প্রতিনিধি ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ , ৫:০৬:২৬ প্রিন্ট সংস্করণ
মাজহারুল ইসলাম।।রাজনীতিতে ভুল হওয়া অবধার্য,কিন্তু তা স্বীকার ও সংস্কারের মধ্য দিয়ে সঠিক পথে ফেরানো আরও গুরুত্বপূর্ণ।আওয়ামী লীগও এর ব্যতিক্রম নয়।দলীয় কাঠামোর বিচ্যুতি,আদর্শ থেকে বিচ্যুত প্রজন্মের নেতাদের উত্থান—এই ভুলগুলো স্পষ্ট।মেধাবী ও ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে স্বার্থপর ও ব্যবসায়মুখী চরিত্রের নেতা প্রাধান্য পাওয়া,সাংগঠনিক সংস্কারের দাবি আরও বাড়িয়ে দেয়।

লুটপাট ও ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে—এটা অস্বীকার করা যায় না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে (গত ১৭ মাসে) লুটপাটের মাত্রা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।সমন্বয়করা কোটি কোটি টাকার মালিক,নির্বাচনী ঘোষণায় ভাঁওতাবাজি,ব্যাংক একাউন্টে বিশাল অচল টাকা—এগুলো স্বচ্ছতার অভাবের প্রমাণ।স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে সরকারি প্রকল্পে এই ধরনের ঘটনা নজিরবিহীন।
দলীয় সংস্কার,স্বচ্ছতা ও দোষীদের শাস্তি অতি জরুরি।তবে অন্যায়কে অন্যায় দিয়ে ন্যায়সঙ্গত দেখানোর চেষ্টা চলবে না। সমালোচনার একমাত্র উদ্দেশ্য হতে হবে—দোষ চিহ্নিত করে তা সংস্কার করা।কোনো নেতা বা দলকে গালাগালি বা অতিরঞ্জিত অভিযোগ দিয়ে আঘাত করা সমাধান নয়।
আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ সংস্কার ও ক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার না হলে,রাজনৈতিক বিশ্বাস ও জনগণের আস্থা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।তাই দলকে নিজেই তার দুর্বলতা স্বীকার করতে হবে,স্বচ্ছতা বাড়াতে হবে,এবং সংস্কারের পথে অগ্রসর হতে হবে।
কেবল অভিযোগের জন্য অভিযোগ নয়,বাস্তব,কার্যকর এবং ফলপ্রসূ সমালোচনা দেশের জন্য একমাত্র পথ।















