সমঝোতার নামে অর্থ আদায় নিয়ে বিতর্ক: সেতুমন্ত্রীর বক্তব্যে সমালোচনার ঝড়
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সড়কে যানবাহন থেকে অর্থ আদায়কে “সমঝোতার ভিত্তিতে নেওয়া টাকা, চাঁদা নয়” — সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর এমন বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।সমালোচকদের দাবি,এই বক্তব্য বাস্তবতা ও আইনি যুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিশ্লেষক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন,প্রকৃত সমঝোতা তখনই হয় যখন দুই পক্ষ সমান স্বাধীন অবস্থানে থাকে এবং কোনো পক্ষ ‘না’ বললেও ক্ষতি বা হয়রানির আশঙ্কা থাকে না।কিন্তু সড়কে চলাচলকারী চালকদের ক্ষেত্রে বাস্তবতা ভিন্ন।অভিযোগ রয়েছে,নির্দিষ্ট স্থানে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চালকদের দেরি করানো,বাধা দেওয়া বা নানা ধরনের ঝামেলায় ফেলার ঘটনা ঘটে। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়েই অর্থ প্রদান করেন, যা স্বেচ্ছায় দেওয়া নয় বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে,বৈধভাবে কোনো অর্থ আদায় করতে হলে নির্দিষ্ট হার,অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ এবং রসিদের ব্যবস্থা থাকতে হয়।কিন্তু যেসব ক্ষেত্রে এসবের কোনো আনুষ্ঠানিক কাঠামো নেই,সেখানে অর্থ আদায়কে “সমঝোতা” বলা আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। সমালোচকদের ভাষ্য,ক্ষমতার প্রভাব বা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অর্থ আদায় করলে তার প্রকৃতি পরিবর্তিত হয় না।শব্দ পরিবর্তন করে বাস্তবতাকে বৈধতা দেওয়া যায় না বলেও তারা মন্তব্য করেন। এদিকে মন্ত্রীর বক্তব্যের পক্ষে কেউ কেউ যুক্তি দিয়েছেন যে, পরিবহন খাতের কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হয়।তবে বিরোধীরা বলছেন,এই যুক্তি অনিয়মকে বৈধতা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে এবং সড়ক পরিবহন খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হচ্ছে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ফেসবুকে বিতর্ক: বাস্তবতা কী বলছে?
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “ফ্যামিলি কার্ড” বা দেশের সব পরিবারকে মাসিক ভাতা দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। অনেকেই দাবি করছেন—৫ কোটি পরিবারকে মাসে ২,৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে।তবে বাস্তব তথ্য ও অর্থনৈতিক হিসাব বলছে ভিন্ন চিত্র। 🔎 বাংলাদেশে মোট পরিবার কত? বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এর জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২–এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে মোট পরিবারের সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখের বেশি।জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারা অনুযায়ী ২০২৬ সালের শুরুতে এটি আনুমানিক ৪.৩–৪.৫ কোটি হতে পারে।৫ কোটি পরিবার মূলত একটি সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা বা রাজনৈতিক আলোচনার অংশ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। 💰 যদি ৫ কোটি পরিবারকে মাসে ২,৫০০ টাকা দেওয়া হয় – মাসিক ব্যয়: ১২,৫০০ কোটি টাকা – বাৎসরিক ব্যয়: ১,৫০,০০০ কোটি টাকা তুলনামূলকভাবে,২০২৪–২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ৭,৯৭,০০০ কোটি টাকা।অর্থাৎ শুধু এই একটি কর্মসূচির পেছনেই বাজেটের প্রায় ১৮–১৯ শতাংশ ব্যয় হয়ে যাবে।   📊 সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বাস্তবতা বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি একক কোনো মন্ত্রণালয় নয়; প্রায় ২৪–৪০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ যৌথভাবে পরিচালনা করে। – মোট বরাদ্দ: ১,৩৬,০২৬ কোটি টাকা (মোট বাজেটের প্রায় ১৭%) – সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ব্যয় হয় আনুমানিক ১২–১৫%। 👥 কারা এই সহায়তা পান? সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দেওয়া হয়— ✔ বয়স্ক,বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা ✔ খাদ্য সহায়তা (OMS, VGD, কাবিখা) ✔ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ✔ মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ও দুর্যোগ সহায়তা বর্তমানে সরাসরি নগদ সহায়তার আওতায় রয়েছে প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ মানুষ,অর্থাৎ দেশের সব পরিবার নয়।   🧭 বিশ্লেষণ সব পরিবারকে মাসিক নগদ সহায়তা দেওয়া বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোয় অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও কঠিন উদ্যোগ।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, NID-ভিত্তিক ডিজিটাল ডাটাবেজ ব্যবহার করে প্রকৃত দরিদ্র পরিবার শনাক্ত করা গেলে অপচয় কমিয়ে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
এপিলেপসি (মৃগী রোগ) সম্পর্কে তথ্য:-
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

এপিলেপসি (মৃগী রোগ) সম্পর্কে তথ্য সংজ্ঞা: এপিলেপসি হলো মস্তিষ্কের একটি দীর্ঘস্থায়ী স্নায়বিক রোগ, যা হঠাৎ খিঁচুনি বা অস্বাভাবিক আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এটি মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক সংকেতে সাময়িক ব্যাঘাতের কারণে হয়। লক্ষণ: শরীর ঝাঁকুনি দেওয়া বা পেশীর মোচড় অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কিছুক্ষণ স্থির হয়ে তাকিয়ে থাকা অদ্ভুত স্বাদ বা গন্ধ অনুভব করা কারণসমূহ: জেনেটিক বা পরিবারের ইতিহাস মাথায় আঘাত, স্ট্রোক, টিউমার মস্তিষ্ক সংক্রমণ (যেমন মেনিনজাইটিস) জন্মগত ত্রুটি চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণ: ওষুধ: অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধ নিয়মিত খেলে প্রায় ৭০% রোগী খিঁচুনি-মুক্ত জীবন যাপন করতে পারেন। অস্ত্রোপচার: যদি ওষুধে কাজ না হয়, মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট অংশ অপসারণ করা যেতে পারে। ডিভাইস থেরাপি: ভেগাস নার্ভ স্টিমুলেশন (VNS) বা ডিপ ব্রেইন স্টিমুলেশন (DBS) ব্যবহার করা যেতে পারে। জীবনধারার পরিবর্তন: পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা মানসিক চাপ কমানো (যোগব্যায়াম বা ধ্যান) নির্দিষ্ট ডায়েট (যেমন কিটোজেনিক ডায়েট) ট্রিগার এড়ানো: উজ্জ্বল আলো, উচ্চ শব্দ, অ্যালকোহল প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা (WHO অনুযায়ী): মাথায় আঘাত থেকে রক্ষা করা (দুর্ঘটনা বা খেলাধুলার সময় সতর্ক থাকা) গর্ভকালীন যত্ন উন্নত করা সংক্রমণ ও পরজীবী থেকে দূরে থাকা মোটামুটি: এপিলেপসি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য নয়, তবে সঠিক চিকিৎসা ও জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রায় ৯০% ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুন বিতর্ক: বিলুপ্তির প্রস্তাব, ছবি অপসারণ ও নোটের নকশা পরিবর্তন আলোচনায়
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশের সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি,আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, প্রধান শাখা কার্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক ছিল।২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান যুক্ত করা হয়।তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই অনুচ্ছেদকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্যোগে গঠিত ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’ সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে।কমিশন জানিয়েছে,প্রস্তাবটি ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না—সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়া হচ্ছে। এদিকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের দরবার হলসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা আলোচনার জন্ম দেয়।পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন সরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেও প্রতিকৃতি অপসারণের খবর পাওয়া যায়। একই সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বিদ্যমান কাগুজে মুদ্রার নকশা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে।নতুন নোটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির পরিবর্তে দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য,ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “জুলাইয়ের চেতনা” সমুন্নত রাখা এবং অতীতের “ফ্যাসিবাদের প্রতীক” হিসেবে বিবেচিত বিষয়গুলো পুনর্মূল্যায়নের অংশ হিসেবেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে এ উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে কয়েকটি রাজনৈতিক দল,যার মধ্যে জাসদ উল্লেখযোগ্য।তাদের দাবি,সাংবিধানিক বিধান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জাতীয় ঐকমত্য ও বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন।   সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক চলমান থাকায় বিষয়টি আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ইতালির তিন বছর মেয়াদি শ্রমিক নিয়োগে প্রথম ধাপের ‘ক্লিক ডে’ শেষ, ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ইতালিতে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদে পাঁচ লাখ বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার কর্মসূচির প্রথম ধাপের ‘ক্লিক ডে’ সফলভাবে শেষ হয়েছে।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই পর্বে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫০ জন শ্রমিকের জন্য নির্ধারিত কোটায় বিভিন্ন খাতে অনলাইন আবেদন সম্পন্ন হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,কঠোর শর্ত ও জটিল আবেদন প্রক্রিয়ার কারণে এবার আবেদন সংখ্যা তুলনামূলক কম ছিল।ফলে যারা নির্ধারিত নিয়ম মেনে আবেদন জমা দিতে পেরেছেন,তাদের ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি বলে মনে করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা ও ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞরা। এবারের কোটায় শ্রমিকদের খাতভিত্তিকভাবে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিজনাল বা মৌসুমী কাজ—বিশেষ করে কৃষি ও পর্যটন খাতে ৮৮ হাজার, নন-সিজনাল খাতে ৭৬ হাজার ২০০ এবং স্বনির্ভর কাজের জন্য ৬৫০ জনের সুযোগ রাখা হয়।   গত ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধাপে ধাপে আবেদন গ্রহণ করা হয়।শেষ দিনে গৃহস্থালি বা ডমেস্টিক কাজের জন্য আবেদনকারীর চাপ সবচেয়ে বেশি ছিল বলে জানা গেছে।   বিশেষজ্ঞরা জানান,আবাসন সনদ ও রেসিডেন্স সংক্রান্ত কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের কারণে অনেক আগ্রহী আবেদনকারী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেননি।তবে যারা সব ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করেছেন,তাদের আবেদন অনুমোদনের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। এদিকে সম্ভাব্য ভিসাপ্রার্থীদের সতর্ক করে সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এই সুযোগকে কেন্দ্র করে দালাল চক্র সক্রিয় হতে পারে।তাই কোনো ধরনের প্রতারণা এড়াতে সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরবর্তী ধাপে আরও ১ লাখ ৬৫ হাজার শ্রমিক নিয়োগের জন্য আগাম ফরম পূরণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকির অভিযোগে বাজার কমিটির সভাপতিকে ঘিরে বিতর্ক
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।রমজানকে সামনে রেখে চালের বাজারে মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গেলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে এক বাজার কমিটির সভাপতির অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের একটি টিম বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে গেলে ব্যবসায়ীদের বর্তমান সভাপতি নিজেকে পরিচয় দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল জব্বারকে উদ্দেশ করে বলেন, “এটা আগের সভাপতি নয়, এখন আমি সভাপতি।” প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি,এ সময় তিনি আক্রমণাত্মক ও হুমকিসূচক ভঙ্গিতে কথা বলেন,যা দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ,সরকারি দায়িত্ব পালনকালে ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধা দেওয়া, হুমকি প্রদান এবং নাজেহাল করার চেষ্টা করা হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অনেক নেটিজেন অভিযুক্ত সভাপতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন,বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের অভিযান বাধাগ্রস্ত হলে সাধারণ ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।তাই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
গ্রীন টিভি ইস্যুতে ফেসবুক স্ট্যাটাস: ডা. থ্রিনা ইসলামের বিস্ফোরক অভিযোগ
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।চিকিৎসক,গবেষক ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ডা. থ্রিনা ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, গ্রীন টিভি সংশ্লিষ্ট একটি বিষয় তিনি ব্যক্তিগতভাবে নিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।তিনি অভিযোগ করেন,কিছু ব্যক্তি নারীদের ব্ল্যাকমেইল ও হয়রানির সঙ্গে জড়িত। স্ট্যাটাসে ডা. থ্রিনা ইসলাম আরও উল্লেখ করেন,গ্রীন টিভি থেকে পাওয়া তার বেতনের অর্থ তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে সেটি যাকাত হিসেবে কয়েকজনের নামে দান করার ঘোষণা দিয়েছেন। এ সময় তিনি বলেন,তার বিরুদ্ধে মামলা,অপপ্রচার কিংবা হুমকি দেওয়া হলেও তিনি প্রতিবাদ থেকে সরে আসবেন না। স্ট্যাটাসটি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।কেউ তার বক্তব্যের সমর্থন জানিয়েছেন, আবার কেউ ভাষার ব্যবহার ও অভিযোগের ধরন নিয়ে সমালোচনা করেছেন। এ বিষয়ে গ্রীন টিভি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
রাঙ্গুনিয়ায় যৌতুকের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, পাল্টা অভিযোগ ছেলে পক্ষের
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় যৌতুক দাবি,নির্যাতন ও বিয়ের তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগে স্বামী,শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন এক নারী।একই ঘটনায় পাল্টা বক্তব্য দিয়ে অভিযোগগুলোকে ‘গুজব ও অপপ্রচার’ দাবি করেছেন অভিযুক্ত স্বামী। মামলার বাদী সাদিয়া নাসিম (২১) ও তার মা রোকেয়া বেগম এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন,বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে নির্যাতনের শিকার হন সাদিয়া।তাদের দাবি,১০ জুন ২০২৪ তারিখে হলফনামার মাধ্যমে তালাক ঘোষণা করা হলেও ১৬ জুলাই ডাকযোগে পাঠানো নোটিশের পরও ১১ লাখ টাকা দেনমোহর পরিশোধ করা হয়নি। বাদীপক্ষ আরও অভিযোগ করেন,তালাকের বিষয়টি গোপন রেখে দীর্ঘদিন আটকে রাখা, লশারীরিক নির্যাতন এবং ধর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে।মামলা দায়েরের পর বিবাদীপক্ষের লোকজন থেকে হুমকি পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। অন্যদিকে অভিযুক্ত আব্দুল মান্নান,যিনি পেশায় প্রবাসী বলে দাবি করেছেন,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।তিনি বলেন,বিয়ের কয়েকদিন পর জানতে পারেন তার স্ত্রীর এপিলেপসি (মৃগী) রোগ রয়েছে,যা বিয়ের আগে জানানো হয়নি।এরপরও তিনি সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন বলে দাবি করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী,কাবিন ১০ লাখ টাকা নির্ধারিত থাকলেও তার কাছে ১৮ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয়।এসব পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে তিনি তালাক দেন এবং তালাক কার্যকর হওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে জানান।বর্তমানে তাকে ও তার পরিবারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আইনি দিক বাংলাদেশের আইনে যৌতুক দাবি,নির্যাতন বা যৌতুকের কারণে তালাক দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ।যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী যৌতুক দাবি করলে ১ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে। এছাড়া তালাক আইনগতভাবে কার্যকর হওয়ার আগে দ্বিতীয় বিয়ে করলে তা দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দ্বি-বিবাহ হিসেবে গণ্য হতে পারে,যার শাস্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবের হাতেই পতন হবে’— মব কালচার নিয়ে গোলাম মাওলা রনি
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় তৈরি হওয়া তথাকথিত ‘মব কালচার’ বা গণরোষ ভবিষ্যতে সরকারের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানব’-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেন,এই সংস্কৃতির ফল একসময় সংশ্লিষ্টদেরই ভোগ করতে হবে। সম্প্রতি একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।রনি দাবি করেন, “ড. ইউনূসের আমলে এমন কিছু রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা আগে এতটা দৃশ্যমান ছিল না।সময়ের সঙ্গে এর প্রভাব সবাই উপলব্ধি করবে।” ‘মব মানসিকতা’ প্রসঙ্গ বাংলাদেশের সামাজিক মনস্তত্ত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন,জনতার আবেগপ্রবণ আচরণ অনেক সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।তার ভাষায়,“রাস্তায় কেউ ‘ধর’ বলে চিৎকার করলে অনেক মানুষ না বুঝেই তাতে জড়িয়ে পড়ে।এই প্রবণতা ক্ষমতার পরিবর্তনের সময় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে পারে।” উপদেষ্টাদের সতর্কবার্তা সরকারের উপদেষ্টাদের উদ্দেশে রনি বলেন,জনমতকে অবমূল্যায়ন করা বা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেখানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।তিনি মন্তব্য করেন,ভবিষ্যতে জনরোষের আশঙ্কায় অনেকেই স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে অসুবিধায় পড়তে পারেন। ‘নিজ হাতে গড়া দানব’ মন্তব্য মব জাস্টিস বা গণপিটুনির সংস্কৃতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “যে পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে,সেটাই একসময় উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে।” এ প্রসঙ্গে তিনি ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানব’ উপমা ব্যবহার করেন।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
পোল্ট্রি খামারিদের সঙ্গে লোন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ: গাজীপুরের শ্রীপুরে এনজিও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা প্রশিকা মোড় এলাকায় একটি এনজিওভিত্তিক ঋণ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে পোল্ট্রি খামারিদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগ অনুযায়ী,প্রতিষ্ঠানটির এরিয়া ম্যানেজার নতুন ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আগাম কিস্তি আদায় করলেও পরে ঋণ দিতে অস্বীকৃতি জানান,ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন একাধিক খামারি। ভুক্তভোগী পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা জানান,তারা পূর্বে নেওয়া প্রায় ৩ লাখ টাকার ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করে আসছিলেন। তখনও ৩ থেকে ৪টি কিস্তি বাকি থাকা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাদেরকে নতুন করে ৫ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।ওই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে খামারিদের কাছ থেকে একসঙ্গে প্রায় ৭০ হাজার টাকা কিস্তি হিসেবে আদায় করা হয়। খামারিদের দাবি,গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরানোর পর অবশেষে ১৯ ফেব্রুয়ারি নতুন ঋণ দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন সংশ্লিষ্ট এরিয়া ম্যানেজার।এতে ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সংকটে পড়েছেন তারা। আইনি বিশ্লেষণ আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন,কোনো ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান যদি ঋণ প্রদানের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত কিস্তি বা অর্থ আদায় করে,তবে তা প্রতারণা (Cheating) হিসেবে গণ্য হতে পারে।বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪১৫ ও ৪২০ ধারার আওতায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়া বাংলাদেশে নিবন্ধিত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো Microcredit Regulatory Authority (MRA)-এর নিয়ন্ত্রণাধীন।গ্রাহকের সঙ্গে অসদাচরণ,জোরপূর্বক কিস্তি আদায় বা বিভ্রান্তিকর প্রতিশ্রুতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীরা চাইলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এ অভিযোগ করতে পারেন।মিথ্যা প্রতিশ্রুতি বা বিভ্রান্তিকর সেবার মাধ্যমে অর্থ আদায় ভোক্তা অধিকার আইনের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়। আইনজীবীদের মতে,আদালতের বাইরে সমাধানের জন্য প্রথমে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বা গ্রিভ্যান্স রিড্রেস সিস্টেমে লিখিত অভিযোগ দেওয়া যেতে পারে।তাতে সমাধান না হলে Money-Lenders Act, 1940 অনুযায়ী হিসাব নিরীক্ষা ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া সম্ভব। করণীয় বিশেষজ্ঞরা ভুক্তভোগীদের সকল লোন…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ক্যাশ’ সামলাতেন স্ত্রী শীলা: ড. আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে ১৪ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।অন্তর্বর্তী সরকারের সদ্য বিদায়ী আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে দাবি করা হয়েছে,গত প্রায় ১৮ মাসে নিয়োগ ও মামলা-সংক্রান্ত অনিয়মের মাধ্যমে অর্জিত প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়,এসব আর্থিক লেনদেন তদারকিতে তাঁর স্ত্রী শীলা আহমেদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি,বিভিন্ন নিয়োগ,বদলি এবং আলোচিত কিছু মামলার নিষ্পত্তি ঘিরে অর্থ লেনদেনের বিষয়গুলো তিনি সমন্বয় করতেন। তবে এ বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ‘ক্যাশ’ ব্যবস্থাপনার অভিযোগ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কিছু সূত্রের দাবি,নীতিগত সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনিক অনুমোদনের দায়িত্ব উপদেষ্টার হাতে থাকলেও আর্থিক লেনদেনের বিষয়গুলো আলাদা একটি চ্যানেলের মাধ্যমে পরিচালিত হতো।অভিযোগ অনুযায়ী,বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে অর্থ স্থানান্তরের চেষ্টা করা হয়েছে। ব্যবসায়ীকে অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক দিলীপ কুমার আগরওয়ালকে ঘিরে একটি আলোচিত মামলায় আইনি সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে কি না—তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিদেশে সম্পদের তথ্য অনুসন্ধানে সূত্রমতে,সুইজারল্যান্ড,যুক্তরাজ্য ও মালয়েশিয়ায় সম্ভাব্য ব্যাংক হিসাব ও সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে বলে দাবি করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে,অভিযোগগুলো সত্য হলে তা রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থার জন্য গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সত্য উদঘাটনের দাবি বিভিন্ন মহল থেকে উঠছে।

Loading

আরও সংবাদ পড়ুন
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ধ্যান শিক্ষক হিসেবে মাসরুর কবিরের অর্জন, শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।আন্তর্জাতিক মাইন্ডফুলনেস ও ধ্যানচর্চায় নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছেন বাংলাদেশি ধ্যান প্রশিক্ষক মাসরুর কবির।তিনি International Mindfulness & Meditation Alliance (IMMA)–এর আন্তর্জাতিক রেজিস্ট্রিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মেডিটেশন শিক্ষক হিসেবে তালিকাভুক্ত প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। আন্তর্জাতিক মননশীলতা ও ধ্যান জোটের স্বীকৃত এই শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মানসিক প্রশান্তি,আত্মিক উন্নয়ন এবং সচেতন জীবনচর্চা গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন।একজন প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা ও মানসিক চাপের মধ্যে মানুষকে শান্তি ও আত্মিক ভারসাম্য খুঁজে পেতে সহায়তা করছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে,তার কাজ বিশ্বব্যাপী শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের প্রচেষ্টার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ অর্জনে বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব,সামাজিক সংগঠক ও অনলাইন মিডিয়া সংশ্লিষ্টরা তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর বাংলা–র প্রকাশক ও সম্পাদকসহ গণমাধ্যমকর্মীরা বলেন,মননশীলতা ও ধ্যানচর্চা মানুষের ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা আরও জানান,সমাজের অসংগতি দূর করা,মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং শান্তিময় পৃথিবী গঠনে ইতিবাচক চিন্তা ও সচেতনতার বিকল্প নেই।মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন ও প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে বলেও তারা মত প্রকাশ করেন। বিশ্লেষকদের মতে,আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে এ ধরনের স্বীকৃতি দেশের জন্য গর্বের এবং ভবিষ্যতে মানসিক স্বাস্থ্য ও ধ্যানচর্চা বিষয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

সমঝোতার নামে অর্থ আদায় নিয়ে বিতর্ক: সেতুমন্ত্রীর বক্তব্যে সমালোচনার ঝড়
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ফেসবুকে বিতর্ক: বাস্তবতা কী বলছে?
এপিলেপসি (মৃগী রোগ) সম্পর্কে তথ্য:-
সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুন বিতর্ক: বিলুপ্তির প্রস্তাব, ছবি অপসারণ ও নোটের নকশা পরিবর্তন আলোচনায়
ইতালির তিন বছর মেয়াদি শ্রমিক নিয়োগে প্রথম ধাপের ‘ক্লিক ডে’ শেষ, ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি
ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকির অভিযোগে বাজার কমিটির সভাপতিকে ঘিরে বিতর্ক
গ্রীন টিভি ইস্যুতে ফেসবুক স্ট্যাটাস: ডা. থ্রিনা ইসলামের বিস্ফোরক অভিযোগ
রাঙ্গুনিয়ায় যৌতুকের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, পাল্টা অভিযোগ ছেলে পক্ষের
ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবের হাতেই পতন হবে’— মব কালচার নিয়ে গোলাম মাওলা রনি
পোল্ট্রি খামারিদের সঙ্গে লোন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ: গাজীপুরের শ্রীপুরে এনজিও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
ক্যাশ’ সামলাতেন স্ত্রী শীলা: ড. আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে ১৪ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ধ্যান শিক্ষক হিসেবে মাসরুর কবিরের অর্জন, শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা
জাইমা রহমানকে নিয়ে কথিত ডিপফেক ভিডিও ভাইরাল — অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য
দেশে মব কালচার আর সহ্য করা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফেসবুকে: কর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও সহযোগীরা রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় গ্রেফতার হতে পারেন
স্বশিক্ষিত দুই মন্ত্রী: অর্থের প্রভাবে রাজনৈতিক অঙ্গন দখলে নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে
ফুয়াদের ‘গণ-অভ্যুত্থান’ বক্তব্যে পাল্টা চ্যালেঞ্জ, রাজপথে মোকাবিলার ঘোষণা তারেক রহমানের
জুলাই গণহত্যার বিচার স্বাভাবিক গতিতে চলবে: আইনমন্ত্রী
শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন
জাতীয় প্রকল্পের খরচ কমাতে চান মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
চীন ও ভারতের অভিনন্দন পেলেন নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, নরসিংদীতে আনন্দ উদযাপন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন
শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, আজই মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক
স্থানীয় সরকারে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করা হবে: মির্জা ফখরুল
জুলাই জাতীয় সনদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট
দীর্ঘ ২০ বছর পর ক্ষমতায় ফিরল বিএনপি, তারেক রহমান শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে
তিন মহানগরের সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু
সৌদি আরবে রমজানের চাঁদ দেখা, বুধবার থেকে প্রথম রোজা
গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবসান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হলেন যারা
বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম বিভাগের আধিপত্য, সর্বনিম্ন প্রতিনিধিত্ব সিলেটের
প্রধানমন্ত্রীর পিএস, এপিএস ও প্রটোকল অফিসার নিয়োগ, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ উপদেষ্টা
বরিশাল–ভোলা সড়ক যোগাযোগ না থাকায় চরম ভোগান্তি, আশার আলো নতুন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান
মন্ত্রিসভায় আইনজীবীদের শক্ত উপস্থিতি: বিএনপি সরকারের ৭ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী
সততাই সাংবাদিকতার মূলমন্ত্র: কাদের গনি চৌধুরী
নতুন সরকারে বরিশাল বিভাগের শক্ত অবস্থান: স্পীকারসহ পূর্ণমন্ত্রী চারজন
রাজনৈতিক ত্যাগের স্বীকৃতি: প্রতিমন্ত্রীর আসনে রাজীব আহসান
শপথ নিচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা: পূর্ণমন্ত্রী ২৫, প্রতিমন্ত্রী ২৪ — পূর্ণাঙ্গ তালিকা