অপরাধ-আইন-আদালত

৫৬ মামলার তদন্ত তিন মাসে শেষ করার নির্দেশ

  প্রতিনিধি ২৯ নভেম্বর ২০২২ , ৯:৪৩:৩৬ প্রিন্ট সংস্করণ

নিজস্ব।।বেসিক ব্যাংকের সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা লোপাটের ঘটনায় ৫৬ মামলার তদন্ত তিন মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এ সময় হাইকোর্ট বলেন,দুর্নীতিবাজ যত বড়ই হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে।

বেসিক ব্যাংকের অর্থপাচারের মামলায় নোটিশ দিলেও অনেকে সাক্ষী দিতে আসেন না বলে হাইকোর্টকে জানান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

এর প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বলেন, যারা আসছে না, তাদের বিষয়ে জানালে, ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিন বেসরকারি ব্যাংকটির শান্তিনগর শাখার সাবেক ম্যানেজার মোহাম্মদ আলীর জামিনের ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল।

জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম আবুল হোসেন।দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।এ ঘটনায় করা ৫৬ মামলার মধ্যে ১২ মামলার আসামি ব্যাংকটির সাবেক কর্মকর্তা মোহম্মদ আলী।

দুদকের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে,বেসিক ব্যাংক লিমিটেডের বিভিন্ন শাখা থেকে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন প্রাথমিক অনুসন্ধান করে।যার পরিপ্রেক্ষিতে মোট ৫৬টি মামলা দায়ের করা হয়।

এসব মামলায় ৮২ জন ঋণগ্রহীতা ছাড়াও বেসিক ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ফকরুল ইসলাম, ডিএমডি ফজলুস সোবহান, সাবেক ডিএমডি শেখ মঞ্জুর মোরশেদ, জিএম এ. মোনায়েম খান, জিএম মোহাম্মদ আলী ওরফে মোহাম্মদ আলী চৌধুরীসহ ২৭ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়।

বেসিক ব্যাংকের গুলশান শাখা, প্রিন্সিপাল/প্রধান শাখা, দিলকুশা শাখা এবং শান্তিনগর শাখাসহ মোট ৪টি শাখার ঋণ কেলেঙ্কারির বিষয়ে গুলশান থানায় ২৩, মতিঝিল থানায় ১২ ও পল্টন থানায় ২১টিসহ মোট ৫৬টি মামলা করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে বেসিক ব্যাংক কর্মকর্তা ২৭ জন, ব্যবসায়ী ৮২ জন ও বেসরকারি সার্ভেয়ার ১১ জনসহ মোট ১২০ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে মোট ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content