ফিলিস্তিনি শরণার্থী বাবা-মায়ের ঘরে জন্মনেয়া ওমর নোবেল পুরস্কার পেয়েছে
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ৮, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।এ বছর ‘মেটাল অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক’ উদ্ভাবনের কারণে রসায়নে নোবেল পেয়েছেন তিনজন বিজ্ঞানী।তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওমর এম ইয়াগি। বর্তমানে মার্কিন নাগরিক হলেও ওমরের জন্ম হয়েছিল এক ফিলিস্তিনি শরণার্থী বাবা-মায়ের ঘরে।নিজ দেশ ফিলিস্তিন থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়া ওমরের বাবা-মা চলে যান জর্ডানের আম্মানে। ১৯৬৫ সালে সেখানেই জন্ম হয় তার। মাত্র ১৫ বছর বয়সে বাবার অনুপ্রেরণায় যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান তিনি।ওই সময় খুব বেশি ইংরেজি না জানলেও যুক্তরাষ্ট্রের একটি কলেজে ভর্তি হন।এরপর সেখানেই গ্র্যাজুয়েশন এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন তিনি। পরবর্তীতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে পিএইচডি করেন। তিনি তার জ্ঞানের মাধ্যমে বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে মনোনিবেশ করেন। জর্ডানে যে সময় ছিলেন তখন বাবা-মায়ের সঙ্গে অন্য আরও ভাইবোনদের নিয়ে মাত্র একটি রুমে থাকতে হতো তাকে। এছাড়া যেখানে থাকতেন সেখানে পানির প্রকট সমস্যা ছিল। প্রতি দুই সপ্তাহে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য পানি আনার সুযোগ পেতেন তারা।এ কারণে পরবর্তীতে পানি সংগ্রহ বিষয় নিয়ে কাজ করেন তিনি। ২০২১ সালে সৌদি আরব তাকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেয়। ভিশন ২০৩০ এর অংশ হিসেবে দেশটির নাগরিক হন তিনি। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় থাকা জ্ঞানী ও গুণী অনেককে নাগরিকত্ব দিয়েছে সৌদি। এদিকে ওমরের সঙ্গে এ বছর রসায়নে নোবেল পেয়েছেন আরও দুজন।তারা হলেন সুসুমু কিতাগাওয়া এবং রিচার্ড রবসন। সুসুমু জাপানের কিউটো বিশ্ববিদ্যালয়,অপরদিকে রিচার্ড রবসন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সোনার ভাণ্ডারের পরিমাণ অনুযায়ী এশিয়ায় সবথেকে বেশি সোনা মজুত রয়েছে চিনে
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ৫, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।সোনা শুধু অলঙ্কার নয়,বরং বিনিয়োগের বিশ্বস্ত স্থান।প্রতিদিনই রেকর্ড গড়ছে সোনার দাম। বিশ্বব্যাপী এই হলদে ধাতুর চাহিদা দেখার মতো।এশিয়ার কোন দেশের কাছে আছে সবথেকে বেশি সোনা জানেন? সোনার ভাণ্ডারের পরিমাণ অনুযায়ী এশিয়ায় সবথেকে বেশি সোনা মজুত রয়েছে চিনে।লাল ড্রাগনের দেশে রয়েছে প্রায় ২,২৯৯ মেট্রিক টন সোনা।চিনের অর্থনীতিতেও সোনার গুরুত্ব অনেক। সোনা মজুতের পরিমাণে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছে ভারত।এ দেশে সোনার কদর সমস্ত ধাতুর থেকে সবচেয়ে বেশি। উৎসবে,অনুষ্ঠানে সোনা কেনার প্রচলন এ দেশে বরাবরই রয়েছে।আর্থিক পরিস্থিতি অনুযায়ী যে কোনও শ্রেণির মানুষের কাছেই দারুণ প্রিয় সোনা। অলঙ্কারের মাধ্যম হিসেবে সোনাই সবথেকে প্রিয়।এরকম সোনা প্রেমী দেশে মজুত ৮৮০ মেট্রিক টন সোনা। চিন ও ভারতের পরেই জাপানের স্থান।সে দেশে মজুত রয়েছে ৮৪৬ মেট্রিক টন সোনা। সোনার মজুতের হিসাব অনুযায়ী এর পরেই আসে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির নাম।তার মধ্যে সোনার ভাণ্ডারের পরিমাণ অনুযায়ী সবথেকে ধনী তুরস্ক।সে দেশে ৬৩৫ মেট্রিক টন সোনা রয়েছে। তাইওয়ানও সোনা মজুদের পরিমাণে খুব পিছিয়ে নেই। আয়তনে ক্ষুদ্র এই দেশেও রয়েছে ৪২৪ মেট্রিক টন সোনা। সপ্তম স্থানে রয়েছে খনিজ তেলের বাদশা সৌদি আরব। সে দেশেও প্রচুর পরিমাণে মজুত রয়েছে সোনা।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
পাকিস্তান–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের (আজাদ কাশ্মীর) অনেক জায়গা পুরোপুরি থমকে গেছে
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ৩, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।পাকিস্তান–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে থমথমে পরিস্থিতি।গতকাল বৃহস্পতিবার ওই অঞ্চল টানা চতুর্থ দিনের মতো অচল ছিল।গত কয়েক দিনে সেখানে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছেন।তাঁদের মধ্যে তিনজন পুলিশ কর্মকর্তাও আছেন। কেন্দ্রীয় সরকার একটি আলোচক কমিটি গঠন করেছে।ওই কমিটির সদস্যরা গতকাল পাকিস্তান–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ পৌঁছেছেন।কমিটি আলোচনার মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) সঙ্গে বৈঠক করবে।জেএসিসি হলো এমন একটি সংস্থা,যা ব্যবসায়ী ও নাগরিক সমাজভিত্তিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিত্ব করছে।এটি পুরো অঞ্চলে সাধারণ মানুষের অসন্তোষের কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত। অধিকারকর্মী শওকত নওয়াজ মীরের নেতৃত্বে জেএএসি গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এমন অচলাবস্থা শুরু করেছে।এতে পাকিস্তান–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের (আজাদ কাশ্মীর) অনেক জায়গা পুরোপুরি থমকে গেছে।কাশ্মীর সরকার ইতিমধ্যে পুরো যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা মুঠোফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন না। মুজাফফরাবাদে যেসব বাজার জমজমাট থাকে,সেগুলো এখন সম্পূর্ণ বন্ধ।রাস্তার পাশে যাঁরা পণ্য বিক্রি করেন,তাঁদেরও উপস্থিতি নেই। এমনকি রাস্তায় গণপরিবহনও চলছে না।এই স্থবিরতার কারণে সেখানকার প্রায় ৪০ লাখ মানুষ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। অধিকারকর্মী শওকত নওয়াজ মীরের নেতৃত্বে জেএএসির ডাকে গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এমন অচলাবস্থা শুরু হয়েছে। এতে পাকিস্তান–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের (আজাদ কাশ্মীর) অনেক জায়গা পুরোপুরি থমকে গেছে।কাশ্মীর সরকার ইতিমধ্যে পুরো যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা মুঠোফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন না। আজাদ কাশ্মীর সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, কর্তৃপক্ষ শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে থাকা ‘প্রচার’ ও ‘ভুয়া খবর’-এর প্রভাবে বিভ্রান্ত না হতে জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে তারা।তাদের দাবি,নির্দিষ্ট কোনো অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে এমনটা করা হচ্ছে। গত দুই বছরে এ নিয়ে তৃতীয় দফা বড় বিক্ষোভে নেমেছে জেএএসি।সংগঠনের নেতাদের অভিযোগ,সরকারের সঙ্গে আলোচনায় তাদের ৩৮ দফা দাবির ব্যাপারে কোনো সমঝোতা হয়নি। সে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন বন্ধ করো,নইলে ভৌগোলিক উপস্থিতি হারাতে হবে-উপেন্দ্র দ্বিবে
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ৩, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপ্লাই।।ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী পাকিস্তানকে কঠোর হুঁশিয়ারি করে বলেছেন,সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন বন্ধ করো,নইলে ভৌগোলিক উপস্থিতি হারাতে হবে। শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে রাজস্থানের অনুপগড়ে একটি সেনা পোস্টে বক্তৃতা দিতে গিয়ে দ্বিবেদী এমন হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন,অপারেশন সিন্দুর ১.০-তে আমরা যে সংযম দেখিয়েছিলাম,এবার আমরা তা বজায় রাখব না।এবার আমরা এমন কিছু করব,যা পাকিস্তানকে ভাবতে বাধ্য করবে যে, তারা ভূগোলে তার স্থান ধরে রাখতে চায় কি না।যদি পাকিস্তান ভূগোলে তার স্থান ধরে রাখতে চায়,তাহলে তাদের অবশ্যই রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করতে হবে।’ এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুসারে,শীর্ষ জেনারেল শুধু হুঁশিয়ারিই দেননি,সৈন্যদের প্রস্তুত থাকতেও বলেছেন। তিনি বলেন,ঈশ্বরের ইচ্ছা হলে,তোমরা (সৈন্যরা) শিগগিরই একটি সুযোগ পাবে। শুভকামনা…।’ এনডিটিভি উল্লেখ করেছে,দ্বিবেদীর এই হুঁশিয়ারি এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং-এর আগের দিনের মন্তব্যের পরই এলো। ভারতের সেনাপ্রধান আরও বলেন,অপারেশন সিন্দুরের সময় ভারত দৃঢ় সংকল্প করেছিল যে,কোনো নিরীহ প্রাণের ক্ষতি করা হবে না এবং কোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হবে না।সন্ত্রাসীদের আস্তানা,প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং তাদের মূল পরিকল্পনাকারীদের নির্মূল করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রসঙ্গত,গত মে মাসে কাশ্মীরের পেহেলগামে সশস্ত্র হামলার পর দুই দেশ প্রায় যুদ্ধের পরিস্থিতিতে চলে গিয়েছিল।দুই প্রতিবেশী উভয় দেশের ভেতরে বিমান হামলা চালায়।উভয় দেশ কয়েকটি করে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি করেছে। উত্তেজনা তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক চাপ ও উভয় দেশের বোঝাপড়ার ১০ মে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
২৩৫ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স-তবুও ৭টি ব্যাংকে ১টাকাও মেলেনি!
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ৩, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৭ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ২৩৫ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) এর পরিমাণ দাঁড়ায় ২৮ হাজার কোটি টাকার বেশি।তবে এ সময়ে দেশের ৭টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি,যা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে ব্যাংকগুলোর দক্ষতা ও কার্যক্রম নিয়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, রেমিট্যান্স না পাওয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে— * রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি * বিশেষায়িত ব্যাংক: রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক * বেসরকারি ব্যাংক: আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক পিএলসি * বিদেশি ব্যাংক: হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। অর্থনীতিবিদরা বলছেন,প্রবাসীরা নির্ভরযোগ্য ব্যাংক ও মানসম্মত সেবা পাওয়ার নিশ্চয়তা চান।সেই জায়গায় দুর্বলতা থাকায় এসব ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি।সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৭ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ২৩৫ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) এর পরিমাণ দাঁড়ায় ২৮ হাজার কোটি টাকার বেশি।তবে এ সময়ে দেশের ৭টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি,যা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে ব্যাংকগুলোর দক্ষতা ও কার্যক্রম নিয়ে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
অন্যের ওপর দোষ চাপানো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ‘অভ্যাস-রণধীর জয়সওয়াল
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ৩, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপ্লাই।।খাগড়াছড়িতে সহিংসতার ঘটনায় ‘ভারতের ইন্ধন’ থাকার যে কথা বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন- সেটির কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শুক্রবার এক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন,অন্যের ওপর দোষ চাপানো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ‘অভ্যাস’।তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে তিনি বলেন, ‘এ অভিযোগ সুস্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।’ রণধীর জয়সওয়াল বলেন,তাদের জন্য ভালো হবে,যদি তারা আত্মানুসন্ধান করে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর স্থানীয় উগ্রবাদীদের সহিংসতা,অগ্নিসংযোগ ও ভূমি দখলের কর্মকাণ্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে।’ উল্লেখ্য,খাগড়াছড়িতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবিতে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে ‘জুম্ম ছাত্র–জনতা’।এই অবরোধ চলাকালে রোববার খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় সংঘর্ষে তিনজন মারা যান।এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর এক মেজরসহ ১৩ সেনাসদস্য,গুইমারা থানার ওসিসহ তিন পুলিশ সদস্য এবং স্থানীয়দের অনেকে আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২৯ সেপ্টেম্বর ঢাকায় সাংবাদিকদের প্রশ্নে খাগড়াছড়িতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পেছনে ‘ভারতের ইন্ধন’ থাকার অভিযোগ করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীদের হেনস্তার ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতার চিত্র দিন দিন স্পষ্ট
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীদের হেনস্তার ঘটনায় সরকারি প্রটোকলের দুর্বলতা, মিশনের কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে প্রধান উপদেষ্টা দেশে ফেরার পর।বিশেষ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বা মিশনে কর্মরত বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারসহ শাস্তির আওতায় আনা হতে পারে। গতকাল সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান,প্রধান উপদেষ্টা দেশে ফেরার পর উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে। ওই কর্মকর্তা জানান,সবকিছুই মনিটরিং করা হচ্ছে।কার কী দায়িত্ব ছিল,কে কী করেছে বা করছে সেগুলো খুবই সিরিয়াসভাবে নিচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।বিভিন্ন দেশি-বিদেশি মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরগুলো নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণের কথা জানিয়ে ওই কর্মকর্তা জানান,কারো কোনো দুর্বলতা বা গোপনীয়তা ফাঁসের ব্যাপারে যে সব খবর বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত বা প্রচারিত হয়েছে সেগুলো যাচাই বাছাই করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।ফ্যাসিস্ট সরকারের দোষরদের প্রধান উপদেষ্টার প্রটোকলের দায়িত্ব দেয়ার বিষয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন,তারা তো বটেই,মিশনের কাউকেও একবিন্দু ছাড় দেয়া হবে না।প্রধান উপদেষ্টা দেশে ফেরার পর এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীদের হেনস্তার ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতার চিত্র দিন দিন স্পষ্ট হওয়ায় মূলত কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার।এ ধরনের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে।প্রধান উপদেষ্টার সফর সঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেনের ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীসহ কয়েকজন কর্মকর্তা সরাসরি জড়িত বলে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারিত ও প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।একই সাথে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আজ্ঞাবাহী এবং বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত খুঁজে খুঁজে স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টার প্রটোকলের দায়িত্ব দেয়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে।বাংলাদেশ ভ্রমণ। জাতিসংঘ মিশনে ফ্যাসিস্ট আমলে নিয়োগ পাওয়া এবং তাদের যেসব সমর্থক কর্মকর্তারা রয়েছেন,তাদের মধ্যে সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী,শোয়েব আব্দুল্লাহ এবং মো. নূরুল ইসলামের নাম ঘুরে ফিরে এসেছে।এরা সবাই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট কর্মকর্তা। মূলত…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আমরা দেশকে আবার সাংবিধানিক ধারায় ফিরিয়ে আনব,শান্তি ও সুশাসন ফিরিয়ে আনব-অলি
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালের (সিপিএন–ইউএমএল) চেয়ারম্যান কে পি শর্মা অলি ঘোষণা দিয়েছেন,নেপালকে বর্তমান সরকারের হাতে ছেড়ে দিয়ে তিনি পালাবেন না।চলতি মাসের শুরুর দিকে জেন-জিদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। নেপালের ভক্তপুরের গুন্ডু এলাকায় ইউএমএলের যুব শাখার এক সমাবেশে অলি বলেন,আপনারা কি ভাবছেন দেশকে আমরা এই ভিত্তিহীন সরকারের হাতে ছেড়ে দিয়ে পালাব? কোনো দিন না।’ দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে অলি বলেন,আমরাই এ দেশ গড়ে তুলব।আমরা দেশকে আবার সাংবিধানিক ধারায় ফিরিয়ে আনব,শান্তি ও সুশাসন ফিরিয়ে আনব।’ নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ছাড়ার ১৮ দিন পর এটি ছিল অলির প্রথম প্রকাশ্য বক্তৃতা।৯ দিন নেপালের সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা সুরক্ষায় থাকার পর ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি গুন্ডুতে ভাড়া বাসায় গিয়ে ওঠেন।এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর আন্দোলনকারীরা ভক্তপুরের বালকোটে তাঁর ব্যক্তিগত বাসভবন পুড়িয়ে দেন। নেপালের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকির নেতৃত্বাধীন সরকারকে জনসমর্থনহীন সরকার বলে আখ্যা দিয়েছেন কে পি শর্মা অলি। নেপালের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকির নেতৃত্বাধীন সরকারকে জনসমর্থনহীন সরকার আখ্যা দিয়ে অলি বলেন, ‘এই সরকার জনগণের ভোটে নয়; বরং লুটপাট,ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।’ অলি দাবি করেন,তিনি কোনো ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।আন্দোলনের সময় অলি প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন,তাঁর রেকর্ডিং প্রকাশ করতে তিনি সুশীলা কারকির সরকারের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। অলি অভিযোগ করেন, তাঁর নতুন বাসভবনের অবস্থান জেনেও বর্তমান সরকার তাঁকে যথাযথ নিরাপত্তা দেয়নি।তিনি বলেন,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলা হচ্ছে “অলির নতুন বাড়ি খুঁজে বের করে আক্রমণ করো।” সরকার কী করছে? শুধু বসে বসে দেখছে।’

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
শাসনব্যবস্থায় কোনো পরিবর্তন আনার এখতিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেই-সুশীলা কার্কি
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।নেপালের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে নতুন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি স্পষ্ট জানিয়েছেন,শাসনব্যবস্থায় কোনো পরিবর্তন আনার এখতিয়ার এই সরকারের নেই। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তরুণদের পক্ষ থেকে সরাসরি নির্বাচিত নির্বাহী ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সংস্কারের দাবির প্রেক্ষাপটে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই মন্তব্য করেন। কার্কি বলেন,বর্তমান সরকারের পক্ষে এমন কোনো পরিবর্তন করা সম্ভব নয়,তাই শাসনব্যবস্থার যেকোনো সংস্কার বা পরিবর্তন সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী কার্কি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন,আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করাই হলো অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।এছাড়া,বিদেশে কর্মরত নেপালিদের ভোট প্রদানের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও তিনি জানান। তিনি আশ্বস্ত করেন,তার সরকার অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা এবং প্রবাসী নেপালিদের সাংবিধানিকভাবে গ্রহণযোগ্য দাবিগুলো সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী কার্কি দেশের সকল নাগরিককে আসন্ন নির্বাচনে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিয়ে যোগ্য প্রতিনিধিদের বেছে নিতে উৎসাহিত করেন। সূত্র: হাব ইংলিশ

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
প্রয়োজনে সৌদি আরবকে পারমাণবিক কর্মসূচি ‘দেওয়া হবে- খাজা মোহাম্মদ আসিফ
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ বলেছেন,নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় প্রয়োজনে সৌদি আরবকে তাদের দেশের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘দেওয়া হতে পারে’। দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফের মন্তব্য পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে এই সপ্তাহে সই হওয়া চুক্তির গুরুত্বকে তুলে ধরে।ইতোমধ্যেই কয়েক দশক ধরে দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক রয়েছে। খাজা আসিফ বলেন,পাকিস্তানের পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পর্কে আমি একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলতে চাই,আমরা যখন পরীক্ষা চালিয়েছিলাম তখন সেই সক্ষমতা অনেক আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।তারপর থেকে আমরা যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য বাহিনীকে প্রশিক্ষিত করেছি।’ তিনি আরও বলেন,আমাদের যা আছে এবং আমাদের যে সক্ষমতা আছে,তা এই চুক্তি অনুসারে (সৌদি আরবকে) উপলব্ধ করা হবে।’ এর আগে গত বুধবার দুই দেশ একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে।চুক্তিতে বলা হয়েছে,একটি জাতির ওপর আক্রমণ উভয় দেশের ওপর আক্রমণের সমান হবে। অন্যান্য দেশও এই চুক্তিতে যোগ দিতে পারে কিনা, জানতে চাইলে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন,আমি এটা বলতে পারি,অন্যদের জন্য দরজা বন্ধ নয়।’ চুক্তির অধীনে পাকিস্তানের পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার সম্পর্কে আসিফ বলেন,এই চুক্তির অধীনে আমাদের সমস্ত ক্ষমতা উপলব্ধ।তবে আমি ব্যাখ্যা করতে চাই যে,পাকিস্তান একটি পারমাণবিক রাষ্ট্র হওয়ার পর থেকে,কেউই দায়িত্বশীল পারমাণবিক শক্তি হিসেবে আমাদের অবস্থান নিয়ে সন্দেহ করেনি।পারমাণবিক পরিদর্শনের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সহযোগিতা তেল আবিবের আগ্রাসন থেকে আলাদা,যারা কোনো পরিদর্শনের অনুমতি দেয় না।এই চুক্তি ন্যাটোর মতো প্রতিরক্ষা সহযোগিতার জন্য একটি কাঠামো।যদি পাকিস্তান বা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হয়,তাহলে আমরা যৌথ প্রতিরক্ষা গ্রহণ করব।’

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সোনিয়া গান্ধীর নাগরিকত্ব নিয়ে ওঠা অভিযোগ খারিজ
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর নাগরিকত্ব নিয়ে ওঠা অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত।বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) আদালত জানিয়েছে,অভিযোগের ভিত্তি প্রমাণের মতো কোনো উপাদান নেই।এই রায়ের পর কংগ্রেস শিবিরে স্বস্তির হাওয়া বইছে।বিজেপি নেত্রী সোনিয়া গান্ধী ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই তার নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন বলে অভিযোগ করেছিল। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালবীয় গত মাসে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে এই অভিযোগ সামনে এনেছিলেন। তিনি দাবি করেন যে, ১৯৮০ সালের লোকসভা ভোটের আগে নয়াদিল্লি কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় সোনিয়ার নাম উঠেছিল, অথচ সেই সময়েও তিনি ভারতের নাগরিকত্ব পাননি।অমিত মালবীয়র অভিযোগ ছিল যে,গান্ধী পরিবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আঁতাত করে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এই কাজ করেছে। তিনি ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকার একটি ছবি প্রকাশ করে এটিকে প্রমাণ হিসেবে দেখিয়েছিলেন। বিজেপির অভিযোগ অনুযায়ী, ১৯৮২ সাল পর্যন্ত সোনিয়ার নাম ভোটার তালিকায় ছিল,অথচ সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী তিনি ১৯৮৩ সালে নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন।এই বিষয়ে আদালতে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যেখানে আবেদনকারী বলেন যে,১৯৮৩ সালের এপ্রিল নাগাদ নাগরিকত্ব পাওয়ার পরেও ১৯৮০ সালের জানুয়ারি থেকে তার নাম ভোটার তালিকায় ছিল,যা সরাসরি নির্বাচনী বিধির লঙ্ঘন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে,বহু পুরোনো এই অভিযোগকে বিজেপি নতুন করে সামনে এনেছিল মূলত রাজনৈতিক আক্রমণের হাতিয়ার হিসেবে।নাগরিকত্ব প্রসঙ্গ তুলে সোনিয়াকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হয়েছিল,কিন্তু আদালতের রায়ে সেই চেষ্টা কার্যকর হলো না।তবে বিরোধীরা বলছে,আদালতের এই খারিজ মানেই অভিযোগ ভিত্তিহীন নয়, বরং এটি জনগণের মনে আবারও সন্দেহ তৈরি করেছে। ইতালিতে জন্মগ্রহণ করা সোনিয়া ১৯৬৮ সালে রাজীব গান্ধীকে বিয়ে করার পর ভারতের রাজনৈতিক পরিবারের সঙ্গে যুক্ত হন।পরে তিনি ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন এবং কংগ্রেসের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে আসেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের রায় তাকে আইনি জটিলতা থেকে মুক্ত করলেও…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নেপালের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে চলেছেন
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।নেপালের ইতিহাসে প্রথম মহিলা হিসাবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হয়েছিলেন তিনি।এ বার প্রথম মহিলা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন ৭২ বছরের সেই সুশীলা কার্কী।শুক্রবার রাত সওয়া ৯টায় রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেলের কাছে শপথবাক্য পাঠ করেছেন তিনি। কাঠমান্ডুর রাষ্ট্রপতি ভবন শীতল আবাস থেকে এক বিবৃতিতে সে কথা জানানো হয়েছে। বুধবারই পরবর্তী রাষ্ট্রনেতা হিসেবে সুশীলাকে বেছে নিয়েছিলেন আন্দোলনকারী ছাত্র-যুবরা।নেপালের সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, সে দিন অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রথমে কার্কির কাছে সম্মতি চেয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল আন্দোলনকারীদের তরফে।তিনি প্রস্তাব বিবেচনার জন্য অন্তত ১,০০০ লিখিত স্বাক্ষর চেয়েছিলেন।কিন্তু প্রথমেই ২,৫০০-এরও বেশি স্বাক্ষর জমা পড়ে তাঁর পক্ষে।এর পরে আন্দোলনকারীরা বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সুশীলাকে মনোনীত করার কথা ঘোষণা করেন।কিন্তু বৃহস্পতিবার আন্দোনকারীদের একাংশের তরফে প্রাক্তন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কুল মান ঘিসিঙের নাম উঠে আসায় কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। মঙ্গলবার ওলির ইস্তফার পরে প্রাথমিক ভাবে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ পরবর্তী সরকার প্রধান হিসেবে কাঠমান্ডুর নির্দল মেয়র,তথা জনপ্রিয় র‌্যাপার বছর পঁয়ত্রিশের বলেন্দ্র শাহ ওরফে বলেনের নাম সামনে এনেছিল।কিন্তু বুধবার ঘটনাপ্রবাহের নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে।নেপালের ছাত্র-যুব নেতৃত্বের তরফ থেকেই উঠে আসে সে দেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলার নাম।এমনকি, সুশীলাকে সমর্থন করেন বলেনও!অনেকেই ভেবেছিলেন, অন্তবর্তী সরকারের প্রধান হচ্ছেন সুশীলাই।কিন্তু বৃহস্পতিবার আলোচনায় উঠে আসে আরও এক জনের নাম।শোনা যায়, প্রাক্তন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ঘিসিং নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের হাল ধরুন,এমনটাই চাইছেন গণবিক্ষোভে নেপালের ওলি সরকারকে গদিচ্যুত করা আন্দোলনকারীদের একাংশ। বিষয়টি নিয়ে আন্দোলনকারীদের অন্তর্বিরোধও প্রকাশ্যে এসে গিয়েছিল কাঠমান্ডুর রাস্তায়। যদিও শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটির মাধ্যমে সুশীলার নামই চূড়ান্ত হয় শুক্রবার।প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে সুশীলাকে প্রধান বিচারপতি হিসাবে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারী নিয়োগ করেছিলেন।বিদ্যাদেবী ছিলেন নেপালের ইতিহাসে প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি।তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ওলির নেতৃত্বাধীন সংবিধান পরিষদের সুপারিশে তাঁকে নিয়োগ করা হয়েছিল। ২০০৬ সালে সংবিধান…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নেপালের সাবেক ৬ প্রধানমন্ত্রীকে রাজনীতি থেকে অবসর নিতে হবে
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।নেপালের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নতুন প্রজন্মের নেতারা ছয় জন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন।দুর্নীতি ও সরকারি অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে জেন-জি তরুণদের বিক্ষোভের ফলে সৃষ্ট চলমান রাজনৈতিক সংকট সমাধানে প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল যখন কাজ করে চলছেন, তখন এই চাপ জোরালো হয়েছে। জনসাধারণের ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির পদত্যাগের পর প্রেসিডেন্ট সংকট মোকাবেলায় রাজনৈতিক দল এবং সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ জোরদার করেছেন।সেনাবাহিনী জেন-জিদের সঙ্গে দলগুলোকে আলোচনার সুযোগ করে দিচ্ছে।তারা একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে নিয়োগের জন্য জেন-জি বিক্ষোভকারী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নিয়ে জনসাধারণের উদ্বেগের মধ্যে নেপালি কংগ্রেস, সিপিএন-ইউএমএল,মাওবাদী কেন্দ্র এবং ইউনিফাইড সোশ্যালিস্টের দ্বিতীয় স্তরের নেতারা জেন-জিদের দাবির প্রতিধ্বনি করেচ্ছে।তাদের মূল প্রস্তাব: কয়েক দশক ধরে নেপালি রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তারকারী ছয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে অবসরে পাঠান। রাজনৈতিক দলগুলোর সূত্র অনুসারে,তরুণ নেতারা নেতারা বিশ্বাস করেন,কে পি শর্মা,শের বাহাদুর দেউবা,পুষ্প কমল দহল প্রচণ্ড,মাধব কুমার নেপাল,ঝলনাথ খানাল এবং ড. বাবুরাম ভট্টরাইয়ের উচিৎ নিজেরা সরে গিয়ে নতুন নেতৃত্বের পথ প্রশস্ত করা। জানা গেছে,ছয় জনই সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর গ্রহণের ঘোষণা দিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি জারি করার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। চারটি দলেরই কর্মকর্তা এবং সিনিয়র নেতারা এই উদ্যোগের সমন্বয় করছেন। বামপন্থী দলের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেছেন,আমরা ছয় জন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে একটি যৌথ বিবৃতি পাওয়ার জন্য কাজ করছি,যাতে তাদের অবসর নেওয়ার এবং দেশকে নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ইউনিফাইড সোশ্যালিস্ট পার্টির সিনিয়র নেতা ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ঝালনাথ খানাল ইতোমধ্যে এই প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছেন। দলটির সিনিয়র এক নেতা বলেন, ‘কমরেড ঝালনাথ সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নাগরিকদের রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে যোগদানের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে-ভারত
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের নাগরিকদের রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে যোগদানের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে।ভারতীয়দের তালিকাভুক্তি বন্ধ করার মস্কোর আশ্বাস সত্ত্বেও নিয়োগ অব্যাহত রয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের পর বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লি এই সতর্কবার্তা দিল। গত বছর রুশ সৈন্য এবং তাদের পরিবারের জন্য ‘সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা সহায়ক’ হিসেবে নিযুক্ত ভারতীয়দের সাক্ষ্য গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়।রিপোর্টে প্রকাশিত হয়েছিল,তাদের ইউক্রেন যুদ্ধের প্রথম সারিতে পাঠানো হয়েছিল। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে মস্কো সফরের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। এক মাস পরে রুশ দূতাবাস একটি বিবৃতি জারি করে বলেছিল, তারা আর ভারতীয়দের তাদের সেনাবাহিনীতে নিযুক্ত করবে না। কিন্তু এই সপ্তাহে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে,ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে আবারও বেশ কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক আটকা পড়েছেন। দ্য হিন্দু এমনই দু’জন ভারতীয়র সঙ্গে কথা বলেছে।তারা আরও ১৩ জনের সঙ্গে রাশিয়ান পক্ষের সঙ্গে কাজ করেছে। তারা সকলেই এই বছর ছাত্র বা দর্শনার্থী ভিসায় মস্কো গিয়েছিলেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা সম্প্রতি রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে ভারতীয় নাগরিকদের নিয়োগের খবর দেখেছি।আমরা আবারও সকল ভারতীয় নাগরিককে রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে যোগদানের যে কোনো প্রস্তাব থেকে দূরে থাকার জন্য জোরালোভাবে আহ্বান জানাচ্ছি,কারণ এটি একটি বিপদজনক পথ।’ জয়সওয়াল বলেন,ভারতীয় নাগরিকদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং দিল্লি ও মস্কো উভয় স্থানেই রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে।এই প্রথা বন্ধ করার এবং আমাদের নাগরিকদের মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে উদ্ধৃত সূত্রগুলো দাবি করেছে,একজন এজেন্ট নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করার জন্য তাদের নিয়োগ দিয়েছিল।কিন্তু পরে তাদের সেনাবাহিনীতে চাকরি করার জন্য প্রতারণা করা হয়। পাঞ্জাবের কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি রেকর্ডিং শেয়ার করেছেন।এতে দেখা যাচ্ছে,তিনজন ভারতীয় পুরুষ ক্লান্ত শরীরে পাঞ্জাবি ভাষায় বলছেন।তাদের রাশিয়ান ফ্রন্টলাইনে পাঠানোর জন্য…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
যদি সহিংস কর্মকাণ্ড,লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ বন্ধ না হলে সেনা ও সব নিরাপত্তা সংস্থা সরাসরি ব্যবস্থা নেবে
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।নেপালে চলমান সহিংস বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে নিতে কড়া অবস্থান নিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাজারাম বসনেত এক বিবৃতিতে জানান—যদি সহিংস কর্মকাণ্ড,লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ (স্থানীয় সময়) রাত ১০টার মধ্যে না থামে, তবে সেনা ও সব নিরাপত্তা সংস্থা সরাসরি ব্যবস্থা নেবে। বিবৃতিতে বলা হয়,কিছু গোষ্ঠী বর্তমান সংকটকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ নাগরিক ও সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করছে, লুটপাট চালাচ্ছে এবং অগ্নিসংযোগ ঘটাচ্ছে।এসব বন্ধ না হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।একইসঙ্গে লুট হওয়া অস্ত্র–শস্ত্র রাত ১০টার মধ্যে ফেরত দেওয়ার আলটিমেটামও দেওয়া হয়েছে। এর আগে সন্ধ্যায় সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন।তিনি তরুণ বিক্ষোভকারীদের সহিংসতা থেকে সরে এসে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান। এদিকে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ থাকায় আন্দোলন আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান রাজনৈতিক সংকটকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।    

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
গাজা বাসিন্দাকে ‘অবিলম্বে সরিয়ে নিতে’ নির্দেশ দিয়েছে
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা সিটির সব বাসিন্দাকে ‘অবিলম্বে সরিয়ে নিতে’ নির্দেশ দিয়েছে। কারণ তারা ‘প্রচণ্ড শক্তি’ দিয়ে এলাকায় অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর)সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে আইডিএফের আরবি ভাষার মুখপাত্র ‘সব এলাকার উপস্থিত ব্যক্তিদের’ মানবিক জোনে চলে যাওয়ার আহ্বান জানান।ব্রিটিশ সংবাদমাধথ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে। ফলে ১০ লাখ ফিলিস্তিনির শহরের বাসিন্দারা কয়েক সপ্তাহ ধরে এই আক্রমণের আশঙ্কা করছিল।কারণ হামাসকে চূড়ান্তভাবে ধ্বংস করার পরিকল্পনা নিয়েছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তারপরও এই সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ গাজার বৃহত্তম নগরকেন্দ্রের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ বলেছেন,তাদের দক্ষিণে যেতে হবে।কিন্তু বেশিরভাগই বলেছেন তারা থেকে যাবেন কারণ অন্য কোথাও নিরাপদ নয়। জাতিসংঘও বলছে, গাজার কোথাও নিরাপদ বিবেচনা করা যায় না গত মাসে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা গাজার সবচেয়ে জনবহুল শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা অনুমোদন করে। এর আগে ইসরায়েল সতর্ক করেছিল যে হামাস যদি জিম্মিদের মুক্তি না দেয়,তারা গাজায় সামরিক হামলা বাড়াবে ৫৫ বছর বয়সী ছয় সন্তানের মা উম মোহাম্মদ বলেছেন,গত সপ্তাহের গোলাবর্ষণ সত্ত্বেও আমি সরে যেতে অস্বীকার করেছিলাম।কিন্তু এখন কী করবো? গাজাবাসীরা ইতিমধ্যেই ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর বহুবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে।উত্তর থেকে দক্ষিণে এবং দক্ষিণ থেকে উত্তরে ঘুরতে ঘুরতে তাদের মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা সিটির বাসিন্দাদের দক্ষিণের খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় যেতে নির্দেশ দিয়েছে।ওই এলাকাকে তারা ‘মানবিক জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই সামরিক অভিযান এমন সময়ে আসছে যখন কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ,গাজায় ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে ক্ষুব্ধ হয়ে,এই মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলেছে। তবে ইসরায়েল তা প্রত্যাখ্যান করেছে। আন্তর্জাতিক সমালোচকেরা বলছেন,ইসরায়েলের পরিকল্পনা পুরো গাজা উপত্যকাকে নিরস্ত্রীকরণ করা এবং এর নিয়ন্ত্রণ নেওয়া,যা ২২ লাখ মানুষের মানবিক দুর্দশা…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নেপালের সংকট নিরসনে বিক্ষোভকারীদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন-সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।নেপালের চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে বিক্ষোভকারীদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেল। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন,সেনাবাহিনী জাতীয় ঐক্য ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জেনারেল সিগদেল বলেন, ‘চলমান বিক্ষোভে প্রাণহানি ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।’ তিনি বিক্ষোভকারীদের সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, জাতীয় ঐক্য নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি এড়ানো আমাদের সবার দায়িত্ব।’ বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি ‘অস্বস্তিকর’ হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় সহিংসতায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান সেনাপ্রধান।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ইসরায়েল কাতারের রাজধানী দোহায় বিমান হামলা চালিয়েছে
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।কাতারের রাজধানী দোহায় হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ সময় দোহারের বিভিন্ন স্থান থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে এবং বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। হামলার পরপরই এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী।এতে বলা হয়েছে,হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে সংক্ষিপ্ত পরিসরে এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে কোথায় হামলা হয়েছে,সে বিষয়ে বিবৃতিতে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি ইসরায়েলের একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, কাতারে অবস্থানরত হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতাদের লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে।     হামাসের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন, দোহায় হামাসের মধ্যস্থতাকারী একটি প্রতিনিধিদল বৈঠক করছিল। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েল।     কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কাতারের রাজধানী দোহায় একটি আবাসিক ভবনে হামলা হয়েছে। সেখানে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর কয়েকজন সদস্য থাকেন।    

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
মোদির শাসনামলে গরু-মহিষের মাংস রফতানি প্রায় ১৬ শতাংশ বেড়েছে
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।ক্ষমতার বাইরে থাকাকালীন নরেন্দ্র মোদি ভারতের ক্রমবর্ধমান গরুর মাংস রফতানির জন্য কংগ্রেস দলের সমালোচনায় সরব ছিলেন।তিনি কংগ্রেস সরকারের সময় গরুর মাংস রফতানিকে ‘পিঙ্ক রেভল্যুশন’ বলে ব্যঙ্গ করেছিলেন এবং দাবি করেছিলেন,ভারতের মুসলিম সংখ্যাগোষ্ঠীকে খুশি করতে কংগ্রেস সরকার এই খাতকে উৎসাহ দিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে মোদির শাসনামলেও গরু ও মহিষের মাংস রফতানি বেড়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ।এই খাতে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা আয় এখন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মুসলিম মিরর নামে ভারতীয় একটি অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,বর্তমানে ভারত প্রতি বছর প্রায় ১৫ লাখ ৩০ হাজার টন গরু-মহিষের মাংস রফতানি করে।এ থেকে আয় হয় প্রায় ৪৩০ কোটি মার্কিন ডলার।বৈশ্বিক মাংস বাজারে ভারতের অবস্থানও দৃঢ় হচ্ছে। বিশ্বের বৃহত্তম মাংস রফতানিকারক ব্রাজিলের পরে ভারতের অবস্থান রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। গরুর মাংস রফতানিতে ভারতের পরে অবস্থান করছে অস্ট্রেলিয়া,যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করে যে,মাংস রফতানি এখন ভারতের জন্য এক বড় অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি। ভারতে রাজ্য পর্যায়ে গরু জবাইয়ের জন্য বিভিন্ন বিধিনিষেধ থাকলেও,দেশটিতে অভ্যন্তরীণভাবে কোনো একক জাতীয় আইন নেই।ব্যবসায়ীরা তুলনামূলকভাবে শিথিল বিধি থাকা রাজ্য থেকে গরু পাচার করে রফতানি চালাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন,রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের চেয়ে আর্থিক বাস্তবতাই এই খাতের প্রসারে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। ভারতে মহিষের সংখ্যা প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ এবং গরুর সংখ্যা ৭ কোটি ৬০ লাখের বেশি।দুধ উৎপাদনের পর গরু-মহিষের মাংস ও চামড়া শিল্পে ব্যবহার করা হয়,যা বৈদেশিক রফতানির পাশাপাশি দেশীয় অর্থনীতিকেও সমৃদ্ধ করছে। ভারতের মাংস রফতানি ৬৫টি দেশে পৌঁছেছে।বিশেষ করে উপসাগরীয় তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোতে ভারতীয় মাংসের চাহিদা বেশি। কারণ,এ মাংস আসে মুক্ত চারণভূমিতে লালিত গরু-মহিষ থেকে,যা তুলনামূলক স্বাস্থ্যসম্মত বলে বিবেচিত হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের মাংসের দাম অনেক সময় ব্রাজিল বা অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় কম হওয়ায়…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
শত শত অভিবাসী গ্রেপ্তারের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে-ট্রাম্প
  • newadminnewadmin
  • সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় হুন্দাইয়ের একটি কারখানায় শত শত অভিবাসী গ্রেপ্তারের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসননীতি।হোয়াইট হাউসের সীমান্ত উপদেষ্টা টম হোম্যান রবিবার সিএনএনের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন,হুন্দাইয়ের পর এবার আরও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হবে। গত বৃহস্পতিবার জর্জিয়ার ওই কারখানায় মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষ ৪৭৫ জনকে গ্রেপ্তার করে।তাঁদের বেশির ভাগই দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক। মার্কিন ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) জানিয়েছে,আটককৃতদের মধ্যে কেউ অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করেছেন,আবার কারও ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।অনেকের কাছেই ছিল পর্যটন ও ব্যবসায়ী ভিসা,যা দিয়ে কাজ করার অনুমতি নেই। দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার রবিবার জানায়,প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হলে আটক ব্যক্তিদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। হোম্যান বলেন,“অবৈধ অভিবাসীকে কেউ মানবিক কারণে চাকরি দেয় না। তাদের দিয়ে বেশি কাজ করানো যায়,কম মজুরি দেওয়া যায় এবং মার্কিন নাগরিক কর্মীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা কমানো যায়। ” বিরোধী সমালোচনা ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন পদক্ষেপের বিরোধীরা বলছেন, কৃষি,পর্যটন,মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণসহ যুক্তরাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ খাত অবৈধ অভিবাসীদের ওপর নির্ভরশীল।ফলে এসব অভিযানে শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সমালোচনায় ট্রাম্পের ‘মিম’ এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ১৯৭৯ সালের ভিয়েতনাম যুদ্ধভিত্তিক সিনেমা অ্যাপোক্যালিপস নাউ থেকে অনুপ্রাণিত একটি মিম শেয়ার করেন। সেখানে আগুন,হেলিকপ্টার ও শিকাগোর স্কাইলাইন দেখানো হয়,যা অনেকেই যুদ্ধের প্রতীক হিসেবে সমালোচনা করেছেন। তবে হোম্যান এ সমালোচনার জবাবে বলেন,এটি ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। “আমরা কেবল অপরাধী ও অভিবাসন আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করছি। ”

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

তেহরানে হামলায় একজন চীনা নাগরিক নিহত, বেইজিংয়ের যুদ্ধবিরতি আহ্বান
ফিলিস্তিনে মসজিদুল আকসা বন্ধ, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের অজুহাত
জয়পুরহাটে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নারী আক্রমণ: পুরুষের বিশেষ অঙ্গ কেটে দিলেন ভুক্তভোগী
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক
বিএনপির মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি
ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল
সংবিধানের বাইরে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে ঢাকায় ১০২টি ফ্লাইট বাতিল
নতুন সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ থেকে বিরত থাকার চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে
কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসে ইরানি মিসাইল হামলা, জরুরি সতর্কতা
সৈয়দপুরে ব্যাংকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
ঢাকায় নারী যাত্রীদের জন্য বিশেষ বাস চালু করতে যাচ্ছে সরকার
মেহেন্দিগঞ্জে গরুচুরি চাঞ্চল্য: ৭টি গরু উদ্ধার, একজন আটক
কুয়েতের আকাশে মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলটদের নিরাপদ উদ্ধার
সৌদির বৃহত্তম তেল শোধনাগারে ইরানের ড্রোন হামলা, সাময়িকভাবে বন্ধ কার্যক্রম
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের হামলার নিন্দা: যুক্তরাষ্ট্রসহ ৭ দেশের যৌথ বিবৃতি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি
চার আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপি প্রার্থীদের আবেদন
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন কাঠামো নির্ধারণ, নতুন নীতিমালা গেজেট প্রকাশ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকা হত্যা: দ্বিতীয় স্বামী আটক, তদন্তে নতুন মোড়
ইরানের পাল্টা হামলায় ইউএইতে হতাহত, নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি
গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে কাজ করছে বাংলাফ্যাক্ট, সচেতনতার আহ্বান
শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত সংস্কার ও দ্রুত কারিকুলাম প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
রমজানের পর সিটি করপোরেশন নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার
জেলা ও উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি সংশোধন করে পুনর্গঠন
৫ জেলার ডিসি ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যাহার
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তি: এম সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্য ও অস্ত্র লুটের তথ্য যাচাই
মেহেন্দিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, অভিযানে ৬ জন আটক
ক্ষমার মাধ্যমে ইতিহাস গড়া নেতা: নেলসন ম্যান্ডেলার মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত
বিএনপি সরকারের দৃষ্টি অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ নিয়ে
ছোট ভাইয়ের সিট এভাবে কেড়ে না নিলেও পারতেন, আব্বাস ভাই বললেন, দুষ্টুমি করবা না: পাটওয়ারী
গোবিন্দগঞ্জে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার
নিউমার্কেটে আধুনিক ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার ঘোষণা
নওগাঁর ধামরহাটে অনন্য ও চাঞ্চল্যকর পারিবারিক ঘটনা
দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক খানের জেলমৃত্যু – স্বাস্থ্য উপেক্ষা ও রাজনৈতিক নিপীড়ণের অভিযোগ
ড. ইউনূস ছাড়লেন সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’
মেহেন্দিগঞ্জে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা: দুই মাসের মধ্যে তদন্ত শেষের নির্দেশ
মেহেন্দিগঞ্জবাসীর উন্নয়ন দাবিতে প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের কাছে স্মারকলিপি
ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের আশ্বাস, ২০২৭ সালে ভর্তি শুরুর আশা
আদালত বর্জনের কারণ ও স্থগিত ঘোষণা: বরিশাল আইনজীবীদের কর্মসূচি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
পাবনায় দাদি হত্যার পর নাতনিকে ধর্ষণ ও হত্যা: এলাকায় চরম ক্ষোভ
তিন মাসেও সন্ধান মেলেনি লালমাইয়ের মাদ্রাসাছাত্রীর
ডান্ডাবেড়ি ব্যবহারে বিতর্ক: আইন, আদালতের নির্দেশনা ও বাস্তবতার দ্বন্দ্ব
সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা, প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন
বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙতেই হবে
শিশু নির্যাতন: ন্যায়বিচারের অভাবের চরম লজ্জা
দেশের সব বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও হাইস্পিড ট্রেনে ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা হবে
নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় কিশোরী আমেনা বেগমকে হত্যা, বিএনপি নেতাসহ ৫ গ্রেফতার
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত
কুষ্টিয়ায় ফুফাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আইনগত ব্যবস্থা দাবি
মেহেন্দিগঞ্জে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
⚖️ আদালতের মর্যাদা বনাম ক্ষমতার প্রদর্শনী: বরিশাল ঘটনা সতর্কবার্তা
বরিশাল আদালতে হট্টগোল: বিচারকের ওপর হুমকি, ১২ আইনজীবীর সনদ বাতিলের সুপারিশ