বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশে কয়েক দশক ধরে জ্বালানি খাতে কার্যক্রম চালালেও মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি শেভরন ছাড়া বড় কোনো মার্কিন ব্র্যান্ডের দৃশ্যমান উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম।১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের এই বাজারে স্টারবাকস বা ম্যাকডোনাল্ডসের মতো প্রতিষ্ঠানের অনুপস্থিতি এ বাস্তবতাকেই তুলে ধরে।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে,উচ্চ করহার এবং মুনাফা নিজ দেশে ফেরত নেওয়ার জটিলতা মার্কিন বিনিয়োগ কম থাকার অন্যতম কারণ। এদিকে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারকেই নির্বাচিত করুক না কেনযুক্তরাষ্ট্র সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে মূলত দুটি জোটের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে—একটির নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং অন্যটি জামায়াতে ইসলামী। বিভিন্ন জনমত জরিপে বিএনপি কিছুটা এগিয়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনও এককভাবে সবচেয়ে বড় মানবিক সহায়তাদাতা দেশ। তিনি জানান, জাতিসংঘের সঙ্গে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত দুই বিলিয়ন ডলারের একটি বৈশ্বিক তহবিল কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। তবে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এত বড় সংকট একা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। রোহিঙ্গা ইস্যুতে অন্যান্য দাতা দেশ ও অংশীদারদের সহায়তা বাড়ানো জরুরি। উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে তহবিল সংকটের কারণে রোহিঙ্গাদের খাদ্য রেশন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বেশ কিছু শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
![]()


















































সর্বশেষ সংবাদ :———