নিজস্ব প্রতিবেদক।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয় পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি।শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে আঞ্চলিক কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।
ঢাকা থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে,শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র ভারতের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।এর আগে বিএনপি নেতারা জানিয়েছিলেন,শপথ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
তবে নির্ধারিত সূচির কারণে মোদির ঢাকায় উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা কম বলে ভারতীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।একই দিনে মুম্বাইয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নিতে ম্যাক্রোঁর ভারত সফরও ওই সময় থেকেই শুরু হওয়ার কথা।
মোদি উপস্থিত না থাকলেও ভারতের পক্ষ থেকে একজন জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি—সম্ভবত উপ-রাষ্ট্রপতি বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী—শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারতীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে,বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে যাওয়ায় দিল্লি সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী হলেও তাড়াহুড়ো করতে চায় না।একই অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রিত হলে ভারতের প্রতিনিধিত্বের মাত্রা নিয়েও বিবেচনা চলছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
জানা গেছে,দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)-ভুক্ত অধিকাংশ দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে বাংলাদেশের।পাশাপাশি চীন, মালয়েশিয়া,সৌদি আরব ও তুরস্কসহ কয়েকটি বন্ধুসুলভ দেশের নেতাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে।
শনিবার এক বক্তব্যে তারেক রহমান জানান, তার সরকারের পররাষ্ট্রনীতি হবে পারস্পরিক সম্মান, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির ভিত্তিতে পরিচালিত।
![]()











































সর্বশেষ সংবাদ :———