প্রতিনিধি ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ , ৩:২৮:৩৬ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।আজকের যানজট অসহনীয়। বাসে না উঠে হেঁটে গেলে অনেক আগেই গন্তব্যে যাওয়া যেত।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলছিলেন যাত্রী আলমগীর হোসেন।
তিনি বলেন,কাকলী থেকে সকাল সাড়ে ১০টায় কাকরাইলের বাসে উঠেছি।এখন বেলা সাড়ে ১১টা।মাত্র মগবাজার পৌঁছালাম।বাকি পথ যেতে কত সময় লাগবে,জানি না। যানজটের কারণে গাড়ি আগাতেই পারে না।এভাবে দিনের বড় একটা অংশ যানজটে রাস্তায় কেটে যায়। কোনো কাজই সময় মতো করতে পারি না।
বেলা ১১টায় মহাখালী থেকে গুলিস্তানগামী স্কাইলাইন পরিবহনে ওঠেন মাসুদ।ব্যবসার কাজে যাবেন পুরানা পল্টন। তিনিও বাসে ওঠার পর ৪৫ মিনিটে মগবাজার পৌঁছান। যানজটে গাড়ি আটকে থাকা অবস্থায় মাসুদ বলেন,যানজট এখন নাগরিকদের নিত্যদিনের সঙ্গী।তবে আজকের যানজট সীমা ছাড়িয়ে গেছে।ফুটপাতে ঠিকমতো হাঁটা গেলে অনেক আগেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারতাম।এই শহর দিন দিন নরকে পরিণত হচ্ছে।
এ সময় স্কাইলাইন পরিবহনের চালক নয়ন মিয়া বলেন,১০ বছর ধরে এই লাইনে গাড়ি চালাই।১০ বছর আগে গাজীপুর থেকে গুলিস্তানে পাঁচ-ছয়বার আসা-যাওয়া করতে পারতাম। এখন দিনে দুই-তিনবার আসা-যাওয়াই সম্ভব হয় না। যানজটে রাস্তায় বসে গাড়ির তেল পোড়াতে হয়।গাড়িতে বসে থাকতেও অসহ্য লাগে।
তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তা মোড়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছিলেন পুলিশের সদস্য মোস্তাফিজ।তিনি বলেন,সাধারণত এই সড়কে সকালে অফিস সময়ে গাড়ির চাপ থাকে।আবার বিকেল পাঁচটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত যানবাহনের চাপ থাকে।এর মাঝে দিয়ে যানবাহন অনেকটাই স্বাভাবিক থাকে। কিন্তু আজ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির চাপও বাড়ছে। আমরা যানজট নিরসনে কাজ করছি।
সড়কে যানজট পরিস্থিতি দেখা যায় মুঠোফোনে ‘ট্রাফিক নিয়ার মি অন ম্যাপ’ অ্যাপে।এই অ্যাপের মাধ্যমে দেখা যায়, কাকরাইল,শান্তিনগর,নয়াপল্টন,পল্টন,মতিঝিল,ফকিরাপুল, খিলগাঁও,মালিবাগ আবুল হোটেল এলাকাসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজট রয়েছে।
তবে কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে কারওয়ান বাজার,পান্থপথ,কলাবাগান,ধানমন্ডি,নিউ মার্কেট এলাকায়। এসব এলাকায় মার্কেটগুলোতে আজ মঙ্গলবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে রাস্তায় যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম।













