প্রতিনিধি ১৩ নভেম্বর ২০২৪ , ৯:৩৬:৪৭ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।ছয় বছর আগের হামলার ৮ মাস আগে বদলি হন বরিশালের সাবেক পুলিশ কমিশনার রূহুল আমিন।তারপরও একটি রাজনৈতিক মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ মহা-পরিদর্শক থাকাবস্থায় গত জুলাইয়ে অবসরে যান এ কর্মকর্তা।

পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান,মামলার তথ্য অনুযায়ী ২০১৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারের সময় বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের ওপর হামলা হয়। এ ঘটনার ও ৬মাস আগে ৩০ এপ্রিল বদলি হয়ে ঢাকা পুলিশ সদরদপ্তরে যোগ দেন আসামি সাবেক পুলিশ কমিশনার (বিএমপি) রুহুল আমিন।ওই ঘটনায় সরোয়ারের সঙ্গী জেলা যুবদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মশিউল আলম পলাশ গত রোববার আদালতে মামলা করেন।বিচারক এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য বন্দর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।
এ মামলার প্রধান আসামি হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম।তিনি ওই নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ছিলেন।আসামির তালিকায় সাবেক পুলিশ কমিশনার রুহুল আমিনের নাম দুই নম্বরে।তৃতীয় আসামি তৎকালীন জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান।অপর ৯ আসামির সবাই ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে বরিশাল মেট্রোপলিটনে বিভিন্ন স্তরের পদে ছিলেন। তারা হলেন- অতিরিক্ত কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া, বন্দর থানার ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার,পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ মো. ফয়সাল হোসেনসহ বন্দর থানায় কর্মরত উপপরিদর্শক,সহকারী উপপরিদর্শক ও কনস্টেবল।তবে ওই সময় অতিরিক্ত কমিশনার মাহফুজুর রহমান ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন।এ মামলা প্রসঙ্গে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, ‘২০১৬ সালের ২১ জুন থেকে ২০১৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বিএমপি কমিশনার ছিলাম।তবে ঘটনা বদলির আট মাস পরে ঘটেছে।এ ধরনের মামলায় আমাকে আসামি করে তারা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন।’ বাদী মশিউল আলম পলাশকে ফোন করে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান,ভাত খাচ্ছেন,পরে কথা বলবেন বলে এড়িয়ে যান।এরপর একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।মামলার প্রধান সাক্ষী ও হামলার শিকার মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন,এজাহারে এ ধরনের ত্রুটি হয়ে থাকলে তদন্তে সংশোধন করে নেওয়া হবে।প্রকাশ্যে হামলা
হয়েছে।তখন যিনি পুলিশ কমিশনার ছিলেন তিনিই অভিযুক্ত হবেন।

















