রবিউল ইসলাম রবি॥বরিশাল ইসলামিয়া কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মোঃ তাইবুর রহমান।তার পিতা. মোঃ মাইনুল খান পেশায় একজন চা-বিস্কুট দোকান ব্যবসায়ী।
গত ৪ আগস্ট বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের সময় বিপরীত দিক থেকে ছোড়া গুলিতে মাথা ও পিঠ সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলিবৃদ্ধ হয় তাইবুর।আহত অবস্থায় ওই দিনই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করলেও পরে উন্নত চিকিসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়।আহত তাইবুর এর চিকিৎসার জন্য তার পরিবারের প্রায় ৭০/৮০ হাজার টাকা ব্যয় হলেও এ পর্যন্ত পাননি চুল পরিমান সহযোগিতা।
নগরীর কাউনিয়া হাউজিং এলাকার আব্দুল হাই মিয়ার ভাড়াটিয়া এবং বরিশাল বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল ইউনিয়নের সতরাজ গ্রামের বাসিন্দা ছাত্র তাইবুর।
মাইনুল খান বলেন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তার ছেলের মাথা সহ হাত-পায়ে ও পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। পুরো শরীরজুড়ে রয়েছে ছড়া গুলির ক্ষত-বিক্ষতর চিহ্ন। ব্যবসার ক্যাশ টাকা থেকে ছেলের চিকিৎসার করিয়েছি।কিন্তু পাইনি কোন ব্যক্তি বা দপ্তরের সহযোগিতা।ব্যবসার টাকা ব্যয় করেও এখন পর্যন্ত ছেলেকে পুরো সুস্থ করে তুলতে পারেনি। অন্তবর্তীকালীন সরকার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত সিংহভাগ শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যয় বহন করলেও আমার বেলায় তা জুটেনি।ব্যবসার মূলধন ছেলের চিকিৎসায় ব্যয় করে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছি।
আহত তাইবুর এর মোসাঃ তাসলিমা বেগম বলেন,পেশায় সে গৃহিণী।তার ছেলে মেধাবী।বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র এবং বর্তমানে অসুস্থ শরীর নিয়ে ঢাকায় কোচিং করছে।নিজ সন্তানের শরীর থেকে ছড়া গুলির ছোট ছোট কার্তুজ উঠিয়েছি।সেই গুলি আমার কাছে রয়েছে।ছেলের সুস্থতা ও ভবিষ্যত উজ্জল হোক এটাই অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে কামনা করি।কারণ, সংসারে ২ ছেলের মধ্যে তাইবুর বড়।ছোট ছেলে এখনও শিশু। তাদের সংসারে হাল ধরার কেউ নেই।ব্যবসার অর্থও চিকিৎসায় ব্যয় হয়ে গেছে।এখন অভাব অনটনের মধ্যে জীবন-যাপন করছেন বলে জানান।
আহত তাইবুর রহমান বলেন,জীবনে কিছু পাই বা না পাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আছি এবং থাকবো। যেহুতু আমিও একজন ছা্ত্র।তাই ছাত্র সমাজের বাহিরে কখনই যাবার প্রশ্ন উঠে না।আমি লেখাপড়ার মধ্যে বা শেষ করে ভালো একটি চাকুরী করে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চাই।
![]()






















































সর্বশেষ সংবাদ :———