মাজহারুল ইসলাম#একজন অ্যাডভোকেট ট্রেনের এসি কেবিনে একাকী যাচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পরে এক সুন্দরী আসলেন এবং অপর পাশের সিটে বসে পড়লেন। আর তা দেখে উকিল সাহেব মহাখুশি। দীর্ঘ যাত্রায় এরকম একজন সঙ্গী পেতে কার না ভাল লাগে। আর সে যদি হয় কোন সুন্দরী, তবে তো আর কথায় নেই! সুন্দরী এবার উকিল সাহেবের দিকে তাকিয়ে একটা মিষ্টি হাসি দিলেন আর উকিল সাহেবের মনে হল, তিনি একটি হার্টবিট মিস করলেন। কিছু সময় পরে সুন্দরীটি অপর পাশ থেকে উঠে এসে একেবারে তার পাশে গা ঘেষে বসলেন। আর এদিকে খুশিতে তো উকিল সাহেবের হার্ট এটাক করার দশা! সুন্দরী মহিলা পুরুষটির পেশাগত পরিচয় ধারণা করতে পারেননি, তাই এবার তার কানের কাছে মুখ নিয়ে আস্তে আস্তে বলল -“তোমার মানিব্যাগ, মোবাইল, টাকা পয়সা যা কিছু আছে সব আমাকে দিয়ে দাও। না হলে আমি এখন ডেকে লোক জড়ো করব,সবাই তোমাকে গণধোলাই দিবে! যাত্রী উকিল সাহেবে এমন ভাব দেখালেন,যেন তিনি কিছুই শুনতে পাননি।তিনি হাত দিয়ে ইশারায় বুঝাতে চাইলেন,তিনি বধির,তাই কানে শুনতে পান না। “যদি কিছু বলতে চান,তবে তা এই কাগজে লিখে দিন।” এই কথা ইশারার মাধ্যমে বুঝালেন।অতঃপর পকেট থেকে তিনি এক টুকরো কাগজ বের করে দিলেন। সুন্দরী উকিল সাহেবের অভিনয় বিশ্বাস করে,এবার কাগজের উপর আগের কথাগুলো লিখলেন। উকিল সাহেব এবার কাগজটি নিয়ে পকেটে রেখে দিলেন এবং হাসতে হাসতে বললেন -” এবার তুমি না,আমি চিৎকার দিয়ে পুলিশ ডাকব? মৌখিক স্বাক্ষ্য থেকে লিখিত প্রমাণের মূল্য বেশী আর লিখিত প্রমাণ হাতে রাখা খুবই জরুরী। Post navigation সাংবাদিকদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ইসলামে কেন ব্যাঙ হত্যা করা নিষেধ?!