প্রতিনিধি ২৫ জুন ২০২৫ , ৭:০২:১৮ প্রিন্ট সংস্করণ
অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।বোমা ফেলে ইরানের স্থাপনাগুলোর ক্ষতি করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান।ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ আল মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন,ইরানকে পারমাণবিক স্থাপনায় হওয়া ক্ষতিপূরণ ওয়াশিংটনকে দিতে হবে।

গত ১৩ জুন ভোরে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়ে আগ্রাসন অভিযান শুরু করে।২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ইরান প্রতিশোধ নেয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে ইসরায়েলি হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালায় ইরান।
২২ জুন ভোরে মার্কিন বোমারু বিমানগুলো তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় আক্রমণ করে।পরের দিন সন্ধ্যায় তেহরান কাতারে অবস্থিত এই অঞ্চলের বৃহত্তম মার্কিন সামরিক বিমান ঘাঁটি আল উদেইদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
এরপর ২৪ জুন ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইসরায়েল এবং ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।ইসরায়েলও ঘোষণা করে,তারা মার্কিন প্রস্তাবে রাজি।পরিবর্তে তেহরান জানায়, তারা তেল আবিবকে আগ্রাসন বন্ধ করতে বাধ্য করে বিজয় অর্জন করেছে।
সাঈদ খাতিবজাদেহ বলেন, ২৪ জুন কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি যুদ্ধ বন্ধ করে দিয়েছে।যুদ্ধ বন্ধের বার্তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই পাঠিয়েছিল।
তিনি জোর দিয়ে বলেন,ইরানি জাতি প্রতিরোধের মাধ্যমে জায়নিস্ট সরকারের ওপর তাদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিয়েছে এবং শত্রুকে একতরফাভাবে তাদের আগ্রাসন বন্ধ করতে বাধ্য করেছে।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন,যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন মাধ্যমে ইরানকে বার্তা পাঠালেও তেহরান বলে দিয়েছিল,যুদ্ধবিরতির বিষয়ে যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।ইরান জায়নিস্ট সরকারের সাথে এমন কোনো লিখিত চুক্তি করেনি,যাতে নির্দিষ্ট কিছু ধারা থাকতে পারে। যা ঘটেছে তা হলো জায়নবাদের আগ্রাসন বন্ধ করা। ইরান প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও হামলা চালাবে না।













