প্রতিনিধি ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ , ২:০৪:৪৫ প্রিন্ট সংস্করণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আনন্দবাজার আড়তে বেড়েছে সব ধরনের মাছের সরবরাহ।বিশেষ করে কার্পজাতীয় মাছের মধ্যে রুই,কাতল,মৃগেলের আমদানি বেশি।এ ছাড়া নদী-নালা খাল-বিলের দেশীয় মাছ হিসেবে পরিচিত পুঁটি, টেংরা,বাইম,পাবদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ রয়েছে।তবে সরবরাহ থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আনন্দবাজার মাছের আড়ত কাকঢাকা ভোর থেকেই ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে সরগরম হয়ে ওঠে।দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বড় এবং মাঝারি আকারের কার্পজাতীয় মাছ রুই কাতল মৃগেলের আমদানি হয় এই বাজারে।এ ছাড়া জেলার পুকুর,দিঘি থেকেও দেশীয় ছোট বড় মাছের সরবরাহ হয় বাজারে।
তবে সরবরাহ বাড়ার পরেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ। এতে বিপাকে ক্রেতারা।এ অবস্থায় বাজারে আসা ক্রেতারা বলছেন পর্যাপ্ত পরিমাণ মাছের সরবরাহ থাকলেও দাম ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।
মাছ চাষি এবং পাইকারি ক্রেতারা বলছেন,মাছের খাদ্যসামগ্রীর দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মাছের উৎপাদন খরচ বেড়েছে।এতে বাজারে মাছের দাম বাড়ছে।তবে সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।’
অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন,বাজারে মাছের সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে।তবে মাছের খাদ্যসামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ায় বাজারে প্রভাব পড়েছে। তাই মাছের দাম একটু বেশি।
বিক্রেতারা জানান,বাজরে ছোট সাইজের রুই মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকায়।আর এক কেজির বেশি ওজনের রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা থেকে ২৫০ টাকায়।এ ছাড়া মাঝারি আকারের কাতল মাছ প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা,পাঙাশ প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা,চাষের পাবদা প্রতি কেজি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা ও চাষের বড় টেংরা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়।
আনন্দবাজার বাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য সাদ্দাম হোসেন বলেন,এ বাজারে সাতক্ষীরা,যশোর,খুলনা ও রাজশাহী অঞ্চল থেকে মাছ আসে।তবে বাজারে মাছ থাকলেও দাম বেশি।এতে অনেক ক্রেতা ফিরে যাচ্ছেন।
তবে বাজারে মাছের খাদ্যসামগ্রীর দাম হাতের নাগালে চলে আসলে উৎপাদন খরচে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।এতে মাছের বাজার দর স্থিতিশীল হয়ে আসবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
বাজার কমিটির তথ্য অনুযায়ী প্রতিদিন গড়ে এই বাজার থেকে কোটি টাকার মাছ বেচাকেনা হয়।














