প্রতিনিধি ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ , ৪:১১:৪৮ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশের কাছে গ্যাস বিক্রি বাবদ বিপুল পাওনা অর্থ বকেয়া পড়েছে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি শেভরন ও কাতারের রাস লাফফান লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের।এ অর্থ পরিশোধের অনুরোধ জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার জ্বালানি বিভাগে চিঠি দিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

বাংলাদেশের কাছে গ্যাস বিক্রি বাবদ শেভরনের পাওনা ২২ কোটি ডলার।এর মধ্যে অন্তত সাড়ে ৭ কোটি ডলার অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে পরিশোধ করা প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
একই দিনে কাতারের রাস লাফফান লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (কাতার গ্যাস বা কাতার এনার্জি নামে পরিচিত) কাছ থেকে আরেকটি চিঠি পায় জ্বালানি বিভাগ। বাংলাদেশের কাছে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বিক্রি বাবদ প্রতিষ্ঠানটির পাওনা ১৫ কোটি ডলার।এ চিঠিতেও পাওনা অর্থ দ্রুত পরিশোধের তাগাদা দেওয়া হয়েছে।মোট ৩৭ কোটি ডলার পাওনা পরিশোধের অনুরোধ সংবলিত চিঠি দুটির অনুলিপি এরই মধ্যে পেট্রোবাংলার কাছেও পাঠানো হয়েছে।
চিঠি দুটি হাতে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন,শেভরন ও কাতার গ্যাস বিল পরিশোধে তাগাদা দিয়ে চিঠি দিয়েছে।আমরা চেষ্টা করছি আগামী সপ্তাহে তাদের বকেয়া টাকা কিছু পরিশোধ করার।এর মধ্যে কাতারের গ্যাসের বকেয়া জরুরি ভিত্তিতে পরিশোধ করতে হবে।’
দেশে গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতি পূরণে ২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে কাতার গ্যাসের কাছ থেকে কার্গোয় করে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে।প্রতি বছর গড়ে কম-বেশি ৪০ কার্গো এলএনজি সরবরাহ করছে কোম্পানিটি। চলতি অর্থবছরও কাতার থেকে মোট ৪০ কার্গো এলএনজি আমদানির কথা রয়েছে। এর অর্ধেক এরই মধ্যে দেশে এসেছে।এছাড়া দেশে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহে অর্ধেকেরও বেশি অর্থাৎ ৬০ শতাংশের জোগান দিচ্ছে শেভরন।কোম্পানিটি বাংলাদেশে তিনটি গ্যাসফিল্ড পরিচালনা করছে।এগুলো হলো বিবিয়ানা, জালালাবাদ ও মৌলভীবাজার।এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি উত্তোলন হচ্ছে বিবিয়ানা গ্যাসফিল্ড থেকে।

















