নিজস্ব প্রতিবেদক।।জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ১২-দলীয় জোটের আসন বণ্টন ও সমঝোতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তীব্র। জোটভুক্ত কয়েকটি দলের বর্তমানে কোনো আসন না থাকলেও তারা ঐক্যবদ্ধ থাকার ঘোষণা দিয়েছে। তবে সমঝোতার প্রশ্নে কিছু দলের অবস্থান নিয়ে সতর্কবার্তা রয়েছে।

ডাকসু নির্বাচন: চরমোনাই উদাহরণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনকে শিবিরের প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। শিবির প্রস্তাব দিয়েছিল—একটি বিভাগীয় সম্পাদক পদ ও দুইটি সদস্য পদ।
কিন্তু ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ভিপি, জিএস ও এজিএস পদ দাবি করে। প্রস্তাবিত পদ না দেওয়ায় তারা শিবিরের প্যানেলে যোগ না দিয়ে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়। ফলাফলে ভিপি পদে তারা ৬২ ভোট এবং জিএস পদে ১৬৩ ভোট পায়। শিবির তাদের ছাড়া ভূমিধ্বস বিজয় অর্জন করে।
বিশ্লেষকরা মনে করাচ্ছেন, জাতীয় নির্বাচনে ছোট দলগুলো অহংকারের কারণে জোট ছাড়া অংশ নিলে একই ধরনের শূন্য ফলের মুখোমুখি হতে পারে।
বিশ্লেষণ
১. জামায়াত ছাড়াই ছোট দলগুলো কোনো আসন জিততে পারবে না, কিন্তু জামায়াত জোটের মাধ্যমে অন্যদের ছাড়াও জিততে সক্ষম।
২. ডাকসুর অভিজ্ঞতা ইঙ্গিত দেয়—ছোট দলগুলো যদি অহংকারে আসন দাবি করে, তারা ভোট ভাগাভাগির কারণে ফলহীন হতে পারে।
৩. আসন বণ্টনে বাস্তব ভিত্তি ও সমঝোতা অপরিহার্য, অন্যথায় জোট ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
৪. ডাকসুর মতো অভিজ্ঞতা জাতীয় নির্বাচনে সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন প্রশ্ন হচ্ছে—১২-দলীয় জোট কি সময়মতো আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে পারবে,নাকি ছোট দলের অহংকার জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করবে।
![]()
















































সর্বশেষ সংবাদ :———