্যে মানুষকে শান্তি ও আত্মিক ভারসাম্য খুঁজে পেতে সহায়তা করছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে,তার কাজ বিশ্বব্যাপী শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের প্রচেষ্টার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ অর্জনে বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব,সামাজিক সংগঠক ও অনলাইন মিডিয়া সংশ্লিষ্টরা তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর বাংলা–র প্রকাশক ও সম্পাদকসহ গণমাধ্যমকর্মীরা বলেন,মননশীলতা ও ধ্যানচর্চা মানুষের ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা আরও জানান,সমাজের অসংগতি দূর করা,মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং শান্তিময় পৃথিবী গঠনে ইতিবাচক চিন্তা ও সচেতনতার বিকল্প নেই।মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন ও প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে বলেও তারা মত প্রকাশ করেন। বিশ্লেষকদের মতে,আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে এ ধরনের স্বীকৃতি দেশের জন্য গর্বের এবং ভবিষ্যতে মানসিক স্বাস্থ্য ও ধ্যানচর্চা বিষয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি কথিত ডিপফেক ভিডিওকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে জাইমা রহমানের মুখমণ্ডল সংযোজন করে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার বর্তমানে ব্যক্তিগত মর্যাদা, সামাজিক নিরাপত্তা ও জনবিশ্বাসের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। ভিডিওটি তৈরি ও প্রচারের সঙ্গে ‘দ্য রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এবং শিবির-সংশ্লিষ্ট পরিচয়ে পরিচিত মো. সজিব হোসেনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ঘুরে বেড়ালেও এ বিষয়ে তার কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল মাধ্যমে ভুয়া তথ্য প্রচার, মানহানি কিংবা সাইবার অপরাধ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এ ধরনের কনটেন্ট প্রচারের নিন্দা জানিয়ে দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের পরিবারকে লক্ষ্য করে ভুয়া বা বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া গণমাধ্যম নৈতিকতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক প্রবণতা।তারা সামাজিক মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ এবং তথ্য যাচাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। উল্লেখ্য,তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে ঘিরে জাইমা রহমানের নাম সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।তদন্তের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান,দেশে মব কালচার সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে।তিনি বলেন,জনগণ তাদের দাবি আদায় করতে পারবে, তবে তা শান্তিপূর্ণ ও যথাযথ প্রক্রিয়ায় হতে হবে; মহাসড়ক বন্ধ বা হঠাৎ হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না। মন্ত্রী আরও বলেন,পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত ও দায়বদ্ধ রাখতে হবে।তিনি সতর্ক করে বলেন,বাহিনীর কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সর্বশেষ সংবাদ :———