প্রতিনিধি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ , ২:১৯:২২ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।২৪-এর ঘটনায় জঙ্গি ও সন্ত্রাসী নির্মূল অভিযানে পুলিশ সম্পূর্ণ আইনানুগ পদক্ষেপ নিয়েছে।পুলিশের সূত্র জানিয়েছে,অভিযান চলাকালীন সময়ে জনসাধারণের জীবন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রাখা মূল লক্ষ্য ছিল।

আইনগত ভিত্তি ও প্রক্রিয়া:
সন্ত্রাস ও জঙ্গি বিরোধী আইন (Anti-Terrorism Act) অনুযায়ী,অবৈধ অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম মোকাবিলা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) আইন অনুযায়ী, জনসাধারণের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি রোধে পুলিশকে প্রয়োজনে সীমিত এবং আইনানুগ গুলি চালানোর ক্ষমতা দেওয়া আছে।
অভিযান চলাকালীন কোনো রাজনৈতিক নির্দেশনা বা প্রভাব ছিল না। পুলিশ সম্পূর্ণ স্বতঃসিদ্ধ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করেছে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আইন প্রয়োগ:
সময়ের রাজনৈতিক অবস্থার কারণে বিভিন্ন মহল অভিযানকে রাজনৈতিক প্রভাবের দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করলেও,আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মন্তব্য করেছে এটি সুধু আইনানুগ নিরাপত্তা প্রয়াস।
অভিযানের লক্ষ্য ছিল নিরাপত্তাহীন পরিবেশ নির্মূল এবং আইনশৃঙ্খলার অব্যাহততা,যা রাষ্ট্রের স্বার্থে অপরিহার্য।
রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব:
সন্ত্রাসী হামলা ও জঙ্গি কার্যক্রম বন্ধ থাকলে সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করে।
জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা রক্ষা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব,এবং পুলিশ তা যথাযথভাবে পালন করেছে।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট:
বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাস ও জঙ্গি কার্যক্রম মোকাবিলায় আইনগত ও কার্যকরী পুলিশি পদক্ষেপ গ্রহণকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের এই অভিযান আন্তর্জাতিকভাবে আইনের supremacy এবং মানবিক নিরাপত্তা রক্ষার উদাহরণ হিসেবে ধরা যেতে পারে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য:
“এ ধরনের অভিযান রাষ্ট্রের স্বার্থে অপরিহার্য এবং সীমিত, যা আইন ও সামাজিক শৃঙ্খলার মধ্যে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ।”


















