নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা, নির্যাতন ও হয়রানির প্রতিবাদে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বান জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন স্তরের সংবাদকর্মীরা।এ লক্ষ্যে মানববন্ধনসহ কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার দাবি জানানো হয়েছে।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও পেশাজীবী মহলের পক্ষ থেকে উত্থাপিত প্রস্তাবনায় বলা হয়,সংবাদকর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে তা সরাসরি ফৌজদারি মামলার মাধ্যমে নয়,বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে।অভিযোগের ভিত্তিতে প্রেস কাউন্সিল তদন্ত করে সত্যতা পেলে আদালতের মাধ্যমে সমন জারি করা হবে।আদালত তিনবার সমন জারির পর হাজির না হলে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করার বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়,কোনো সংবাদকর্মী হামলা বা নির্যাতনের শিকার হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাংবাদিকদের আটক করতে পারবে না—এমন বিধানও আইনে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।
সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ এবং সর্বনিম্ন বেতন সরকারি ৮ম গ্রেডের আওতায় নির্ধারণের প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়।একই সঙ্গে সত্য ঘটনা প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট পত্রিকায় প্রতিবাদ ও সত্যতা যাচাইয়ের সুযোগ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
এছাড়া মিথ্যা,বানোয়াট বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রেস কাউন্সিলের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণের ক্ষেত্রেও প্রেস কাউন্সিলের অনুসন্ধান বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত সরকারি,বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার মতো কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সাংবাদিক নেতারা বলেন,গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর আইন প্রণয়ন জরুরি।এ বিষয়ে সরকারের দ্রুত উদ্যোগ কামনা করেছেন তারা।
![]()


















































সর্বশেষ সংবাদ :———