প্রতিনিধি ২৮ এপ্রিল ২০২৫ , ৪:১৬:৫৪ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।আইনিভাবে বিচ্ছেদের আগেই নতুন করে বিয়ে করার অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে করা মামলা শুনতে বিব্রত বোধ করেছে ঢাকার একটি আদালত।এরপর মামলাটি অন্য আদালতে স্থানান্তরের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান এ আদেশ দেন।
এদিন মামলাটিতে নাসির হোসেন এবং তামিমা সুলতানার আত্মপক্ষ শুনানির দিন ধার্য ছিলো।সকালে আদালতে নাসির হোসেন এবং তামিমা সুলতানা হাজির হন।
আসামি ও বাদীপক্ষের আইনজীবীরা পাল্টাপাল্টি আবেদন করায় বিব্রত বোধ করেন আদালত।
এর মধ্যে বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে একটি আবেদন করেন নাসিরের আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম কিরণ।
কারণ হিসেবে বলেন, “এ মামলার বিচার চলছে।এ অবস্থায় বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান গত ১৬ এপ্রিল গণমাধ্যমে বলেন নাসির হোসেন ব্যভিচার করে তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে গেছেন।যেহেতু এ বিষয়ে বিচার চলছে,বিচার শেষে আদালত রায়ের মাধ্যমে নির্ধারণ করবেন নাসির তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে গেছেন কি-না এবং ব্যাভিচারের সম্পর্ক করেছেন কি-না।” ওই বক্তব্যের মাধ্যমে ইসরাত হাসানের আদালত অবমাননা করেছেন বলে অভিযোগ করেন নাসিরের আইনজীবী।
অন্যদিকে, বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান আদালতে অভিযোগ করে বলেন, “আসামিপক্ষের আইনজীবী আগে বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনা করেছেন।আইন অনুযায়ী তিনি এখন আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করতে পারেন না।”
দুই আইনজীবীর এমন পাল্টাপাল্টি অভিযোগে আদালত বিব্রত বোধ করে মামলাটি অন্য আদালতে পাঠিয়ে দিতে দুইপক্ষের আইনজীবীর মতামত চান।তারা আপত্তি নেই জানালে আদালত সিএমএম বরাবর ওই মামলাটি পাঠিয়ে দেন।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার প্রথম স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা অবস্থায় নাসির তামিমাকে বিয়ে করেন,যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী অবৈধ।
মামলাটির তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা এবং তামিমার মা সুমি আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পিবিআই। এরপর ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।















