প্রতিনিধি ৯ জানুয়ারি ২০২৬ , ৪:৩৪:৩৪ প্রিন্ট সংস্করণ
ডেস্ক রিপোর্ট।। ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি—জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।দীর্ঘ নয় মাসের বন্দিদশা শেষে তাঁর মুক্তি ছিল সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক ও আবেগঘন অধ্যায়।

সেদিনের পথ সহজ ছিল না।আন্তর্জাতিক চাপ,কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং পাকিস্তান সরকারের নানা কৌশলের মধ্য দিয়েও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃঢ় মনোবল ও আপসহীন নেতৃত্বের কাছে শেষ পর্যন্ত নতিস্বীকার করতে বাধ্য হয় পাকিস্তান সরকার।তাঁর মুক্তির মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পথচলার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
এই ঐতিহাসিক দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে বিভিন্ন মহল থেকে।শ্রদ্ধা নিবেদন,আলোচনা সভা এবং স্মরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি পালন করা হচ্ছে।
সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে বক্তারা বলেন,দেশের আকাশে নানা সংকটের মেঘ জমলেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দৃঢ়তার উত্তরাধিকার বহন করে এগিয়ে চলেছেন তাঁর কন্যা,জননেত্রী শেখ হাসিনা।তারা দাবি করেন,প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাতিঘর হিসেবে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং গণতান্ত্রিক ধারায় বিজয় ছিনিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
৮ জানুয়ারি তাই শুধু একটি স্মরণীয় দিন নয়—এটি বাঙালির আত্মমর্যাদা,নেতৃত্বের দৃঢ়তা এবং স্বাধীনতার চেতনাকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করার দিন।
















