নিজস্ব প্রতিবেদক।।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান,দেশে মব কালচার সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে।তিনি বলেন,জনগণ তাদের দাবি আদায় করতে পারবে, তবে তা শান্তিপূর্ণ ও যথাযথ প্রক্রিয়ায় হতে হবে; মহাসড়ক বন্ধ বা হঠাৎ হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না। মন্ত্রী আরও বলেন,পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত ও দায়বদ্ধ রাখতে হবে।তিনি সতর্ক করে বলেন,বাহিনীর কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৮ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বসহ তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্ব পালন করবেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে। নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন, তিনজন টেকনোক্র্যাট অন্তর্ভুক্ত।
অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন, “কিছুদিনের মধ্যেই কর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও তার সহযোগীরা রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় গ্রেফতার হচ্ছেন।” তিনি উল্লেখ করেছেন যে,বর্তমানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রিট মামলা চলমান – ১. জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান বিরোধীতা চ্যালেঞ্জ, ২. অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ, ৩. নির্বাচন ও গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ। আইনি বিশ্লেষণ জুলাই জাতীয় সনদ: রাষ্ট্রপতি ও সরকার ঘোষিত এই সনদ সংবিধানের মূলনীতি এবং মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ।জনস্বার্থে করা রিট মামলায় সনদটিকে অবৈধ ঘোষণার দাবি করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা: ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর গঠিত এই সরকার বৈধভাবে ক্ষমতায় আসেনি বলে বিরোধীরা যুক্তি দেখাচ্ছেন।আদালতে এটি সংবিধান ও আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে যাচাইাধীন। নির্বাচন ও গণভোট: ভুয়া বা অবৈধ ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে চলমান রিট মামলা নির্বাচন ও গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। জনমতকে সক্রিয় রাখতে এবং প্রমাণভিত্তিক মামলার মাধ্যমে সরকারের নীতি সমর্থন নিশ্চিত করার লক্ষ্য স্পষ্ট। রাজনৈতিক দলের মধ্যকার প্রতিযোগিতা ও ক্ষমতার লড়াই আদালত ও সমাজের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট দেশের সংবিধান,নির্বাচন প্রক্রিয়া ও বিচার ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক,মানবাধিকার সংস্থা ও দূতাবাসগুলির নজরে। বৈদেশিক বিনিয়োগ,অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের উপর এর প্রভাব বিবেচনা করা হচ্ছে। নিরাপত্তা,সুরক্ষা ও বিচার রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা গ্রেফতারের প্রক্রিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হবে। মামলাগুলি জাতীয় নিরাপত্তা, সংবিধান ও জনগণের অধিকার সংরক্ষণের প্রেক্ষাপটে পরিচালিত হচ্ছে। অর্থনৈতিক প্রভাব রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশের বিনিয়োগ,রপ্তানি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রভাবিত করতে পারে। সংবিধান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল পরিস্থিতি বজায় থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা প্রদর্শন হবে। দালিলিক প্রমাণ: তিনটি রিট মামলা আদালতে চলমান। আইনগত নথি ও প্রমাণাদি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে তথ্য…
নিজস্ব প্রতিবেদক।।১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের নিরঙ্কুশ জয়ে নির্বাচিত হয়ে নবগঠিত মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন দুই ব্যবসায়ী সংসদ সদস্য। কুমিল্লা-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ষষ্ঠবারের জন্য সংসদে জয়ী হয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ১৯৮৬ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া কায়কোবাদ দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তার ব্যবসায়িক সম্পদ ও অর্থের প্রভাবে দলের প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে অন্যতম। সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী, যিনি স্বশিক্ষিত ও ব্যবসায়ী,শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এই প্রথমবার জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হয়ে অর্থ ও রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীপদে দায়িত্ব পালন করছেন। দুই মন্ত্রীই অর্থ ও ব্যবসায়িক প্রভাবের মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন,যা আগামী সময়ে জাতীয় নীতি ও পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের ‘আরেকটি গণ-অভ্যুত্থান’ সংক্রান্ত সতর্কবার্তার জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আম জনতার দলের সদস্য সচিব তারেক রহমান।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ফুয়াদকে ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতকারী’ আখ্যা দিয়ে রাজপথে মোকাবিলার ঘোষণা দেন। ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান লিখেছেন, ‘আর একটা গণ-অভ্যুত্থানের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলছে ব্যারিস্টার ফুয়াদ।সেই গণ-অভ্যুত্থানে আমি ব্যারিস্টার ফুয়াদকে প্রতিপক্ষ হিসাবেই চাই।’ তিনি এই বিরোধকে আদর্শিক লড়াই হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘ব্যারিস্টার ফুয়াদের চাঁদ-তারার সাথে লাল-সবুজের লড়াই হবে।’ পোস্টে তিনি আরও অভিযোগ করেন,ব্যারিস্টার ফুয়াদ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করছেন এবং শহীদদের নিয়ে উপহাস করছেন।এ বিষয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত,আর মুখ ভেঙ্গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদের অসম্মানের জবাব যুক্তি-তর্কে নয়, রাজপথে দিতে চাই।’ এর আগে গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে সতর্কবার্তা দেন।তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির কিছু নেতাকর্মী ‘নব্য আওয়ামী ফ্যাসিবাদী’ হয়ে উঠছেন এবং তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দলের নেতৃত্বের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ফুয়াদ বলেন,‘আপনার দলের মধ্যে যদি তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন,তাহলে আপনার পতন হাসিনার চেয়েও ভয়াবহ রকম হবে।আরেকটা গণ-অভ্যুত্থানের জন্য প্রস্তুত থাকুন।’ বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি।সেখানে ভোটের দিন ব্যালট ছিনতাই ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ এনে প্রশাসনের ভূমিকাও সমালোচনা করেন। ফুয়াদের ওই বক্তব্যের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তাকে রাজপথে মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন আম জনতার দলের নেতা তারেক রহমান।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।জুলাই গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন,গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন হিসেবে বিবেচিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছেন,তাদের সর্বোচ্চ মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সরকারের অঙ্গীকার। তিনি আরও বলেন,জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা—গণতন্ত্র,ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা—তা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে।দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে আইন মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলেও জানান তিনি। এ সময় বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও আইনের বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে বলে আশ্বাস দেন আইনমন্ত্রী।
নিজস্ব প্রতিবেদক।। একটি জাতির অগ্রগতির জন্য সবার আগে শিক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর এসে শিক্ষার চেয়ে অন্য কোনো খাতে বেশি বাজেট দেওয়ার সুযোগ নেই। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন,অতীতে শিক্ষা খাতকে যথাযথ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়নি বলেই জাতীয় বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ জিডিপির ৫ থেকে ৬ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও তা কমে প্রায় ২ শতাংশে নেমে এসেছে।তিনি বলেন, “আমরা আসলে কী চাই, সেটি আগে নির্ধারণ করতে হবে।অগ্রাধিকার ঠিক হলেই বাজেটের বিষয়টি স্পষ্ট হবে।” শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ও ‘কালচার’ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন,শিক্ষা নিজেই একটি মৌলিক সাংস্কৃতিক ভিত্তি। দেশের উন্নয়নের জন্য শিক্ষার মূল কাঠামো শক্তিশালী করা এখন সময়ের দাবি। অতীতের উদাহরণ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন,১৯৭২ সালে খাদ্য নিরাপত্তাসহ নানা সংকট থাকায় তখন শিক্ষার চেয়ে অন্যান্য খাতকে বেশি গুরুত্ব দিতে হয়েছিল।তবে বর্তমান বাস্তবতায় রাষ্ট্রের চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। গত ১৫ বছরের বিতর্কিত কারিকুলাম ও পাঠ্যবই প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,এ বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত মন্তব্য করার সময় হয়নি।তিনি জানান,কারিকুলাম নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনা হবে; আপাতত সরকারের প্রধান লক্ষ্য শিক্ষার মৌলিক ভিত্তি ও অগ্রাধিকারগুলো সঠিকভাবে নির্ধারণ করা।
শিরোনাম: নিজস্ব প্রতিবেদক।।স্চ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় কমানোর দিকে গুরুত্ব দিতে চান সড়ক,নৌ ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, “বিশাল বড় দায়িত্ব আমার কাঁধে।তিনটি মন্ত্রণালয়ই সরাসরি জনগণের সেবার সঙ্গে জড়িত।তাই এখানে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই।” তিনি জানান,নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমে মন্ত্রণালয়ের চলমান কাজ ও প্রকল্পগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেওয়া হবে। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করা হবে। শেখ রবিউল আলম আরও বলেন,যেখানে যতটুকু গুরুত্ব প্রয়োজন,সেখানে ততটুকুই অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হবে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে চীন ও ভারত।দুই দেশই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়,চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর পৃথক বার্তায় ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান। অভিনন্দন বার্তায় ওয়াং ই বলেন,দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।তিনি আশা প্রকাশ করেন,এর মাধ্যমে চীন–বাংলাদেশ ‘বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ককে বেইজিং বিশেষ গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। অন্যদিকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর তার বার্তায় বলেন,পারস্পরিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করতে ভারত আগ্রহী।দুই প্রতিবেশী দেশের দীর্ঘদিনের বহুমুখী সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। নতুন সরকার গঠনের পর ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।নরসিংদী-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।বিএনপি থেকে চারবার নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য এবার প্রথমবারের মতো মন্ত্রিপরিষদে স্থান পেয়েছেন।নবগঠিত মন্ত্রিসভায় তাকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর মঙ্গলবার তাঁর নিজ নির্বাচনী এলাকায় আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।স্থানীয় নেতা–কর্মী ও সমর্থকেরা বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সরদার সাখাওয়াত হোসেন নরসিংদী জেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি মনোহরদী উপজেলার চালাকচর ইউনিয়নের হাফিজপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং সরদার আসমত আলীর ছেলে। দলীয় সূত্রে জানা যায়,ছাত্ররাজনীতি থেকেই তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু।তিনি নরসিংদী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ছিলেন।১৯৯১ সালে বিএনপির মনোনয়নে প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন।তবে একই বছরের ১২ জুন অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক সেনাপ্রধান নুর উদ্দিন খানের কাছে পরাজিত হন।পরে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নুর উদ্দিন খানকে হারিয়ে আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি ১ লাখ ৬১ হাজার ৯১২ ভোট পেয়ে জয়ী হন।তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৪৫ ভোট। মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুর রহমান সরকার বলেন,সরদার সাখাওয়াত হোসেনের মন্ত্রিত্ব পাওয়ার খবরে মনোহরদী ও বেলাব উপজেলায় খুশির জোয়ার বইছে। স্থানীয়দের আশা,তিনি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় এলাকার উন্নয়নে নতুন গতি আসবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ (বুধবার) জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)সহ দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে একযোগে ভাষণটি প্রচার করা হবে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল,সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং অনলাইন নিউজপোর্টালকে ভাষণ সংক্রান্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে যান। সেখানে তারা পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।এ সময় শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও ফাতিহা পাঠ করা হয়। এর আগে বেলা ১১টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সেখানে তিনি প্রথমে এককভাবে এবং পরে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষ রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। জিয়া উদ্যান থেকে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা সরাসরি সচিবালয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।আজ বিকেলেই সেখানে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন বলে জানা গেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন,দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে এবং অর্থনীতিতেও স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রী হিসেবে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, “চ্যালেঞ্জ নিয়েই দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।এটি জাতি গঠনের চ্যালেঞ্জ।প্রধানমন্ত্রীর একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে, মন্ত্রিসভা সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে।আমরা গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সামনে এগোতে চাই।” তিনি আরও বলেন,সবার সহযোগিতায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে একটি গতিশীল মন্ত্রণালয়ে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে।মানুষের সমস্যা সমাধান,ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, কৃষকদের সহায়তা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি জোরদার করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, গণঅভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরপরই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে—এমনটা প্রত্যাশা করা বাস্তবসম্মত নয়। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়াকে তিনি বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন।জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্তিমূলক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। আসন্ন রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন,এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী মন্ত্রিসভা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। দুর্নীতি দমনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন,গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার প্রয়োজনীয় কাজ করেছে বলে তার দল মনে করে। এদিকে বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় খোলার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও সেগুলোকে সামগ্রিক পরিস্থিতি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।জুলাই জাতীয় সনদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এটিকে অবৈধ,সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বেআইনি ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সনদটির কার্যকারিতা স্থগিতের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন।বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। রিটে বলা হয়েছে,জুলাই জাতীয় সনদের বিভিন্ন ধারা দেশের প্রচলিত সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় এর আইনগত ভিত্তি প্রশ্নবিদ্ধ।তাই সনদটিকে অবৈধ ঘোষণা এবং এর কার্যক্রম বন্ধে আদালতের নির্দেশনা প্রয়োজন। এ মামলায় নির্বাচন কমিশন,জাতীয় সংসদের স্পিকার,আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিবাদী করা হয়েছে। রিট আবেদনটি শুনানির জন্য শিগগিরই হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
সর্বশেষ সংবাদ :———