প্রতিনিধি ২৫ মে ২০২৫ , ৫:৪৮:০৯ প্রিন্ট সংস্করণ
অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।বাংলাদেশে সেনা অভ্যুত্থানের ভয় পাচ্ছেন মহম্মদ ইউনূস? সেনার সঙ্গে পায়ে পা লাগিয়ে ঝামেলা বাধিয়েছেন নিজেই, এবার বিপদ বুঝে সেই সেনার সঙ্গেই যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন ইউনূস। তবে প্রতিটি চেষ্টাই ব্যর্থ। বিপদ বুঝেই বাংলাদেশের সেনা প্রধানের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। গত ৪৮ ঘণ্টায় তিনি ৭ বার সেনা প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন।

বাংলাদেশের পথে নেমেছে সেনাবাহিনী। ঢাকা সহ একাধিক জায়গায় সেনা বাহিনীর ট্যাঙ্ক,সাঁজোয়া গাড়ি ঘুরছে।রাস্তায় রাস্তায় টহল দিচ্ছে সেনা।কেন হঠাৎ এই সেনা নামল,তার ব্য়াখ্য়া দেয়নি সেনা বা অন্তর্বর্তী সরকার।এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছে,সেনা অভ্য়ুত্থানের ভয়ে মহম্মদ ইউনূসের দফতর বারবার সেনা প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন। ৪৮ ঘণ্টাতেই ৭ বার যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন, কিন্তু ওপ্রান্ত থেকে সাড়া মেলেনি।
মায়ানমার,পাকিস্তান,বাংলাদেশ- এই দেশগুলিতে সেনা খুবই শক্তিশালী।তারা রাষ্ট্রকে তোয়াক্কা করে না।বাংলাদেশের সেনা প্রধানের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের দ্বন্দ্ব দীর্ঘ সময় ধরে চলছে।সম্প্রতি মায়ানমারের রাখাইন করিডর নিয়ে ইউনূস সরকার রাষ্ট্রপুঞ্জের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু করতেই সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সাফ বার্তা দিয়েছেন যে একমাত্র নির্বাচিত সরকারই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ নয় এগুলি।আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করানোরও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। এদিকে ইউনূস সরকার ২০২৬ সালের জুন মাসের আগে নির্বাচন করাতে নারাজ।ইউনূস চাইছেন নিজের গদির মেয়াদ বাড়াতে।
এই পরিস্থিতিতে মহম্মদ ইউনূস ভয় পাচ্ছেন, যদি সেনা অভ্যুত্থান হয়, তবে দেশ ছেড়ে পালানো ছাড়া কোনও উপায় থাকবে না।তাই ইউনূস চাইছেন সেনা প্রধান ওয়াকার-উজ-জামানকে হাতে রাখারসেই কারণেই তিনি ইস্তফা দেওয়ার কথা হাওয়ায় ভাসিয়ে দিয়েছিলেন।তবে সেনাপ্রধান ইউনূসের ডাকে সাড়া দিতে নারাজ।ইউনূসের দফতর বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও,তিনি সাড়া দেননি।















