প্রতিনিধি ১২ জানুয়ারি ২০২৬ , ৯:৩৬:১৩ প্রিন্ট সংস্করণ
মেহেন্দিগঞ্জ(বরিশাল)প্রতিনিধি।।গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত একটি রাজনৈতিক ঘটনার শিকার হন বিএনপির নেতা কবির হোসেন দেওয়ান।২০২৩ সালের ৩১ মে সৌদি আরবের আল কাসিম প্রদেশে অবস্থানকালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সৌদি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।পরে ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

বাংলাদেশে ফেরত আনার পর কবির হোসেন দেওয়ানের বিরুদ্ধে একাধিক হামলা ও রাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয়।এসব মামলায় তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।তার সহকর্মী ও পরিবার-সংশ্লিষ্টদের দাবি,রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
গ্রেপ্তারের আগে কবির হোসেন দেওয়ান সৌদি আরবের আল কাসিম প্রদেশ যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। একই সঙ্গে তিনি পূর্বাঞ্চল বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও সক্রিয় ছিলেন।প্রবাসে অবস্থান করেও দলীয় আন্দোলন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য বলে নেতাকর্মীরা জানান।
বর্তমানে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।দলীয় অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে—দীর্ঘ ত্যাগ ও নির্যাতনের পর দল কি তাকে তার পূর্বের রাজনৈতিক অবস্থান ও মর্যাদায় পুনর্বহাল করবে কিনা।এ প্রেক্ষাপটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন কবির হোসেন দেওয়ানের শুভানুধ্যায়ী ও নেতাকর্মীরা।তাদের দাবি,তার ত্যাগ ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন করা হোক।
জানা গেছে,কবির হোসেন দেওয়ানের জন্ম বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামে। সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং ধারাবাহিকভাবে প্রবাসী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছান।
নেতাকর্মীদের মতে,কবির হোসেন দেওয়ানের ঘটনা শুধু একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত দুর্ভোগের নয়; এটি একটি সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন।তার প্রতি সুবিচার ও রাজনৈতিক পুনর্মূল্যায়ন বিএনপির জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করবে বলেও তারা মনে করেন।











