লিজ বা ইজারা দলিল
  • adminadmin
  • অক্টোবর ১, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক।।আমাদের টাকা প্রয়োজনে বা যেকোনো প্রয়োজনে অনেক সময় নিজেদের জমি অন্যের কাছে বন্ধক বা মর্গেজ দিতে হয়। আমরা যখন কোনো জমি বন্ধক দিতে যায় তখন কিভাবে জমি বন্ধক দেওয়ার চুক্তিপত্র তৈরি করতে হয় বা জমি বন্ধক রাখার নিয়ম ও জমি বন্ধক রাখার দলিল লেখার নিয়ম কি এবং কি কি শর্ত থাকে এই চুক্তিপত্র দলিলে তা এই পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারবেন। নিম্নে জমি বন্ধক নামা লেখার নিয়ম এর একটি নমুনা ফরমেট দেওয়া হলো যে ফরমেটটি দেখে ও তথ্যগুলো পরিবর্তন করে জমি বন্ধকনামা চুক্তিপত্র (Rules for land mortgage agreement) করা সম্ভব হবে। নিচে জমি বন্ধকনামা চুক্তিপত্র নমুনা ফরমেট তুলে ধরা হলোঃ- বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম জমি বন্ধকনামা চুক্তিপত্র নাম:………….., পিতা:…………………ঠিকানা:………………. জাতীয়তা- বাংলাদেশি, ধর্ম- ইসলাম, পেশা- ব্যবসা। —-প্রথম পক্ষ / জমির মালিক/ বন্ধক দাতা॥ নাম:………….., পিতা:…………………ঠিকানা:………………. জাতীয়তা- বাংলাদেশি, ধর্ম- ইসলাম, পেশা- ব্যবসা। —-২য় পক্ষ/ বন্ধক গ্রহীতা। পরম করুণাময় মহান আল্লাহতায়ালার নাম স্মরণ করিয়া অত্র বন্ধকনামা চুক্তিপত্রের আইনানুগ বয়ান আরম্ভ করিতেছি। যেহেতু প্রথম পক্ষ নিম্নে তফসিল বর্ণিত সম্পত্তির ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত হইয়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। প্রথম পক্ষের নগদ টাকার বিশেষ প্রয়োজন হইলে দ্বিতীয় পক্ষকে নিম্নে তফসিল বর্ণিত ২ দাগে ১১.৫ (সাড়ে এগার) কাঠা জমি বন্ধক দেওয়ার প্রস্তাব করিলে আপনি দ্বিতীয় পক্ষ উক্ত প্রস্তাব গ্রহণ করিয়া নিম্নে তফসিল বর্ণিত ১১.৫ (সাড়ে এগার) কাঠা জমি বন্ধক নিতে রাজী ও সম্মত হইয়াছেন। যেহেতু উভয়পক্ষ কতিপয় শর্ত সাপেক্ষে অত্র জমি বন্ধকনামা চুক্তিপত্রে আবদ্ধ হইলাম। শর্তাবলী ০১। প্রথম পক্ষ/ বন্ধক দাতা দ্বিতীয় পক্ষ /বন্ধক গ্রহিতার নিকট হইতে নিম্নে তফসিল বর্ণিত ফসলি খালি জমিখানা বন্ধক রাখিয়া এককালীন নগদ ৩৫,০০০.০০ (পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা উপস্থিত স্বাক্ষীগণের মোকাবেলায় বুঝিয়া নিয়াছেন। ০২। যেহেতু, অত্র বন্ধকী জমিখানা ফসলি জমি,…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
হামলা ধর্মীয় বিদ্বেষপ্রসূত ও পূর্বপরিকল্পিত-প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু
  • adminadmin
  • সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২

মাজহারুল ইসলাম।।২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে হামলা ও অগ্নিসংযোগে ধ্বংস করা হয় কক্সবাজারের রামু উপজেলার প্রাচীন ১২টি বৌদ্ধবিহার। পরের দিন উখিয়া ও টেকনাফের আরও সাতটি বৌদ্ধবিহার ও হিন্দু মন্দিরে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় ১৯টি মামলার মধ্যে ১টি আপসে নিষ্পত্তি হলেও ১৮টি মামলা কক্সবাজারের বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন আছে। কিন্তু সাক্ষীর অভাবে বিচারকাজ শুরু করা যাচ্ছে না। মামলাগুলোর ১৬৭ সাক্ষীর বেশির ভাগই বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন। ‘এ হামলা ধর্মীয় বিদ্বেষপ্রসূত ও পূর্বপরিকল্পিত। কিন্তু এর বিচার হবে না’, বলে মনে করেন রামু কেন্দ্রীয় সীমা মহাবিহারের আবাসিক পরিচালক ও কক্সবাজার জেলা বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু। ওই হামলার ঘটনা, এ ঘটনায় করা মামলাগুলোর সাক্ষী ও বিচারিক কার্যক্রম নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন যুগান্তর বার্তার প্রকাশক ও সম্পাদক এমএ মাজহারুল ইসলাম। যুগান্তর বার্তা: সেদিনের হামলার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন আপনি। ওই হামলা কেন হয়েছিল বলে মনে করেন? প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু: বিভিন্ন স্থিরচিত্র, ভিডিও ফুটেজ ও তদন্ত প্রতিবেদনে প্রমাণ মিলেছে, এ হামলা ছিল ধর্মীয় বিদ্বেষপ্রসূত ও পূর্বপরিকল্পিত। কিছু বুঝে ওঠার আগেই হামলার ঘটনা ঘটে, বিষয়টা এমন নয়। সন্ধ্যা থেকে যে উন্মাদনা শুরু হয়েছিল, এর চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে মধ্যরাতে। আমরা সেদিন দেখেছি, প্রথমে ধর্ম অবমাননার গুজব রটিয়ে লোকজনকে খেপানো হলো। সময় যত গড়াতে থাকল, উন্মাদনা ততই বাড়ল। দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও তৎকালীন স্থানীয় ও জেলা প্রশাসন সেই উন্মাদনা ও সাম্প্রদায়িক আস্ফালন থামানোর পদক্ষেপ নেয়নি। উল্টো দায়িত্বশীল কারও কারও বিরুদ্ধে বিষয়টিকে আরও উসকে দেওয়ার অভিযোগ আছে। ঘটনার পর থেকে শুরু হলো দোষারোপের রামুর।: যুগান্তর বার্তা:- হামলার জন্য রামুকেই কেন বেছে নেওয়া হলো? প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু: দুটি দিক বিবেচনা করে রামুতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ১. রামুতে যুগ যুগ ধরে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ হলেও তা শুধু দেশ দুটির সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই;
  • adminadmin
  • সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২

মনোজ কুমার দে।।ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন সাত মাস পেরিয়েছে। প্রথম পর্যায়ে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর ঝটিকা আক্রমণে মনে করা হচ্ছিল, খুব কম সময়ের মধ্যে কিয়েভের পতন হবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বাধুনিক অস্ত্র, প্রশিক্ষণ ও গোয়েন্দা তথ্যে সজ্জিত ইউক্রেন পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুললে রাশিয়া যুদ্ধকৌশল পাল্টায়। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রুশ ভাষাভাষীদের সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায় নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে মনোযোগ দেয়। সম্প্রতি নিজেদের অধিকৃত খারকিভে বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়ায় নতুন করে হিসাব কষতে হচ্ছে মস্কোকে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ হলেও তা শুধু দেশ দুটির সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই; এ যুদ্ধের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোক কিংবা ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত হোক, জড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বড় একটা অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পশ্চিমা বিশ্ব এ যুদ্ধকে নিজেদের মর্যাদা, ভাবমূর্তি, মতাদর্শ, মূল্যবোধ ও বিশ্বব্যবস্থায় নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখার বিষয় হিসেবে নিয়েছে। অন্যদিকে, পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়া পশ্চিমাদের আধিপত্য খর্ব করতে ও সভ্যতার শেষ যুদ্ধ হিসেবে গ্রহণ করেছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মস্তিষ্ক বা মতাদর্শিক গুরু হিসেবে পরিচিত আলেকসান্দর দুগিন তো মনেই করেন, ইউক্রেন যুদ্ধ বা ইউক্রেনে পুতিনের বিশেষ সামরিক অভিযানে ইউরেশিয়া সাম্রাজ্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ঘটতে যাচ্ছে। দুগিন মনে করেন, মস্কো হচ্ছে সভ্যতার সর্বশেষ কেন্দ্র। এর আগের দুটি কেন্দ্র হলো রোম ও বাইজেনটিয়াম। অনিবার্য নিয়তি হিসেবে মস্কো এখন সভ্যতার ত্রাণকর্তা। খারকিভ বিপর্যয়ের পর রাশিয়া নড়েচড়ে বসেছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে হামলা তীব্র করেছে। উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সরিয়ে দিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম সেনাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে। সেনাবাহিনীতে বিপুলসংখ্যক নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। এমনকি প্রয়োজনে পারমাণবিক বোমা হামলার হুমকিও দিয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থা হাইমোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেমসহ (হিমার্স) নতুন করে ইউক্রেনকে ১০০ কোটি ডলারের টাকার অস্ত্রসহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর ৮৮০ কোটি ডলারের সামরিক ও মানবিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। বাইডেন প্রশাসন বলছে, তাদের…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
দায়টা শুধু ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের নয়
  • adminadmin
  • সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২

সুলতানা কামাল।।ইডেন মহিলা কলেজে ছাত্রলীগের নামে চাঁদাবাজি, আসন-বাণিজ্য, ছাত্রীদের দিয়ে অনৈতিক কাজ করানোসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের খবর পত্রিকার মাধ্যমে আমার নজরে এসেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্রলীগের নেতাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করে আসছিল, এখন সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সংঘাতে সেটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। আমাদের শিক্ষাক্ষেত্রে এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যে নৈরাজ্য ও ন্যক্কারজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে, এটা তারই বহিঃপ্রকাশ। এটা শুধু ইডেন কলেজের ছাত্রলীগের নেতাদের বিষয় নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রায় সব কটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একই পরিস্থিতি চলছে। আমাদের সমাজ ও রাজনীতিতে গভীর অসুস্থতা ও অনিয়ম চলছে। প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত আমাদের এ ধরনের ঘটনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, শুনতে হচ্ছে। দুঃখজনক এ পরিস্থিতি আমাদের বিচলিত করছে, শঙ্কিত করছে। এখন প্রশ্ন হলো, আমাদের সন্তানদের, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কারা তাদের স্বার্থে এভাবে বিপথে পরিচালিত করছে? অল্প কিছু শিক্ষার্থী তাদের ক্ষমতার স্বার্থে এ ধরনের অনুচিত ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হচ্ছে। বাস্তবতা হচ্ছে, তারাই তো ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনা করবে, সমাজ ও প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে। ভেবে শঙ্কিত না হয়ে পারা যায় না যে যারা একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেই এ রকম অনিরাপদ করে তুলেছে, তাদের হাতে আমাদের দেশ, আমাদের সমাজ কতটা নিরাপদ থাকবে? আরও শঙ্কার বিষয় হলো, আমাদের দেখতে হচ্ছে যে দলই যখন ক্ষমতায় থাকে, সে দলই ছাত্ররাজনীতিকে তাদের ক্ষমতার স্বার্থে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করে না। সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ও শক্তিশালী এই জনগোষ্ঠীর সামনে সুস্থ রাজনীতির চর্চা কিংবা নেতৃত্ব বিকাশের পথের দিশা রাখা হয় না। বাধাহীনভাবে অন্যায়, অবৈধ সুযোগ পেতে পেতে ছাত্রনেতারা কীভাবে ভিন্ন পথে অনৈতিক ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ করা যাবে, সেই চিন্তায় মত্ত থাকে। এ পরিস্থিতির জন্য ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ নেতৃত্ব একা…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

মেহেন্দিগঞ্জে ৬টি হাইস্কুলের শিক্ষকদের সনদে জালিয়াতির প্রমাণ, তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ কমিটি
ব্যাংক কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহারের নির্দেশ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোংলা বন্দরে এলো ৫৮ হাজার মেট্রিক টন গম
মোংলায় ডিউটিরত অবস্থায় কোস্ট গার্ড সদস্যের গুলিতে মৃত্যু
রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের মতো ছাড় চাইল বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ
সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩ অধ্যাদেশ, ৩০ দিনের মধ্যে বিল পাসের চ্যালেঞ্জ
ময়মনসিংহে ডাকাতি হওয়া ট্রাকভর্তি ১৯টি গরু উদ্ধার
জনসম্মুখে অশালীন আচরণের অভিযোগে রাশিয়ান মডেলকে লিগ্যাল নোটিশ
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ভাষণ বিতর্ক – সংবিধান, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপট
রাষ্ট্রপতি ভাষণ বিতর্ক – সংবিধান, আইন ও নৈতিক দায়িত্বের পরীক্ষা
দমন, দ্বৈতমান, এবং সরকারের নীরবতা
জামেয়া আহমদিয়া দায়েম নাজির জামে মসজিদে খতিব, ইমাম ও হাফেজদের সম্মাননা প্রদান
বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ নির্বাচনে গণভোট থাকছে না: ইসি
ক্রাইম রিপোর্টারের দায়িত্ব ও প্রয়োজনীয় গুণাবলি
সংসদ সদস্যদের মার্জিত ও সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রতিশ্রুত ঋণ না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ট্রি খামারি, আমব্রেলা ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান
নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া পিস্তল ও গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনে পার্বতীপুরে পৌঁছেছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী
রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল মালিশ: স্বাস্থ্যে কী উপকার পেতে পারেন
জামিনের বিনিময়ে কোটি টাকা দাবি: তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি
মেহেন্দিগঞ্জে জুনিয়র বৃত্তিতে সেরা সরকারি পাতারহাট মুসলিম মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী: বরাদ্দ, সুবিধাভোগী ও বাস্তবতার চিত্র
মামলা বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধে কাজ করছে সরকার: আইনমন্ত্রী
হাদির সঙ্গে কাফিকেও হত্যার নির্দেশ দেওয়া
রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবে সশস্ত্র হামলা ও চাঁদা দাবির ঘটনায় ২ আসামি গ্রেপ্তার
পুলিশ প্রশাসনে রদবদল: ডিএমপির ডিসিসহ ৪ কর্মকর্তা বদলি
জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় ভারত থেকে ডিজেল আসছে, মাসে ১৫ হাজার টন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
শাহবাগে ওষুধ ব্যবসা ঘিরে চাঁদাবাজি     “আমি শ্রাবণ মাসের পাগলা কুত্তার মতো হয়ে গেছি”—তাসকিন গাজী
দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে মানবিক সহায়তার আবেদন গাজীপুরের আহাদুল ইসলামের
অন্তর্বর্তী সরকার ছিল ‘অধ্যাদেশ জারির সরকার’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্র সিয়ামকে হত্যা, জড়িত চার বন্ধু—দুই কিশোর আটক
জামিন পাইয়ে দিতে ১ কোটি টাকার দাবি: আইসিটি প্রসিকিউটরের অডিও ফাঁস
দিল্লি না ঢাকা—নাকি পিন্ডির ছায়া? বাস্তবতা বনাম স্লোগানের রাজনীতি
মাধবদীতে কিশোরী আমেনা হত্যা: সৎ বাবাসহ ৯ জন গ্রেপ্তার, প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
নেপালের সংসদীয় নির্বাচন সফল হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ
দুদকের মহাপরিচালকের ফোন ও টাকা ছিনতাই: গ্রেফতার দুই আসামি কারাগারে
বাংলাদেশ পুলিশে ৪ হাজার এসআই পদ সৃজনের প্রস্তাব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সভা মঙ্গলবার
হাদী হত্যাকাণ্ড: তদন্তে নতুন তথ্য, জুমাকে ঘিরে অভিযোগ জোরালো
স্বপ্ন দেখিয়ে সর্বনাশ: টাঙ্গাইলের মায়াকে নিঃস্ব করে স্বর্ণ ও লাখ টাকা নিয়ে উধাও চীনা প্রেমিক
জুনিয়র নেতারা এমপি-মন্ত্রী, উপেক্ষিত প্রবীণরা—বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা
গাজীপুরের সাবেক কাউন্সিলর শাহীন মোল্লা বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার
মন্ত্রিপরিষদে পাঁচ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার নাম সংশোধন
হাদির হত্যাকাণ্ড: শ্যুটার নয়, মূল হুকুমদাতার খোঁজ জরুরি
রাজধানীতে তেলের তীব্র সংকট, ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন
প্রতারণা ও লোভের আঁধারে সমাজ: হানিট্র্যাপের ভয়ঙ্কর বাস্তবতা
ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান মার্কিন সিনেটর টিম কেইনের
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে সশস্ত্র হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত অন্তত ৩৬
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ড: প্রধান আসামিসহ দুইজন ভারতে গ্রেপ্তার, দেশে আনার আশ্বাস আইজিপির
জুলাই আন্দোলন কারও বাপের সম্পত্তি নয়, অপব্যবহারকারীদের তালিকা করা হচ্ছে: আইজিপি
নৌ-পুলিশ প্রধানসহ পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার
ভোট কারচুপির অভিযোগে ৫ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
আমব্রেলা ফাউন্ডেশন মাওনা ব্রাঞ্চের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ
শেখ হাসিনার রাজনৈতিক পথচলা: পারিবারিক ইতিহাস, ট্র্যাজেডি ও দীর্ঘ সংগ্রামের প্রেক্ষাপট