সারাদেশ

অপেক্ষাকৃত কম ফল নিয়েও আবাসিক হলে থাকছেন হল শাখার সভাপতি

  প্রতিনিধি ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ৫:৩৮:১২ প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।।নিয়ম অনুযায়ী আবাসিক হলের বরাদ্দ দেওয়ার কথা ফলাফলের ভিত্তিতে।অর্থাৎ আবেদনের পর যাঁর পরীক্ষার ফল ভালো,তিনিই হলে থাকার সুযোগ পাবেন।তবে শিবির নেতার বেলায় তা মানা হয়নি।অপেক্ষাকৃত কম ফল নিয়েও আবাসিক হলে থাকছেন হল শাখার সভাপতি।ওই হল থেকে শিবির–সমর্থিত প্যানেলের ভিপি (সহসভাপতি) প্রার্থীও হয়েছেন তিনি।প্রাধ্যক্ষ বলছেন,বিশেষ বিবেচনায় ওই শিক্ষার্থীকে হলে আসন দেওয়া হয়েছে।

এমন ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলে। শিবিরের ওই নেতার নাম নিয়ামত উল্লাহ।তিনি আবরার ফারাবী নামেও পরিচিত।সোহরাওয়ার্দী হলের ২১৫ নম্বর কক্ষে থাকছেন তিনি।এ ছাড়া এবার সোহরাওয়ার্দী হল সংসদ নির্বাচনে শিবির–সমর্থিত প্যানেল থেকে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নিয়ামত উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী।ফল কম থাকার পরেও আবাসিক হলে তাঁর থাকার বিষয়টি নিয়ে গতকাল সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই সমালোচনা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে,নিয়ামত উল্লাহ ২ দশমিক ৬৫ ফল নিয়েও আবাসিক হলে আসন পেয়েছেন।অথচ ওই হলে আসন পেতে গেলে অন্ততপক্ষে ২ দশমিক ৯২ সিজিপিএ দরকার হয়।চলতি বছর ১২ আগস্ট এ ফল প্রকাশিত হয়। তবে নিয়ামত উল্লাহ আগে থেকেই হলে অবস্থান করতেন বলে জানা গেছে।

জানতে চাইলে সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ মো. আবদুল মান্নান বলেন,প্রাধ্যক্ষর দুটি আসন বরাদ্দের ক্ষমতা রয়েছে। এর ভিত্তিতেই তাঁকে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে,পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে নয়।হলের ডাইনিংয়ের কার্যক্রম ও খেলাধুলার কার্যক্রমের সঙ্গে সে নিয়মিত যুক্ত ছিল। সে বিবেচনায় হলে আসন দেওয়া হয়েছে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৫৪টি বিভাগ ও ইনস্টিটিউট মিলে শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ২৮ হাজার।এসব শিক্ষার্থী থাকার জন্য আবাসিক হল রয়েছে মাত্র ১৪টি।এর মধ্যে আবাসিক সুবিধা পান ৩০ শতাংশ।বাকি ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী হলে থাকার সুযোগ পান না।বাধ্য হয়ে তাঁদের থাকতে হয় ক্যাম্পাসের আশপাশে অথবা ২২ কিলোমিটার দূরের চট্টগ্রাম শহরে। এ কারণে ফলাফলের ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।

আরও খবর

Sponsered content