নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের মন্ত্রীসভা ও শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ প্রকাশের পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা ও প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়,তালিকাভুক্ত প্রায় সবাই কোটিপতি; কারও সম্পদ শতকোটি টাকার ঘরও ছাড়িয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী নেতাদের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ নিচে তুলে ধরা হলো—
জাকারিয়া তাহের — ১৮১ কোটি ৭২ লাখ টাকা
আব্দুল আউয়াল মিন্টু — ১১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা
খলিলুর রহমান — ৫৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা
মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ — ২৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা
আফরোজা খানম রিতা — ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা
সালাহউদ্দিন আহমদ — ১৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা
আসাদুল হাবিব দুলু — ১৮ কোটি ৯ লাখ টাকা
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির — ১৮ কোটি টাকা
মো. আসাদুজ্জামান — ১১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা
আরিফুল হক চৌধুরী — ১১ কোটি ১৬ লাখ টাকা
আমির খসরু — ১০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা
আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন — ৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকা
ইকবাল হাসান মাহমুদ — ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি — ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা
এহসানুল হক মিলন — ৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা
জহির উদ্দিন স্বপন — ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা
মো. সাখাওয়াত হোসেন — ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা
ফকির মাহবুব আনাম — ২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা
দীপেন দেওয়ান — ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা
শেখ রবিউল আলম — ২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা
হাফিজ উদ্দিন আহমদ — ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা
কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ — ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর — ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা
কেন আলোচনায়?
বিশ্লেষকদের মতে,রাজনীতিতে ধনী ব্যক্তিদের উপস্থিতি নতুন নয়,তবে মন্ত্রীসভা বা উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বে বিপুল সম্পদের আধিক্য জনমনে প্রতিনিধিত্ব ও বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। সমালোচকদের দাবি,নির্বাচনী ব্যয়ের উচ্চতা সাধারণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির অংশগ্রহণ কমিয়ে দিয়েছে।
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট নেতাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,তাদের অনেকেই দীর্ঘদিন ব্যবসা বা পেশাগত জীবনের মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করেছেন এবং আইন অনুযায়ী হলফনামায় সম্পদের তথ্য প্রকাশ করেছেন।
বিশেষজ্ঞ মত
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সম্পদ থাকা সমস্যা নয়; তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সম্পদের বৈধ উৎস, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
![]()







































সর্বশেষ সংবাদ :———