প্রতিনিধি ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ , ২:৪০:৪৯ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ২৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নতুন ভোটার নিবন্ধন,ভোটার স্থানান্তর এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্তকরণের নির্দেশনা প্রদান করেছে।দেশের নাগরিকদের জন্য এই নির্দেশনা স্পষ্ট – নির্বাচনের আগে আর কোনো ভোটার স্থানান্তর বা সংশোধন কার্যক্রম চালানো যাবে না।

তবে এই প্রক্রিয়ার পেছনে উঠে এসেছে আইনের সমান প্রয়োগ ও নাগরিক দায়িত্বের প্রশ্ন।সম্প্রতি এমন একজন ব্যক্তি দেশে প্রবেশ করেছেন,যিনি সাক্ষ্য প্রমাণে একাধিক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত,এবং তার পরও দুটি আইনি লঙ্ঘন করেছেন – টোল প্রদান না করা এবং নির্বাচনের আগে ভোটার হওয়ার চেষ্টা।বিশেষ করে,তফসিল ঘোষণার পর সেই দিনটি শনিবার,দেশের সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি।
আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন নাগরিক কি এমন সময়ে ভোটার হতে পারতেন?নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার পর ভোটার তালিকায় কোনো পরিবর্তন করা আইনত বন্ধ।এ অবস্থায়,আইন অমান্য করা স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে যে যে ছোট অপরাধকে অপরাধ মনে করা হয় না, সে বড় অপরাধও সহজে করতে পারে।
নাগরিক দায়িত্ব ও আইনের সমান প্রয়োগের এই প্রশ্নটি সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। অপরাধ অপরাধই –বড় হোক বা ছোট – এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা সবার জন্য বাধ্যতামূলক।
সূত্র:
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, নির্বাচন ভবন, আগারগাঁও, ঢাকা
ডকুমেন্ট নং: ১৭.০০.০০০০.০২৬.৩২.০১৩.২৩
তারিখ: ২৩ নভেম্বর ২০২৫
















