প্রতিনিধি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৩:১১:৫৬ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।হঠাৎ করেই দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনারকে ঢাকায় তলব করা হয়।একই সময় সামনে আসে হাদি হত্যা মামলার কথিত ভিডিও ফুটেজ এবং দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ও মৃত্যুর গুঞ্জন।

এসব ঘটনার মধ্যেই রাষ্ট্রীয়ভাবে তাঁর মৃত্যুর ঘোষণা আসে—যা জনমনে থাকা নানা প্রশ্নের আপাত অবসান ঘটালেও নতুন করে জন্ম দিয়েছে আরও গভীর অনুসন্ধানের।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়,সাধারণত দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ বা কূটনৈতিক অস্বস্তির ঘটনায় হাই কমিশনারকে তাৎক্ষণিকভাবে দেশে ডেকে আনার নজির বিরল।বিশেষ করে যখন দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধাবস্থা বা সরাসরি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংকট নেই।ফলে এই তলবের পেছনে কী ধরনের অঘোষিত বার্তা বা পরিস্থিতি কাজ করেছে,তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।
এদিকে,হাদি হত্যা মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি ভিডিও ফুটেজের অস্তিত্ব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন ছড়ায়।যদিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ভিডিওটির সত্যতা বা ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি,তবে একই সময়ের মধ্যে ঘটনাপ্রবাহ দ্রুত বদলে যাওয়ায় সন্দেহ ও প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হয়।
সবশেষে রাষ্ট্রীয় ঘোষণার মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।এতে করে দীর্ঘদিনের ধোঁয়াশার অবসান ঘটলেও প্রশ্ন থেকেই যায়—ঘোষণার সময় নির্ধারণ, এর আগে-পরে কূটনৈতিক তৎপরতা এবং অন্যান্য স্পর্শকাতর ঘটনার পারস্পরিক যোগসূত্র আসলে কী।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন,এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে প্রয়োজন স্বচ্ছতা,প্রামাণ্য তথ্য প্রকাশ এবং স্বাধীন অনুসন্ধান।নচেৎ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে জনমনে সন্দেহ ও অবিশ্বাস আরও গভীর হবে।

















