রাজনীতি

শিবিরের ভেরিফায়েড স্ট্যাটাস ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, ভোটারদের মধ্যে অনিশ্চয়তা

  প্রতিনিধি ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ , ৪:৫০:৩২ প্রিন্ট সংস্করণ

শিবিরের ভেরিফায়েড স্ট্যাটাস ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, ভোটারদের মধ্যে অনিশ্চয়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার পর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি ও ইসলামী চরমপন্থী–উগ্রপন্থীদের রাজনীতি কার্যত পদদলিত হয়েছে—এমন দাবিকে ‘হাস্যকর ও বাস্তববিচ্ছিন্ন’ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।তাদের মতে,তারেক রহমানের জামানত হারানো বা রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হওয়ার আলোচনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এ প্রসঙ্গে তারা বলেন,জামায়াত–শিবির যদি সত্যিই এতোটা প্রভাবশালী হতো,তাহলে নির্বাচনের আগেই তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল পেতেন না।একই সঙ্গে দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয় থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাওয়াও বাস্তবতা নিজেই এসব অভিযোগকে নাকচ করে।

এর মধ্যেই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি স্ট্যাটাস রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।স্ট্যাটাসে বলা হয়, “খেলা হবে ঢাকা-১৭ আসনে,বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানই হারবেন জামায়াতের প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামানের কাছে! ইনশাআল্লাহ।”
স্ট্যাটাসটি প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্য জমা পড়ে।

ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে তীব্র সমালোচনা, ব্যঙ্গ ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ মনে করছেন—বিগত দিনের মতোই শেষ পর্যন্ত জনমত উপেক্ষিত হতে পারে।অনেকেই এটিকে ভোটের মাঠে ‘ভীতিসঞ্চারের কৌশল’ হিসেবে দেখছেন।

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্প্রতি এক বক্তব্যে বলেন,নবগঠিত তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক দলই আগামী দিনে রাষ্ট্র পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে এবং ভবিষ্যতে এমপি ও মন্ত্রী হবে।তার এ বক্তব্যও বর্তমান রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

সব মিলিয়ে,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বক্তব্য ও বাস্তব রাজনৈতিক সমীকরণের মধ্যে ফারাক নিয়েই এখন সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আলোচনা ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

আরও খবর

Sponsered content