সম্পাদকীয়

শেখ হাসিনা: সততা ও সাহসের প্রতীক

  প্রতিনিধি ২৯ নভেম্বর ২০২৫ , ৪:৫৫:৫৫ প্রিন্ট সংস্করণ

মাজহারুল ইসলাম।।বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এর হত্যাযজ্ঞ থেকে বেঁচে থাকা তিনি,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের একটি নির্ভীক নেতা হিসেবে আজও গণমানুষের কাছে সমাদৃত।

১৯৭৪ সালে ইন্দিরা–মুজিব চুক্তি নিয়ে বিতর্ক ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল; গুজবের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভারতের কাছে বিক্রির দাবি তোলা হয়েছিল।কিন্তু ৫১ বছর পরও এ ধরনের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

জাতির পিতা শেখ মুজিবকে হত্যার পরও বঙ্গবন্ধু পরিবারকে দূর্নীতিবাজ প্রমাণ করার চেষ্টা হয়েছিল।বঙ্গবন্ধুর পুত্র শেখ কামাল ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অভিযোগ ছড়িয়ে দেয়ার পরও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মেজর ডালিম তার নিজের বইতে এসব প্রমাণ করতে পারেননি।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিএনপি–জামায়াত দল দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযুদ্ধ ও রাজাকারের প্রতি সমর্থন দিয়ে আসছে।তারা গ্রামীণফোন বা রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের মতো ঘটনার পেছনে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সরকার উৎখাতের চেষ্টা চালিয়েছে।

অন্যদিকে,শেখ হাসিনার দীর্ঘ ৬ দশক রাজনৈতিক সংগ্রামে কোথাও দুর্নীতির নাম নেই।উইকিলিকস,পানামা পেপারস বা প্যান্ডুরা পেপারসের ফাঁস হওয়া নথিতেও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতি পাওয়া যায়নি।সরকারের ২১ বছর ক্ষমতাজীবনে তার ব্যাংক একাউন্টে মাত্র ৪১ কোটি টাকা পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে সুদ ব্যবসায়ী ইউনূস,কোক ও খালেদা জিয়ার মতো নেতা-ব্যবসায়ীর দুর্নীতি কোটি কোটি টাকার।শেখ হাসিনার সততা ও সাহসই তার সবচেয়ে বড় সম্পদ।তাঁর নেতৃত্ব বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচিত।

উপসংহার:
শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিকল্পহীন নেতা।তাঁর সততা,দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং অবিচল সাহস দেশের মানুষের আস্থা ও সমর্থনের মূল ভিত্তি।

আরও খবর

Sponsered content