প্রতিনিধি ৫ জানুয়ারি ২০২৬ , ৪:৫৩:৫১ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পর্যবেক্ষকরা বলছেন,রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকরা বিএনপি ও তাদের জোটভুক্ত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে প্রয়োগে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলশ্রুতিতে ঋণখেলাপি এবং বিদেশি নাগরিকদের মনোনয়ন বৈধতা পেয়েছে,যা দেশের নির্বাচনী আইন অনুযায়ী গুরুতর অসঙ্গতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

অভিজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে,এই পরিস্থিতি নির্বাচনের অবাধ,সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষতার সম্ভাবনাকে প্রাথমিক ধাপেই ক্ষুণ্ণ করছে।নির্বাচন যত নিকটবর্তী হচ্ছে,বর্তমান ইউনূস সরকার ততই ভারসাম্য হারাচ্ছে।
নিরীক্ষকদের মতে,অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কিছু উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী আসন্ন নির্বাচনের পর সম্ভাব্য বিএনপি সরকারের দায়িত্ব পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় দলমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।এর ফলে জনগণের মধ্যে সরকারের নিরপেক্ষতার প্রতি আস্থা ক্রমশ কমছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য জানিয়েছেন,“উপদেষ্টা পরিষদের একটি জরুরি সভায় দ্রুত একটি অধ্যাদেশ বা নির্দেশনা জারি করা প্রয়োজন,যেখানে বলা হবে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীরা ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক বা দলীয় সরকারের মন্ত্রী,প্রতিমন্ত্রী বা অন্য কোনো লাভজনক পদে নিযুক্ত হতে পারবেন না।”
নির্বাচনী বিশ্লেষকরা মনে করছেন,এ ধরনের পদক্ষেপ ছাড়া আসন্ন নির্বাচনকে সম্পূর্ণভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু হিসেবে আয়োজিত করা কঠিন হবে।

















