প্রতিনিধি ৫ জানুয়ারি ২০২৬ , ৪:১৭:৫৩ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।জুলাই মাসের ছাত্র–আন্দোলন ও সংশ্লিষ্ট সহিংসতার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বসুন্ধরা গ্রুপের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম নাজমুস শাকিরুজ্জামান।ফেসবুকে তার নামে পরিচালিত একটি পেজ থেকে প্রকাশিত একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হলে বিষয়টি নতুন করে সামনে আসে।

অভিযোগ অনুযায়ী,জুলাই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতা চালাতে ছাত্রলীগের একটি অংশকে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছিল,যা শাকিরুজ্জামানের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় বলে দাবি করা হচ্ছে।এ সংক্রান্ত একটি মামলায় তিনি আসামি—এমন তথ্যও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। বলা হচ্ছে,ঢাকার সিএমএম কোর্টে দায়ের করা একটি সিআর মামলায় (নম্বর: ২৯৩/২৪) তালিকাভুক্ত আসামিদের মধ্যে তার নাম রয়েছে।
তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা আদালতের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার নথি,অভিযোগের সত্যতা এবং অডিওটির প্রামাণিকতা যাচাই করা হয়নি।সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যও এ প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোতে দাবি করা হচ্ছে,অভিযুক্ত ব্যক্তি বর্তমানে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বসবাস করছেন এবং এখনো গ্রেপ্তার হননি। বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন,এ ধরনের সংবেদনশীল অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বলা সমীচীন নয়।অডিও বা অনলাইন দাবির ভিত্তিতে নয়, বরং আদালত ও তদন্ত সংস্থার প্রমাণের ওপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত।
প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।বক্তব্য পেলে তা হালনাগাদ করা হবে।

















