অপরাধ-আইন-আদালত

শিশু শিক্ষার্থীকে অপরাধী বানানোর পুলিশি ঘুষ বানিজ্য: তাহরিমা জান্নাত সুরভীর রিমান্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘন

  প্রতিনিধি ৫ জানুয়ারি ২০২৬ , ১২:৩০:০৬ প্রিন্ট সংস্করণ

শিশু শিক্ষার্থীকে অপরাধী বানানোর পুলিশি ঘুষ বানিজ্য: তাহরিমা জান্নাত সুরভীর রিমান্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘন

ডেস্ক রিপোর্ট।।গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানাধীন মৌচাক পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে,অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থী তাহরিমা জান্নাত সুরভীকে মিথ্যা মামলায় রিমান্ডে নেওয়া।ঘটনার সূত্রপাত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুটি প্রভাবশালী ধর্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত স্ট্যাটাস থেকে,যেখানে পুলিশ তার কাছে ঘুষ দাবি করে।টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মামলার মাধ্যমে তাকে হয়রানি করা হয়।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ

লাইভ ভিডিও ও সামাজিক মাধ্যমের স্ট্যাটাসে দেখা যায়, অভিযোগকারী নিজেই শিশুর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা চাঁদাবাজি মামলা হাস্যকর, কারণ বাদী নিজেই লাইভে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এসআই ওমর ফারুক রিমান্ড আবেদন করেন,যা শিশু আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।

পুলিশের দায়িত্ব ও কুপ্রভাব

কালিয়াকৈর থানাধীন মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ফারুক কে ঘুষ না দেওয়ার কারণে শিশুকে মিথ্যা মামলা ও রিমান্ডে নেওয়ার মাধ্যমে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।এটি পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ন্যায়বিচারের প্রতি আঘাত।

ভুক্তভোগী ও পরিবারের বক্তব্য

পরিবার আদালতে সুরভীর আত্মনাদ প্রদান করেছেন।আইন উপদেষ্টা মোঃ আসিফ নজরুল বিষয়টি ফেসবুকে প্রকাশ করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করেছেন।পরিবার দাবি করেছেন, এটি ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নয়,বরং ক্ষমতার অপব্যবহার।

আইন ও মানবাধিকার বিশ্লেষণ

শিশু আইন অনুসারে,অপ্রাপ্তবয়স্কদের রিমান্ডে নেওয়া নিষিদ্ধ। মিথ্যা মামলার মাধ্যমে শিশু শিক্ষার্থীকে অপরাধী বানানো মানবাধিকার ও শিশু অধিকার লঙ্ঘন।আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন,পুলিশি হয়রানি ও ঘুষ চাওয়া প্রমাণিত হলে তা বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য।

সামাজিক ও নৈতিক প্রভাব

ঘটনাটি জনমত ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। জনগণ পুলিশের অপব্যবহার,শিশু অধিকার লঙ্ঘন এবং ন্যায়বিচারের জন্য স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানাচ্ছে।

আরও খবর

Sponsered content