প্রতিনিধি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ , ১:৫৭:৩৪ প্রিন্ট সংস্করণ
মাজহারুল ইসলাম।।বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী হাইকোর্টের বিচারকের বয়সসীমা ৬৭ বছর।ধারা ৬৯(১) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে,এই সীমা অতিক্রম করলে বিচার কার্য পরিচালনা করা সংবিধান সম্মত নয়।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন,হাইকোর্টের ৭৩ বছর বয়সী বিচারকের দেওয়া রায় সংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বৈধতা অর্জন করতে ব্যর্থ হতে পারে।
আইনি বিশ্লেষকরা বলছেন,“বয়সসীমা অতিক্রম করলে যে কোনো রায়কে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলা যেতে পারে।এটি দেশের সংবিধান অনুযায়ী বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বৈধতার প্রশ্ন তোলে।”
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আদালতের ক্ষেত্রে,হাইকোর্টের বিচারক নিয়োগপ্রাপ্ত হতে পারে,তবে এর জন্য ন্যূনতম ৯ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক।আন্তর্জাতিক নিয়োগে দেশের সংবিধান সরাসরি বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি না করলেও,বয়স সীমা ও যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।
আইন বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে,নতুন আইন প্রবর্তন করে পূর্ববর্তী অপরাধের জন্য রেট্রোঅ্যাকটিভভাবে বিচার করা সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়।তবে যুদ্ধাপরাধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রেক্ষিতে কিছু সীমিত ব্যতিক্রম রয়েছে।
বয়স,মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতা বিচারেও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা সতর্কতা অবলম্বন করে।বিশেষ করে স্বাক্ষ্য ও প্রমাণের অভাবে রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে উচ্চ বয়সী আসামির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রযোজ্য।
আইন বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে,এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও স্বচ্ছতা সংক্রান্ত তীব্র নিন্দার জন্ম দিতে পারে এবং রায় বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।
সংবিধান: ৬৭ বছরের বেশি বয়সে বিচার কার্য অবৈধ।
আন্তর্জাতিক আদালত: বয়স ও অভিজ্ঞতা শর্ত পূরণ অপরিহার্য।
নতুন আইন পূর্ববর্তী অপরাধে প্রযোজ্য নয়,যুদ্ধাপরাধ/মানবতাবিরোধী অপরাধ ব্যতিক্রম।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও স্বাক্ষ্য-প্রমাণের অভাব রায়ের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।











