জাতীয়

বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ সাত দাবিতে বিক্ষোভ করেছে

  প্রতিনিধি ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ৪:৫৬:০৪ প্রিন্ট সংস্করণ

নিজস্ব প্রতিবেদক।।কর্মচারীদের সঞ্জীবনী প্রশিক্ষণ,বিদেশগমন ও অবসরভোগীদের জন্য চিকিৎসা ভাতাসহ সাত দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে জরুরি সভা ডাকা হয়।সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বেলাল হোসেনের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবীর। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব নিজামউদ্দিন আহমেদ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন– সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মো. তোয়াহা,তৌহিদুর রহমান,শাহীন গোলাম রব্বানী, মো. নজরুল ইসলাম,রহমত উল্লাহ বাবু,মনোয়ার হোসেন, শাহাদাৎ হোসেনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারী সংগঠনের সভাপতি,সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও নেতারা।

সভা শেষে সচিবালয়ের বাদামতলা চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।ওই মিছিলে নবম জাতীয় পে-কমিশন গঠন ও কর্মচারীদের অভিপ্রায় ও করণীয় বিষয়ে জানানো হয়েছে। এ সময় সাতটি দাবি তোলা হয়। সেগুলো হলো–

১. ১০-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের সঞ্জীবনী প্রশিক্ষণের মেয়াদ ন্যূনতম ১০ দিন কার্যকর করা।

২. সঞ্জীবনী প্রশিক্ষণে গমণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য কমপক্ষে ২০ হাজার টাকা হাত খরচ ভাতা দেওয়া।

৩. সার্কভুক্ত দেশগুলোতে সঞ্জীবনী প্রশিক্ষণের আয়োজন করা।

৪. নবম জাতীয় পে-কমিশন গঠন পরবর্তী কার্যক্রম শিগগিরই শেষ করে ২০২৫ সালের নভেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও কার্যকর করা।

৫. বিদ্যমান ২০টি গ্রেডের পরিবর্তে ১২টি গ্রেড প্রবর্তন করা এবং এর ব্যত্যয় ঘটলে সারা বাংলাদেশে কর্মচারী সংগঠনকে নিয়ে একদফার ভিত্তিতে আন্দোলন ঘোষণার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

৬. অবসরভোগীদের জন্য ১৫ হাজার টাকা চিকিৎসা ভাতাসহ তাদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়।

৭. অর্থ মন্ত্রণালয়ের নানাবিধ হয়রানিমূলক কার্যক্রম ও সিদ্ধান্তিত বিষয়ে অযথা কালক্ষেপনের বিষয়ে প্রতিকার।

গত জুনে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আরও খবর

Sponsered content