নিজস্ব প্রতিবেদক।।প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর বার্তা দিয়েছে সরকার।নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন,সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সময়নিষ্ঠার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।কর্মকর্তাদের সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের কাছে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।এখন থেকে দেরি বা দায়িত্বে অবহেলা সহ্য করা হবে না বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে সময়ের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদাহরণ দেন।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন সকাল ৯টার আগেই দপ্তরে উপস্থিত হন। রাজধানীর যানজট এড়াতে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে অনেক সময় তিনি প্রটোকল ছাড়াই ভোরে সচিবালয়ে পৌঁছে যান।
প্রধানমন্ত্রীর এই সময়ানুবর্তিতা সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে ইতিবাচক চাপ ও সচেতনতা তৈরি করেছে বলে জানান সচিব। এতে সামগ্রিক কর্মপরিবেশেও পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করা হয়।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত অফিস করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব অফিস রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেখানে তিনি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন।তবে এটি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের বিষয়।
প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল আসছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নাসিমুল গনি বলেন,প্রশাসনিক পরিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং সময়ের প্রয়োজনেই তা দৃশ্যমান হতে পারে।
এদিনের ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়,এখন থেকে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।
সরকারের এই উদ্যোগ জনপ্রশাসনে জবাবদিহিতা বাড়াবে এবং সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
![]()



















































সর্বশেষ সংবাদ :———