অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।একটি হিসাব বর্তমানের বিশ্ব অর্থনীতিকে পরিচালনা করছে।চীন বৈশ্বিক উৎপাদিত পণ্যের ৩১ ভাগ তৈরী করে,আর ব্যবহার করে মোট উৎপাদনের ১৩ ভাগ। আমাদের বাকি সবাইকে চীনের ক্রমবর্ধমান অতিরিক্ত সক্ষমতাকে গ্রহণ করে নিতে হয়।আগামী দশকে যদি চীনের ৫ ভাগ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়,তবে তা ইউরোপ,আমেরকা ও ভারতের শিল্প ভিত্তিকে গ্রাস করে ফেলতে পারে। পিকিং ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মাইকেল পেটিস বলেন, চীনকে জায়গা করে দিতে অন্যান্য প্রধান অর্থনীতিকে তাদের বিনিয়োগ ও উৎপাদন হ্রাস করতে আগ্রহী থাকতে হবে।তবে বলা নিস্প্রয়োজন,তা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পুরনো মডেল পরিবর্তন করছেন না।তিনি ক্লিন-টেক,সেমিকন্ডাকটর,স্টিল- সবকিছুতেই অতিরিক্ত বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু তা বিশ্বের জন্য গ্রহণ করা সম্ভব নয়। এবং তা শেষ পর্যন্ত চীনের জন্যই আরো বেশি ক্ষতির কারণ হতে পারে। একটা উদাহরণ দেয়া যাক।গত বছর চীন প্রায় ৯০ মিলিয়ন টন স্টিল রফতানি করেছে।এটি যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনের সম্মিলিত উৎপাদনের সমান।এই রফতানি ২০১৫ সালে ব্রিটেনের স্টিল শিল্পকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়ার মতোই ঘটনা। আবার চীনের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ঘোতি ৩ ট্রিলিয়ন ডলারকে ছাড়িয়ে গেছে।এটা এখন ৬ ট্রিলিয়ন ডলারের মতো।এই অর্থের বিপুল অংশ বিদেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে জমা আছে।এই উদ্বৃত্ত অর্থ ইউয়ান এবং চীনকে বিশ্ব বাণিজ্যে বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে। এত বিশাল হওয়ার কারণেই সমস্যা হচ্ছে।একে তুলনা করা যায়,নৌকায় হাতি ওঠার মতো অবস্থার সাথে। চীন যদি তার বর্তমান নীতিতে অটল থাকে,তবে দুটি পরিণাম হতে পারে।বিনিয়োগের উদ্বৃত্ত চীনের ঋণ অনুপাতকে জিডিপির ৩০০ ভাগ থেকে ৪৫০-৫০০ ভাগে নিয়ে যাবে এক দশকের মধ্যে।এটি সঙ্কটের সৃষ্টি করবে। আবার এই সঙ্কটের আগে সৃষ্টি হবে একটি বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধের।আর সেটিও একটি সঙ্কট। Post navigation রাখাইন শহর দখলে নিয়েছে বিদ্রোহীরা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার যতটা আশা করেছিলাম,ততটা হয়নি-গুও গুয়াঙচ্যাং