সৌদি আরবে আরও দুইটি অ্যালকোহল স্টোর চালু
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ২৫, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।সৌদি আরব ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের ধারাবাহিকতায় আরও দুইটি অ্যালকোহল স্টোর চালুর পরিকল্পনা করছে।পরিকল্পিত এই দোকানগুলো দেশের দুইটি আলাদা শ্রেণীর অমুসলিমদের জন্য খোলা হবে—একটি ধাহরানে আরামকোর কম্পাউন্ডে কর্মরত অমুসলিম বিদেশিদের জন্য এবং অন্যটি জেদ্দায় কনস্যুলেটসমূহের কূটনীতিকদের জন্য।এ তথ্য জানিয়েছে রিয়াদের অভ্যন্তরীণ সূত্র,যা রয়টার্সের কাছে নিশ্চিত হয়েছে। গত বছর রিয়াদে অমুসলিম কূটনীতিকদের জন্য একটি মদের দোকান চালু করা হয়েছিল,যা ৭৩ বছরের নিষেধাজ্ঞার পর প্রথমবারের মতো এমন উদ্যোগ।সেই দোকানটি কূটনৈতিক মহলে ‘বুজ বাঙ্কার’ নামে পরিচিত।নতুন পরিকল্পিত দোকানগুলোও একই ধরনের সীমিত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে।ধাহরানের দোকানটি আরামকোর মালিকানাধীন কম্পাউন্ডে স্থাপন করা হবে,যেখানে শুধুমাত্র সেখানে কর্মরত অমুসলিম বিদেশিরাই প্রবেশ করতে পারবে।জেদ্দার দোকানটি কনস্যুলেটসমূহের কূটনীতিকদের জন্য নির্দিষ্ট থাকবে।যদিও দুটি স্টোর ২০২৬ সালে খোলার কথা থাকলেও এখনো আনুষ্ঠানিক সময়সূচি প্রকাশ করা হয়নি।সৌদি সরকারের গণমাধ্যম শাখা বা আরামকো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। রিয়াদে চালু হওয়া দোকানে সম্প্রতি অমুসলিম প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি–ধারীরাও গ্রাহক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।এই রেসিডেন্সি বিশেষ উদ্যোক্তা,বড় বিনিয়োগকারী এবং দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য প্রযোজ্য। উল্লেখ্য,পূর্বে কেবল কূটনৈতিক ব্যাগেজ,কালোবাজার বা নিজস্ব ব্যবস্থার মাধ্যমে অ্যালকোহল পাওয়া যেত।সৌদি আরবের উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে কুয়েত ছাড়া বেশিরভাগ দেশে সীমাবদ্ধতার মধ্যেই অ্যালকোহল বৈধ। অ্যালকোহল এখনও অধিকাংশ সৌদি নাগরিকের জন্য নিষিদ্ধ। তবে ক্রাউন প্রিন্স বিন সালমানের সংস্কারসূচির ফলে দেশে সামাজিক কর্মকাণ্ড যেমন সিনেমা,কনসার্ট,মরুভূমিতে ডান্স ফেস্টিভ্যালসহ বিভিন্ন কার্যক্রম এখন উন্মুক্তভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি এবং নারী–পুরুষের জনসমাগমের ওপর বিধিনিষেধ শিথিলও এর অংশ।এই পরিবর্তনগুলোর একটি বড় উদ্দেশ্য হলো অর্থনীতিকে বহুমুখী করা এবং আন্তর্জাতিক পর্যটক ও বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ বৃদ্ধি করা। আগামী ২০৩৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে পর্যটন এলাকা বা বিশেষ রিসর্টে অ্যালকোহল বিক্রি করার সম্ভাবনার বিষয়ে আগে আন্তর্জাতিক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল।যদিও সৌদি কর্তৃপক্ষ…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক ও নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ২৫, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক জেমস কোমি এবং নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেতিজিয়া জেমসের বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন মার্কিন এক বিচারক। তার মতে,যিনি অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি আইনি দৃষ্টিতে অবৈধভাবে ওই পদে নিয়োগ পান। বিচারক ক্যামেরন কারি রায়ে বলেন,লিন্ডসে হ্যালিগানকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচন করেন।কিন্তু কখনওই ওই দায়িত্ব গ্রহণের যোগ্য ছিলেন না হ্যালিগ্যান। জেমস কোমি এবং লেতিজিয়া জেমস দু’জনই অভিযোগগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছিলেন। রায়ের পর হোয়াইট হাউস জানায়,কোমি ও জেমসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বাস্তবতা বদলায়নি এবং এই রায়ই চূড়ান্ত কথা নয়।ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার কোমি ও জেমসকে আক্রমণ করে সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “তারা সবাই পুরোপুরি দোষী। ” পরে যোগ করেন, “এখনই ন্যায়বিচার হওয়া চাই!!!” হ্যালিগান ছিলেন হোয়াইট হাউসের সাবেক সহকারী। তিনি আগে কখনও কোনও মামলা পরিচালনা করেননি। বিচারক কারি লিখেছেন,তিনি গ্র্যান্ড জুরির সামনে অভিযোগ উপস্থাপনের অনুমোদন পাননি।রায়ে বলা হয়,“হ্যালিগানের ত্রুটিপূর্ণ নিয়োগ থেকে উদ্ভূত সব কার্যক্রম অবৈধ নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ এবং সেগুলো বাতিল ঘোষণা করা হলো। এর মধ্যে কোমির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করাও অন্তর্ভুক্ত। ” হ্যালিগানকে এরিক সিবার্টের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছিল।ট্রাম্প প্রশাসনের চাপের মুখে কোমি ও জেমসের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার নির্দেশের পর সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করেন সিবার্ট। বিচারক জানান,হ্যালিগানের নিয়োগ অন্তর্বর্তী মার্কিন অ্যাটর্নি নিয়োগবিষয়ক আইনের লঙ্ঘন। আইন অনুযায়ী,অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে ১২০ দিনের মধ্যে অন্তর্বর্তী নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ থাকে।এই সময়সীমা শুরু হয় ২১ জানুয়ারি,সিবার্টকে অন্তর্বর্তী অ্যাটর্নি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দিন থেকে। ২১ মে ১২০ দিনের সীমা শেষ হয়ে যায়।এরপর অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা আর থাকে না।ফলে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে হ্যালিগান ‘অবৈধভাবে দায়িত্ব পালন করছিলেন,’ বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। মামলা খারিজ হয়েছে ‘উইদাউট প্রিজুডিস’ অর্থাৎ আইন মন্ত্রণালয় চাইলে ভবিষ্যতে আবার মামলা করতে পারে।…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
পাকিস্তান সীমান্ত থেকে সন্ত্রাসী তৎপরতা অব্যাহত থাকলে ভারত কঠোর অবস্থান নেবে-ভারতীয় সেনা প্রধান,উপেন্দ্র দ্বিবেদী
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ১৭, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন,সন্ত্রাসী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের একইভাবে বিবেচনা করবে ভারত,আর সন্ত্রাস মোকাবিলায় অবস্থান হবে কঠোর।পাকিস্তানকে উদ্দেশ করে তিনি সতর্ক করেন,সন্ত্রাসে মদদ অব্যাহত থাকলে তা তাদের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হবে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন,পাকিস্তান সীমান্ত থেকে সন্ত্রাসী তৎপরতা অব্যাহত থাকলে ভারত কঠোর অবস্থান নেবে।তার ভাষায়, আমরা আগেই বলেছি,আলোচনা ও সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না; রক্ত ও পানি একসঙ্গে চলবে না।শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার প্রতি আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে ততক্ষণ পর্যন্ত সন্ত্রাসী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের একইভাবে বিবেচনা করা হবে।’ অপারেশন সিন্দুরকে ‘৮৮ ঘণ্টার ট্রেলার’ হিসেবে অভিহিত করে ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেছেন,যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়,তাহলে সশস্ত্র বাহিনী ‘তাদের (পাকিস্তানকে) প্রতিবেশী দেশের সাথে কীভাবে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয় তা শেখাতে’ প্রস্তুত। তিনি বলেন,ভারত উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে মনোযোগী। কেউ আমাদের পথে বাধা দিলে তার বিরুদ্ধে আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে।’ পাকিস্তানের পারমাণবিক হুমকির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আজকের ভারত কোনো ব্ল্যাকমেইলে ভয় পায় না।’তার দাবি,সন্ত্রাস মোকাবিলায় ভারতের ‘নিউ নরমাল’ এখন পাকিস্তানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেনারেল দ্বিবেদী জানান,ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেশের প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়াতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।আজকের সময় আমাদের প্রতিরোধশক্তি খুবই শক্তিশালী,কার্যকরও বটে,’ তিনি বলেন।চীনকে ঘিরে উত্তেজনার প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান বলেন, গত এক বছরে দুই দেশের নেতৃত্বের আলোচনার ফলে সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। তার দাবি,২০১৯ সালে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর সেখানে রাজনৈতিক স্পষ্টতা এসেছে এবং সন্ত্রাসবাদ অনেক কমেছে। মণিপুরের উন্নতিশীল পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি ইঙ্গিত দেন,প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মুও সেখানে সফরের বিষয়ে বিবেচনা করতে পারেন।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সৌদি আরবে ২২ হাজারের বেশি প্রবাসীকে গ্রেপ্তার
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ১৬, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সৌদি আরবে ২২ হাজারের বেশি প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রবিবার সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে ৬ নভেম্বর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী যৌথ অভিযানে ২২ হাজার ১৫৬ জন প্রবাসীকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে আবাসন আইন লঙ্ঘনকারী ১৪ হাজার ২৭ জন,সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘন করেছে ৪ হাজার ৭৮১ জন, শ্রম আইন অমান্য করেছে ৩ হাজার ৩৪৮ জন। এ ছাড়া অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশের সময় ১ হাজার ৯২৪ জন বিদেশিকে আটক করা হয়েছে।তাদের মধ্যে ইথিওপিয়ান ৬২ শতাংশ,ইয়েমেনি ৩৭ শতাংশ,অন্যান্য দেশের নাগরিক ১ শতাংশ। একই সময়ে সৌদি আরব অবৈধভাবে ত্যাগের চেষ্টা করায় আরও ৩২ জনকে আটক করে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া আবাসন ও কর্মবিধি লঙ্ঘনকারীদের আশ্রয় বা পরিবহন দেওয়ার অভিযোগে ৩১ জন সৌদি প্রবাসীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে ৩০ হাজার ২৩৬ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।যার মধ্যে ২৮ হাজার ৪০৭ পুরুষ এবং ১ হাজার ৮২৯ নারী। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ২২ হাজার ৯১ জনকে তাদের দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে ভ্রমণের নথি সংগ্রহের জন্য।এ ছাড়া ১৪ হাজার ৯১৬ জনকে ইতোমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আর আরও ৪ হাজার ৭৮৪ জনের প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: গলফ নিউজ

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ভারতের বিধানসভায় ২৪৩ আসনের ২০৬ আসনেই নীতীশ নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট জয়ী
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ১৪, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।কয়েক দিন আগেও যাঁর শারীরিক ও মানসিক হাল নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল,সেই নীতীশ কুমারই দশমবারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন।আজ শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত গণনার গতিপ্রকৃতি অপরিবর্তিত থাকলে ২৪৩ আসনবিশিষ্ট বিধানসভায় নীতীশ নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট দুই শতাধিক আসনে জয়ী হতে চলেছে। এই বিপুল জয়ের ইঙ্গিত বুথফেরত সমীক্ষাতেও ছিল না।দুটি সংস্থা এনডিএ ও বিরোধীদের মহাজোটের মধ্যে ক্ষুরধার লড়াইয়ের আভাস দিয়েছিল।বাকিদের সমীক্ষার ইঙ্গিত ছিল এনডিএর পক্ষে।তাদের হিসাবমতো,এনডিএ জোটের পাওয়ার কথা ১৩০ থেকে ১৬৭ আসন। অথচ দেখা গেল,২০ বছর ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও নীতীশের ভাবমূর্তি অমলিন।সমর্থনে ভাটা পড়া তো দূরের কথা,বরং বেড়েছে।২০১০ সালে জেডিইউ ও বিজেপি জোট পেয়েছিল ২০৬ আসন।সর্বশেষ খবরে ১৫ বছর পর এনডিএ জোট এবারও সেই ২০৬ আসনে জিততে চলেছে। সাম্প্রতিক কালে এমন অবিশ্বাস্য জয়ের নমুনা বিজেপি বারবার দেখাচ্ছে।প্রথমে মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়,তারপর মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানা এবং সর্বশেষ এবার বিহার। ভোটপণ্ডিতদের সব হিসাব মিথ্যা করে দিয়ে বিজেপি জয়ের এই অবিশ্বাস্য ধারা অব্যাহত রেখেছে। বিজেপির এই বিস্ময়কর সাফল্য ভারতের নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) প্রশ্ন ও সন্দেহের মুখে দাঁড় করালেও ঘটনা হলো, বিরোধীদের কোনো প্রতিরোধই বিজেপির বিজয়রথ থামাতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কারণে এবার বিহারের নির্বাচনও বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেনি।ভোট গ্রহণের মুখোমুখি ইসি ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু করে। বাদ যায় ৪৭ লাখ ভোটারের নাম। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল,ভোটের আগে ওই সংশোধন প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য ছিল বিজেপি–জেডিইউয়ের জোটকে জেতানো।কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ভোট চুরির অভিযোগও আনেন।বলেন,নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে ভোট চুরি করছে। রাহুল ও আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব বিহারে ভোট অধিকার যাত্রাতেও শামিল হন।ভোট গণনা পর্বে দেখা যাচ্ছে আরজেডি–কংগ্রেস–বামপন্থীদের সেই অভিযোগে আমল না দিয়ে রাজ্যের মানুষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নীতীশ কুমার ও জোট হিসেবে এনডিএর ওপরই ভরসা রেখেছে। পাঁচ বছর আগে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
পাকিস্তানের সংবিধান সংশোধনের পর ২ বিচারকের পদত্যাগ
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ১৪, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।পাকিস্তানে বহুল আলোচিত ২৭তম সাংবিধানিক সংশোধনী পাস হওয়ার পর দেশটির সুপ্রিম কোর্টে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে।গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সিনিয়র বিচারপতি মনসুর আলী শাহ এবং বিচারপতি আথার মিনল্লাহ একযোগে তাদের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারির কাছে জমা দেন।একাধিক বিশ্লেষকের মতে,এই পদত্যাগ পাকিস্তানের বিচার বিভাগের দীর্ঘ ইতিহাসে বিশেষ এক নতুন অধ্যায় তৈরি করেছে। জাতীয় পরিষদে বুধবার এবং সিনেটে বৃহস্পতিবার দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অনুমোদন পাওয়া সংশোধনী বিলটি উপস্থাপন করেন আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারার। ৯৬ সদস্যের উচ্চকক্ষে ৬৪ ভোটে অনুমোদিত এই বিলের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের উপরে একটি নতুন ফেডারেল সাংবিধানিক আদালত প্রতিষ্ঠার বিধান করা হয়—যা সমগ্র বিচার কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ১৩ পৃষ্ঠার পদত্যাগপত্রে বিচারপতি মনসুর আলী শাহ সংশোধনীটিকে সংবিধানের ওপর “গভীর আঘাত” হিসেবে চিহ্নিত করে লিখেছেন,এই পরিবর্তন সুপ্রিম কোর্টকে ভেঙে দিয়েছে এবং বিচার বিভাগকে নির্বাহী শাখার প্রভাবাধীন করে ফেলেছে।তার ভাষায়,এ ধরনের কাঠামোগত রদবদল দেশের সাংবিধানিক গণতন্ত্রকে পিছিয়ে দেবে এবং বিচারপতির হিসেবে দায়িত্ব পালনকে “সাংবিধানিক অন্যায়ের প্রতি নীরব সমর্থনে” রূপ দেবে। তিনি অভিযোগ করেন,সংশোধনীটি পাসের সময় কোনো ধরনের আলোচনা বা পরামর্শ হয়নি।বরং এটি এমনভাবে আনা হয়েছে যাতে বিচার বিভাগের ওপর নির্বাহী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়।তিনি আরও উল্লেখ করেন,প্রধান বিচারপতি ইয়াহিয়া আফ্রিদি “বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বদলে নিজের অবস্থান রক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন”, যা বর্তমান সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিচারপতি আথার মিনল্লাহ তার পদত্যাগপত্রে আরও কঠোর ভাষায় সংশোধনীটির সমালোচনা করে বলেন,এই পরিবর্তনের ফলে পাকিস্তানের সংবিধান কার্যত “অস্তিত্বহীন” হয়ে পড়েছে। তার দাবি,আদালতের কার্যক্ষমতা খর্ব হওয়া শুধু আইনি কাঠামোকেই দুর্বল করেনি, বরং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্যকেও নষ্ট করেছে। এ দুই বিচারকের আকস্মিক পদত্যাগের পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও বিচারিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে—বিশেষ করে নির্বাহী শাখার প্রভাব,সাংবিধানিক স্থিতিশীলতা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযানে আটক শত শত অনিবন্ধিত অভিবাসীকে জামিনে মুক্তি
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ১৩, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযানে আটক শত শত অনিবন্ধিত অভিবাসীকে জামিনে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন একজন ফেডারেল বিচারক। বুধবার (১২ নভেম্বর) ডিস্ট্রিক্ট জজ জেফরি কামিংস আদেশে বলেছেন,যেসব অভিবাসী নিরাপত্তার জন্য হুমকি নন,তাদের অভিবাসন মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিনে মুক্তি দেওয়া যাবে। শিকাগো ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,যাদের সম্ভাব্য কোনো কারণ ছাড়াই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল,বিচারকের এই আদেশ সেসব অভিবাসীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিচারকের আদেশ অনুযায়ী,আটক ব্যক্তিদের ১ হাজার ৫০০ ডলারের জামিনে মুক্তি দেওয়া যাবে এবং তাদের ওপর নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। শিকাগো অঞ্চলে ‘অপারেশন মিডওয়ে ব্লিটজ’ নামে অভিবাসন অভিযানের সময় হাজার হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার হয়েছে। আটকদের অনেকেই ইতোমধ্যে নির্বাসিত হয়েছে অথবা স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করতে সম্মত হয়েছে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আগামী শুক্রবার যদি জাতিসংঘ বিলুপ্ত হয়ে যায়,তবে তাদের মতে বিশ্বে কী ঘটবে?
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ১২, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।এখন থেকে ৮০ বছর আগে অক্টোবরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জাতিসংঘ।এই বিশ্বসংস্থা এখন দুনিয়াজুড়ে দেশ ও মানুষের জীবনে এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। বিগত আট দশকে বৈশ্বিক নানা সংকটে বিশ্বকে পথ দেখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে জাতিসংঘ।বৈশ্বিক স্বাস্থ্য, আন্তর্জাতিক আইন,কূটনীতি,মানবিক সহায়তা,শান্তি রক্ষায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে আসছে।সঠিক বা ভুল যা–ই হোক না কেন—বেশির ভাগ মানুষ এটিকে বিশ্বব্যবস্থা বলে মনে করে। তবে,অনেকে এর ভূমিকাকে এখনো গুরুত্বপূর্ণ মনে করলেও জাতিসংঘ গ্লোবাল সাউথের (উন্নয়নশীল দেশ) প্রয়োজনের তুলনায় পশ্চিমা বিশ্বের এজেন্ডাকে অগ্রাধিকার দেয়।এ জন্য ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে পড়েছে সংস্থাটি।এ ছাড়া জাতিসংঘের সেনা উপস্থিতি সত্ত্বেও ১৯৯০-এর দশকে রুয়ান্ডা ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনার গণহত্যা এবং সুদানের দারফুর অঞ্চলে নৃশংস সহিংসতারোধে এই বিশ্বসংস্থা ব্যর্থ হয়েছে। অনেকেই যুক্তি দেখাবেন,গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলা বন্ধের ক্ষেত্রে জাতিসংঘ পুরোপুরি কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। ইসরায়েল সংস্থাটির বৈধতাকে প্রশ্নবদ্ধি করেছে।আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার জাতিসংঘের ঐতিহ্যগত ভূমিকাকে যুক্তরাষ্ট্র ছিনতাই করেছে। তাহলে এমন পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী।রাষ্ট্রগুলো কি নিজেরাই নিজেদের সমস্যা মোকাবিলা করতে পারত না? সর্বোপরি,জাতিসংঘ বৈশ্বিক সংস্থা হিসেবে প্রথম কোনো কোনো প্রচেষ্টাও নয়।এর আগে ১৯২০ সালে লিগ অফ নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সংস্থাটি প্রায় টিকে থাকতে পারেনি।তাহলে, কেন আমরা আশা করব,জাতিসংঘ চিরকাল চলবে? কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল–জাজিরা বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছে এবং তাদের জিজ্ঞাসা করেছে,আগামী শুক্রবার যদি জাতিসংঘ বিলুপ্ত হয়ে যায়,তবে তাদের মতে বিশ্বে কী ঘটবে। অভিবাসী ও শরণার্থীদের কী হবে? অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রিফিউজি স্টাডিজ সেন্টারের গবেষো সহযোগী জেফ ক্রিসপ বলছিলেন,আপনি যদি শুক্রবার জাতিসংঘ বিলুপ্ত করেন,তবে সোমবারের মধ্যে আপনি এটি পুনর্গঠনের একটি উপায় খুঁজবেন। ক্রিসপ জাতসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমশিনের সাবেক হাইকমিশনার।তিনি বলছিলেন,আজ বিশ্ব যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে,তার মধ্যে অনেকগুলোই আন্তদেশীয়।উদাহরণ স্বরূপ শরণার্থীদের কথা ধরুন—বিশ্বব্যাপী…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
১৯৭৪ সালে যে জিনিস ১ টাকায় কেনা যেত-এখন সেটি কিনতে প্রায় ১২ গুণেরও বেশি টাকা খরচ করতে হয়
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ৮, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।একসময় যার হাতে ১ টাকা থাকত, সেই ছিল ধনী।এখন সেই টাকার মূল্য প্রায় নেই বললেই চলে। অর্থ বিভাগের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে গত চার দশকে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কতটা কমেছে, তার এক ভয়াবহ চিত্র। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী,১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরের এক টাকার ক্রয়ক্ষমতা ২০১৪ সালের ১২ টাকা ৪৫ পয়সার সমান। অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে যে জিনিস ১ টাকায় কেনা যেত,এখন সেটি কিনতে প্রায় ১২ গুণেরও বেশি টাকা খরচ করতে হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বার্ষিক গড়ে ৭.৩ শতাংশ হারে মূল্যস্ফীতি ঘটেছে। সেই সময়ের ক্রয়ক্ষমতা নিয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী রফিকুল ইসলাম জানান,১৯৮৫ সালে ঢাকার সোবহানবাগ থেকে গুলিস্তানের বাসভাড়া ছিল মাত্র ৫০ পয়সা,আর ১ পয়সায় মিলত চকোলেট।পাঁচ পয়সায় কেনা যেত পাঁচটি হজমি বা একটি সাধারণ আইসক্রিম। এখন সেই একই জিনিসের দাম এক টাকারও বেশি। তিনি আরও বলেন,১৯৮৫ সালে গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায় যেতে বিলাসবহুল লঞ্চসিটসহ মোট খরচ হতো ১২ টাকা,আর এখন একই পথে যেতে লাগে প্রায় ১৭০ টাকা। অর্থনীতিবিদরা বলছেন,শুধু টাকার মানই নয়,ছোট মুদ্রার অস্তিত্বও হারিয়ে যাচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ অনুযায়ী দুই টাকার কয়েন বা নোট পর্যন্ত সরকারি মুদ্রা। কিন্তু ১৯৭৪-৭৫ সালে বাজারে প্রচলিত মোট অর্থের মধ্যে সরকারি মুদ্রার অংশ ছিল ২.৬৯ শতাংশ, যা এখন কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ০.৮৩ শতাংশে। এই পরিস্থিতিতে অর্থ বিভাগ পাঁচ টাকাকে সরকারি মুদ্রা হিসেবে ঘোষণা করার কথা বিবেচনা করছে।এটি বাস্তবায়িত হলে সরকারি মুদ্রার অংশীদারি ০.৮৩ শতাংশ থেকে বেড়ে প্রায় দেড় শতাংশে পৌঁছাবে এবং ছোট মুদ্রার অস্তিত্ব কিছুটা হলেও টিকে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ৭, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদহার কমার প্রত্যাশার পাশাপাশি সরকারে শাটডাউনের মধ্যে দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির আশঙ্কায় স্বর্ণে আগ্রহ বেড়েছে বিনিয়োগকারীদের।ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে স্বর্ণের দাম। সিএনবিসির প্রতিবেদন মতে,শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে স্পট গোল্ডের দাম ০.৮ শতাংশ বেড়ে আউন্স প্রতি ৪,০১০ ডলারে দাঁড়ায়।বিশ্লেষকরা বলছেন,স্বর্ণের ঊর্ধ্বমুখী ধারা এখনও অব্যাহত আছে।স্বর্ণের দামের পেছনের মূল কারণ হলো—বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ ক্রয় ও সুদের হার কমার সম্ভাবনা। অন্যদিকে শুক্রবার স্পট সিলভারের দাম ১.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪৮.৫৮ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনাম ০.৪ শতাংশ বেড়ে ১,৫৪৭.৪৫ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ০.৭ শতাংশ বেড়ে ১,৩৮৪.১৮ ডলারে উঠেছে। তবে সপ্তাহের হিসাবে এই তিনটি ধাতুর দামই নিম্নমুখী ধারায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে,যুক্তরাষ্ট্রে অক্টোবর মাসে সরকারি ও খুচরা খাতে চাকরি হারিয়েছেন অনেকে।পাশাপাশি ব্যয়সংকোচন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে ছাঁটাইয়ের সংখ্যা বেড়েছে। দুর্বল চাকরির বাজার সাধারণত ফেডকে সুদের হার কমানোর দিকে উৎসাহিত করে। বাজার পর্যবেক্ষকদের হিসেবে,ডিসেম্বরেই ফেড রিজার্ভের আরও একটি সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা এখন ৬৭ শতাংশ,যা আগে ছিল প্রায় ৬০ শতাংশ।গত সপ্তাহে ফেড সুদের হার কমিয়েছে এবং চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল ইঙ্গিত দিয়েছেন—এটাই সম্ভবত এ বছরের শেষ হার হ্রাস। এএনজেড ব্যাংকের পণ্য বিশ্লেষক সোনি কুমারি বলেন,এখন বাজারের নজর মূলত ম্যাক্রোইকোনমিক সূচক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরকার কখন শাটডাউন কাটিয়ে উঠবে সেদিকে। এই অনিশ্চয়তা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা আরও বাড়াচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী কংগ্রেসীয় অচলাবস্থার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ সরকার অচলাবস্থা চলছে,যা বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি তথ্যনির্ভর ফেডকেও বেসরকারি খাতের সূচকের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য করছে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ইলন মাস্কের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় করপোরেট বেতন-ভাতা
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ৭, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় করপোরেট বেতন-ভাতা প্যাকেজের অনুমোদন পেয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) টেক্সাসের অস্টিনে টেসলার কারখানায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় ৭৫ শতাংশের বেশি শেয়ারহোল্ডার তার জন্য প্রস্তাবিত বেতন-ভাতা প্যাকেজে ভোট দিয়ে সমর্থন জানান।আর এটিই করপোরেট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত অন্যতম বৃহত্তম বেতন চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই অনুমোদনের ফলে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মাস্ক আগামী এক দশকে সর্বোচ্চ ১ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের টেসলার শেয়ার পেতে পারেন।তবে কর ও অন্যান্য কর্তনের পর এই শেয়ারের প্রকৃত মূল্য দাঁড়াবে প্রায় ৮৭৮ বিলিয়ন ডলার।পরিচালনা পর্ষদ আগেই সতর্ক করেছিল যে,এই প্যাকেজ না পেলে মাস্ক কোম্পানি ছেড়ে দিতে পারেন,যদিও কিছু বিনিয়োগকারী এটিকে অতি ব্যয়বহুল বলে সমালোচনা করেছিলেন। এই ভোট টেসলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।এই প্রস্তাব পাসের পর মাস্ক বলেন,আমরা টেসলার ভবিষ্যতের নতুন অধ্যায়ে নয়,বরং এক নতুন অধ্যায়ের সূচনায় প্রবেশ করছি।  তবে মাস্কের এই বিশাল বেতন প্যাকেজ নিয়ে আপত্তি তুলেছে নরওয়ের সার্বভৌম সম্পদ তহবিল ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া পাবলিক এমপ্লয়িজ রিটায়ারমেন্ট সিস্টেম। তাদের মতে,এটি শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থের পরিপন্থি।  অন্যদিকে,টেসলা বোর্ডের দাবি,ইলন মাস্কের নেতৃত্ব ছাড়া কোম্পানির অগ্রগতি অসম্ভব। ইলন মাস্ক তার স্বয়ংচালিত গাড়ি তৈরি,যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রোবোট্যাক্সি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং মানবাকৃতির রোবট বিক্রি করার লক্ষ্য পূরণের উপর জোর দেন।  তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে,এপ্রিল মাস থেকেই দুই সিটের, স্টিয়ারিংহীন রোবোট্যাক্সি ‘সাইবারক্যাব’-এর উৎপাদন শুরু হবে। একই সঙ্গে তিনি জানান, শিগগির নতুন প্রজন্মের ইলেকট্রিক স্পোর্টস কার ‘রোডস্টার’ উন্মোচন করা হবে। টেসলাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চিপ তৈরির জন্য একটি বিশাল কারখানা গড়তে হবে বলেও মাস্ক জানান এবং এ ক্ষেত্রে ইন্টেলের সঙ্গে অংশীদারত্বের কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে। আগামী দশকে মাস্কের লক্ষ্য হলো ২ কোটি গাড়ি উৎপাদন, ১০ লাখ রোবোট্যাক্সি চালু,১০ লাখ রোবট বিক্রি…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ইরানে সশস্ত্র বাহিনীর উপ-প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ ওয়াহিদি
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ৩১, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ ওয়াহিদিকে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর উপ-প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।কৌশলগত প্রতিরক্ষা উন্নয়নের মধ্যে সমন্বয়কে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) প্রবীণ কমান্ডার হিসেবে জেনারেল ওয়াহিদি গত চার দশকে সামরিক ও সরকারি উভয় ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত কুদস ফোর্সের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার পর,পরে প্রতিরক্ষা ও সরবরাহ মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একসময় ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদেও নিযুক্ত ছিলেন। এছাড়াও,ওয়াহিদি এক্সপেডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিলের রাজনৈতিক,প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা কমিশনগুলোতে সভাপতিত্ব করেছেন এবং স্ট্র্যাটেজিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের প্রতিরক্ষা-নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান হিসেবে অবদান রেখেছেন।ওয়াহিদি ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং কৌশলগত গবেষণায় উন্নত ডিগ্রি অর্জন করেছেন। সূত্র: প্রেস টিভি

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ২৭, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ডেমোক্রেটিক দলের গ্যাভিন নিউজম এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন,তিনি ২০২৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা ভাবছেন।২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে নিজের সম্ভাবনা পরখ করতে চলতি বছর নিউজম কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন।এর মধ্য দিয়ে দলীয় পরিমণ্ডলে তাঁর জনপ্রিয়তাও বেড়েছে।বিশেষ করে রিপাবলিকানদলীয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর মতানৈক্য তাঁকে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। সিবিএস নিউজের ‘সানডে মর্নিং’ প্রোগ্রামে গ্যাভিন নিউজম বলেন,২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারা অংশ নেবেন, কারা সামনে আসবেন—তা দেখার অপেক্ষায় আছেন তিনি। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা ভাবছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নিউজম বলেন,‘হ্যাঁ।অন্য কিছু বললে আসলে মিথ্যা বলাই হবে।’ মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী,ট্রাম্প তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।তবে তিনি চলতি বছরের শুরুর দিকে বলেছেন,এমন কিছু পদ্ধতি আছে,যার মাধ্যমে প্রার্থিতা সম্ভব।’

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
শুক্রবার সোনার দামে হঠাৎ বড় পতন ঘটেছে
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ১৮, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।রেকর্ড উচ্চতায় ওঠার পর শুক্রবার সোনার দামে হঠাৎ বড় পতন ঘটেছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীনকে নিয়ে নতুন মন্তব্য ও ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে দাম কমে গেছে ২ শতাংশেরও বেশি।ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। শুক্রবার দুপুরে (ইস্টার্ন টাইম ১টা ৩৮ মিনিটে) স্পট গোল্ডের দাম প্রতি আউন্সে ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ২১১ দশমিক ৪৮ ডলারে।এর আগে সেশন চলাকালে দাম উঠেছিল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৭৮ দশমিক ৬৯ ডলারে।বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো স্বর্ণ ৪ হাজার ৩০০ ডলার সীমা অতিক্রম করেছিল। তবুও সপ্তাহজুড়ে এর মোট বৃদ্ধি প্রায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। ডিসেম্বর ডেলিভারির জন্য মার্কিন সোনার ফিউচারও ২ দশমিক ১ শতাংশ কমে বন্ধ হয় ৪ হাজার ২১৩ দশমিক ৩০ ডলারে।অন্যদিকে,ডলার সূচক (ডিএক্সওয়াই) বেড়েছে ০ দশমিক ১ শতাংশ।ফলে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য ডলার নির্ধারিত স্বর্ণের দাম আরও বেড়ে যায়। বিশ্লেষক তাই ওয়ং বলেন,ট্রাম্পের আগের ঘোষণার পর তুলনামূলক নরম সুর বাজারে উত্তেজনা কিছুটা কমিয়েছে। শুক্রবার ট্রাম্প নিশ্চিত করেন যে,তিনি শিগগিরই চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন।যা যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সংঘাত নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ কিছুটা প্রশমিত করেছে। স্বর্ণকে সাধারণত অনিশ্চয়তার সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হয়।চলতি বছর এ ধাতুর দাম বেড়েছে ৬৪ শতাংশেরও বেশি।ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা,কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রয়,ডলার থেকে বিনিয়োগ সরে যাওয়া এবং ইটিএফ ফান্ডে প্রবাহ বৃদ্ধির কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার কমার সম্ভাবনাও এতে সহায়তা করেছে। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের পণ্যবাজার বিশ্লেষক সুকি কুপার বলেন,আমরা ২০২৬ সালে স্বর্ণের গড় দাম ৪ হাজার ৪৮৮ ডলার ধরে রাখছি।তবে বাজারের কাঠামোগত সহায়তা থাকায় দাম আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। বাজারে ধারণা রয়েছে,ফেডারেল রিজার্ভ অক্টোবর ও ডিসেম্বরে দুটি ২৫ বেসিস পয়েন্ট হার কমাবে। এইচএসবিসি ২০২৫ সালের গড় স্বর্ণের মূল্য পূর্বাভাস ১০০ ডলার বাড়িয়ে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
মাদাগাস্কারের প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুত সেনাপ্রধান নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ১৫, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।মাদাগাস্কারের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রি রাজোয়েলিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর সৈন্যদের বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়া কর্মকর্তা কর্নেল মাইকেল র‍্যান্ড্রিয়ানিরিনা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশটির নতুন নেতা হিসেবে শপথ নেবেন। ইতোমধ্যে সাংবাধানিক আদালত তাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিযুক্ত করেছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) ব্যারাক থেকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ ঘোষণা দেন।এর আগে মঙ্গলবার র‍্যান্ড্রিয়ানিরিনা ঘোষণা দেন,সশস্ত্র বাহিনী মাদাগাস্কারে ক্ষমতা দখল করছে। জেন-জি নেতৃত্বাধীন রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভের মুখে প্রেসিডেন্ট পালিয়ে যাওয়ার পর দেশটি এখন অনেকটাই শান্ত।কিন্তু বর্তমানে নতুন রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। কর্নেল মাইকেল র‍্যান্ড্রিয়ানিরিনা দেশটির সেনাবাহিনীর বিশেষ ইউনিট ক্যাপস্যাটের প্রধান।তিনি জানান,বিদ্রোহের পর দেশ ছেড়ে পালানো রাজোয়েলিনার অনুপস্থিতিতে উচ্চ সাংবিধানিক আদালত তাকে রাষ্ট্রপ্রধানের ভূমিকা গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানালে তিনি এই ভূমিকা গ্রহণ করেন।পদের আনুষ্ঠানিকতার জন্য অবশ্যই শপথগ্রহণ করতে হবে। গত শনিবার (১১ অক্টোবর) বিক্ষোভগুলো এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় নেয়,যখন র‍্যান্ড্রিয়ানিরিনা এবং তার অভিজাত ক্যাপস্যাট ইউনিটের সৈন্যরা রাজোয়েলিনার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে।সেনারা পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে যোগ দেয়। এক পর্যায়ে রাজোয়েলিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। র‍্যান্ড্রিয়ানিরিনা বলেন, ‘গতকাল আমাদের দায়িত্ব নিতে হয়েছিল, কারণ দেশে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।প্রেসিডেন্ট নেই…সরকার নেই।’ তিনি বলেন,নতুন সামরিক নেতৃত্ব দ্রুত একজন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবে,যিনি সরকার গঠন করবেন।কিন্তু এটি কখন হবে,তার সঠিক সময়সীমা এখনো অনির্দিষ্ট। ১৯৬০ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে মাদাগাস্কানরা তাদের দেশকে বেশ কয়েকটি অভ্যুত্থান এবং অভ্যুত্থানচেষ্টার মুখোমুখি হতে দেখেছে।দ্বীপরাষ্ট্রটি তখন থেকেই উচ্চমাত্রার দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে আসছে। প্রসঙ্গত,রাজোয়েলিনা ২০০৯ সালে সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন নেতা হিসেবে ক্ষমতায় এসেছিলেন।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
মাদাগাস্কারের সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করেছে
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ১৪, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।গণবিক্ষোভের মুখে মাদাগাস্কারের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রি রাজোয়েলিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর ক্ষমতা দখল করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।দেশটির সেনাবাহিনীর একজন ‘কর্নেল’ ক্ষমতা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। খবর এএফপির। তার আগে,প্রেসিডেন্ট আন্দ্রি রাজোয়েলিনাকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেন দেশটির বর্তমান সংসদ সদস্যরা। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) মাদাগাস্কারের জাতীয় পরিষদে অনুষ্ঠিত ভোটে ১৩০টি ভোট আন্দ্রে রাজোয়েলিনাকে অভিশংসনের পক্ষে পড়ে। অভিশংসন ভোট অনুষ্ঠানের নিন্দা করেন রাজোয়েলিনা। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে,জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেওয়া সত্ত্বেও সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলে ভোটটি ‘অসাংবিধানিক’ বলে দাবি করেন তিনি। এরপরেই সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের খবর জানা যায়। সূত্র: বিবিসি বাংলা

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
১২৫ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত বিশাল এক সোনার খনি
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ১২, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা অঞ্চলে আবিষ্কৃত হয়েছে বিশাল এক সোনার খনি।প্রায় ১২৫ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত এই খনিজভাণ্ডারকে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ আবিষ্কার হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে।মানসুরা–মাসারাহ সোনার খনির দক্ষিণে পাওয়া এই নতুন সোনার খনি ইতোমধ্যেই সৌদি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। রাষ্ট্রীয় খনিজ কোম্পানি ‘মাআদেন’ জানিয়েছে,সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে প্রায় ১০০ কিলোমিটারজুড়ে উচ্চমাত্রার সোনার উপস্থিতি শনাক্ত করা গেছে।পরীক্ষাগারে নেওয়া নমুনায় দেখা গেছে,প্রতি টন মাটিতে সর্বোচ্চ ২০ দশমিক ৬ গ্রাম পর্যন্ত সোনা পাওয়া গেছে—যা আন্তর্জাতিক মানে ‘অত্যন্ত সমৃদ্ধ’ ধরা হয়। মাআদেনের প্রধান নির্বাহী রবার্ট উইলে বলেন,এই নতুন আবিষ্কার মক্কাকে বৈশ্বিক সোনার মানচিত্রে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।এটি শুধু অর্থনৈতিক নয়,প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রেও এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।’ বর্তমানে মানসুরা–মাসারাহ খনিতে প্রায় ৭০ লাখ আউন্স সোনা মজুত আছে এবং প্রতিবছর এখান থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার আউন্স সোনা উত্তোলন করা হয়।নতুন আবিষ্কারের ফলে উৎপাদন বহুগুণে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে,পুরো অঞ্চলজুড়ে ১২৫ কিলোমিটারব্যাপী এক ‘গ্লোবাল গোল্ড বেল্ট’ বা আন্তর্জাতিক মানের স্বর্ণপট্টি গড়ে উঠতে পারে। এই সোনার খনি আবিষ্কার সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।দেশটি দীর্ঘদিন ধরে তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খনিজ,প্রযুক্তি ও শিল্পখাতকে অর্থনীতির নতুন চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে। সৌদি শিল্প ও খনিজসম্পদমন্ত্রী বান্দার আলখোরাইফ এক বিবৃতিতে বলেছেন,আমাদের খনিজ খাত এখন বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল সেক্টরগুলোর একটি।এই নতুন সোনার খনি আবিষ্কার সৌদি অর্থনীতির বৈচিত্র্যকরণের যাত্রায় ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে থাকবে।’ মাআদেন আরও জানিয়েছে,মক্কার কাছাকাছি ওয়াদি আল-জাও ও জাবাল শাইবান অঞ্চলেও নতুন সোনা ও তামার ভাণ্ডার আবিষ্কৃত হয়েছে,যা ভবিষ্যতে বড় আকারের খনন কার্যক্রমের সুযোগ তৈরি করবে। অর্থনীতিবিদদের মতে,এই নতুন খনি হাজার হাজার কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে।এতে সৌদি আরব আন্তর্জাতিক সোনার বাজারে আরও…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
টিটিপির অন্যতম প্রধান নেতা মুফতি নুর ওয়ালি মেহসুদ
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ১০, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের শেরে নাও এলাকার রাস্তাঘাট একেবারে ফাঁকা।তবে এর সঙ্গে পাকিস্তানের হামলার কোনো সম্পর্ক নেই। আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের কেন্দ্রীয় এলাকা আবদুল হক স্কয়ার নামের এক জায়গায় পাকিস্তান গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিমান হামলা চালিয়েছে।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে এমনটাই বলা হয়েছে। আফগানিস্তানের ইসলামি আমিরাত সরকারের প্রধান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বিমান হামলার বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন,‘কাবুলে একটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে।বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।কেউ হতাহত হয়েছেন বলে জানা যায়নি।’ আবদুল হক স্কয়ার থেকে শেরে নাও এলাকা এই প্রতিবেদকের হোটেলের দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার।দুটি জায়গাই কাবুলের মোটামুটি কেন্দ্রস্থলে বলা চলে।তবে গত রাতে কোনো বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনেননি এই প্রতিবেদক। হোটেলের কর্মীরাও কোনো বিস্ফোরণের শব্দ শোনেননি বলে জানান তবে অঞ্চলের খোঁজখবর রাখেন এবং বিদেশি পর্যটকদের সঙ্গে কাজ করেন,এমন একজন ট্যুর গাইড হোটেলের অভ্যত্থনা রিসেপশনে দাঁড়িয়ে চাপা গলায় বলেন,পাকিস্তান এ হামলা চালিয়েছে।আবদুল হক স্কয়ারে তেহরিক-ই-তালেবানের (টিটিপি) এক নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে। টিটিপির যে নেতাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিমত,তিনি হলেন টিটিপির অন্যতম প্রধান নেতা মুফতি নুর ওয়ালি মেহসুদ।তাঁর কিছু হয়েছে কি না,তা নিয়ে কাবুলে সাংবাদিকদের মধ্যে আলোচনা হলেও বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়নি।আজ শুক্রবার দুপুরের দিকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সংবাদ সম্মেলন করবে বলে জানিয়েছে। কাবুলে এই প্রতিবেদকের গাইড,অনুবাদক ও সাংবাদিক হাসমত স্থানিকজাই বলেন,তিনিও বিস্ফোরণের কোনো শব্দ শোনেননি। তাঁর বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে। হাসমত বলেন,মেহসুদের আঘাত লেগেছে কি লাগেনি,সেটা খুব বড় কথা নয়।শহরের মানুষ কিঞ্চিৎ উত্তেজিত যে বিষয়টি নিয়ে তা হলো,এ হামলা যেখানে হয়েছে,সেটা কাবুলের একেবারে কেন্দ্রে,আর্গ অঞ্চল থেকে ১০০ বা ২০০ মিটার দূরে। এখানে প্রেসিডেন্ট ভবন রয়েছে। এর পাশেই রয়েছে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে বিষয়টি উদ্বেগের।…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
মধ্য এশিয়ার পাঁচটি দেশের নেতাকে রাশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন-পুতিন
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ১০, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।মধ্য এশিয়ার পাঁচটি দেশের নেতাকে রাশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।তিনি এমন এক সময় এই আহ্বান জানালেন যখন চীনও এই অঞ্চলে তার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব দ্রুত বৃদ্ধি করছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবেতে অনুষ্ঠিত এক শীর্ষ সম্মেলনে পুতিন বলেন,গত বছর কাজাখস্তান,উজবেকিস্তান,কিরগিজস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং তাজিকিস্তানের সঙ্গে রাশিয়ার মোট বাণিজ্য ছিল প্রায় ৪৫ বিলিয়ন ডলার। তিনি এটিকে ‘ভালো ফলাফল’ বললেও উল্লেখ করেন যে, এই পরিমাণ বেলারুশের সঙ্গে রাশিয়ার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের তুলনায় অনেক কম,যদিও বেলারুশের জনসংখ্যা মধ্য এশিয়ার এই পাঁচটি দেশের মোট জনসংখ্যার একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। পুতিন আরও বলেন,বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য এখনও যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ হিসেবে এই পাঁচটি দেশ মস্কোর অধীনে শাসিত ছিল,এবং রাশিয়া এখনও অঞ্চলটিকে তার প্রভাববলয়ের অংশ হিসেবে দেখে।তবে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মস্কোর মনোযোগ হ্রাস এবং চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক প্রভাবের ফলে মধ্য এশিয়ায় রাশিয়ার অবস্থান কিছুটা দুর্বল হয়েছে। যদিও লাখ লাখ মধ্য এশিয়ার অভিবাসী রাশিয়ায় কাজ করেন,যা দেশটির শ্রম ঘাটতি পূরণ করে এবং তাদের নিজ দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখে,তবুও গত বছর মস্কোর কাছে একটি হামলায় ১৪০ জনের বেশি নিহত হওয়ার পর (যেখানে সন্দেহভাজনদের বেশিরভাগই তাজিক নাগরিক),রাশিয়া অভিবাসী শ্রমিকদের ওপর কঠোরতা বাড়িয়েছে। সম্মেলনের যৌথ ঘোষণায় মধ্য এশীয় দেশগুলো রাশিয়ার সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেছে।নেতারা নতুন পরিবহন ও লজিস্টিক করিডর গঠনের পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ, অবৈধ অভিবাসন ও মাদকবিরোধী সহযোগিতা, এবং বাণিজ্যিক লেনদেন ব্যবস্থার উন্নয়নে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে রাশিয়া মধ্য এশিয়ার প্রভাব বজায় রাখতে চাইলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ওই অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পুতিনের…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আফগানিস্তানের বাগরাম মার্কিন বিমানঘাঁটিঃ-আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন,পাকিস্তান,রাশিয়া ও ভারত
  • newadminnewadmin
  • অক্টোবর ৮, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।আফগানিস্তানের বাগরাম বিমানঘাঁটি নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।সেই প্রচেষ্টার বিরোধিতায় আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াল ভারত। শুধু ভারতই নয়,এ বিষয়ে ট্রাম্পের বিরোধিতা করে আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন,পাকিস্তান ও রাশিয়া। তাদের সঙ্গে ভারতও একই পঙ্‌ক্তিতে বসল। আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক কোনো বিষয়ে চীন,পাকিস্তান ও রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সহমত হওয়ার এমন দৃষ্টান্ত বিরল। ভারত এই ভূমিকা নিল এমন সময়ে,যখন তালেবানশাসিত আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি সরকারি সফরে নয়াদিল্লিতে আসছেন।আফগানিস্তানের রাজনৈতিক দখল নেওয়ার পর এই প্রথম সে দেশের কোনো মন্ত্রী ভারত সফরে আসছেন।অথচ লক্ষণীয়,আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে ভারত এখনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। মুত্তাকি ভারতে আসছেন আগামীকাল বৃহস্পতিবার। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ তাঁকে ভারত সফরে অনুমতি দিয়েছে।আফগান মন্ত্রীদের বিদেশ সফরের ওপর জাতিসংঘের যে নিষেধাজ্ঞা ছিল,আপাতত তাতে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে। ৯ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত মুত্তাকি ভারতে থাকবেন। চীন,পাকিস্তান ও রাশিয়ার সঙ্গে ভারত একযোগে ট্রাম্পের বিরোধিতা করে আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে গত মঙ্গলবার ‘মস্কো ফরম্যাট কনসালটেশন’–এর সপ্তম বৈঠকে। মস্কোয় এই বৈঠক হয়। রাতে ওই বৈঠকে গৃহীত এক যৌথ বিবৃতিতে বাগরাম বিমানঘাঁটির নাম না করে বলা হয়েছে,আফগানিস্তান ও তার প্রতিবেশী দেশগুলোয় যারা সামরিক অবকাঠামো খাড়া করতে চায়,তাদের সেই উদ্যোগ সমর্থনযোগ্য নয়।কারণ,ওই উদ্যোগ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিপন্থী।’ কিছুদিন আগে বাগরাম বিমানঘাঁটি তাঁদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।পাঁচ বছর আগে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে দুই দেশের চুক্তিও হয়েছিল।এরপর হঠাৎ বাগরামের দাবি জানানো গোটা বিশ্বকেই বিস্মিত করেছে।আফগানিস্তানের তালেবান সরকার যদিও তৎক্ষণাৎ সেই দাবি নাকচ করে দিয়েছে। ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দেওয়ার পর আফগানিস্তান মস্কো বৈঠকে যোগ দেয়।সদস্যদেশ হিসেবে এই প্রথম তাদের যোগদান।সে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুত্তাকি। আফগানিস্তান,পাকিস্তান,ভারত,চীন ও রাশিয়া ছাড়াও ওই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ইরান,কাজাখস্তান,কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

তেহরানে হামলায় একজন চীনা নাগরিক নিহত, বেইজিংয়ের যুদ্ধবিরতি আহ্বান
ফিলিস্তিনে মসজিদুল আকসা বন্ধ, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের অজুহাত
জয়পুরহাটে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নারী আক্রমণ: পুরুষের বিশেষ অঙ্গ কেটে দিলেন ভুক্তভোগী
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক
বিএনপির মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি
ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল
সংবিধানের বাইরে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে ঢাকায় ১০২টি ফ্লাইট বাতিল
নতুন সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ থেকে বিরত থাকার চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে
কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসে ইরানি মিসাইল হামলা, জরুরি সতর্কতা
সৈয়দপুরে ব্যাংকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
ঢাকায় নারী যাত্রীদের জন্য বিশেষ বাস চালু করতে যাচ্ছে সরকার
মেহেন্দিগঞ্জে গরুচুরি চাঞ্চল্য: ৭টি গরু উদ্ধার, একজন আটক
কুয়েতের আকাশে মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলটদের নিরাপদ উদ্ধার
সৌদির বৃহত্তম তেল শোধনাগারে ইরানের ড্রোন হামলা, সাময়িকভাবে বন্ধ কার্যক্রম
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের হামলার নিন্দা: যুক্তরাষ্ট্রসহ ৭ দেশের যৌথ বিবৃতি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি
চার আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপি প্রার্থীদের আবেদন
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন কাঠামো নির্ধারণ, নতুন নীতিমালা গেজেট প্রকাশ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকা হত্যা: দ্বিতীয় স্বামী আটক, তদন্তে নতুন মোড়
ইরানের পাল্টা হামলায় ইউএইতে হতাহত, নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি
গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে কাজ করছে বাংলাফ্যাক্ট, সচেতনতার আহ্বান
শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত সংস্কার ও দ্রুত কারিকুলাম প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
রমজানের পর সিটি করপোরেশন নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার
জেলা ও উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি সংশোধন করে পুনর্গঠন
৫ জেলার ডিসি ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যাহার
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তি: এম সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্য ও অস্ত্র লুটের তথ্য যাচাই
মেহেন্দিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, অভিযানে ৬ জন আটক
ক্ষমার মাধ্যমে ইতিহাস গড়া নেতা: নেলসন ম্যান্ডেলার মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত
বিএনপি সরকারের দৃষ্টি অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ নিয়ে
ছোট ভাইয়ের সিট এভাবে কেড়ে না নিলেও পারতেন, আব্বাস ভাই বললেন, দুষ্টুমি করবা না: পাটওয়ারী
গোবিন্দগঞ্জে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার
নিউমার্কেটে আধুনিক ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার ঘোষণা
নওগাঁর ধামরহাটে অনন্য ও চাঞ্চল্যকর পারিবারিক ঘটনা
দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক খানের জেলমৃত্যু – স্বাস্থ্য উপেক্ষা ও রাজনৈতিক নিপীড়ণের অভিযোগ
ড. ইউনূস ছাড়লেন সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’
মেহেন্দিগঞ্জে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা: দুই মাসের মধ্যে তদন্ত শেষের নির্দেশ
মেহেন্দিগঞ্জবাসীর উন্নয়ন দাবিতে প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের কাছে স্মারকলিপি
ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের আশ্বাস, ২০২৭ সালে ভর্তি শুরুর আশা
আদালত বর্জনের কারণ ও স্থগিত ঘোষণা: বরিশাল আইনজীবীদের কর্মসূচি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
পাবনায় দাদি হত্যার পর নাতনিকে ধর্ষণ ও হত্যা: এলাকায় চরম ক্ষোভ
তিন মাসেও সন্ধান মেলেনি লালমাইয়ের মাদ্রাসাছাত্রীর
ডান্ডাবেড়ি ব্যবহারে বিতর্ক: আইন, আদালতের নির্দেশনা ও বাস্তবতার দ্বন্দ্ব
সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা, প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন
বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙতেই হবে
শিশু নির্যাতন: ন্যায়বিচারের অভাবের চরম লজ্জা
দেশের সব বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও হাইস্পিড ট্রেনে ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা হবে
নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় কিশোরী আমেনা বেগমকে হত্যা, বিএনপি নেতাসহ ৫ গ্রেফতার
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত
কুষ্টিয়ায় ফুফাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আইনগত ব্যবস্থা দাবি
মেহেন্দিগঞ্জে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
⚖️ আদালতের মর্যাদা বনাম ক্ষমতার প্রদর্শনী: বরিশাল ঘটনা সতর্কবার্তা
বরিশাল আদালতে হট্টগোল: বিচারকের ওপর হুমকি, ১২ আইনজীবীর সনদ বাতিলের সুপারিশ