স্বাস্হ্য ও জীবন পরিচর্যা

বরিশালে অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্য সেবা প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

  প্রতিনিধি ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ , ৪:৫৪:২৭ প্রিন্ট সংস্করণ

বরিশাল প্রতিনিধি।।বরিশাল জেলায় অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্য সেবা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বরিশাল শহরের হোটেল গ্র্যান্ড পার্কে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোঃ সোলায়মান কবির।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লুসিকান্ত হাজং।বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল সিভিল সার্জন ডাঃ মারিয়া হাসান,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হাসান,জেলা সমাজসেবা সহকারী পরিচালক জাবির আহমেদ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মুহম্মদ আখতারুজ্জামান এবং জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ হারুনুর রশীদ। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইমরান হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মনি আক্তার,এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিও প্রতিনিধিরা।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কোডেকের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার এম আতিকুর রহমান।

প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোঃ সোলায়মান কবির জানান,সিবিএম গ্লোবালের আর্থিক সহযোগিতায় কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের সংগঠনকে সাথে নিয়ে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ,বানারীপাড়া এবং বরিশাল সদর উপজেলায় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।বিশেষ করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি,প্রবীণ,শিশু ও নারীদের পাশাপাশি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী চক্ষু সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবে।

প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য হলো অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু সেবার মাধ্যমে বারিশাল জেলায় স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন করা।যেমন- প্রতিবন্ধী,প্রবীণ,নারী ও শিশুদের জন্য চক্ষু সেবা নিশ্চিত করা।স্বাস্থ্যকর্মী,স্কুল শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের চক্ষু পরীক্ষা ও প্রাথমিক সেবা প্রদানের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান।জাতীয় চক্ষু সেবা পরিকল্পনার সাথে সমন্বয় রেখে স্থানীয় পর্যায়ে সেবা ব্যবস্থার উন্নয়ন।সভায় প্রধান অতিথি লুসিকান্ত হাজং প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সিভিল সার্জন ডাঃ মারিয়া হাসান বলেন, “অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্য সেবা প্রকল্পটি বরিশাল জেলার সাধারণ মানুষের চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হাসান বলেন, “এই প্রকল্প দরিদ্র,প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও সুবিধাবঞ্চিত জনগণের জন্য একটি মাইলফলক হবে।সরকারের পক্ষ থেকে প্রকল্প বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।” সভায় জানানো হয়,প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয় পর্যায়ে বিশেষ চক্ষু পরীক্ষার ক্যাম্প আয়োজন করা হবে,যেখানে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চক্ষু সমস্যা শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করা হবে।পাশাপাশি,বিভিন্ন ক্যাম্পের মাধ্যমে ছানি অপারেশন, চক্ষু পরীক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

প্রকল্পটি বারিশাল জেলায় অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু সেবার একটি মডেল তৈরি করবে,যা জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য একটি রোল মডেল হিসেবে কাজ করবে।

আরও খবর

Sponsered content